সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে বিস্তারিত জানুন
প্রিয় বন্ধু আপনি যদি সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে এর সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণ সহকারে জানতে চান যে, সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এর কি পরিমান ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ে কখন কেমন রেট, উঠা নামার কারণ জেনে নিন।
এছাড়াও আপনি আজকের আর্টিকেলটিতে জানতে পারবেন বিশ্বে কত শতাংশ ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশের ২০২৪ শালী নির্ধারিত রয়েছে এবং সারা বিশ্বে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার শতকরা কতজন কাজ করে বৈদেশিক ডলার ইনকাম করে। তাহলে চলুন জেনে নিয়ে যাক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো দেখুন।
পোস্ট সুচিপত্রঃ সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে বিস্তারিত জানুন
- সারাবিশ্বে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার শতকরা কত জানুন
- সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে ২০২৪ সালে জানুন
- ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহণের শতকরা হার কত জানুন
- ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস কোনটি জানুন
- ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে বাংলাদেশের অবস্থান সারা বিশ্বে কততম
- ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত সময় লাগে জানুন
- ফ্রিল্যান্সিং করে যে কাজে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন
- বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় জানুন
- বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর কোনটি জানুন
- সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে তা নিয়ে শেষ মন্তব্য
সারাবিশ্বে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার শতকরা কত জানুন
সারা বিশ্বে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার শতকরা কত এটা আমাদের ফ্রিল্যান্সারদের অবশ্যই জানা উচিত। প্রতিবছর এই কাজের চাহিদার উপর নির্ভর করে ডলারের বাজার নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন খাদে কাজ করে ডলার ইনকাম করে। বাংলাদেশে আছে এমন বেকার মানুষ যারা ফ্রিল্যান্সিং করে ক্যারিয়ার করছেন। অনেকে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করে।
বর্তমানে বিশ্বের ফ্রিল্যান্সিং এর তালিকায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে শতকরা ১৪ শতাংশ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। ২০২৪ সালের রেকর্ড অনুযায়ী তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের ১৬ শতাংশ আউটসোর্সিং এর অবদান রাখছে ফ্রিল্যান্সাররা। এস সি ও ওয়ার্ল্ড ম্যাগাজিনের একটি তথ্য থেকে জানা যায় ফ্রিল্যান্সারের নিয়োগের শীর্ষ ৩০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ২৯ তম বলে উল্লেখ করা হয়।
আরো পড়ুনঃ মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো তার ২৪টি কার্যকারী উপায়
সারা বিশ্বে মোট ১৫৭ কোটি মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করে তাদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ মানুষ কমবয়সী যাদের বয়স ৩৫ এর নিচে। ফ্রিল্যান্সিং একটি মুক্তে পেশা এর মাধ্যমে মানুষ সহজেই নিজের ইচ্ছামত কাজ করতে পারে নির্দিষ্ট সময়ে বা সুবিধামতো। এর অনেক সুবিধা রয়েছে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায় তা নিজে দেখানো হলো আপনি এই সুবিধাগুলো পাওয়ার জন্য সহজেই এই বিষয়ে যোগ দিতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং সারাদেশে জনপ্রিয়তা লাভ করছে এখানে এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার সাথে কাজ করে ডলার উপার্জন করা যায়।
ফ্রিল্যান্সিং একটি মুক্ত পেশা এ্টি সময়ের সাথে কাজ করতে হয় তবে ব্যক্তি স্বাধীনতা রয়েছে। বিশেষ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে ১৫৩ টি মার্কেটপ্লেসে কাজ করা হয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা বাংলাদেশের ১০ লাখের উপর। বাংলাদেশে শুধু ওয়েব ডেভলপ বা ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এই কাজে প্রতি ঘন্টায় গড়ে ২১ মার্কিন ডলার থেকে ২৪ মার্কিন ডলার পর্যন্ত আয় করা হয়। ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে আরো বিস্তারিত বিষয়ে আমরা পর্যায়ক্রমে জানবো।
সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে ২০২৪ সালে জানুন
সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে ২৪ সালে এবং বিগত সালগুলোতে কত ছিল। ২৫ সালে কত থাকবে এই বিষয়গুলো আমাদের জানা উচিত। যদিও বর্তমানে বা কখনো এটা নির্দিষ্ট করে একেবারেই সঠিক বলা সম্ভব নয়। এর কারণ হলো এটি মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সারদের কাজের উপর নির্ভরশীল তাই কাজের কম বেশি হয়ে থাকে তাই এর ডলার এরকম বেশি হয়। তবে বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের প্রাইস ছিল প্রায় ৪.৩৯ বিলিয়ন ডলার।
পরবর্তীতে ২৩ সালে প্রায় ৪.৯৪ বিলিয়ন ডলার, পরিশেষে ২৪ সালে এটা আরো বৃদ্ধি পেয়ে ৫.৮৭ বিলিয়ন ডলার তবে এই জরিপ অনুযায়ী বিভিন্ন গবেষণা এবং পরিসংখ্যান অনুযায়ী হিসাব করে ২৫ সালের সালে ফ্রিল্যান্সিং বৃদ্ধি পেয়ে থাকবে ৬.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আশা করা যায় আগামী দিনগুলোতে এর ব্যবহারের সাথে সাথে ডলারের মাত্রাও বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে দিন দিন এর বৃদ্ধি এবং সকল মানুষ এই পেশায় কাজ করার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠছে।
আরো পড়ুনঃ প্রফেশনাল ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য
সুতরাং সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা ইনকাম করার জন্য অনেক মানুষ এ পেশায় যোগদান করছে বিশেষ করে যুবকেরা এই কাজটিকে বেশি পছন্দ করে। কারণ এটি খুব সহজে বাসায় বসে থেকে করা যায়। আপনি অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা অর্জন করে বিভিন্ন প্লাটফর্মে কাজ করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার ইনকাম করতে পারবেন। ডলার ইনকাম করা অত্যন্ত সহজ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমান যুগে এসে তবে আপনাকে সঠিক পরিশ্রম এবং গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে।
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহণের শতকরা হার কত জানুন
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নারী পুরুষের অংশগ্রহণের শতকরা হার কত এটা আমাদের জানা উচিত। বর্তমানে বেশিরভাগ অল্পবয়সী বা যুবক মেয়ে এবং ছেলেরা এই পেশায় যুক্ত হচ্ছেন। এ পেশায় নরীদের অবদান অনেকটাই বেশি তাই ফ্রিল্যান্সিং এর অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে নারীয় এগিয়ে আছে। বর্তমান বিশ্বে অনলাইনের ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর থেকে ৫৮ ভাগ নারী ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশের ৯ শতাংশ যোগ দিয়েছেন।
বিশ্বের মধ্যে নারীদের ফ্রিল্যান্সিং পেশার পার্সেন্টেজ ৫৮% তবে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে নারীরা কম অংশগ্রহণ করেন তাদের পার্সেন্টেজ ৯% হয়েছে। তবে এই বিষয় ধীরে ধীরে আগের তুলনায় বর্তমান ২৫ সালে এসে চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে তাই এই অবদানটি যদি চলমান হয় তাহলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক খাদে অনেক উন্নতির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে পারবেন, নারীরা এফল্যান্সিং কাজ করে। পেশায় কিছু সুযোগ সুবিধা রয়েছে যেমন বাসায় বসে থেকে কাজ করা যায় অফিসে যাওয়ার বা সময় মেন্টেন করার মত ঝামেলা থাকে না।
আরো পড়ুনঃ ঘরে বসে মেয়েদের হাতের কাজ এবং ৫১ টি কার্যকারি উপায়
অনেক নারী উদ্যোক্তা রয়েছে যারা নিজের কাজ করে এবং অন্যদিকে কর্ম করে দেওয়ার মতন ব্যবস্থা করে দেয় আপনিও যদি এই কাজটি করতে পারেন। তাহলে আপনি দেশের এবং দেশের মানুষের উপকার করতে পারবেন। অনেক নারী রয়েছে যারা বাসায় বসে বিভিন্ন কন্টেন্ট তৈরি ছবি ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ফেসবুক মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং এ ধরনের কাজ করে ঘরে বসে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা এবং অনলাইনে ইনকাম করে। আপনিও ইচ্ছে করলে উল্লেখিত কাজগুলো করার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস কোনটি জানুন
ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস কোনটি আমাদের জানা উচিত যেখানে অনেক বেকার যুবক তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। নারী-পুরুষ সকল ধরনের এবং সকল বয়সের মানুষ এই কাজের সাথে যুক্ত হতে পারে, এর জন্য আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে এবং সঠিক গাইডলাইন অনুসরণ করে নিয়মিত কাজ করতে হবে। বর্তমানে ফ্রিল্যান্সারদের দিক থেকে যে মার্কেটগুলো জনপ্রিয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু মার্কেট প্লেস রয়েছে। তাই সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে জানা উচিত।
আপওয়ার্ক: এখানে মানুষ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে সরাসরি ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলে কাজ বুঝে নিয়ে কাজ করতে পারে। বর্তমানে প্রায় ১২ মিলিয়ন এর অধিক নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার নিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অনলাইন প্লাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে আপওয়ার্ক। এখানে জব পোস্টিং ফিট অনেক দ্রুত তৈরি করা হয় এবং মাইক্রোসফট, অটোমেটিক ড্রপ বক্স এর মত বিভিন্ন ধরনের বড় ধরনের প্রযুক্তি বিষয়ে কাজ করা হয়।
আরো পড়ুনঃ অনলাইনে লুডু খেলার নিয়ম এবং টাকা ইনকামের উপায়
ফাইবার একাউন্টে কাজ করে মানুষ প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা ইনকাম করতে পারে তবে এই কাজ করার জন্য আপনাকে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞ ভাবে কাজ করার কৌশল জানা থাকতে হবে। এছাড়া আরো অনেক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যে মার্কেটপ্লেস গুলোতে মানুষ কাজ করে টাকা ইনকাম করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু মার্কেট প্লেস এর নাম জানুন, fiverr, upwork, Guru, freelancer.com, people per hour, 99 Designs,Dribble, simply Hired , aquent উল্লেখযোগ্য।
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে বাংলাদেশের অবস্থান সারা বিশ্বে কততম
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে বাংলাদেশের অবস্থান সারা বিশ্বে কততম জানা উচিত। যারা বাংলাদেশ থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করে তারা এ বিষয়গুলো অবশ্যই জানে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রচুর মধ্যবয়সী এবং যুবক মানুষের ভিতরে এই কাজের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ এই কাজটি করার জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় মেনে কাজ করা হওয়ার প্রয়োজন হয় না। তবে কাদের সাথে সময় দেয়া প্রয়োজন হয়।
উপরে আপনাদেরকে জানিয়েছি যে বাংলাদেশের অবস্থান সারা বশ্বের অবস্থানের তুলনায় অনেক কম। এ সময় বাংলাদেশের শীর্ষতম ১০ দেশের মধ্যে অবস্থান হতে পারে। ফ্রিল্যান্সার নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের 30 টি দেশের মধ্যে 29 তম অবস্থানে রয়েছে। এটি প্রমাণ হয়েছে যে ফ্রিল্যান্সারে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা অবশ্যই এখন আগের চাইত বেশি উদ্যোগ এবং কাজের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছে।
সেই দৃষ্টিকোণ থেকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিয়ারের চহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে ১৪ শতাংশ মানুষ ফ্রিল্যন্সের কাদের সাথে যুক্ত ছিল বর্তমানে এর পরিমাণ টা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। আশা করা যায় এবং বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় ভবিষ্যতে এর বৃদ্ধি হবে এবং হাজার হাজার মানুষ এই কর্ম করে অর্থ উপার্জন করবে এবং দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারবে।
ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত সময় লাগে জানুন
ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত সময় লাগে এটা অনেকেই জানতে চাই। বিশেষ করে প্রথম অস্থায় যারা এ পেশায় নিজেকে উপস্থিত করার জন্য ভাবে। তখন তারা এ ধরনের ভাবে যে তারা কিভাবে টাকা ইনকাম করবে এবং টাকা ইনকাম করার জন্য কত সময় লাগতে পারে। আপনি হয়তো মনে করবেন যে অনেক বছর সময় লাগে আবার কেউ মনে করতে পারে খুব তাড়াতাড়ি শিখে নেওয়া যায়। এটা নির্ভর করবে আপনার ধারণ ক্ষমতার ওপর আপনি কেমন আগে কাজ শিখতে পারবেন।
একজন মানুষ পাঁচ থেকে সাত মাসের ভিতরে ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য একটি জায়গা তৈরি করতে পারবে এবং এখানে ১ থেকে ২ বছর সময় দেয়ার পর সেখান থেকে একটি ভালো মাপের অর্থ উপার্জন করতে পারবে। তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা উপার্জন করতে চান তাহলে অবশ্যই সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে প্রচুর অর্থ উপাদন করুন তবে ধৈর্য সহকারে নিয়মিত কাজ করতে হবে এবং সঠিক গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ বাড়িতে বসে হাতের কাজ করে ইনকাম 2024 মেয়েদের হাতের কাজ দেখুন
আমি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকে বলতে চাই যে বর্তমান বিশ্বে চাকরি বা সরকারি কোন কাজের জন্য যে অর্থ ব্যয় করবেন বা শ্রম দিবেন, তার চাইতে বেশি সুবিধাজনক এবং আরামদায়ক কাজ হিসেবে আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন। বর্তমানে এ পেশায় দলে মানুষ যোগ দিচ্ছে তাই আপনিও দেরি না করে এই পেশায় যোগ দিন। ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করার বিশেষ উপায় সম্পর্কে জানতে আমাদের পেস্টিতে ফলো দিয়ে রাখুন।
ফ্রিল্যান্সিং করে যে কাজে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন
ফ্রিল্যান্সিং করে যে কাজে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন এ বিষয়টি যদি আপনি জানা থাকে তাহলে অবশ্যই সেই কাজটি করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করবেন। তবে প্রথমে আমাদের জেনে রাখা উচিত যে কোন কিছুই সহজেই পাওয়া যায় না তার পিছনে সময় দিতে হয় পিছনে সময় দিতে হয়। আপনি যদি পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে যেকোনো মাধ্যমেই টকা ইনকাম করতে পারবেন তবে বর্তমানে যে বিষয়গুলো বেশি চাহিদা রয়েছে।
তার মাধ্যমে মানুষ প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারে সেটা হচ্ছে ওয়েব ডিপ্লোপার বা ওয়েব ডিজাইনার অনেকে ওয়েব ক্রিয়েটর রয়েছে। তারা বিভিন্ন ওয়েবসাইট তৈরি করে বিক্রি করতে পারে এ সকল কাজগুলো করার মাধ্যমে খুব সহজে বেশি টাকা ইনকাম করা যায়। তবে এই কাজগুলো পাওয়ার জন্য এবং এ কাজের দক্ষতা অর্জন করার জন্য আপনাকে সময় ব্যয় করতে হবে এবং সঠিক গাইডলাইন ফলো করে নিয়মিত পরিশ্রম করলে আপনি সফল হতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং a to z শিখে ঘরে বসে টাকা ইনকাম
ফ্রিল্যান্সিং এর জগতে আরো অনেক কাজ রয়েছে যে কাজগুলো করে আপনি খুব সহজে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। যেমন, গ্রাফিক ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, এসিও ইত্যাদি। আপনি ইচ্ছে করলে সহজে বাংলা পোস্ট বা আপনার ভাষা যদি বাংলা হয় বা যেকোন ভাষা হয় সে ভাষাতেই বিভিন্ন ধরনের তথ্য মূলক পোস্ট তৈরি করে ফেসবুক ইউটিউব অথবা বিভিন্ন প্লাটফর্মে অথবা ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে কনটেন্ট তৈরি করে মানুষের সেবা দেয়ার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় জানুন
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় রয়েছে যেটি বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাজের এবং কাজের চাহিদার কোয়ালিটির নির্ভর করে দেওয়া হয়। অনেক মানুষ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট বা প্লাটফর্মে কাজ করে টাকা ইনকাম করে। বাংলাদেশীদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতি ঘন্টায় বেশ কিছু প্লাটফর্ম থেকে বাংলাদেশী সকল ফ্রিল্যান্সারেরা ১৮ থেকে ২৮ ডলার ইনকাম করে। যে ইনকামট সরকার কর্তৃক তাদের কাছে আসে এক্ষেত্রে সরকার বা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়।
বাংলাদেশে কতজন সফল ফ্রিল্যান্সার আছে এটা আমাদের জানা আছে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ করে দেখে দেন যে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। এবং এদের মধ্যে ৬৫০ হাজার আইটি ক্ষেত্র রয়েছে। এখান থেকে আইটির সকল গ্রুপ রয়েছে তার মধ্যে প্রায় বছরে এক বিলিয়ন আই হয়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সের কত পরিমান টাকা ইনকাম করে।
আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করে প্রচুর বৈদেশিক অর্থ অর্জন করতে চান এবং আপনাকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানিয়ে যাবেন কারণ আমরা আপনাকে সঠিক গাইডলাইন। অথবা প্রাথমিক অবস্থায় চাকরি দিতে পারি যেখান থেকে আপনি ক্যারিয়ার সত্য করতে পারবেন বিনামূল্যে এই কাজগুলো করার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করে আপনার দক্ষতা জানাতে পারেন।
বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর কোনটি জানুন
বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর কোনটি এটা আমাদের অনেকেরই জানা বিশেষ করে যারা ফ্রিল্যান্সিং জগতে অনেকদিন থেকে কাজ করি। আপনি যদি একজন সফল হতে চান তাহলে অবশ্যই বিশ্বস্ততার সাথে সঠিক পরিশ্রম করতে হবে। দক্ষতার স্বার্থে কাজ শেখার পর আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরি করে কাজ করতে পারবেন।
বর্তমানে বাংলাদেশের সবচাইতে ডিমান্ডেবল সেক্টর হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ইউটিউব মার্কেটিং, ফেসবুক মার্কেটিং এমন আরো ১৯ টি প্রক্রিয়া রয়েছে যে প্রক্রিয়াগুলো অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এর মধ্যে সবচাইতে সহজ হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন যা ফটোশপের মাধ্যমে করা হয় এবং ডিজিটাল মার্কেটিং। এই অধ্যায় গুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই এর মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পাবেন।
আরো পড়ুনঃ বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি সেই গপনীয়তা
তাছাড়া বাংলাদেশি বা বিশ্বব্যাপী যে কাজের চাহিদা বেশি তা হল ওয়েব ডিজাইন যা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মানুষ এই কাজটি করার মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ অর্থ উপার্জন করে। তাই আপনি ও বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডেভলপমেন্ট বা ওয়েব ডিজাইন এর কাজ করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এই কাজগুলো করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং আপনার কাজের দক্ষতাগুলো উপস্থাপন করতে হবে। যা দেখে কাস্টমার আপনাকে বিভিন্ন ধরনের কাজ দিবে।
সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে তা নিয়ে শেষ মন্তব্য
সারা বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং এ কত ডলারের বাজার রয়েছে তা আমাদের জানা উচিত বিশেষ করে যে সকল মানুষ ফ্রিল্যান্সারের জগতের সাথে জড়িত। প্রতিবছরের চাহিদা বা মানের কম বেশি হয় কারণ অনেক মানুষের কাজ এবং কাজের কোয়ালিটি এবং চাহিদার উপর নির্ভর করে এই ডলারের বাজার ওঠা নামা করে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে যেই বছর কাজের পরিমাণ বেশি হয় সে বছরের ডলারের বাজার বেশি থাকে।
তবে বিগত জরিপ থেকে দেখা গেছে যে প্রতিবছরের তুলনায় এর হার দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে। সুতরাং এই পেশার বিস্তার পাচ্ছে তাই সারা বিশ্বে এই পেশার মানুষ খুব সহজেই কাজ করে টাকা ইনকাম করার জন্য ফ্রিল্যান্সিং করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এবং ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে সারা বিশ্বে আলোড়ন তোলে। অনেক মানুষ রয়েছে যারা সারা বিশ্বে কয়েক মিলিয়ন টাকা ইনকাম করে ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে তাই আপনিও যদি করতে চান তাহলে শুরু করে দিতে পারেন।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url