দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ - দাঁতের মাড়ি ক্ষয় হয় কেন জানুন
দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ ব্যবহার করে এ সমস্যা সমাধান করার উপায়। দাঁতের মাড়ি ক্ষয় হয় কেন তা বিস্তারিত জানার জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম। যাতে আপনি বুঝতে পারেন, কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁত ক্ষয় হয়।
তাছাড়া দাঁতের ক্ষয় পূরণ করার উপায়, দাঁতের মাড়িতে ক্যান্সারের লক্ষণ সমূহ বোঝার উপায়, দাঁতের ক্ষয় রোধ করার ঘরোয়া উপায় সহ আরো দাঁতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করবো যার মাধ্যমে একজন মানুষ দাঁতের সুরক্ষা এবং সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারে। তাহলে চলুন দেরি না করে সেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জানি।
পোস্ট সুচিপত্রঃ দাঁতের ক্ষয় রোধের ঔষুধ - দাঁতের মাড়ি ক্ষয় হয় কেন জানুন
- দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ সম্পর্কে জানুন
- দাঁতের ক্ষয় রোধ করার ঘরোয়া উপায় জানুন
- দাঁতের মাড়ির ক্ষয় কেন হয় জানুন
- কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁত ক্ষয় হয় জানুন
- দাঁতের মাড়ি শক্ত করার ঔষধ জেনে রাখুন
- দাঁত শিরশির করার ঔষধ জেনে রাখুন
- দাঁতের ক্ষয় পূরণ করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত
- দাঁতের ক্ষয় রোধের উপায় - দাঁতের এনামেল ক্ষয় হলে করণীয়
- দাঁতের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় জেনে রাখুন
- দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ নিয়ে লেখক এর শেষ মন্তব্য
দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ সম্পর্কে জানুন
দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ সম্পর্কে জানা উচিত কারণ এই ওষুধ ব্যবহার করে দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধ করা যায়। তাই আপনি এই নিচে দেওয়া ওষুধ গুলো সম্পর্কে জেনে ব্যবহার করলে সঠিক উপকারিতা পাবেন। দাঁতের মাড়ি ক্ষয় এটা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে তাই এর লক্ষণের উপর নির্ভর করে দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ নির্বাচন করতে হবে। সাধারণ ব্যবহৃত কিছু ঔষধ উল্লেখ করা হলো।
দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ সম্পর্কেঃ
- অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশঃ ক্লোরহেক্সিডিন গ্লুকোনেট যা দাঁতের মাড়ি সংক্রমণ এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, এটি ব্যবহার করার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দুইবার ব্যবহার করা যায়। এবং আপনি টক্সিন সমৃদ্ধ মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার মাড়ির টিস্যু শক্তিশালী করবে।
- এন্টিবায়োটিক জেল বা ক্রিমঃ মেট্রোনিডাজল জেল ব্যবহার করা যায় যা বাড়ির প্রদাহ ও সংক্রমণ কমানোর জন্য কার্যকারী। তাছাড়া আপনি ডক্সিসাইক্লিন জেল সংক্রমণ রোধের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
- পেইন রিলিফ জেলঃ লিকোকেন জেল মাড়ির ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত হয়।
- ভিটামিন সাপ্লিমেন্টঃ ভিটামিন সি মানে রক্তপাত ও প্রদাহ কমায় এবং ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম মাড়ির দাঁতের ক্ষয় ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য উপকারী।
- গাম রিজেনারেটিভ প্রডাক্টসঃ অনেক সময় মানুষের কিছু কিছু ক্ষেত্রে মাড়ি পুনর্গঠন এর জন্য বিশেষ ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় periopatch। তাছাড়া আরো যে ওষুধ ব্যবহার করতে পারবেন, chorhxidine insert, Enamel matrix Derivative(EMD).
- স্কেলিং এবং রুট প্ল্যানিংঃ ডেন্টিস্ট দাঁতের টাটার এবং প্লাক পরিষ্কার করে দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষা করা যায় এবং এটি প্রাথমিক অবস্থায় মাড়ি ক্ষয় রোধ করে।
- এছাড়াও পেন রিলিফ জেল হিসেবে ওরাবেসিক জেলঃ বেনজোকে ইঞ্জিল মারের ক্ষয় তো স্নেথ ব্যবহার করতে পারবে।
উল্লেখিত উপায় এবং ওষুধ গুলো ব্যবহার করে আপনার দাঁতের ক্ষয়রোধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন তাই আপনাকে গুরুত্ব নিয়মগুলো মানার পাশাপাশি নিচেতে প্রাকৃতিক উপায় গুলো উপস্থাপন করেছি সেগুলো দেখে নিতে পারেন। কারণ অনেক উপায়ে রয়েছে প্রাথমিক অবস্থায় ব্যবহার করলে খুব কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যায়। তাই নিজে দেখে নিন দাঁতের ক্ষয় রোধ করার ঘরোয়া উপায়।
দাঁতের ক্ষয় রোধ করার ঘরোয়া উপায় জানুন
দাঁতের ক্ষয় রোধ করার ঘরোয়া উপায় জানুন কারণ এই উপায়গুলো অত্যন্ত কার্যকরী। খাদ্য তালিকায় ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত। শাকসবজি খাওয়ার পাশাপাশি নারকেলের তেল বাদাম শহরের বিভিন্ন খাদ্য তৈরি করা উচিত, পাশাপাশি নিচের দেওয়া ঘরোয়া উপায় গুলো অবলম্বন করলে অবশ্যই দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে পারবেন।
আপনার পছন্দ হতে পারে এমন পোস্টের তালিকাঃ
পড়ুনঃ দাঁতের গোড়ায় ইনফেকশন হলে করণীয় ১০টি উপায়
পড়ুনঃ দাঁতের মাড়িতে পুজো হলে করণীয় ১১টি বিষয় গুলো জানুন
দাঁতের ক্ষয় রোধ করার ঘরোয়া উপায় সমূহঃ
- নিয়মিত ব্রাশ এবং ফ্লসিংঃ নরম ব্রিজল যুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন কারণ শক্ত ব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যায়। ফ্লোরাইড পেজ ব্যবহার করুন যা দাঁতের এনামেল শক্ত করতে সাহায্য করে। দিনে অন্তত দুইবার দাঁত ব্রাশ করুন এবং তাতে ব্রাশ করা বাধ্যতামূলক হিসেবে মনে করুন। তাদের ফাকে জমে থাকা খাওয়ার পর পরিষ্কার করতে ফ্লস ব্যবহার করুন।
- নুন পানির গার্গলঃ উপকরণ হিসেবে এক গ্লাস গরম পানিতে আধ চামচ লবণ মেশান, মিশ্রণটি দিনে দুইবার গারগল করুন যার মাধ্যমে আপনি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারবেন এবং মাড়ি ও দাঁতের প্রদাহ কমাতে পারবেন।
- নারিকেলের তেল বা তিলের তেল দিয়ে অয়েল পুলিংঃ এর জন্য আপনাকে এক চামচ নারিকেল তেল বা তিলের তেল নিতে হবে, এটি মুখে নিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট নাড়াচাড়া করুন এবং পরে কুলি করে ফেলে দিন এভাবে ব্যবহার করলে দাঁতের ব্যাকটেরিয়া দূর হবে এবং তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
- বেকিং সোডা ব্যবহারঃ এই উপকরণটি ব্যবহার করার জন্য আধা চামচ বেকিং সোডা সামান্য পানির সাথে নিয়ে দাঁতে হালকাভাবে পরিষ্কার করুন, সপ্তাহে দুই তিনবার ব্যবহার করুন। যা আপনার দাঁতের পৃষ্ঠ থেকে দাগ দূর করে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
- এলাচ এবং লবঙ্গঃ লবঙ্গ তেল তুলনামূলক কয়েক ফোটা দাঁতের ক্ষত স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন। এলাচ মানুষের মুখের দুর্গন্ধ দূর করে এবং বিভিন্ন সমস্যা দূর করার সেই ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এটি চিবিয়ে খাওয়ার মাধ্যমে এই উপকারিতা পাবেন।
- হলুদ ও মধুঃ উপকরণ হিসেবে এক চিমটি হলুদ গুঁড়া ও এক চামচ মধু নিট মিশ্রণ তৈরি করে দাঁতে লাগিয়ে রাখবে এবং ১০ মিনিট অপেক্ষা করার পর ধুয়ে ফেলবে যা আপনার প্রবাহ এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করবে।
- ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণঃ এই খাবারগুলো গ্রহণ করতে হবে দুধ, পনির, দই, ডিম, শাকসবজি কোন ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার। প্রতিদিন রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো যাবে ভিটামিন-ডি সরবরাহ করবে এই উপায়গুলো অবলম্বন করলে দাঁত ও মাড়ি মজবুত রাখবে।
- চা গার্গলঃ গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি নিয়ে মুখে কুলি করুন এতে থাকা ক্লোরাইড এবং পলিফেনল দাঁত ক্ষয় রোধ করে।
- নিয়মিত পানীয় গ্রহণের অভ্যাসঃ বেশি পানি পান করতে হবে এবং প্রতিবার খাবারের আগে এবং পরে মুখ ধুয়ে নিন সফট ড্রিংস এবং চিনি মিশ্রিত পানি এড়িয়ে চলুন।
- খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তনঃ আশ যুক্ত শাকসবজি এবং তাজা ফল খান মিষ্টি, চিনি এবং প্রসেসর খাবার কম খান, খাওয়ার পরে পানি বা আপেল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
- এছাড়া যা এড়িয়ে চলবেনঃ অতিরিক্ত চিনি বা এসিডিক খাবার শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করা এবং ঘন ঘন ঘষা। তাদের খাবার আটকে থাকা অবস্থায় রাখা যাবে না তা পড়ে আবিষ্কার করতে হবে বা এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলতে হয়।
যদি আপনি দাঁতের ক্ষয় ক্ষুদ্র হয় তবে ডেন্টিসের সাথে পরামর্শ গ্রহণ করে বিভিন্ন স্কেলিং এবং সূরাটমেন্ট নিতে পারেন যা ঘরোয়া প্রতিকার এ গুলো যে অবস্থায় ব্যবহার করে সমস্যা জটিল হয়ে গেলে, এই সুবিধা গুলো নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনাকে ডাক্ততার এর পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র গ্রহণ করতে হবে। তাহলে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে আপনি বাঁচতে পারবেন।
দাঁতের মাড়ির ক্ষয় কেন হয় জানুন
দাঁতের মাড়ির ক্ষয় কেন হয় এটা জানা উচিত কারণ দাঁতের মাড়ির ক্ষয় হওয়ার পিছনে অনেক কারণ রয়েছে। সেই কারণগুলো জানলে আপনি সেই ক্ষয় হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারবেন। তাই আপনাদের সুবিধার্থে দাঁতের মাড়ি ক্ষয় হওয়ার কারণ এবং এর প্রতিকার গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করব যাতে খুব সহজে আপনি এই সমস্যা থেকে রক্ষা পান।
- অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে।
- অপরিষ্কার এবং দাঁতের যত্ন কম হলে হয়।
- খাবার গ্রহণের আগে এবং পরে ব্রাশের অভ্যাস না থাকলে করুন।
- খারাপ ওরাল, হাইজিন নিয়মিত ব্রাশ না করলে এবং বিভিন্ন এনামেল ক্ষয় হওয়ার ফলে সমস্যা দেখা যায়।
- শক্ত ব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার ফলে এই সমস্যা দেখা যায় এবং দাঁতের সমস্যাগুলো হয়।
- জীর্ণ ডাল্টন ফিলিং এবং ইনফিনিটি ডেন্টাল ডিভাইসঃ এটি এমন একটি জীর্ণ গহবর ডেন্টাল ফিলিংস প্লাঙ্কে আরো সহজে তৈরি করতে দেয় যার ফলে আপনার দাঁতের স্বাভাবিক অবস্থায় ক্ষয় শুরু হয়ে যায়।
উল্লেখিত এই সমস্যাগুলো কিন্তু আপনি এড়াতে পারেন। এই সমস্যাগুলো এড়াতে পারলেই আপনি দাঁতের সমস্যা গুলো এড়াতে পারবেন তাই আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা এবং দাঁতের সঠিক যত্ন নেওয়ার অভ্যাস করতে হয়। সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ মানুষের শরীরে দাঁতের সাথে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের সংযোগ যোগাযোগ রয়েছে। তাই আপনি যদি দাঁতের অযন্ত এবং অবহেলা করেন তাহলে এখান থেকে আপনার আরো বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁত ক্ষয় হয় জানুন
কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁত ক্ষয় হয় এটা আমাদের জানা উচিত। কারণ দাঁত এবং মাড়ির সুস্থতার জন্য নির্দিষ্ট কিছু উপকারী ভিটামিন রয়েছে। যা তাদের সুরক্ষা এবং উপকারিতা করার জন্য কার্যকরী ভূমিকা উপকরণ সরবরাহ করে। তাই আপনি যেই খাবারগুলো গ্রহণ করছেন তা কি আপনার দাঁতের সুরক্ষা দিতে পারে কিনা এবং সে খাবারগুলো খাবার মাধ্যমে আপনার সমাধান হচ্ছে কিনা এ সকল প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁতের ক্ষয় হয় তা জানুন।
- ভিটামিন ডিঃ ভিটামিন ডি এর অভাবে দাঁতের এনামেল দুর্বল হয়ে যায় এবং দাঁতের ক্যালসিয়াম শোষণ প্রক্রিয়ায় বাধাগ্রস্ত হয় তাই দাঁতের ক্ষয় এবং ফাটল দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য আপনি প্রতিদিন হালকা সূর্যের তাপ, দুধ, ডিম, চর্বিযুক্ত মাছ, শালবন বা মেকরেল খেতে পারেন।
- ভিটামিন সিঃ মাড়ি দুর্বল এবং রক্তক্ষরণ হতে পারে, স্কার্ভি রোগের কারণ দাঁত নড়বড়ি হয়ে যেতে পারে, সংক্রমণ বৃদ্ধি পায় তাই ভিটামিন সি সংগ্রহ করার জন্য লেবু, কমলা, টমেটো, ব্রকলি, পেয়ারা খেতে পারেন যা দাত ও মাড়ি সুরক্ষা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করবে।
- ভিটামিন বি কমপ্লেক্সঃ মুখের ভিতরে ঘা এবং মাড়ির প্রদাহ দেখা দেয় দাঁতের সংবেদনশীলতা বাড়ে তাই আপনাকে ভিটামিন ডি কমপ্লেক্স পূরণ করার জন্য গরুর মাংস, ডিম, বাদাম এবং শাকসবজি খেতে যা দাঁতের স্নায়ু এবং বাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
- ভিটামিন ইঃ মাটিতে প্রদাহ এবং রক্তক্ষরণের প্রভাব বৃদ্ধি পায় তাই এর অভাব পূরণ করার যদিও এগুলো ভিটামিন হয় তবে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের কারণে দাঁতের সমস্যা সৃষ্টি হয় তাই আপনি দাঁতের দুর্বলতা সারানোর জন্য দুধ, দই, পনির, মাছ দিতে পারেন।
তাদের ক্ষয় রোধ করতে উপরের ভিটামিন সমূহ অতিমাত্রায় গ্রহণ করা যাবে না সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া পরামর্শ অনুযায়ী আপনি চিকিৎসকের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য জেনে নিতে পারেন। এবং তার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী এই ভিটামিনগুলো অভাব পূরণের জন্য উপায় হিসেবে তাদের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। যা অত্যন্ত কার্যকরী এবং আপনাকে সঠিকভাবে এই সকল উপাদান গুলো পূরণ করার জন্য এবং শরীরে সঠিক মাত্রায় উপস্থাপন করার জন্য পরামর্শ দেবেন।
দাঁতের মাড়ি শক্ত করার ঔষধ জেনে রাখুন
দাঁতের মাড়ি শক্ত করার ঔষধ সঠিক চিকিৎসা এবং জীবন যন্ত্রণর মান পরিবর্তন এবং প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায় দাঁতের সমস্যা সমাধান করতে। আমরা দাঁতের বিভিন্ন প্রদাহ এবং সমস্যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হয়েছে দাঁতের মাড়ি শক্ত করা। কারণ দাঁতের মাড়ি শক্ত এবং শক্তিশালী উপাদান গুলো ঘাটতি থাকলে আপনার দাঁতের মাড়িতে বিভিন্ন দুর্বলতা দেখা দেয়। আপনাকে নিচের ওষুধ গুলো সম্পর্কে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।
- অ্যান্টিসেপটিক মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ক্লোরোহেক্সিডিন মাউথওয়াশ।
- এন্টিবায়োটিক জেল ব্যবহার করতে হবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মেট্রোনিডাজল জেল, ডক্সিসাইক্লিন জেল।
- গাম স্টেন পেন্টিং ক্রিম ও পেস্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
- পেন রিলিভ ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি যা রয়েছে। যেমন, বেনজো কেইন জেল, ডিক্লোফেনাক জেল
ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট করতে হবে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ডি যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে কিভাবে আপনি কোন খাবারগুলো থেকে পাবেন এগুলো জেনে নিবেন। মাড়ি শক্ত করার জন্য যে উপায়গুলো রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে সচেতনভাবে কিছু তথ্য উপস্থাপন করেছি তাকে আপনি এই উপকারিতা গুলো পাবেন। মধু এবং হলুদ সহ অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে আপনি মাড়ি শক্ত করতে পারেন তথ্যগুলো উপর উপস্থাপন করা হয়েছে।
দাঁত শিরশির করার ঔষধ জেনে রাখুন
দাঁত শিরশির করার ঔষধে জেনে রাখা উচিত কারণ দাঁত শিরশির এটা সকল বয়সের মানুষের হয়ে থাকে। একে সেনসিটিভ বলা হয় যার ফলে আপনার দাঁত কোন ঠান্ডা বা গরম জাতীয় খাবার বা কোন ফল জাতীয় খাবার গ্রহণ করার প্রথম দিকে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়। কোন কিছু খাবার গ্রহণ করতে গিয়ে দাঁতের ভিতর শিশি করে ওঠে তখন আপনি প্রাথমিক অবস্থায় সে খাবার গ্রহণ করতে পারেন না। তবে কিছুক্ষণ পরেই সেই সমস্যা সেরে যায় এবং স্বাভাবিক হয়ে যায়।
এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য আপনি উল্লেখিত উপরের ওষুধ গুলো ব্যবহার করতে পারবেন পাশাপাশি আপনি এক গ্লাস সামান্য গরম জলে হাফ চামচ নুন মিশিয়ে ৩০ সেকেন্ড পরিমাণ মুখে রেখে গড়গড় করুন এটি নিয়মিত করতে হবে। তাছাড়া এক টেবিল চামচ হলুদ আধা চামচ সরীষা তেল ও লবঙ্গ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেশ্ত তৈরি করে দাঁতে লাগিয়ে রাখলে আপনার দাঁত শিশির করা সমস্যা দূর হবে।
হলুদে থাকা কারকিউরিক নামক একটি উপাদান এটি আপনার দাঁতের সুরক্ষা দিবে পাশাপাশি জীবাণু ধ্বংস করবে ও উদাহ আসুক সমস্যা কমিয়ে আপনাকে শান্তি দেবে। এছাড়া এই সমস্যা দূর করার জন্য আপনি পেপসোডেন্ট এর পরিবর্তে মেডিপ্লাস টিএস ব্যবহার করতে পারেন। অনেক ডেন্টিস্ট পরামর্শ দিয়েছেন যাদের সমস্যা বা এসএসসির করার সমস্যা বন্ধ করার জন্য আপনি নিয়মিত দুইটি মেডিপ্লাস ডিএস ব্যবহার করলে এর উপকারিতা পাবেন।
দাঁতের ক্ষয় পূরণ করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত
দাঁতের ক্ষয় পূরণ করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা উচিত কারণ দাঁতের সমস্যা হলে আপনার শারীরিক আরো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে সুতরাং আপনাকে দাঁতের যত্ন নিতে হবে। প্রাথমিক অবস্থায় দাঁতের যত্ন নেওয়ার জন্য ঘরোয়া উপায় গুলো অবলম্বন করতে পারবেন। যা উপরে উল্লেখ করেছি এবংবিভিন্ন ওষুধ রয়েছে যে ওষুধ গুলো সম্পর্কে অনেকে জানেন সে ওষুধ গুলো ব্যবহার করতে পারবেন পাশাপাশি আপনাকে বিভিন্ন ধরনের খাবার অভ্যাস পরিবর্তন করতে যে খাবার অভ্যাস করার মাধ্যমে আপনি দাঁতের সুরক্ষা দিতে পারেন।
দন্ড ক্ষয় প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত সকালের নাস্তার পর ও রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে যে খাবারগুলো গ্রহণ করার মাধ্যমে আপনি দাঁতের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করতে পারবেন। তাছাড়া আপনাকে কম চিনি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। ভালো উপকারিতা পাওয়ার জন্য আপনি পরিমাণমতো ফ্লোরাইড গ্রহণ করবেন যা তাদের সুরক্ষা দিতে পারে।
সঠিক পরামর্শ এবং নির্দেশনা চাই যদি আপনি বিভিন্ন ঘরোয়া এবং তাড়াতাড়ি পরামর্শ গ্রহণ করেন তাহলে খুব সহজেই দাঁতের ক্ষয় পূরণ করতে পারবেন। দাঁতের ক্ষয় পূরণ করার জন্য তথ্যগুলো যদি আপনি বিস্তারিত জানেন তাহলে খুব উপকার পাবেন। কারণ এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের কার্যকরী উপায়। আশেপাশে আপনি বিভিন্ন টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারবেন যে টুথপেস্টের মধ্যে অন্যতম টুথপেস্ট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দাঁতের ক্ষয় রোধের উপায় - দাঁতের এনামেল ক্ষয় হলে করণীয়
দাঁতের ক্ষয় রোধের উপায় জানা উচিত কারণ দাঁতের এনামেল ক্ষয় হলে করণীয় যে কাজগুলো রয়েছে তা যদি আপনি না জানেন তাহলে অবশ্যই এর থেকে আরো গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। সমস্যা আপনার দাঁতের ক্ষয় করতে করতে খারাপ অবস্থায় নিয়ে যাবে এবং এ দাঁত অকেজু করে ফেলবে। সেই জন্য আপনাকে দাঁতের ক্ষয় রোধ করার জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে হবে।
- পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করতে হবে।
- মুখের দুর্বল পরিচ্ছন্নতা দাঁতের জন্য ক্ষতিকারক যা এড়াতে হবে।
- দাঁতের শিকড় উন্মোচিত হওয়ার ফলে বাড়ির পিছনে সমস্যা হয় তা প্রতিরোধ করার জন্য এই পোস্টের উপায় গুলো ব্যবহার করুন।
- এবং নিয়মিত সফট ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করুন।
- খাবার গ্রহণ এবং ঘুমানোর পূর্বে দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস করুন এবং দাঁতে জমে থাকা খাদ্যকণা মুক্ত করুন।
দাঁতের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় জেনে রাখুন
দাঁতের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় জানা উচিত কারণ এই উপায় গ্রহণ করে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্য নিচের উপায় গুলো অবলম্বন করতে পারবেন। গুরুতর অবস্থায় সমস্যা চলে গেলে আপনাকে অবশ্যই জরুরি অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা মানতে হবে। তাই নিচে দাঁতের গর্ত দূর করার ঘরোয়া উপায় গুলো দেখুন।
- নুন পানি দিয়ে গাড়গড় করতে পারবেন। দিনে দুইবার যা আপনার জীবনে ধ্বংস করবে এবং সংক্রমণ কবে।
- নারকেলের তেল ব্যবহার করতে পারবেন অয়েল প্রোটিন হিসেবে একসাথে তেল মুখে নিয়ে খুব সহজেই আপনি ১০-১৫ মিনিট রেখে নাড়াচড়া করার পর ফেলে দিতে পারেন। এই উপায়ে আপনি দাঁতের গর্ত রোধ করতে পারবেন।
- ব্রেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারবেন যা এক চা চামচ বেডিং সৌডা সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে দাঁত পরিষ্কার করলে দাঁতের পৃষ্ঠ পরিষ্কারক এবং দাঁতের গর্ত রোধ হবে।
- হলুদ এবং নারিকেলের তেল মিশ্রণঃ হলুদ ও তেল মিশ্রণ ব্যবহার করে আপনি ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলুন যা প্রদাহ কমায় এবং জীবনে ধ্বংস করে।
এছাড়া আপনি লবঙ্গ তেল ব্যবহার করতে পারবেন উপরে নিয়ম দেওয়া হয়েছে। গ্রিন টি ব্যবহার করতে পারবেন, ডিমের খোসার পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। ডিমের খোসা শুকিয়ে নিন এবং পেস্ট তৈরি করুন এবং দাঁতে লাগিয়ে পরিষ্কার করুন, যার মাধ্যমে এতে ক্যালসিয়াম রয়েছে যা দাতের এনামেল পুনর্গঠন করবে। দাঁতের গর্ত হওয়ার সম্ভাবনা রোধ করে আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য উপকার করবে।
দাঁতের মাড়ি ক্ষয় রোধের ঔষধ নিয়ে লেখক এর শেষ মন্তব্য
দাঁতের মাড়ির ক্ষয় রোধের ঔষধ নিয়ে যে তথ্যগুলো ইতিমধ্যে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছে এই তথ্যগুলো প্রাথমিক অবস্থায় ব্যবহার করতে পারবেন। এই ঘরোয়া উপায় গুলো ব্যবহার করে আপনি দাঁতের সমস্যা প্রাথমক অবস্থায় হলে ভালো করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি যদি গুরুতর অবস্থায় এবং দাঁতের বিভিন্ন ক্ষয় রোধ ও ভিটামিন জড়িত সমস্যা সম্পর্কে অবগত না থাকেন তাহলে এই তথ্যগুলো জেনে নিতে পারেন।
আজকের এই আর্টিকেলটির ভিতরে উপস্থাপন করা হয়েছে কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁতের সমস্যা হয় এবং কি কি খাবার গ্রহণ করার মাধ্যমে সে সকল ভিটামিন গুলো উদধার করা যায়। সুতরাং আপনি যদি না জেনে থাকেন দাঁতের ক্ষয় রোধ এবং বিভিন্ন প্রতিকার সম্পর্কে তাহলে আজকের এই পোস্টটি পড়ে অবশ্যই আপনি উপকৃত হয়েছেন। তাই আজকের এই পোস্টি যদি আপনি আপনার বন্ধুদের কাছে শেয়ার করেন তাহলে তারাও এই সকল তথ্য গুলো জেনে সচেতনতা অবলম্বন করতে পারবে।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url