আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায় বিস্তারিত বিষয়ে জানুন

অনেকেই জানতে চাই আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায়। তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি আয়োজন করা হয়েছে। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য এই সিরাপ ব্যবহার করা হয়। সিরাপের বিশেষ কিছু উপকারিতা রয়েছে যা সম্পর্কে আজকের এই পোস্টটি আলোচনা করবো।

আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায়

সঠিক উপকারিতা পাওয়ার জন্য আলফালফা সিরাপ খাওয়ার নিয়ম রয়েছে। যে নিয়মগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন। এর কিছু ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে যা থেকে বাঁচার উপায় উপস্থাপন করব যাতে সঠিক উপকারিতা পাওয়া যায় এ সিরাপ খাওয়ার মাধ্যমে।

পোস্ট সুচিপত্রঃ আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায় বিস্তারিত বিষয়ে জানুন

আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায় জানুন

আলফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায় এ বিষয়ে যারা জানেন না তারা নিচের তথ্য গুলো দেখে রাখুন। অনেক মানুষ রয়েছে যারা স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের সিরাপ এবং খাবার গ্রহণ করে থাকে। সেই মানুষটির জন্য কিছু টিপস উপস্থাপন করলাম এবং এই সিরাপ খাওয়ার মাধ্যমে সে উপকৃত হতে পারবে এবং মোটা হতে পারবে। এটি শরীরে শক্তি সরবরাহ করে এবং খুদা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তুমি সরাসরি ওজন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য 

  • ক্যালরি ইনটেক: আলফালফা সিরাপ প্রতিদিন আপনার শরীরে ক্যালরি সরবরাহ করবে না, কিন্তু আপনার মোটা হওয়ার জন্য সাহায্য করবে শরীরে খাদ্যের চাহিদা বৃদ্ধি করবে যা শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি সরবরাহ করবে। 
  • মেটাবলিজম: মানব শরীরে মেটামলিজম দ্রুত হওয়ার ফলে শরীরের পুষ্টি চাহিদা কমে তবে এটি পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে সেই ক্ষেত্রে মোটা নাও হতে পারে। তাই আপনাকে মোটা হওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণ খাবার গ্রহণ করতে হবে।
  • পুষ্টিকর খাদ্য অভ্যাস: প্রতিদিন নিয়মিত খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে যে খাবার গুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালরি থাকবে। আপনার শরীরে খাবারের রুচি বৃদ্ধি করার জন্য আলফা সিরাপ ব্যবহার করা হয়। যা আপনার ক্ষুধা শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করাতে সাহায্য করবে। 
  • শারীরিক ব্যায়াম: এই ওষুধটি বা সিরাপটি খাওয়ার পাশাপাশি আপনাকে শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে যাতে আপনার শরীর সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবনধারা বজায় রাখার জন্য কারণ এই সিরাপটি আপনার শরীরে খাবর প্রবণতা বৃদ্ধি করবে যার জন্য অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি হয়ে যেতে পারে তাই আপনাকে শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে। 
  • স্বাস্থ্যগত অবস্থা: মোটা হওয়ার জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং শারীরিক ভাবে স্বাস্থ্যসম্মত অবস্থায় থাকার চেষ্টা করতে হবে। আপনার শরীর আগে থেকে কোন স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে তাহলে এই সিরাপ খাওয়ার মাধ্যমে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা খুব একটা থাকে না। 

আলফালফা সিরাপটি অত্যন্ত উপকারী এটি খাওয়ার মাধ্যমে শরীর সবল এবং মোটা হওয়া যায়। আলফালফা এমন কোন সাইড ইফেক্ট নেই বললেই চলে তাই এই সিরাপ খাওয়া বন্ধ করে দিলেও শরীর চিকন হয়ে যায় না বা পূর্বের অবস্থায় আসে না। তবে আপনাকে শুধু এই সিরাপটি খাওয়ার দিকে লক্ষ্য করে রাখলে হবে না আপনাকে বিভিন্ন ক্যালরি সম্পন্ন খাবার গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া আপনি আবার পূর্বের অবস্থায় বা চিকন হয়ে যেতে পারেন। একজন স্বাস্থ্যবান শরীরে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি প্রয়োজন। তাই আপনাকে ক্যালরি সম্পন্ন ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। 

আলফালফা সিরাপ খেলে কি ক্ষতি হয় জানুন 

আলফালফা সিরাপ খেলে কি ক্ষতি হয় এ বিষয়ে আমাদের জানা উচিত। আমরা অনেকেই শারীরিকভাবে সবল এবং মোটা হওয়ার জন্য আলফালফা সিরাপ খেয়ে থাকে। যদিও এই সিরাপটি খাওয়ার মাধ্যমে তেমন কোন পার্শ্ব পতিক্রিয়া হয় না। তবুও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় কারণ অতিরিক্ত খাওয়ার মাধ্যমে এর কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা সাইড ইফেক্ট দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে আলফা আলফা সিরাপ খেলে কি ক্ষতি হয় তা জেনে রাখুন।

আরো পড়ুনঃ সর্দিতে কারণে কান বন্ধ হলে করণীয় ৭টি উপায় জানুন

  • আলফা আলফা ব্যবহারের অনেক অসুবিধা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই সিরাপ রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দেয়। 
  • এটি অত্যাধিক মাত্রায় ব্যবহার করলে অনেক সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে বা রোগ সৃষ্টি করতে পারে। 
  • যাদের সংবেদনশীল ত্বক সেই ব্যক্তির জন্য এলার্জির সৃষ্টি করে যার ফলে র‍্যাস, চুলকানি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়।
  • গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্য এই ওষুধ বা সিরাপ খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত কারণ এটি ইস্ট্রোজেনের মত কাজ করে। 

তাছাড়া আরো একটি বিষয় মাথায় রাখা উচিত যে এই সিরাপটি গ্রহণ করার সময় আপনাকে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি জাতীয় খাবার এবং সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া আপনার শরীরে খাবার এবং ক্যালরির অভাব দেখা দিলে আপনি পূর্বের অবস্থায় চিকন হয়ে যাবেন। তাই যারা মোটা হওয়ার জন্য এই ওষুধ বা সিরাপটি ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই এই বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন এবং প্রয়োজন পরিমাণ খাবার গ্রহণ করবেন। শরীরের শক্তি এবং মাংসপেশি তৈরি হতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি প্রয়োজন হয়। 

আলফালফা সিরাপ এর উপকারিতা সম্পর্কে জানুন 

আলফালফা সিরাপের উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের বিস্তারিত জানা উচিত কারণ এই সিরাপ খাওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। একজন মানুষ শারীরিক সমস্যা সমাধান করতে দুর্বল শরীর সবল করতে এবং চিকন শরীর মোটা করার জন্য সিরাপ খেতে পারেন। আরো যে উপকারিতা গুলো রয়েছে তা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম যা আপনার এই সিরাপ ব্যবহার করার ক্ষেত্রেই কাজে আসবে। 

  • কিডনির পাথর এর সমস্যা: আলফা সিরাপ এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, ই এবং দস্তা রয়েছে যা আপনার শরীরের কিডনি সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এটি একটি উদ্ভিদ যার থেকে তৈরি হয় প্রচুর পরিমাণে কিডনির সমস্যা সমাধান করার জন্য উক্ত উপাদান গুলো বিদ্যমান এটি বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত। 
  • মেয়েদের মাসিকের সময়: মহিলাদের মাসিকের পর কিছু সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এ সময় ইস্ট্রোজেন হরমোনের ঘাটতি পড়ে তাই আপনি যদি আলফালফা সিরাপ খান তা আপনার শরীরে ইস্ট্রোজেনিক হরমোনের কাজ করবে তাই আপনার শরীরে এই সময় শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন। 
  • হাড়ের সংযোগে ব্যথা: মানুষের শরীরে প্রচুর পরিমাণ খনিজ প্রয়োজন হয়, ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম এবং বিভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয় সেই ক্ষেত্রে আলফালফা সিরাপ এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ খনিজ রয়েছে যা পৃথিবীর ২০-৩০ ফুড নিচ থেকে সংগৃহীত করার ক্ষমতা রাখে এই উদ্ভিদ। যাকে উদ্ভিদের পিতা বলে ডাকা হয় এর আরবি নাম আলফা আলফা। তাছাড়া আর্থাইটিক্স সংক্রমণের শিকারি ব্যক্তিদের নিয়মিত এই চ তৈরি করে খাওয়ানো উচিত।
  • স্থূলতা কমায়: আপনার শরীরের স্বাস্থ্যের উপকারিতা পাওয়ার জন্য এর ব্যবহার করা যায় যা আপনার শরীরের কোলেস্টল চর্বি চিনি এবং সম্পৃক্ত চর্বি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করবে শুধু তাই নয় এটি প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ যা আপনার শারীরিকভাবে আপনার পেটকে সুরক্ষা দেবে। 
  • শাসনযন্ত্রের সমস্যায় চিকিৎসা: আলফালফা ক্লোরোফিলের একটি উৎস এর কারণে শাসনতন্ত্রের সমস্যা সমাধান এবং ফুসফুসের সমস্যা সমাধান করে, সাইনাস সমস্যা ভোগ করলে এর রস পান করা উচিত।
  • সুগারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়: প্রাকৃতিকভাবে সুগারের চিকিৎসার জন্য প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে ব্যবহার করা হয় রক্তে বিশেষ পরিমাণে সুগারের সমস্যা যুক রোগীদের নিয়মিত এটি গ্রহণ করা উচিত। যার মাধ্যমে একজন মানুষের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।
  • পেটের সকল সমস্যার সমাধান: পেটে যে সকল সমস্যা রয়েছে যেমন গ্যাস্ট্রিক, পেট ব্যথা, বদহজম সমস্যায় এর জন্য চা হিসেবে পান করতে পারেন।
  • মাথার চুল উঠে যাওয়া এ রাতে: কিছু মানুষ রয়েছে যারা অকালে চুল উঠার সমস্যা নিয়ে বিশেষায় ভুগছেন তারা আলফা রস এবং গাজরের সালাত পাতা সমান পরিমাণে মিশ্রণ তৈরি করে মাথার চুলে নিয়মিত ব্যবহার করুন তাহলে বিশেষ উপকারিতা পাবেন মাথার চুল পড়া বন্ধ হবে এবং চুলের গোড়া শক্ত হবে। 
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: যে সকল মানুষের উচ্চ রক্তচাপ জড়িত সমস্যা রয়েছে হাইপারটেনশন কমাতে পারছেন না তারা আলফালফা থেকে সাহায্য পেতে পারেন এটা কঠোর ধমনী নমনীয়তা করতে সাহায্য করে এবং উচ্চ রক্তচাপে উপকারী বলে প্রমাণিত।

আশা করি এই উপকারিতা গুলো ব্যবহার করার জন্য আপনি নিয়মিত ব্যবহার করবেন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আলফালফা একটি উপকারী উদ্ভিদ যাকে বলা হয় উদ্ভিদের পিতা এর শিকড় পৃথিবীর সকল গাছগুলোর চেয়ে বেশি নিচে যায় ২০ থেকে ৩০ ফুট নিচ থেকে খনিজ এবং প্রয়োজনীয় উপাদান শোষণ করে যার মাধ্যমে এই উল্লেখিত উপকারিতা গুলো পাওয়া যায়। আশা করি এই উপকারিতা পাওয়ার জন্য ব্যবহার করবেন।

আলফালফা টনিক এর উপকারিতা গুলো জানুন 

আলফা টনিক এর উপকারিতা গুলো আমাদের জানা উচিত এই টনিক অত্যন্ত কার্যকরী এবং উপকারী। এটি খাবর মাধ্যমে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। যে উপকারিতাগুলো পাওয়ার জন্য শিশু থেকে সকল বয়সের মানুষ এটি ব্যবহার করতে পারে। এই ওষুধটি বা সিরাপটি খাওয়ার মাধ্যমে মানুষ মোটা হতে পারে। আরো যে সকল উপকারিতা গুলো পায় তা নিচে দেখুন। 

আলফালফা টনিক এর উপকারিতা সমূহ: 

  • হজম ক্রিয়া শক্তিশালী করে। অতিরিক্ত খোদা নিয়ন্ত্রণ করে। 
  • কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ থেকে দূর করে যার ফলে আত্মীয়করণ এবং মলত্যাগের সহায়ক হয়। 
  • স্বাস্থ্যকর পুষ্টি সরবরাহ করে। 
  • শরীরে ক্যালরি উৎপাদন করে। 
  • শারীরিক ক্লান্তি দূর করে। 
  • বিষন্নতা এবং মানসিক উদ্যোগ কমায়। 
  • গর্ভাবস্থা এবং স্থান ও দানের সময় নিখুঁত পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। 
  • স্নায়ু সমস্যা সমাধান করে। 
  • তাদের কিডনিতে পাথর রয়েছে তাদের সমস্যার সমাধান করতে ব্যবহার করা হয়। 

আলফালফা টনিক এর উপকারিতা পাওয়ার জন্য আপনি নিউ মাফিক ডাক্তারি পরামর্শ গ্রহণ করে খাওয়ার অভ্যাস করুন তাহলে স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন এবং উল্লেখিত সকল সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। সুস্থ থাকার জন্য আলফালফা সিরাপ অত্যন্ত উপকারী। আলফা আলফা টনিক যে উপকারিতা গুলো করতে পারে তা পাওয়ার জন্য মানুষকে নিয়মমাফিক ব্যবহার করতে হবে এর জন্য আপনাদের সামনে নিচে আলফা আলফা খাওয়ার নিয়ম উপস্থাপন করলাম।

আলফালফা টনিক খাবার নিয়ম সমূহ জানুন 

আলফালফা টনিক খাওয়ার নিয়ম অনুসরণ করে খাবার মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত সকল উপকারিতা গুলো পাওয়া যায়। আপনি যদি স্বাস্থ্যহীন হন, স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করতে চান এবং কিডনি সমস্যায় ভুগেন তাহলে তাহলে এই নিয়মগুলো আপনাকে বিশেষ উপকারিতা দিবে একজন মানুষের যে কোন ওষুধ খাওয়ার পূর্বে নিয়ম অনুসরণ করতে হয় সেই নিয়ম গুলোর মধ্যে আলফালফা টনিক খাবার উল্লেখযোগ্য নিয়ম আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম যা ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত নিয়ম জানুন।

আলফালফা টনিক খাবার নিয়ম সমূহ

  • প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এক টেবিল চামচ বাকসন আলফা আলফা টনিক দিনে তিনবার খাবারের আগে খেতে হবে। 
  • শিশুদের জন্য এক চা চামচ খাবারের আগে দিনে তিনবার খেতে হবে। শিশুদের ক্ষেত্রে এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। 
  • এছাড়া এই ওষুধটি খাওয়র জন্য ভালো সময় প্রয়োজন। খাবার পূর্বে অথবা খাবারের পর্বে খাওয়া ভালো। কারণ একটি সহজে হজম করতে সাহায্য করে। সকালে এবং রাতে খাওয়া সাধারণত বেশি উপকার বলে গণ্য করা হয়। 
  • পানি বা অন্যান্য তরলের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায় এটি সাধারণত সরাসরি না খেয়ে পানি বা বিভিন্ন তরল জাতীয় খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া উচিত। 
  • চিকিৎসকের পরামর্শ: যদি আপনি আগে থেকে কোন ওষুধ না খান বা বিশ্বের স্বাস্থ্যগত অবস্থায় থাকেন তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এই আলফালফা টনিক খেতে হবে।

আলফাবেট অনেক সাধারণত নির্দিষ্ট সময় ধরে ব্যবহার করা উচিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এক থেকে তিন মাসের কোর্স কমপ্লিট করতে হবে। এরপর আপনাকে বিশেষ কিছু সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে যেমন অতিরিক্ত ডোজ খাওয়া থেকে দূরে থাকতে হবে যার ফলে কিছু পার্শ্ব পতিক্রিয়া হতে পারে। যেকোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে টনিক খাওয়া বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। আপনি যদি কোন আলফা টনিক সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে আজকের এই পোস্টি থেকে অবশ্যই উপকৃত হবেন। 

আলফালফা সিরাপ কোনটা ভালো জানুন 

আলফালফা সিরাপ কোনটা ভালো এরি নির্বাচন করার জন্য আপনাকে কি করতে হবে এবং এর জন্য কোন সিরাপটি উপযুক্ত তা জানুন। খাওয়ার মাধ্যমে বিশেষ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। এই আলফ সিরাপটি বিভিন্ন কোম্পানি বা বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করেন। মুখে বিশেষ কিছু উল্লেখযোগ্য অনেক রয়েছে যেগুলো বিভিন্ন দামে পাওয়া যায়। 

  • ডক্টর উইলমার শোয়ারে আলফালফা টনিক সিরাপ রয়েছে। 
  • জার্মান হোমিওপ্যাথি আলফালফা মাদার টিংচার Q রয়েছে। 
  • বিভিন্ন কোয়ালিটি রয়েছে তার মধ্যে এই দুটি উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন অসুখর জন্য বিভিন্ন মাত্রায় ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখিত তথ্য থেকে এতটুকু নিশ্চিত বলা যায় যে, এটি বিভিন্ন ধরনের হয় তখন যখন এর মাধ্যমে মাত্রা কম বেশি করা হয়। এটা জার্মানি রয়েছে এবং বিভিন্ন দেশীয় ভাবে তৈরি করা হয় এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য জার্মানি হোমিও প্যাথি আলফলফা উল্লেখযোগ্য যা অত্যন্ত কাজ করে আপনি পেটের সমস্যা এবং শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য এই ওষুধটি ব্যবহার করতে পারবেন যা অত্যন্ত উপযোগী।

আলফালফা সিরাপ খাওয়ার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে 

আলফা সিরাপ খাওয়ার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করলে আপনি বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবেন বর্তমানে এটি সকল বয়সের মানুষের জন্য ব্যবহৃত হয়। নানান ধরনের রোগ মুক্তি এবং উপকারিতা পাওয়ার জন্য সেই লক্ষে আপনি যদি আলফা সিরাপ খাওয়ার অভ্যাস করেন তাহলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন। এই উপকারিতা গুলো পাওয়ার জন্য নিচের দেওয়া নিয়মটি অনুসরণ করুন যা ১০০% কার্যকারী।

আরো পড়ুনঃ পা ফোলার কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে ১৭টি ঘরোয়া উপায়

আলফালফা খাওয়ার নিয়ম ও গ্রহণ মাত্রা ওষুধটির মূল মাদার টিংচার যা শিশুদের জন্য ৫ থেকে ১০ ফোটা প্রতিদিন দিনে দুইবার। বয়স্কদের জন্য ১০ থেকে ২০ ফোটা প্রতিদিন দিনে দুইবার। এটি ভালো উপকারিতা পাওয়ার জন্য গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেতে হবে তাহলে বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে। যতদিন শরীরের পুষ্টি সাধনের জন্য কাজ শুরু না করে সেই পর্যন্ত ওষুধ খাওয়া চালিয়ে যেতে হবে।

আলফলফা সিরাপ জার্মানির দাম কত জানুন 

আলফালফা সিরাপ জার্মানির দাম কত এটা আমাদের জানা উচিত কারণ আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায় এবং সবচাইতে হোমিওপ্যাথিক এর উন্নত মানের ঔষধ তৈরি করা হয় জার্মানি। তাই এই ওষুধটির দাম অত্যন্ত বেশি হতে পারে আপনি বিভিন্ন পরিমাণমতো খেলে বিভিন্ন দামের পেতে পারেন এই মুহূর্ত ৫০০ থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা পর্যন্ত আছে। তবে আপনি এটা যদি জার্মানি থেকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে নিতে চান তাহলে ৫০০ মিলি এর দাম পড়বে ২৪০০ টাকা এর জন্য আপনাকে অগ্রিম ২০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ কোন রোগ হলে আমাদের শরীর দুর্বল হয়ে যায় জেনে নিন তার প্রক্রিয়া

বাংলাদেশে পাওয়া যায় বিভিন্ন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর কাছে তারা জার্মানির এবং বিভিন্ন দেশীয় বিক্রি করে থাকে তবে আপনাকে সঠিক উপকারিতা পাওয়ার জন্য এবং ভালো মানের ওষুধ সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে জার্মানি ওষুধটি সংগ্রহ করতে হবে এটার কার্যকারিতা সকল গুলোর চাইতে অধিক এবং মানসম্মত হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে আপনি বেশি ভিন্ন উপকারীতা পাওয়ার জন্য জার্মানি টি ব্যবহার করবেন।

আলফালফা টনিক এর দাম কত - আলফালফা সিরাপ এর ছবি

আলফা টনিক এর দাম যারা জানেন না তারা উপরের তথ্যগুলো থেকে জানতে পারবেন যে এর টনিকের বা সিরাপ এর দাম কেমন হতে পারে। এটা বিভিন্ন কেমিস্ট বিভিন্ন অনুপাতে তৈরি করে থাকে এবং সেই অনুপাত অনুযায়ী এর দাম নির্ধারণ করা হয়। সবগুলোই খুব বেশি উপকার করে। কারণ এটি অত্যন্ত প্রাকৃতিক এবং উদ্ভিদ এর সংশ্লেষণে তৈরি। যার ফলে এর দাম হাতের নাগালে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়া যায় এটি ব্যবহার করার জন্য খুব সহজেই ব্যবহার করা হয় যার ফলে আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায়।

আলফালফা টনিক এর দাম কত - আলফালফা সিরাপ এর ছবি

আলফা সিরাপ এর ছবি রয়েছে যা দেখে আপনি এই সিরাপ চিনতে পারবেন। একজন মানুষ অনেক সময় প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সেক্ষেত্রে নকল হতে সাবধান হওয়ার জন্য আপনাকে এই নিচের হলগ্রাম এবং এই ছবিটি দেখে সেই অনুযায়ী কিনতে পারবেন। তাছাড়া আপনি বিভিন্ন ব্যান্ডের ওয়েবসাইটগুলো থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। আরো ভালো হয় যদি আপনি বিভিন্ন হোমিওপ্যাথিক ওষুধ বিক্রেতা বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেন। 

আলফা আলফা মাদার টিংচার সম্পর্কে জানুন 

আলফালফা মাদার টিংচার সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত আলফালফা মাদার টিংচার মানুষের কিডনির সমস্যা দূর করার ক্ষমতা রাখে, যাদের কিডনিতে পাথর রয়েছে তারা এটি খাওয়ার মাধ্যমে কিডনির পাথর অপসারণ করতে পারেন। এছাড়া উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হাঁপানি এবং ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কমাতে এবং এ রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় আলফা আলফা মাদার টিং।

এটি অস্টিও আর্কাইটিক্স এবং রিউমাইড আর্কাইটিক্স এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি থাম্বসাইট্রিক পুর পর মত তখন জড়িত সমস্যার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। মেয়েদের মাসিকের সময় এটি ব্যবহার করলে মাসিকের ব্যথা অবশ্যই। এই সিরাপ বাট অনেকের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ইস্ট্রোজেন সমৃদ্ধ বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন উপাদান। যা আপনার শরীরের এই হরমোনের ঘাটতি পূরণ করে এবং মাসিকের সময় ব্যথা উপশম করে। 

তাই গর্ভবতী মা এবং স্তন্যদানকারী মা উভয়ই এটি সতর্কতার সাথে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। অনেক মানুষের ক্ষেত্রে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুলো থেকে বাঁচার জন্য অবশ্যই আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সুস্থ থাকার জন্য মানুষের এই উপায়গুলো অবলম্বন করা উচিত পাশাপাশি শারীরিক শক্তিশালী হাওয়া এবং দুর্বলতা থেকে বাঁচার জন্য সহজেই এই ওষুধ সেবন করা উচিত।

আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায় তা নিয়ে শেষ কথা 

আলফালফা সিরাপ খেলে কি মোটা হওয়া যায় সেই বিষয় নিয়ে আজকের এই পোস্টটি উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। আগে বিদেশে বিভিন্ন ধরনের গবাদি পশুর স্বাস্থ্য রক্ষা এবং বিভিন্ন অসুখ থেকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হতো এই আলফালফা সিরাপ। তবে বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ করার পর সিদ্ধান্ত উপনীত হয়েছে যে এই ওষুধটি মানুষের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

শরীরে মানসিক এবং শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা দূর করার পাশাপাশি বিভিন্ন দুর্বলতা মূলক সমস্যার শরীর থেকে চিরতরে দূর করার জন্য এই সিরাপ নিয়মিত খাওয়া যায়। বিশেষ কিছু সমস্যা সমাধানের জন্য উপস্থাপন করেছি কিছু নিয়ম ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী একজন মানুষ গ্রহণ করার মাধ্যমে বিশেষ স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবে। সুতরাং আপনি যদি সিরাপটি খাওয়ার মাধ্যমে মোটা হতে চান তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার শুরু করে দিতে পারেন। আশা করি আজকের এই তথ্যগুলো পড়ে আপনি উপকৃত হবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url