হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার ১৫টি কার্যকরী টিপস

হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে যদি আপনি বিস্তারিত না জানেন। তাহলে এই পোস্টের ভিতরে এর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এখানে একটা মানুষের হাত ঝিমঝিম কারণ এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে ডাক্তারি পরামর্শ এবং ঘরোয়া উপায় গুলো আলোচনা করা হবে।

হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার

আপনি যদি হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ প্রতিকার এবং বাম হাত ঝিনঝিন করার কারণ, হাত পা অবশ হওয়ার কারণ ও প্রতিকার না জানেন তাহলে আমাদের এই পোস্টের তথ্যগুলো আপনার উপকারে আসবে বলে আশা করা যায়। তাহলে চলুন দেরি না করে সেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জেনে রাখি।

পোস্ট সুচিপত্রঃ হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার ১৫টি কার্যকরী টিপস জানুন

হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানুন 

হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো একজন মানুষের কি কি সমস্যা থেকে এই হাত পা ঝিমঝিম করার সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। কোন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেলের অভাবে তা আমরা এখন জানবো। পাশাপাশি একজন মানুষের কি সাধারণভাবেই এই সমস্যা হয় নাকি রোগ থেকে এই সমস্যা সৃষ্টি হয় সেটাও জানবো। হাত পা ঝিমঝিম করার কারণে মানুষের নানান সমস্যা হয় তা থেকে বাঁচতে পারবেন।

হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকারগুলোঃ প্রথমে কারন,

  • চিকিৎসকর মতেঃ কোন মানুষের স্থায়িত্ব এক ভাবে থেকে যদি কোন রকমের চাপ পরে তাহলে শরীরের কিছু অংশ অনুভূত করে না যার ফলে সেই অংশকে অবশ লাগে বা ঝিনঝিন করে বলে মনে করা হয়। একজন মানুষ শারীরিক দুর্বলতা থাকলে থাইরয়েড রোগ থাকলে এবং ডায়াবেটিস বা স্ট্রোকের সমস্যা থাকলে এই হাত পা ঝি করার সমস্যা দেখা দিতে পারে। 
  • শরীরে স্বাভাবিক ভাবে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া না ঘটলে হাত পায়ে ঝিঝি ধরতে পারে। আমাদের শরীরে সঠিকভাবে নার্ভ গুলো রক্ত সারা শরীরে সরবরাহ না করতে পারলে, শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছাতে পারে না যার ফলে আপনার যে অংশে অক্সিজেন পৌঁছায় না অবশ বা ঝিনঝিন করে।
  • স্নায়ু রোগ বিশেষজ্ঞদের মতে নিউরালজিয়ার কারণে এমনটা হয়। স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানুষের শরীরে হাত পা জ্বালাপোড়া তীব্র ব্যথার মত সমস্যা হয়,যা নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া রোগ ব্যাধির সংক্রমণের ফলে হতে পারে হতে পারে বয়সের বৃদ্ধির কারণে। 
  • অন্তঃসত্তাদের মাঝে মাঝে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয় বলে উপসর্গ মিলেছে। 
  • অধিক পরিমাণ অ্যালকোহল ও মদ্যপান করার কারণে কোষগুলি কাজ করতে পারেন না শরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া দ্রুত অবনতি হয় যার ফলে শরীর এবং হাত-পা অবশ হয়ে যায়। 
  • তাছাড়া থাইরয়েড রোগের সমস্যা থাকলে এটা হতে পারে। গলায় থাইরয়েড গ্রন্থিত গন্ডগোলের কারণে হাত পা ও অসার হয়ে হাত পায়ে ঝিঝি ধরতে পারে।
  • ভিটামিন ও খনিজ এর অভাবঃ মানুষের শরীরে অনেক ধরনের ভিটামিন এর চাহিদা থাকে। এর মধ্যে ভিটামিন বি ১২ যদি আপনার শরীরে অভাব দেখা দেয় তাহলে শরীর অসার হয়ে যেতে পারে এবং ঝিঝি ধরতে পারে। 
  • মস্তিষ্ক রক্ত প্রবাহ সঠিক না হলেঃ মস্তিষ্কের যদি রক্ত প্রবাহ সঠিকভাবে না হয় তাহলে আপনার শরীরের এই সমস্যা হতে পারে এর কারণে স্টক ও হতে পারে। রক্তনালী গুলো স্বাভাবিকভাবে রক্ত সরবরাহ না করতে পারলে এ সমস্যা দেখা দেয়।
  • হাত পা রক্ত চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয় যার ফলে স্নায়তন্ত্র দুর্বল হয়ে যায় এই কারণগুলোতে শরীর অবশ হয়ে যেতে পারে। 
  • আপনি যে বিছানায় ঘুমান সেই বিছানা অতিরিক্ত নরম হওয়ার কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। 
  • অথবা এক বিছানায় অনেকক্ষণ একভাবে শুয়ে থাকার কারণে হাতে চাপ লাগার ফলে হাত-পায়ের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থেকে বিচ্যুত হয় এর জন্য এই সমস্যা সৃষ্টি হয়। 

এই উপসর্গগুলো ছাড়াও এটিকে অনেকে রোগ মনে করা হয় যা বিভিন্ন বিজ্ঞানী চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখিত রোগ গুলোর মধ্যে যেগুলো সার্বিকাল স্পনডাইলোসিস, কার্পাল টেনেল সিনড্রোম, নাম্বার স্পনডইলোসিস, ভেরিকোস ভেইন, পেরিফেরাল নিউরো প্যাথি, ডায়াবেটিকস নিউরোপ্যাথি, নিউরন, ডিজিজ ইত্যাদি সহ বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেল অব্যাহত সমস্যা থাকলে এই উপসর্গগুলো দেখা দেয়। তাই আপনাকে সঠিক সমাধানের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং নিচের প্রতিকার মূলক উপায় গুলো দেখতে পারেন। 

হাত-পা ঝিমঝিম করার প্রতিকার গুলো দেখুনঃ

  • নরম বিছানা ব্যতীত শক্ত বিছানায় কোন অভ্যাস করতে হবে। 
  • একটানা বিছানায় অনেকক্ষণ একভাবে শুই না থাকে পজিশন পরিবর্তন করে ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে যাতে আপনার হাত-পয়ে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
  • অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ একসাথে দাঁড়িয়ে কাজ করার বা বিভিন্ন কাজ এক টানা করার ফলে যে সমস্যা হয় তার জন্য আপনাকে কাজ করার ফাঁকে ফাঁকে ৫ মিনিট রেস্ট নিতে হবে।
  • শরীরে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির কারণে রক্ত সঞ্চালনের বাধাগ্রস্ত হয় তাই এই অতিরিক্ত ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে তাহলে সমস্যা থেকে বাঁচা যাবে। 
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে না হলে আপনার শরীরে রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে এতে আপনার শরীর ঝিমঝিম ও অবশ হতে পারে।
  • মেরুদন্ড এবং স্নায়ুতন্ত্র জড়িত সমস্যা থাকলে আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে হবে। 
  • সপ্তাহের ৪ থেকে ৫ দিন ঘাম ঝরানোর মত পরিশ্রম করতে হবে যাতে শরীর থেকে ঘাম বের হয় এবং শরীরে রক্ত চলাচল এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।
  • ঝিঝি ধরার ধরনঃ সাধারণত তিনটি ধরনের উপসর্গ দেখা দেয় প্রথমত চাপ প্রয়োগ হওয়ার মিনিট খানেক পর অথবা চার মিনিটের মধ্যে স্থায়ী সমস্যা দূর হয় এবং স্বাভাবিক হয়ে যায় যাকে বলা হয় কম্প্রেশন বেঙ্গলিং। এলোপতি গুলো যাদের চামড়ার ভিতরে অংশ পিঁপড়া দৌড়াদৌড় করে বলে মনে হয়। 
  • দ্বিতীয় অনুভূতিঃ এই সময় ১০-১৫ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত স্নায়ুতন্ত্রের উপর চাপ থাকে ততক্ষণ এই সমস্যা থাকে এবং রীতিত সমাধান হয়।
  • তৃতীয় পর্যায়ঃ এটি অবসরণ করার পর অনেকাংশেই দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবশ্যই থাকে একে ইংরেজিতে প্রিন্স এন্ড লিডলস বলা হয়। এই সংশোধ থেকে বাঁচার জন্য আপনি কেমোথেরাপি নতুন চিকিৎসা ব্যবহার করতে পারবে। এস আইডির ওষুধ খিচুনি ওষুধ বন্ধ হলে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে পারবেন। সিসা রেডিয়েশনের মতো বিষাক্ত বস্তু সংস্পর্শে এলে সমস্যা হতে পারে। 

এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এগুলো অঙ্গ নিয়মিত ঝিঝি ধরার ঘটনা ঘটলে আপনাকে অবশ্যই জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে তাছাড়া আপনার এই সমস্যা চিরতরে বৃদ্ধি হয়ে যাওয়ার কারণে, আপনার চিরস্থায়ী অনেক বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়ে যেতে পারে। 

হাত পা ঝিনঝিন করার কারণ সমূহ দেখে নিন 

হাত পা ঝিনঝিন করার কারণ সমূহ অত্যন্ত দূরলভ সমস্যা সৃষ্টি করার কারণ হতে পারে। এই সমস্যা হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে শরীরের রক্ত প্রবাহ সঠিক না থাকা এবং শারীরিকভাবে সুস্থ না থামা এ সকল সমস্যার পাশাপাশি আরো কিছু সমস্যা রয়েছে যেগুলোর মধ্যে অন্যতম সমস্যাগুলো হচ্ছে। শরীরের স্নায়ুতন্ত্র সহ বিভিন্ন রক্ত বাধাগ্রস্ত হয় রক্ত প্রবাহে।

কিন্তু সীমাবদ্ধ নয় মস্তিষ্কের ব্যাধি, মেরুদন্ডের সমস্যা, স্নেহ রোগ, এবং ডার্ক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অন্তর্নিত সমস্যার উপর নির্ভর করে এই ঝিন করার সমস্যা হতে পারে সুতরাং আপনাকে দুর্বলতা থাকলে ছাড়য়ে তুলতে হবে এবং ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে সারিয়ে তুলতে হবে। আর এই সকল সমস্যা হারিয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করতে হয় ডাক্তারি পরামর্শ গ্রহণ করে আপনাকে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। 

আপনার পছন্দ হতে পারে এমন পোস্টের তালিকাঃ

পড়ুনঃ ১০০% নিরাপদ চোখের ছানি দূর করার ঘরোয়া উপায় জানুন

পড়ুনঃ আখের গুড়ের ২১টি উপকারিতা ও  ৫টি অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় কদবেল খাওয়ার ২১টি উপকারিতা জানুন

পড়ুনঃ বীর্যমনি পাউডার খাওয়ার নিয়ম এবং বীর্যমনি গাছের ২১ উপকারিতা জানুন

হাত ঝিনঝিন করার ঔষধ সম্পর্কে জানুন 

হাত ঝিনঝিন করার ওষুধ গুলো দেখে নিতে পারেন যা আপনার হাত ঝিনঝিন করার সমস্যা দূর করতে পারে। যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, সম্ভব বলে ইনসুলিন ব্যবহার করতে হবে। থাইরয়েড চিকিৎসার জন্য আপনাকে ওষুধ খেতে হবে। ডাক্তারি পরামর্শ নিয়ে যেই পরামর্শ অনুযায়ী রিপোর্ট দেখে আপনাকে ওষুধ দিবে সেই ওষুধ খেতে হবে। 

  • পাশাপাশি আপনি প্রিগাবানিল ও এমিট্রিপটাইনীল। পেরিফেরাল নিউরো ক্যাথি রোগে এই ওষুধ সাধারণত নিউরোপ্যাথি রোগে এই ওষুধ দীর্ঘদিন ব্যবহৃত হয়।
  • গুলেল বাড়ি সিনড্রোম যার কারণে হাত পা অবশ হয়ে যায় এর জন্য চিকিৎসিতভাবে স্থায়ীভাবে মেডিকেলে ভর্তি হয়ে। 
  • ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট এর জন্য ভিটামিন b12 ট্যাবলেট ইনজেকশন ব্যবহৃত হয়। 
  • ভিটামিন b6 নার্ভ হেলথ এর জন্য কার্যকরী। 
  • গাবাপেন্টিং ও প্রেগাবালিন।
  • পেইন রিলিফ হিসেবে মাল্টিভিটামিন সাপ্লিমেন্ট করতে পারেন। 
  • চিকিৎসা রয়েছে যেগুলো করার মাধ্যমে আপনি এই সমস্যা খেয়েছে তোরে মুক্তি দিতে পারেন। 

উল্লেখিত তথ্যগুলো থেকে অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন যে, কি কি ধরনের ওষুধ ব্যবহার হতে পারে। আপনি যদি আরো বিস্তারিত বিষয়ে জানতে চান তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটির ভিতরে যে আরো পড়ুন সেকশন গুলো রয়েছে সেই সেকশন গুলো ভিজিট করতে পারেন। সেখানে আরো বিস্তারিত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অতি উত্তম। তাই আপনি প্রথমে নিজে নিজে কোন চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

বাম হাত ঝিনঝিন করার কারণ সমূহ 

বাম হাত ঝিনঝিন করার কারণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অভ্যন্তরীণ যে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো রয়েছে, তা সঠিকভাবে কাজ না করার ফলে হাত পায়ে ঝিনঝিন এই সমস্যা হতে পারে। বাম হাত ঝিনঝিন করার কারণ এবং পা ঝিনঝিন করার উল্লেখযোগ্য যে কারণগুলো রয়েছে তা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি যা দেখে নিতে পারেন। এবং এখান থেকে আপনি বুঝতে পারবেন যে কিভাবে বাম হাত ঝিনঝিন করে এবং এর প্রতিকার মূলক ব্যবস্থা কি রয়েছে। 

একটি কথা বলে রাখা ভালো দীর্ঘক্ষণ বসা বা শুয়ে থাকা এবং বিভিন্ন রক্ত প্রবাহিত নালীগুলো বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে এ সমস্যা হতে পারে। তাই আপনি সংশ্লিষ্ট চাপ মুক্ত থাকার জন্য বিভিন্ন থেরাপি এবং কেমো ব্যবহার করতে পারেন এর জন্য আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তুমি কিছু ক্ষেত্রে এটা স্থায়ী সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয় যদি আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বল থাকে বিশেষ করে স্নায়ুতন্ত্র, হৃদপিণ্ড।

ঘুমের মধ্যে হাত পা অবশ হয় কেন জানুন 

ঘুমের মধ্যে হাত পা অবশ হয় তার কয়েকটি কারণ রয়েছে তার মধ্যে প্রথমে আপনার যদি শোবার বিছানা অতিরিক্ত নরম হয় তাহলে ঘুমের মধ্যে পা হাত অবশ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া আপনি যদি এক পজিশনে অনেক লম্বা সময় পর্যন্ত ঘুমান তাহলে আপনার রক্ত চলাচলে বাধা হওয়ার ফলে হাত অবশ্য হয়ে যাওয়ার মতন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর জন্য আপনাকে কিছু উপায় অবলম্বন করতে হবে।

ঘুমের মধ্যে হাত পা অবশ হয় কেন

প্রথমে আপনাকে সোজাসুজি ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে। ঘুমের মধ্যে একটানা একইভাবে ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করে। পজিশন চেঞ্জ করতে হবে যাতে আপনার শরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে শরীরের প্রত্যেকটি জায়গায় রক্ত প্রবাহিত করতে পারে। রক্ত প্রবাহ সঠিকভাবে না হলে আপনার শরীরের অক্সিজেনের ঘাটতি পড়বে যার ফলে ঘুমের মধ্যে হাত পা অবশ হয়ে যেতে পারে। 

পা অবশ হওয়ার প্রতিকার গুলো যা আপনার কাজে আসবে 

পা অবশ হওয়ার প্রতিকার গুলো যা আপনার প্রয়োজন হবে একজন মানুষের বিভিন্ন সমস্যা থাকলে পা অবশ হতে পারে। যেমন, রক্ত সমস্যা, স্নায়ু দুর্বলতা, শরীরে বিভিন্ন রোগ রয়েছে যার কারণে এই সমস্যা দেখা দেয় তাছাড়া আপনি এ রোগ থেকে বাঁচার জন্য অনেক ধরনের উপায় রয়েছে তা ব্যবহার করতে পারবেন। 

  • উৎস ভেজানো রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর জন্য আপনার গা গরম রাখতে গরম পানি খেতে পারবেন। এবং গরম পানি দিয়ে গা গোসল করতে মুছতে করতে পারবেন। 
  • মেসেজ করতে পারবে শরীরে রক্ত প্রবাহ উদ্দীপ্ত এবং অসার হয়ে গেলে আপনার শরীরে মেসেজ করলে এই সমস্যা এবং রক্ত প্রবাহ সঠিক অবস্থায় ফিরে আসবে। 
  • সরিষার তেল ব্যবহার করে আপনার শরীরের হাত ও পায়ে যদি ভালোভাবে ঘষা দেন তাহলে অবশ্যই রক্ত সঞ্চালন সমস্যা ধীরে ধীরে কমে যাবে। 

একজন মানুষের পা অবশ হয়ে যাওয়ার অনেক কারণ রয়েছে সে কারণগুলো সম্পর্কে আপনি যদি না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের পোস্টের তথ্যগুলো ভিজিট করতে পারেন। আর আপনি যদি এই তথ্যগুলো জেনে থাকেন তাহলে এর প্রতিকার করে ব্যবহার করে আপনার পা অবস যাওয়ার সমস্যা সমাধান করতে পারবেন। আশা করি বোঝাতে পেরেছি সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য কি উপায় অবলম্বন করতে হবে। 

হাতের আঙ্গুল অবশ হওয়ার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানুন 

হাতের আঙ্গুল অবশ হওয়ার কারণ ও প্রতিকার গুলো আমাদের জানা উচিত কারণ অনেক সময় মানুষের হাতের আঙ্গুল অবশ হয়ে যায়। কোন কাজ করার মতো শক্তি থাকে না। তাই আপনি যদি আপনার হাতের আঙ্গুলের অবস সমস্যার সমাধান করতে চান তাহলে কিছু নিয়ম রয়েছে তা অবলম্বন করতে হবে। এছাড়াও যে হাতের আঙ্গুল অবশ হওয়ার কারণ রয়েছে তা দেখুন। 

  • নার্ভের সমস্যাঃ কারপাল টানেল সিনড্রোম থাকলে আপনার হাতের নার্ভ চাপে পড়বে এবং হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি অবশ হয়ে যেতে পারে। আলনার নার্ভ সংক্রান্ত সমস্যা কোনুই এর কাছে নার্ভের চাপে হাতের আঙ্গুল অনামিকা অবশ হয়ে যায়। 
  • রক্ত সঞ্চালনের ব্যাঘাতঃ স্বাভাবিক মানুষের রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে তবে ডায়াবেটিসের কারণে রক্তনালী বাধাগ্রস্ত হয় এবং বক্তব্য প্রবাহে বাধা প্রাপ্ত হওয়ার ফলে হাতের আঙ্গুল অবশ হয়ে যায়। 
  • ভিটামিনের অভাবঃ ভিটামিনের অভাব থাকলে সমস্যা অত্যন্ত জরুরিভাবে আপনার শরীরে কাজ করে না। কারণ ভিটামিন বি১২ আর বি৬, ম্যাগনেসিয়াম এর অভাব থাকলে এই সমস্যা হয়।

এর প্রতিকার হিসেবে যা ব্যবহার করবেন দেখুনঃ

  • প্রাথমিক যত্নঃ হাতে মেসেজ করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর জন্য রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হয়। গরম ঠান্ডা শেখ রক্ত চলো চলো স্বাভাবিক করতে পারি। হাত নাড়াচড়া করে দেবো আর্টেস্টি সাধারণ কিছু ব্যায়াম রয়েছে সেগুলো করুন। 
  • খাদ্য ও পুষ্টি অভাব পুরণঃ ভিটামিন বি 12 ও b6 সমৃদ্ধ খাবার ডিম, দুধ, মাছ, মাংস গ্রহণ করতে হবে। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহন করতে হবে। 
  • ওষুধের চিকিৎসার জন্য ব্যবহারঃ নার্ভ ফ্রেন্ড রিলিভার ব্যবহার করতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট করতে হবে ইনজেকশন ব্যবহার করতে হবে এবং এন্টিমেন্ট তৈরি ড্রাগস গ্রহণ করতে পারে।
  • বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবেঃ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে আপনার এই সমস্যা দূর করতে পারবেন স্থায়ীভাবে, ব্যথা দুর্বল হাত শক্ত হয়ে যাওয়া, ডায়াবেটিস বা আর্থাইটিক্স এর সমস্যা থাকলে। 
  • ফিজিওথেরাপিঃ হাতে সঠিক নার্ভের জন্য বিশেষ ধরনের ব্যায়াম থেরাপি রয়েছে যা আমাদের আরো পড়ুন সেকশনে বা হোমপেজে ভিজিট করে দেখে নিতে পারেন। 

আশা করি এই অবস্থানের দীর্ঘক্ষন না থেকে আপনি উল্লেখ্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গুলো গ্রহণ করবেন। যাতে সঠিকভাবে অঙ্গ বিশ্বাস বজায় থাকে এবং আপনার শরীরে স্বাস্থ্য উপকারিতা পান এবং এ ধরনের সমস্যা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন। যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায় হয় বা গুরুতর হয় এবং নিউরোলজিস্ট বা হ্যান্ড স্পেশালিস্ট এর কাছে পরামর্শ গ্রহণ করে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করলে আপনি এই সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পাবেন। 

হাতের আঙ্গুল বেঁকে যাওয়ার কারণ গুলো দেখুন 

হাতের আঙ্গুল বেঁকে যাওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত কারণ এই কারণগুলো না জানা থাকলে আপনার এই সমস্যা বড় আকার ধারণ করতে পারে। সুতরাং আপনি হাতের আঙ্গুল বেকে যাওয়ার কারণ গুলো জেনে রাখলে এবং সচেতনতা অবলম্বন করলে সমস্যা সমাধান করতে পারবেন। এখন এর জন্য যাদের হাতের আঙ্গুলের কাজ বেশি করতে হয় বিভিন্ন মেশিন বাদ্যযন্ত্র বাজানো সহ অন্যান্য কাজ। 

তাদের অসুস্থতার কারণে ডায়াবেটিস রিউমার্ট ওয়েট আর্থাইটিক্স গেটে বাত সহ নানান ধরনের সমস্যা থাকার এই সমস্যা হয়। এই সকল সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য আপনাকে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং প্রতিদিন নিয়মিত শারীরিক এক্সারসাইজ করতে হবে যাতে আপনার শরীরে রক্ত চলাচল ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্নায়ুতন্ত্র শক্তিশালী হয় যার ফলে আপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে বিমূল হয়ে যাবে। 

ট্রিগার ফিঙ্গার চিকিৎসা জানুন 

ট্রিগার ফিঙ্গার এর চিকিৎসা যদি আপনার জানা থাকে তাহলে অবশ্যই এর সুবিধাগুলো ভোগ করতে পারবেন। এটা একটা সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে থাকে। তবে আপনাদের সামনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইউনিক উপায় অবলম্বন করার চেষ্টা করব যাতে আপনি খুব সহজেই এগুলো থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন। 

  • ট্রিগার ফিঙ্গার জন্য না হয় তার কিছু স্বাধীনতা অবলম্বন করা উচিত। তার মধ্যে শারীরিক ব্যায়াম উন্নত। 
  •  এক টানা হাতের আঙ্গুলের অতিরিক্ত ব্যবহার করলে সমস্যা দেখা দিতে পারে তাই শারীরিক ব্যায়াম করা উচিত। 
  • যদি হঠাৎ আঙ্গুল ব্যথা করে তাহলে নড়াচড়া করতে গিয়ে এর জন্য নিজস্ব কোন পরামর্শ গ্রহণ না করে ডাক্তারের পরামর্শ দিন। 
  • হ্যান্ড থেরাপিস্ট এর পরামর্শ গ্রহণ করে হ্যান্ড থেরাপি গ্রহণ করতে হবে। 
  • একটি সুতি কাপড়ের ভিতরে বরফ টুকরা নিয়ে তা ৫ মিনিট পর্যন্ত সেখানে ধরে রাখতে হবে।
  • হাতের পুনরাবৃত্তিমূলক ব্যবহার এটাতে দুই, চার সপ্তাহ হাতকে বিশ্রাম দিতে হবে।

যথেষ্ট গুরুতর হলে এটা কি অস্তপারের প্রয়োজন হতে পারে বিভিন্ন সমস্যা থাকলে দূর করায়। আপনি এর লক্ষণ হিসেবে আঙ্গুল শক্ত ও ব্যথা অনুভূত করতে পারেন। আঙ্গুল সোজা করতে পারবেন আঙ্গুলের ব্যথা এবং তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি হতে থাকবে তাই এর প্রতিকার হিসেবে উল্লেখিত বিষয়গুলো আপনার জন্য উপযুক্ত। যারা কোন কাজ করে না, খেলাধুলা, দীর্ঘ কোন সময় পত্রিকা নাড়াচাড়া করে তাদের এই সমস্যা হতে পারে তাই তাদের মাঝে মাঝে বিভিন্ন চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করে পরীক্ষা নিরক্ষা করা উচিত।

পায়ের আঙ্গুল মচকে গেলে করণীয় কাজ গুলো জানুন 

পায়ের আঙ্গুল মচকে গেলে করণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। এটা বিভিন্ন শারীরিক মানসিক দুর্বলতা থেকে হয়ে থাকে। অসচেতন ভাবে চলাফেরা বা সচেতনতা অবলম্বন করে জীবন যাপন যদি কিছু সমস্যা কম হয়। পায়ের আঙ্গুল মচকালে পা ফুলে যেতে পারে পায়ের আঙ্গুল ফুলে যেতে পারে এটা ৪৮ থেকে ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত রেখে দিতে পারেন। কিন্তু একবার ফোলা কমে গেলে আপনি অবিলম্বে যে ব্যান্ডেজ খুলে রাখবেন ।

পায়ের আঙ্গুল মচকে গেলে করণীয় কাজ
  • আপনি আপনার মচকে যাওয়া গোড়ালি একটি প্লাস্টিক ব্যান্ডেজ দিয়ে জড়িয়ে রাখতে পারবেন। সাধারণ কোন মচকে দেওয়া হলে তা কিছুদিনের ভিতরে ভালো হয়ে যায়।
  • থেরাপি হিসেবে আপনার পায়ের গোড়ালি মচকে যাওয়ার জন্য যে কাজটি করবেন আপনার গোয়ালী শক্ত নমনীয় বুদ্ধি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করার জন্য নিয়মিত শারীরিক এক্সারসাইজ করবেন। 
  • এর চেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য একজন জিওথেরাপিস্ট তারা বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এসে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। 
  • আপনি যদি খেলাধুলার সাথে জড়িত থাকেন তাহলে গোড়ালির সাথে অতিরিক্ত সমর্থন পেতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় টেপ দিন। 
  • হাঁটার সময় এবং খেলাধুলা করার সময় এটা খেয়াল রাখতে হবে অসচেতনভাবে পা ফেলা যাবে না।
  • গোড়ালির এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য জুতো ব্যবহার করতে হবে যাতে পায়ের কার্যকলাপ সঠিকভাবে করতে পারে এর জন্য পারফেক্ট জুতা ব্যবহার করতে হবে না বড় না ছোট। 

উল্লেখিত থেরাপি ব্যবহার করে আপনি অবশ্যই মচকে যাওয়া গোড়া চিকিৎসার জন্য চূড়ান্ত উপলক্ষে ফোলা ব্যথা কমানোর জন্য এই থেরাপিগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। তবে দ্রুত এর স্বাভাবিক ফলাফল পাওয়ার জন্য আপনি ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি কিছু উপায় অবলম্বন করতে পারবেন। গোড়ালির ব্যথার ঘরোয়া প্রতিকার মূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যে কাজ করবেন।

  • আপনি গোড়ালি জয়েন্টে একটি বিকৃতি বা স্থান যুক্ত হয়েছে কিনা আগে থেকে তা লক্ষ্য করবেন। 
  • আপনার পায়ের গোড়ালি যে তীব্র ব্যথা অনুভূত আছে কিনা তা লক্ষ্য রাখবেন। 
  • গোড়াল অঞ্চলের সংবেদন হারানোর সঙ্গে রঙের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। 
  • ঘোড়াতে কোন উপকার ওজন রাখা যাবে না আঘাতে সাথে হঠাৎ প্রচুর ব্যথা অনুভব হয় এবং ফুলে যায়।
  • বিশ্রাম নিতে পারেন পর্যাপ্ত পরিমাণে চাপ না পড়ে এবং নাড়াচাড়া কম করবেন যাতে দ্রুত ভালো হয়ে যাবে।
  • বরফ দিতে পারবেন বরফের প্রয়োগ করে প্রদাহ আটকাতে এবং ব্যথা কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে যার জন্য পাঁচবার ন্যূনতম ২০ মিনিট করে বরফের ব্যাগ সেখানে ব্যবহার করুন। ৯০ মিনিট থেকে এক ঘন্টা পর এই কাজটি পুনরায় করুন। 
  • সংকোচন করালে মোচড়ানোর জন্য একটি কম্প্রেশন ব্যান্ডেজ ব্যবহার করা যায়। যা আপনার এই সমস্যা দূর করবে পায়ের আঙ্গুল নীল হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাবে। 
  • উচ্চতা সামান্য উচ্চতা প্রদাহ হয়ে এবং ব্যথা অনুভব করতে পারে হার্ট লেবারের উপরে গোড়ালিছে কয়েকটি বালিশের ব্যবহার করা যায়।

আশা করি উল্লেখিত হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকারগুলো সম্পর্কে সচেতন হবেন। আপনি বিভিন্ন মচকে যাওয়া, ব্যথা, ফুলে যাওয়া, হাত পায়ে ঝিনঝিন করার মত সমস্যাগুলো চিরতরে দূর করতে পারবেন। ঘরোয়া পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পাশাপাশি আপনি ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন যাতে খুব সহজেই তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সকল তথ্য আপনাকে সুস্থ করার জন্য ব্যবহার করতে পারে। প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো জানার পর আপনি নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করলে অবশ্যই এই সকল সমস্যা চিরতরে দূর হয়ে যাবে। 

হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে শেষ মন্তব্য 

হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে আপনাদের সামনে ধারাবাহিকভাবে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। একজন মানুষ যেন সুস্থভাবে এই সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে জীবন যাপন করতে পারে। এবং এ ধরনের সমস্যা হলেও তারা যেন উল্লেখিত ঘরোয়া উপায় এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিজের চিকিৎসা করতে পারে সচেতন ভাবে। 

তাই আপনি যদি এই হাত পা ঝিমঝিম এবং সামান্য ব্যথা জ্বালাপোড়া নিয়ে বিভিন্ন টেনশন করেন তাহলে এই তথ্যগুলো আপনার উপকারে আসবে যা আপনার শরীরের হাত পা ঝিনঝিন করা ও এই সমস্যার প্রতিকার গুলো জেনে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আপনার এ ধরনের সমস্যাকে সহজেই সমাধান করতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url