কোমরের ব্যথা কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায় জেনে নিন
কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় জানা উচিত। মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খনিজ এবং ভিটামিনের অভাব দেখা দেয়। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পটাশিয়াম যার অভাব দেখা দিলে মানুষের শরীরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোমরে ব্যথা সৃষ্টি হয়।
এই কোমরের ব্যথা থেকে বাঁচার জন্য কোমরের ব্যথা কমানোর উপায় হিসেবে ব্যায়াম করা, কোমরের ব্যথা কমানোর ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাওয়া। কোমর ব্যথা সারানোর ওষুধ সম্পর্কে জানা উচিত। কোমরের ব্যথা কিসের লক্ষণ এবং কোমরের ব্যথা পেলে করণীয় কাজগুলো বিস্তারিত জানুন।
পোস্ট সুচিপত্রঃ কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে দেখুন
- কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলো দেখুন
- কোমরের ব্যথা কেন হয় জানুন
- কোমরে ব্যথা কমানোর উপায় ব্যায়াম জানুন
- কোমরে ব্যথা কমানোর ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট সমূহ
- কোমরের ব্যথা সারানোর ঔষধ সম্পর্কে জানুন
- কোমরের ব্যথা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর জানুন
- কোমরে ব্যথা কিসের লক্ষণ জানুন
- কোমরের ব্যথা পেলে করণীয় কাজ শিখে রাখুন
- কোমর ব্যথা সারানোর সহজ উপায় জানুন
- মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার জানুন
- মহিলাদের কোমরের ব্যথা প্রতিকার করার উপায়
- কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় নিয়ে শেষ মন্তব্য
কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলো দেখুন
কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে উপায় গুলো রয়েছে যা ব্যবহার করার মাধ্যমে খুব সহজেই কোমরের ব্যথা কমাতে পারবেন তা দেখে নিন। বর্তমানে এই সমস্যার মানুষ দিন দিন বেড়েই চলেছে। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা এবং একটানা এক ধরনের কাজ করার ফলে এই সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এর থেকে ঘরোয়া উপায়ে বাঁচার উপায় গুলো নিচে উল্লেখ করলাম যা অত্যন্ত কার্যকরী।
- গরম সেক দেওয়াঃ যে কোনভাবে প্রাথমিক অবস্থায় কোমরের ব্যথার জন্য গরম সেঁক দেয়া অত্যন্ত কার্যকরী। আপনি যদি কোমরের ব্যথা অনুভব করেন সেক্ষেত্রে এই সেক দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে পারেন। এই কাজটি করার জন্য হট ওয়াটার ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন এর মধ্যে গরম পানি ঢেলে কোমরের যেখানে ব্যথা সেখানে কিছু সময় রাখুন।
- আদা ব্যবহারঃ সাধারণত কোমরের ব্যথা হওয়ার কারণ হচ্ছে শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি। কারণ এর ফলে নার্ভের সমস্যা দেখা দেয়। প্রতিদিন নিয়মিত আদা খাওয়ার মাধ্যমে এই পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করার পাশাপাশি কোমরের যন্ত্রণা অনেক কম হবে।
- হলুদ ব্যবহারঃ প্রতিনিয়ত দুধের সঙ্গে হলুদ খাওয়ার মাধ্যমে কোমরের এই ব্যথা সেরে যায়। এর জন্য শুকনো হলুদের গুড়া সামান্য পরিমাণ দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়া উত্তম।
- মেথি বীজঃ কোমরে হঠাৎ সমস্যা হলে মেথি বীজ ব্যবহার করুন, আপনি মেথি বীজ ও গুঁড়া দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে সেই মিশ্রণটি ব্যথাযুক্ত জায়গায় লাগিয়ে রাখুন যা কোমোরের ব্যথা দুর করবে।
- ঠান্ডা বরফ বা পানিঃ ব্যথাযুক্ত স্থানে ঠান্ডা বরফ অথবা পানি কিছুক্ষণ ধরে রাখলে আপনার ব্যথা উপশম হবে। এজন্য ঠান্ডা বরফ ১০ - ১৫ মিনিট সময় ধরে রাখুন।
- হালকা ব্যায়ামঃ কোমরের পেশী শক্তিশালী করার জন্য হালকা স্ট্রেচিং বা যোগ ব্যায়াম করা উচিত। যার ফলে আপনার শরীরে রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং কোমরের ব্যথা থেকে আরাম পাবেন।
- মেসেজ থেরাপিঃ মেসেজ থেরাপি অত্যন্ত কার্যকরী এটি করার জন্য নারিকেল অথবা সরিষার তেল বা অলিভ অয়েল তেল হালকা গরম করে কোমরের ব্যথা যুক্ত স্থানে মালিশ করতে পারবেন। এর ফলে আপনার বেশি শিথিল হবে এবং রক্ত চলাচল বৃদ্ধি হবে যা ব্যথা কমাতে কাজ করবে।
- আয়ুর্বেদিক তেলঃ আয়ুর্বেদিক তেল হিসেবে মেহেদী পাতার তেল বা ইরান্ড তেল কোমরে মালিশের জন্য ব্যবহার করা যায়।
- বিছানা নিয়ন্ত্রণঃ অনেক মানুষ আছে যারা খুব নরম এবং কোমল বিছানায় শুয়ে থাকে যার ফলে তাদের শরীরের কোমোরের সমস্যা সৃষ্টি হয় এর জন্য নরম বিছানা বাদ দিয়ে মজবুত এবং শক্ত বিছানাতে ঘুমানোর অভ্যাস করতে হবে।
- অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণঃ অতিরিক্ত ওজন কোমরের উপর চাপ সৃষ্টি করে যা আপনার শরীরের সমস্ত ভর কোমরে পড়ার ফলে ব্যথার সৃষ্টি হয়, এই কারণে আপনাকে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
- বিশ্রাম ও সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখাঃ আপনি দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে থাকলে এবং উঠে দাঁড়ালে সমস্যা হতে পারে তাই এক জায়গায় বসে থাকা এবং সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার মাঝে মাঝে কিছু শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে। ঘুমানোর সময় সাইট হয়ে ঘুমাতে হবে ও হাঁটুর নিচে বালিশ দিতে হবে।
- লবণ পানি সেকঃ বিশ্রাম গ্রহণ করতে হবে এবং লবণ পানি ব্যবহার করার জন্য এক মুঠ গরম জলে লবণ মিশিয়ে সেই পানি তুলা অথবা কাপড় দিয়ে ব্যথাযুক্ত স্থানে সেক দিতে হবে।
- অ্যালোভেরা শরবত খাওয়ার মাধ্যমে কোমরের সমস্যা দূর করতে পারবেন পাশাপাশি আপনি যদি লেবুর শরবত প্রতিটি নিয়মিত খান তাহলে এতে থাকা বিভিন্ন উপাদান আপনার কোমরের ব্যথা সারাবে।
- তাহারা ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে এই জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে আপনার কোমরের ব্যথা থেকে সহজেই মুক্তি পাবেন। যার জন্য দুধ, ঘি, বীজ, ফল, শাকসবজি এবং বাদাম জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।
এই উপকারী উপায় গুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে খুব সহজে ঘরোয়া উপায়ে কোমরের ব্যথা কমাতে পারবেন। এই উল্লেখিত উপায় গুলো ব্যবহার করে অনেক মানুষ উপকৃত হয়েছে তাই আপনিও যদি প্রাথমিক অবস্থায় কোমরের ব্যথা ভালো করতে চান। তাহলে উল্লেখিত উপায়গুলো অবলম্বন করে খুব সহজেই উপকারিতা পেতে পারেন। এছাড়াও কোমরে ব্যথা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করা হবে।
কোমরের ব্যথা কেন হয় জানুন
কোমরের ব্যথা কেন হয় এ বিষয়ে যারা জানে না তাদের এই তথ্যগুলো জানা উচিত। বিভিন্ন বয়সেরই এই কোমরের ব্যথার সমস্যা হয়। যার বিভিন্ন কারণ রয়েছে বিশেষ করে অসচেতন মূলক বিভিন্ন কাজ করার ফলে এই কাজগুলোই হয়ে থাকে। তাই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে যেই সমস্যাগুলো থাকার কারণে কোমরে ব্যথা হয় তা দেখে নিন।
- লাম্পার স্পন্ডালাইসিসঃ মানুষের শরীরের মধ্যে অনেক হাড় রয়েছে তার মধ্যে কোমরে পাঁচটি হাড় রয়েছে। যে হাড় গুলো বয়সের কারণে এবং বংশগত কারণে ক্ষয় হয়ে গেলে তখন লাম্বার স্পনডোলাইসস বলা হয়। এ সমস্যা হলে কোমরের ব্যথা হয়।
- এল আই ডিঃ এটি কোমরের ব্যথা হওয়ার একটি শক্তিশালী কারণ এই সমস্যা হলে সাধারণত ২৫ থেকে ৪০ বছরের মানুষের ক্ষেত্রে হয়। এর কারণ হলো আমাদের দেহের মধ্যে হাড়ের যে ফাঁকা জায়গা রয়েছে যা পূরণ করে ডিক্স বা চাকতি দিয়ে। যদি কোন কারণে এটা বের হয়ে যায় তখন আমাদের স্নায়ুমণ্ডলের উপর চাপ পড়ে এবং এর ফলে আমাদের কোমরে ব্যথা হয়।
- লো ব্যাক পেনঃ আমাদের হাড়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ হাড় এবং মাংসপেশি সহ স্নায়ু এই তিনটি উপাদানের মধ্যে সামঞ্জস্য না হলে বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা হয়। তার মধ্যে কোমরের ব্যথা অন্যতম এই সমস্যাগুলো যুবকদের ক্ষেত্রেই বেশি দেখা দেয়।
- এছাড়া আরো যে কারণ রয়েছে তার মধ্যে উন্নত যে শিরায় টিউমার বা ইনফেকশন হলে কোমরে ব্যথা হয়।
- শরীরের ওজন বেড়ে গেলে সমস্যা হয় একটানা হাঁটাহাঁট এবং দাঁড়িয়ে থাকা কাজ করলে। কোলে বা কাকালি করে কোনদিন এসে বহন করলে।
এই কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলোর জন্য একজন মানুষের সহজেই কোমরের ব্যথার সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যাগুলো থেকে বাঁচার জন্য যে বিভিন্ন করণীয় উপায় রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। যা আপনার শরীরের পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করবে এবং কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তি দিবে। সুতরাং এই কোমরে ব্যথা অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়ে তাই এটা অবহেলা না করে সঠিক পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।
আপনার পুছন্দ হতে পারে এমন পোস্টের তালিকাঃ
পড়ুনঃ পা ফোলার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে ১৭টি ঘরোয়া উপায়
পড়ুনঃ হাত পা ঝিমঝিম করার কারণ ও প্রতিকার ১৫টি কার্যকরী টিপস
কোমরে ব্যথা কমানোর উপায় ব্যায়াম জানুন
কোমরে ব্যথা কমানোর উপায় ব্যায়াম যা রয়েছে তা আমাদের জানা উচিত এই ব্যায়াম করার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই কোমরে ব্যথা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন। কোমর ব্যাথা সাধারণত একটি ভয়ঙ্কর সমস্যা এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য আপনাকে কিছু ব্যায়াম করতে হবে। যা আপনি বিছানায় শুয়ে থেকেও করতে পারবেন।
- প্রথমে আপনাকে যে ব্যায়ামটি করতে হবে সেটা হতে সমতল হালকা নরম বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে দুই হাত শরীরের দুপাশে রেখে সোজা করে শুয়ে পড়ুন। এরপর পা উপরে দিকে তুলে যতদূর সম্ভব রাখুন। এভাবে কিছুক্ষণ সময় প্রতিদিন করুন।
- দ্বিতীয়তঃ এবার একইভাবে হাঁটু ফাঁস না করে আপনার পা দুটো একসাথে তুলে কিছু সময় রাখার চেষ্টা করুন।
- আরো একটি কাজ করতে পারেন হাঁটু ভাজ করে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে হাঁটুকে বূকে লাগানোর চেষ্টা করুন।
- একবার একসঙ্গে দুই হাঁটু ভাঁজ করে দুই হাত জড়িয়ে বুকে লাগান।
- এবং আপনি বুক ডাউন বলে যে বিষয়টি মানুষ মনে করেন সেটা করার মাধ্যমে আপনি কোমরের ব্যথা দূর করতে পারেন তবে নিয়মিত করতে হবে।
- সোজা হয়ে চিত হয়ে শোয়ার পরে দুই হাত সামনের দিকে প্রসারিত করে পা এবং মাথার দিকে সামান্য উপরে তুলার চেষ্টা করতে হবে এবং কোমরের দিকে ঠিকই থাকবে।
- এরপর আপনি একটি চেয়ার নিয়ে সে চেয়ারের বসার মত করে পিছনে হাত দিয়ে আপনি হাতের ব্যায়াম করতে পারবেন কোমরে শক্তি না দিয়ে যা কোমরের ব্যথা দুর করবে।
আশা করি উল্লিখিত ব্যায়ামগুলো সম্পর্কে আপনি বুঝতে পেরেছেন এই ব্যায়ামগুলো করার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে কোমরের ব্যথা কমাতে পারবেন ও ভালো করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি যদি গুরুতর অবস্থায় থাকেন তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন পরামর্শ এবং ওষুধ গ্রহণ করতে হবে যা আপনার কোমরের সমস্যা দূর করবে।
কোমরে ব্যথা কমানোর ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট সমূহ
কোমরে ব্যথা কমানোর ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট সমূহ সম্পর্কে জেনে নিন এবং কি ট্যাবলেট ব্যবহার করলে কোমরের ব্যথা কমে যাবে তা জানুন। কোমরের ব্যথা হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়ামের ঘাটতি যা শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রয়োজন হয়। তাই আপনি এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য নিজের ট্যাবলেট গুলো ব্যবহার করতে পারবেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। জনপ্রিয় ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট সমূহ দেখুন।
- Calcium carbonate যেমন, shelicon,calci-c, coral calcium.
- Calcium citrate যেমন, citracal, caci - citrate.
- Calcium with vitamin d যা ভিটামিনের মধ্যে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে ভালো সহযোগিতা করে ভিটামিন ডি।
- Calcium, magnesium, zinc, combination যেমন calmag,zincocal।
উল্লেখিত ক্যালসিয়ামগুলো অত্যন্তকারী এগুলো সহজ এবং সাধারণ খাবারের সঙ্গে নেওয়া যায়। সহজে সুস্থ করে এবং খালি পেটে নেওয়া যেতে পারে। এবং ক্যালসিয়ামের সঙ্গে ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক যা আপনার শরীরের সস্থতা রক্ষা করে এবং বিভিন্ন সমস্যা দূর করে।
ক্যালসিয়াম গ্রহণের কিছু উপায়ঃ
- চিকিৎসকের পরামর্শ সঠিকভাবে গ্রহণ করতে হবে যা অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম কিডনিতে সমস্যা তৈরি করতে পারে এদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দেবে।
- যে খাবার গুলো ক্যালসিয়াম যুক্ত সেগুলো খেতে হবে।
- দৈনিক ক্যালসিয়াম চাহিদা পূরণ করার সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে এই খাবারগুলো গ্রহণ করতে হবে যেমন দুধ, দই, জিংক, পালং শাক, ব্রকলি, বাদাম এবং ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার।
- ভিটামিন ডি গ্রহণ করার জন্য আপনি প্রতিদিন সময় করে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ গ্রহণ করতে হবে।
অতিরিক্ত গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে বেশি সাধারণত একদিনে সাধারণ একটি মানুষের ১০০০ থেকে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এর প্রয়োজন গ্রহণ করতে পারে। অধিক রোগ গ্রহণ করলে আপনাকে অবশ্যই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। তাই সর্তকতা হিসেবে কিডনি স্ট, হৃদরোগ বা অন্য কোন রোগের আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বাচতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে যারা স্বাস্থ্য উপকারি ডাক্তার।
কোমরের ব্যথা সারানোর ঔষধ সম্পর্কে জানুন
কোমরের ব্যথা সরানোর ঔষধ সম্পর্কে অনেক তথ্য জানা উচিত এই ওষুধগুলো খাওয়ার মাধ্যমে মানুষ কোমরের ব্যথা ভালো করতে পারে। সাধারণত কোমরের ব্যথা ক্যালসিয়াম এবং পটাশিয়াম জাতীয় খনিজের অভাবে হয়ে থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন ভিটামিন রয়েছে সেই ভিটামিন গুলোর অভাব শরীরে দেখা দিলেও কোমরের ব্যথা সৃষ্টি হয়। তাই আপনি যে ওষুধ গুলো ব্যবহার করবেন তা নিচে দেখুন।
- Vivian plus 50mg - 500 mg tablet.
- Duoflam N tablet.
- Maxrel tablet
- Reactin plus 50mg/500mg tablet.
- Dicopin 50 mg/500 mg.
- Esgipyrin 50mg/500mg tablet.
- উল্লেখিত ওষুধ ছাড়া আরো যে ওষুধ গুলো ব্যবহার করতে পারবেন।
- ব্যথানাশক পেনকিলার প্যারাসিটামল। যা হালকা থেকে মাঝারি ব্যথার জন্য ভালো কাজ করে, যেমন, Ace,Napa, Tylennol, তাছাড়া প্রদাহ জড়িত ব্যাসার কারণে ব্যবহার করতে পারবেন, Ibuprofen (Advil, Nurofen, Naproxen )Diclofenac (viltarent)
পেশির শিথিল সমস্যার জন্য cyclobenzaprine (Flexeril) baclofen, methocarbamol. স্নায়ু জনিত সমস্যার কারণে ব্যবহার করতে পারবেন, gabapentin, pregabalin ইত্যাদি। উল্লেখিত ওষুধ গুলো আপনি বিভিন্ন ধরনের ব্যথা জড়িত সমস্যা ভালো করার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। যা একজন মানুষের সুস্থ থাকার জন্য এবং কোমরের ব্যথা সারানোর জন্য বিশেষভাবে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
কোমরের ব্যথা নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর জানুন
প্রশ্নঃ কি করলে কোমর ব্যথা কমবে?
উত্তরঃ পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও গরম পানি সেক দিলে স্বস্তি পাওয়া যায়। ফিজিওথেরাপি ব্যায়ামের মাধ্যমে কোমরের পেশী শক্তিশালী করা হয়। যা ব্যাথা কমাতে সাহায্য করা হয়। ব্যথানাশক ওষুধ, পেশী শিথিলকারী ওষুধ, এবং স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হতে পারে। সার্জারি করে খুবই জটিল ক্ষেত্রে, সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।
প্রশ্নঃ কোমর ব্যথা কি কিডনি রোগের লক্ষণ?
উত্তরঃ প্রস্রাব করার সময় জ্বালাপোড়া হয় ও ঘন ঘন প্রস্রাব লাল হয়, প্রস্রাবে দুর্গন্ধ, কোমরে দুই পাশে ও তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা, শরীর-মুখ ফোলা ইত্যাদি লক্ষণ কিডনি রোগের সংকেত বহন করে। কয়েক মাস অথবা কয়েক বছর চিকিৎসার পরও কিডনি রোগ ভালো না হলে এবং কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে থাকলে সেটাকে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বলে এর কোমর ব্যথা হয়।
প্রশ্নঃ কোমর ভাঁজ করলে ব্যথা হয় কেন?
উত্তরঃ কোমর বাঁকানোর সময় পিঠে ব্যথার বিভিন্ন কারণ আছে। পিঠ শক্ত হয়ে যাওয়া, সামান্য ব্যথায় পেশীতে টান লাগার মত লক্ষণ হতে পারে। আবার অন্যদিকে তীব্র শুটিং ব্যথাও সায়াটিকার লক্ষণ হতে পারে । অন্যদিকে, আবার হার্নিয়েটেড ডিস্কের কারণে এক পায়ে দুর্বলতা এবং অসাড়তা দেখা দিতে পারে। প্রায় ৪০% প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান কিছুটা পিঠে কিছুটা ব্যথা অনুভব করেন থাকে যা খুব খারাপ মনে করা হয়।
প্রশ্নঃ কোমর ভাঁজ করা কি খারাপ?
উত্তরঃ প্রায় প্রতিটি আমেরিকান তারা প্রথমে মাথা নিচু করে পেট বা কোমরের দিকে নিচের দিকে তাকিয়ে থাকে এরপর এইভাবে মেরুদণ্ড বাঁকানোর মাধ্যমে, আপনি আপনার পেটকে সামান্য ক্রাঞ্চ করতে পারেন এবং আপনি আপনার পিঠের ছোট পেশীগুলিতে অপ্রয়োজনীয় চাপ করে উপকারিতা পাবেন।
কোমরে ব্যথা কিসের লক্ষণ জানুন
কোমরের ব্যথা কিসের লক্ষণ এটা অনেকেই জানেনা তাই তাদের জন্য বিষয়গুলো জানিয়ে রাখলাম। একজন মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে। তবে কোমরের ব্যথা সারার জন্য ঘরোয়া অনেক উপায় রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি উপকৃত হবেন। তবে কোমরে ব্যথা কিসের লক্ষণ এটা অনেকেই জানেনা। আপনার শরীরে যদি পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পড়ে তাহলে এই সমস্যা দেখা দেয়।
চিকিৎসকেরা গবেষণাগারে দেখেছেন যে কোমরে ব্যথার একাধিক কারণ থাকতে পারে। তবে উঁচু থেকে পড়ে যাওয়া, বেশি পরিমাণ মাথায় বোঝা বহন করা। মেরুদন্ডের ডিক্সের বিভিন্ন সমস্যা, সকল কারণে ব্যথা হয় তবে এই ব্যথার লক্ষণ হচ্ছে আপনার শরীরে ক্যালসিয়াম এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি পড়ছে। সে ঘাটতি পূরণ করার জন্য উল্লেখিত পোস্টের ভিতরে যে ওষুধের কথা বলা হয়েছে সেগুলো খেতে পারেন পাশাপাশি বিভিন্ন খাবার রয়েছে যা খাওয়ার মাধ্যমে ব্যথা কমবে ও ভিটামিন পাবে।
সাধারণ হাঁটা চলা করা, একটানা কাজ করার ফলে যদি ব্যথা হয় তাহলে ৮ থেকে ১০ দিনের ভিতরে ভালো হয়ে যায়। তাছাড়া যদি আপনার শরীরে বিভিন্ন পুষ্টি মিনারেল এর চাহিদা থাকে তাহলে এই ব্যথা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং তীব্রতর আকার ধারণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ডাক্তারি পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই সমস্যা সমাধান করতে হবে।
কোমরের ব্যথা পেলে করণীয় কাজ শিখে রাখুন
কোমরে ব্যথা পেলে করণীয় কাজ হিসেবে আপনি যে কাজগুলো করবেন তার বিষয় সম্পর্কে আমাদের আজকের পোস্টে কিছু তথ্য উপস্থাপন করেছি। তাছাড়া আপনি কোমরের ব্যথা হলে যে কাজগুলো করবেন তা প্রাথমিকভাবে সে বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত হয়ে থাকলে আপনি সহজেই তার প্রতিকার মূলক উপায় এবং কোমরের ব্যথা সমাধান করতে পারবেন।
- এর জন্য আপনাকে নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে।
- পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম জাতীয় এবং পটাশিয়াম জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।
- তেল মালিশ করতে পারবেন অলিভ অয়েল, সরিষার তেল ইত্যাদি।
- ঠান্ডা জল দিয়ে সেঁক দিতে পারবেন ও বরফের টুকরো দিয়ে সেক দিতে পারবেন।
- গরম পানির প্যাক তৈরি করে সেই পানি কাপড়ে ভিজিয় সেই সেক দিতে পারবেন।
উল্লেখিত এই উপায়গুলো অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই আপনার শরীরে হঠাৎ যে কোমরে ব্যথা হয় তা সমাধান করতে পারবে। হঠাৎ কোমরে ব্যথা পেলে করণীয় কাজগুলো সম্পর্কে আপনাদেরকে জানালাম যাতে আপনারা এই কাজগুলো বাসায় বসে থেকে স্বাভাবিকভাবে করতে পারেন এবং এর জন্য কোন প্রকার টাকা এবং অর্থ খরচ করার প্রয়োজন না হয়।
কোমর ব্যথা সারানোর সহজ উপায় জানুন
কোমর ব্যথা সারানোর সহজ উপায় অত্যন্ত কার্যকরী যে উপায়ে অবলম্বন করলে আপনি খুব সহজেই কোমর ব্যথা সারাতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া আপনার কোমরের ব্যথার কারণ সম্পর্কে জানার জন্য আপনাকে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হতে পারে। তবে পরীক্ষাগুলো থেকে বিভিন্ন সমাধান পাবেন পাশাপাশি আপনি নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে পারবেন।
- আপনার শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি থাকলে নার্ভের সমস্যা হয় যার ফলে কোমর ব্যথা হয় তাই আপনার শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করুন।
- ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিনের অভাব থাকলে কোমরে ব্যথা হতে পারে তাই আপনি যদি খুব সহজেই ভালো করতে চান তাহলে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন।
মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার জানুন
মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার জানা উচিত কারণ বর্তমানে মহিলাদের এই কোমর ব্যথা এবং এ সমস্যার কারণে বিভিন্ন চিকিৎসা পাওয়ার মাধ্যম জানা উচিত। এবং এই মাধ্যমে অনেক সময় সঠিক কাজ করেন না তাইতো মহিলাদের সহজ কোমরের ব্যথা ভালো করার উপায় জানালাম। নিচে দেখে নিন মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার সমূহ।
- মাসিক চক্র জড়িতঃ এ ব্যথা শুরু হয় মাসিক চলাকালীন পেট এবং কোমরে ব্যথা হয়। তবে এই সময় জরায়ু সংকোচন ও হরমোনের পরিবর্তন হওয়ার কারণে এটা হয়।
- গর্ভাবস্থায় ও প্রসবকালীন ও প্রসবকালীন পরবর্তী সময়ে যা অবস্থায় শরীরের ভারসাম্যের পরিবর্তন এবং প্রসব পরিবর্তনের পেশী দুর্বলতা হয় এবং ব্যথা সৃষ্টি হয়।
- মেনু কোষ বা হরমোনের পরিবর্তনের ফলে এটা হয় হাড়ের ঘনত্ব কমে যায় এবং হরমোনের কারণে কোমরে ব্যথা সৃষ্টি হয়।
- প্রদাহ জড়িত রোগ থাকলে সমস্যা সৃষ্টি হয়। জরায়ু ডিম্বাণু বিভিন্ন সংক্রমণে সংক্রমিত হলে কোমোর ও তলপেটে তীব্র ব্যথা সৃষ্টি হয়।
- ইউটেরাস বা জরায়ুর সমস্যা থাকলে, যাদের ফাইব্রয়েড এবং এন্ডোমেনটিওসিস সমস্যা রয়েছে তার তলপেট এবং কোমর ব্যথা করে।
- বাড়তি ওজন থাকার ফলেও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। যার ফলে তলপেট এবং কোমর ব্যথা করে।
- পাশাপাশি দৈনিক বিভিন্ন ভুল অঙ্গ অভ্যাস বা ভারী কাজ করার ফলেও কোমরের ব্যথা সৃষ্টি হয়।
- তাছাড়াও ইউরিনারি ইনফেকশন স্লিপ ড্রিংস ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি এর অভাব হলে মানুষের শরীরে এই সমস্যা দেখা দেয় তাই আপনি অবশ্যই নিজের প্রতিকারগুলো দেখে নিন।
মহিলাদের কোমরের ব্যথা প্রতিকার করার উপায়
ব্যথা কমানোর জন্য ঘরোয়া উপায় হিসেবে কোমরে ব্যথা থেকে বাঁচার জন্য যে উপায়গুলো অবলম্বন করার কথা বলা হয়েছে, সেই উপায়গুলো অবলম্বন করতে পারেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য গরম বা ঠান্ডা পানি সেচ, আদা এবং হলুদের চা খাওয়া, মালিশ জাতীয় কার্যক্রম করা, শারীরিক ব্যায়াম করা, খাদ্য অভ্যাসের বিভিন্ন পরিবর্তন করা।
যেই উপাদানগুলোর ঘাটতি থাকলে আপনার শরীরে কোমরের সমস্যা হতে পারে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যা আপনাকে খাদ্য অভ্যাস এর ভিতরে রাখতে হবে। জীবনধারা পরিবর্তন করতে হবে সঠিক ভঙ্গিমায় বসা চলাফেরা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করে চলাফেরা করতে হবে। ওষুধ সাপ্লিমেন্ট করতে হবে যাতে আপনি সঠিক উন্নতি পান যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করা উচিত।
তাছাড়া প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করার অভ্যাস করতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি আপনাকে কাজের মাঝে মাঝে বিরত নিয়ে একটু হাঁটা চলাফেরা বা রেস্ট করার অভ্যাস করতে হবে। দীর্ঘ সময় ধরে এক রকম কাজ বা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা বা বসে থাকার মতো কাজ করা যাবে না। যদি সেই কাজগুলো অতিরিক্ত করতে হয় তাহলে অবশ্যই কিছু বিষয় অবলম্বন করতে হবে।
কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় নিয়ে শেষ মন্তব্য
কোমরের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় নিয়ে অনেক উপায় এবং ওষুধ সম্পর্কে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করেছি যে, কোমরের ব্যথা কমানোর জন্য আপনি কি ধরনের ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করবেন এবং সেই উপায় গুলো কোন কোন উপকরণ দিয়ে ব্যবহার করলে আপনি ভালো উপকারিতা পাবেন তা জানানোর চেষ্টা করেছি।
সুতরাং আপনি এই পুষ্টি মনোযোগ সহকারে পড়ার মাধ্যমে কোমরের ব্যথা সারানোর সহজ উপায় অবলম্বন করে খুব সহজেই সাধারণ কোমরের ব্যথা ভালো করতে পারবেন। তাছাড়া জানতে পারবেন কোমরের ব্যথা হলে কি ধরনের ওষুধ ব্যবহার করতে হয় এবং কোন কোন সমস্যা থাকলে কোমরের ব্যথা সৃষ্টি হতে পারে। আর গুরুতর সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url