শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখ - নবীজির মেরাজের ঘটনা জানুন
শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখ এটা মুসলিম হিসেবে আমাদের সকলের জানা প্রয়োজন। এ মাসের অনেক ফজিলত রয়েছে বিশ্ব নবী সাঃ এই মাসে তার উম্মতের জন্য আল্লাহর সাথে দিদার করেন। তিনি দীর্ঘ ২৭ বছর মেরাজ করতে আল্লাহর সাথে দেখা করেন এবং সেখানে উন্নতির জন্য অশেষ নিয়ামত নিয়ে আসে।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা: আল্লাহ তাআলর সাথে দেখা করে আল্লাহ সেই জন্য এই রাতটি অনেক ফজিলত পূর্ণ করে তুলেছেন তাই এ রাতে কেউ যদি আল্লাহতালার কাছে খাস নিয়তে ইবাদত বন্দেগী করে তাহলে অশেষ রহমত প্রাপ্ত হন। এছাড়া আরো যে বিষয়গুলো রয়েছে তা আপনাদের সঙ্গে সংক্ষেপে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করবো।
পোস্ট সচিপত্রঃ শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখ - নবীজির মেরাজের ঘটনা জানুন
- ১শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখ জানুন
- ২শবে মেরাজের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম জেনে রাখুন
- ৩শবে মেরাজ কত তারিখে ২০২৪ - শবে মেরাজ কত তারিখে ২০১৫ জানুন
- ৪মিরাজ কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয় জানুন
- ৫শবে মেরাজ কোন মাসে হয়
- ৬নবীজির মেরাজের ঘটনা সংক্ষেপে উপস্থাপন করলাম
- ৭মেরাজ কত হিজরীতে সংঘটিত হয়
- ৮মেরাজের ঘটনা কোন সূরায় আছে জানুন
- ৯শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখ তা নিয়ে শেষ মন্তব্য
শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখ জানুন
শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখ এটা আমাদের জানা উচিত এই বিষয়ে জানার মাধ্যমে অনেক ফজিলত রয়েছে এ রাতে বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসে ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশ আজিমে গমন করেন। সেখানে আল্লাহ তায়ালার সাথে দিদার করেন এবং তার দেওয়া নিয়ামত গুলো নিয়ে দুনিয়ায় ফিরে আসে।
সেজন্য আল্লাহতালার নির্দিষ্ট এই দিনটি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মিরাজের ঘটনা থেকে আরো মর্যাদাপূর্ণ হয়। মেরাজ নিয়ে অনেক ধরনের মতামত প্রচলিত রয়েছে তাদের সবার সাথে সবার অল্প কিছু বিষয়ে মতবিবাদ রয়েছে। তবে এক বাক্যে সকলেই মেরাজের এই রাতকে ফজিলত পূর্ণ এবং বরকতময় বলে গ্রহণ করেন। মুসলিম ধর্ম বিশ্বাসী প্রত্যেকটা ফেরকার মানুষই এই রাতটি কে পালন করে।
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝা যায় যে, মহানবী ইসলামের যে পাঁচটি স্তম্ভ মানুষের কাছে ইবাদত করার জন্য আল্লাহ কর্তৃক রেখে গেছেন, তার মধ্যে নামাজ অন্যতম। পবিত্র কুরআনের সূরা মারিজ এর ২৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহতালা বলেছেন, তারাই মুসুল্লি যারা ২৪ ঘন্টার দাইমি সালাতে দন্ডায়মান। সেহেতু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার মাধ্যমে আপনার মনের এ তোর নামাজকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। নামাজ এর বাংলা অর্থ সংযোগ বা যোগাযোগ তথা আল্লাহর সাথে সংযোগ বা যোগাযোগ স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত পরিপূর্ণভাবে নামাজ প্রতিষ্ঠিত হয় না।
সেজন্য আপনাকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মাধ্যমে এবং পবিত্র কোরআনে বর্ণিত নিয়ম অনুসারে সম্পূর্ণরূপে নামাজকে নিজের ভিতরে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এই কাজটি করার জন্য অবশ্যই কোন আল্লাহ ওয়ালা মানুষের শরণাপন্ন হতে হবে এবং নিজেকে নামাজের ভিতরে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সুতরাং মেরাজের রাতে আল্লাহতালা যে ফজিলত এর কথা বলেছে পাওয়ার জন্য এর রাতে ইবাদত করতে হবে এবং নামাজকে নিজের ভিতরে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করতে হবে।
শবে মেরাজের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম জেনে রাখুন
শবে মেরাজের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম যদি জানা থাকে তাহলে আপনি এই নামাজ সহজে আদায় করতে পারবেন। আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ার জন্য মানুষ নামাজ আদায় করে এবং বিভিন্ন ইবাদত বন্ধ করে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন তার পবিত্র কোরআনের মধ্যে সকল ইবাদতের চাইতে আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে আল্লাহর কাছে নিয়ত করা, আল্লাহর নিয়ত গুনে তার উপর বরকত রহমত দান করতে পারে। শবে মেরাজের নিয়ত ও নিয়ম জানুন যা ইবাদত করার জন্য আপনাকে সাহায্য করবে।
আরো পড়ুনঃ মেরাজের ঘটনা কোন সূরায় আছে জানুন সূরা মেরাজ সম্পর্কে
- শবে মেরাজের নামাজের নিয়ত আরবি: نويت أن أصلي يله تعا لى ركعت صلوة اليلة المعراج متوجها إلى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
- বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াই তুয়ান উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা আলা রাকায়াতাই ছালাতিল লাইলাতুল মিরাজ মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।
- বাংলা নিয়ত: লাইলাতুল মেরাজের দুই রাকাত নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহ আল্লাহর রাসূলের সন্তুষ্টির জন্য আল্লাহু আকবার।
মিরাজের নামাজের নিয়ম: মেরাজের নামাজ তোমার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সরল পথপ্রাপ্ত হওয়ার জন্য দোয়া করা যায়। তাহলে আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করেন। মেরাতর নামাজ পড়ার জন্য ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে মিরাজের নামাজ পড়া হয় ২৭ তারিখ পবিত্র শবে মেরাজ পালন করার জন্য এই মাসের বিশেষ ফজিলত আছে তাই আপনি উল্লেখিত নিয়ত করার পর দুই রাকাত করে যত খুশি নামাজ পড়তে পারে না। এশার নামাজের পর থেকে শুরু করে ফরজের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত।
শবে মেরাজ কত তারিখে ২০২৪ - শবে মেরাজ কত তারিখে ২০১৫ জানুন
শবে মেরাজ কত তারিখে ২০২৪ সালে রোববার থেকে ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাস কলনা শুরু হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৬ শে রজব ১৪৪৫ হিজরী, ২৫ মাঘ ১৪৩০ বাংলা খ্রিস্টাব্দ এবং ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্ধ বহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালন করা হয়েছে। এই দিনটি অত্যন্ত ফজিলত পূর্ণ দায়ী মুসলিম বিশ্বাসী সকল মানুষই এই দিনটি পালন করেন। তাছাড়া অনেকে শবে মেরাজ কত তারিখ ২০২৫ সালের তারিখটিও জানতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ শবে মেরাজ কত তারিখে ২০২৫ নিয়ত ফজিলত নিয়ে আজানা তথ্য
পবিত্র শবে মেরাজ ২০২৫ সালের ২৭ শে জানুয়ারি সোমবার দিব কত রাতে পালিত হবে। এই রাতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাহু সাল্লাম আল্লাহ তায়ালার সাথে মিরাজের মাধ্যমে দেখা করেন। তিনি আল্লাহ তাদের সাথে দেখা করার পর আসার সময়ই তার বান্দারদের জন্য নিয়ামত এবং ফজিলতপূর্ণ নামাজ এবং বিভিন্ন ইবাদতের ফজিলত পূর্ণভাবে নামাজে দান করেছেন এই নামাজ পড়ার মাধ্যমে মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।
মিরাজ কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয় জানুন
মুসলিম বিশ্বের সেরা জানে যে মেহরাজ কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়। অনেকে রয়েছে এই দিনটিকে বিশেষভাবে পালন করে এবং আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি এবং নিজের জীবনের ঘটে যাওয়া কোনা থেকে বাঁচার জন্য প্রার্থনা করে। নফল ইবাদত করে, জিকির করে এবং আল্লাহ তায়ালার পবিত্র কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করেন। পবিত্র মেরাজ সংঘটিত হয়েছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর ৫১ বছর বয়সে, তিনি সশরীরে আল্লাহতালার সাথে দেখা করেছিলেন।
আরো পড়ুনঃ রমজানের সময়সূচী ২০২৪ এবং রমজানের সময়সূচী ২০২৫ জেনে নিন
নবুওয়াত প্রাপ্ত হওয়ার ১৩ তম বছরে তিনি আল্লাহর সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে আল্লাহর দাওয়াতে প্রথম থেকে সপ্তম আসমান শেষ করে আল্লাহর রাজ্যের তথা লা-মুকামে প্রবেশ করেন। হিজরী সন অনুযায়ী এবং বর্ষ পঞ্জিকা অনুযায়ী ৬২১ খ্রিস্টাব্দে রজব মাসে সংঘটিত হয়েছিল। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেরাজের সময় আল্লাহ তাআলার সাথে দেখা করেন এবং পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে যাত্রা শুরু করে সপ্তম আসমান পেরিয়ে আল্লাহর আরোসে আজিমে দেখা করেন।
শবে মেরাজ কোন মাসে হয়
শবে মেরাজ কোন মাসে হয় আমরা জানি অনেকে তবে নির্দিষ্ট। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম আরবি মাস অনুযায়ী রজব মাসের ২৬ দিবাগত ২৭ রাতে পবিত্র মেরাজে যাত্রা শুরু করেন। হাদিস কোরআনে রয়েছে জিব্রাইল ফেরেশতা মহানবীকে সিরাতুর মুনতাহা পর্যন্ত নিয়ে যায় এবং তারপরে মহানবী নিজেই আল্লাহ রাজ্যে প্রবেশ করেন। মহানবী যখন সিদরাতুল মুনতাহে যাওয়ার পরে জিব্রিল ফেরেশতাকে জিজ্ঞাসা করে।
নবীজির মেরাজের ঘটনা সংক্ষেপে উপস্থাপন করলাম
নবীজির মেরাজের ঘটনা এটা কম বেশি সবাই জানে এ বিষয় নিয়ে অনেকেরই অনেক ধরনের মতবাদ রয়েছে। আমরা সেই মতভেদ গুলো না দেখে সঠিক ইবাদত করার চেষ্টা করি এবং এই মেরাজের ঘটনা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার মাধ্যমে নিজের জীবনকে রাসুলর আদর্শে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ২৭ বছর মেরাজ করেছেন।
সে সময় উম্মে হানির ঘরে নবীজি শুয়ে ছিলেন এবং জাগ্রত অবস্থায় ছিলেন সে সময় জিবরাইল ফেরেশতা আসার পরে আল্লাহতালাকে উঠিয়ে জমজমের নিকট গেলেন এবং তার হৃদয়কে পরিপূর্ণভাবে পবিত্র ও হেকমতে পরিপূর্ণ করার পর বেড়াতে যাওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করলেন। আসলে নবীজি সৃষ্টিকারীদের সৃষ্টির আগেও নবীজি তাই তিনি সবসময় পবিত্র। তিনি ১৫ বছর এক মাস ১৯ দিন হেরা গুহায় ধ্যান সাধনা করেছেন তার উম্মতের শিখিয়ে দেওয়ার জন্য কিভাবে সাধনা করে আল্লাহ প্রাপ্ত হওয়া যায়।
হাদিসে এবং পবিত্র মেরাজের ঘটনা থেকে আমরা জানি যে, মহানবী একটি বোরাকের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেন, ঘোড়া একটি দেখতে গাধার চেয়ে বড় ঘোড়ার চেয়ে ছোট এবং সেই বুরাকের সামনের দিকে মুখ না থেকে পেছনের দিকে মুখ ছিল। এ বোরাকের গতি ছিল অত্যন্ত বেশি যা এক একটি দম পড় সৃষ্টির শেষ সীমায় গিয়ে এত দ্রুত গতি সম্পূর্ণ। এরপর নবীর যাত্রা শুরু হলো নবীজিকে নিয়ে জিব্রাইল ফেরেশতা উর্ধ্ব আকাশে গমন করলেন।
আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ ২০২৫ সালের রমজান কত তারিখ - 2025 সালের রোজার ঈদ কবে জানুন
প্রথম অবস্থানে ফেরেশতা এবং সকলেই নবীজিকে সমর্থন করলেন এবং নবী কি দেখে সকলেই খুশি হলেন। বিশ্বনবী হলেন সকল নবী সকল এবং সকল সৃষ্টি জগতের জন্য রহমত এবং বরকত তিনি সৃষ্টি না হলে আল্লাহতালা দুনিয়া সৃষ্টি করতেন না। মহানবীকে আল্লাহতালা তার নিজের সবচাইতে কাছের এবং বন্ধু হিসেবে সম্বোধন করেছেন তাই আল্লাহতালার কাছে সর্বোচ্চ ভালোবাসা পান হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা: সিরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত জীব্রিল ফেরেশতার সাথে গেলেন, এরপর সেখান থেকে নবী নিজেই আল্লাহর সাথে লা-মোকাম তথা আল্লাহর রাজ্যে প্রবেশ করলেন, তখন সিপ্রিল ফেরেশতা মহানবীকে বললেন, আমি এখান থেকে ফিরে যাই আপনি এখান থেকে যেতে পারবেন কারণ আমি সৃষ্টি, সৃষ্টি কখনো লাম ওকান তথা আল্লাহর রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে না। এরপর যাত্রা শুরু হলো লা মোকামে অনেকে এটাকে আরসে আজিম বলে একই বিষয়ে যেখানে স্বয়ং আল্লাহ থাকেন।
মহানবী আল্লাহতলার সাথে দিদার করলেন, তার সাথে দেখা হওয়ার পর আল্লাহতালা খুশি হয়ে তার উম্মতদের জন্য বিশেষ নহমত এবং বরকত বর্ষণ করলেন মহানবীর মাধ্যমে, মহানবী মেরাজ থেকে দুনিয়াতে ফিরে আসার পর যে সকল মানুষদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন তার মধ্যে সর্বপ্রথম মাওলা আলী, মা ফাতেমা তুজ জোহরা, আবু বক্কর সিদ্দিক রা: তাদেরকে সেই বিবরণ দিয়েছিলেন মহানবী যেগুলো দেখেছিলেন মেরাত যাওয়ার পর।
আরো অনেক মতামত এবং হাদিস রয়েছে যেগুলো অনেকেই বিশ্বাস করে এবং করেন না। অনেক হাদিসে রয়েছে মহানবী প্রথম থেকে সপ্তম আসমান পর্যন্ত বিভিন্ন নবী রাসূলদের সাথে কথা বলেছেন এবং নবী রাসূল বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা: কে বলে দিয়েছেন যে, আপনার উম্মতেরা ৫০ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে পারবেন না এর জন্য আপনি কমিয়ে নিয়ে আসুন। এ বিষয়ে আমি কিছুই বলবো না আপনাদের সামনে একটি বিষয়ে আমার জানার, আপনারা সবাই জানেন মহানবী সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, তাকে সৃষ্টি না করা হলে কিছুই সৃষ্টি করা হতো না, তিনি কিভাবে ভুল করে, তিনি কি জানেন না তার উম্মতরা দুর্বল হবে, ৫০ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে পারবে না।
আপনারা যদি জেনে থাকে তাহলে এই হাদিসগুলো কেন বলা হয় যে মহানবী প্রথম আসমান থেকে দ্বিতীয় আসমান তৃতীয় আসমান এবং সকল আসমানে বিভিন্ন নবী-রাসূলদের কাছ থেকে বারেবারে আসা যাওয়া করার মাধ্যমে পরামর্শ নিয়ে আল্লাহতালার কাছ থেকে এই নামাজের ওয়াক্ত কমিয়ে নিয়ে এসেছে, এ বিষয়ে আপনার এই কমেন্ট বক্সে বলে যাবেন। আমার মনের ভিতরে এই বিষয়টি জানা ছিল তাই এই ক্ষণের মাধ্যমে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম। আশা করি আপনারা এ বিষয়গুলো গবেষণা করে সঠিক তথ্য জানবেন এবং আমাদেরকে জানাবেন, যাতে আমরা তা সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারি জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে।
মেরাজ কত হিজরীতে সংঘটিত হয়
মিরাজ কত হিজরীতে সংঘটিত এটা আমরা সবাই জানি, মহানবী নবুওয়াত প্রাপ্তির ১১ তম বছরে ৬২১ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়েছিল সন শুরু হয়েছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা: এর মদিনায় হিজরতের পর থেকে যা খ্রিস্টপূর্ব ৬২২ এর সাথে মিলে যায়। মহানবী এই মেরাজের মাধ্যমে তার উম্মতের জন্য পবিত্রভাবে নামাজ পড়ার উপায় নিয়ে এসেছেন যাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে।
সূরা বাকারার দুই আয়াত নাযিল হয় এবং উম্মতের জন্য মহানবীর আল্লাহতালার কাছ থেকে ক্ষমা এবং প্রতিশ্রুতির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয় মহানবী সকল মানুষ এর মুক্তির দ্রুত হিসেবে দুনিয়াতে এসেছেন। সকল মানুষের মুক্তির জন্য রহমত স্বরূপ তুমি দেখিয়ে দিয় সৎ মানুষ দুনিয়াতে সঠিক উপার্জন এবং সঠিকভাবে বেঁচে থাকতে পারে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে। আমাদের উচিত মহানবীর উম্মত হওয়ার জন্য তার আদর্শ অনুযায়ী জীবন যাপন করা।
মেরাজের ঘটনা কোন সূরায় আছে জানুন
মেরাজের ঘটনা কোন সূরায় আছে যারা জানেন না তাদের এই তথ্য গুলো জানা উচিত। কুরআনের বনি ইসরাইল সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয় এই সূরায় হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর মেরাজের কথা উল্লেখ করা হয়। আরো উল্লেখ করা হয় পিতামাতা আত্মীয় স্বজনের হক এতিমের সম্পর্কে সচেতনভাবে জীবন যাপন করা। নবীজির আল্লাহর সাথে দেখা করার ঘটনাটিকে মেরাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সূরা মিরাজ নামে উল্লেখ করা হয়েছে অনেক মুতাওয়াতির হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। মসজিদ হারাম থেকে মসজিদ আজকা পর্যন্ত সম্পর্কে ইসরা বলা হয় ইসরা এবং মেরাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যেকটি উম্মতের জন্য মহানবী অনেক ফজিলত এবং বরকতময় দিন হিসেবে এবং রাতে হিসেবে উপস্থাপন করেছে। সুতরাং প্রত্যেকটি মানুষেরই মানা উচিত এই রাতে ইবাদত করার মতে আল্লাহর এবং নিজের ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য অন্যতম।
আরো পড়ুনঃ শবে বরাতের ফজিলত আল কাউসার শবে বরাতের করণীয় বর্জনীয় এবং হাদিস
ইসলাম মিরাজের বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সূরা আন নাজম ৬ থেকে ১৮ নং আয়াতে যেখানে বিভিন্ন মিরাজ সম্পর্কে এবং ইসরা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি এ বিষয়গুলো না জানেন তাহলে পবিত্র কোরআন থেকে তার বাংলা তরজমা সহ দেখে নিতে পারেন এখানে স্পষ্ট বলে দেয়া হয়েছে মিরাজ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য এবং ইসরা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য যার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে এ দুটি একটি আরেকটি সাথে জড়িত।
কুরআন মাজিদে ইসরা শব্দটি এসেছে সূরার প্রথমে এবং ইসরা বলা হয় রাতের বেলা মসজিদ ও হারাম থেকে মসজিল আস্কা পর্যন্ত ভ্রমণকে এবং মেরাজের সময় এটিকে বলা হয় সেই আল্লাহ দেখা করার থেকে শুরু করে সকল বিষয়টিকে সম্পন্নভাবে বলা হয় মেরাজ। আশা করি বোঝাতে পেরেছি। মিরাজ অর্থ ঊর্ধ্বে গমন বা মহামিলন যা আল্লাহ তায়ালার সাথে রাসুলুল্লাহ সা: সাক্ষাৎ এবং মিলনকে বোঝানো হয়। পবিত্র কুরআনের মহানবী এবং আল্লাহর পার্থক্য ও বোঝানো হয়নি বরং তাদেরকে একে অপরের পরিপূরক বলে বোঝানো হয়েছে। বলা হয়েছে দুই অর্ধচন্দ্র মিলনে যেমন দেখা যায় তা হচ্ছে আল্লাহ এবং নবীর মেরাজ মতো।
শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখ তা নিয়ে শেষ মন্তব্য
শবে মেরাজ আরবি মাসের কত তারিখে এটা আমাদের জানা উচিত কারণ এই মাসে বিভিন্ন খলিফাত করার মাধ্যমে আল্লাহতলার কাছে বিশেষভাবে হওয়া যায়। সুতরাং আপনি যদি আল্লাহ তাদের কাছে বিশেষ রহমত পেতে চান তাহলে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের খুশির জন্য মিরাজের রাত্রে বিভিন্ন ফল ইবাদত এবং আল্লাহর জিকির সহ কোরআন তেলাওয়াত করতে পারবেন।
বাড়িতে বিশেষ বিশেষ ফজিলত পাওয়া যায়। এজন্য বিশেষ অনেক হাদিস রয়েছে যেখানে বিস্তারিত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে তাছাড়া কুরআনে এর স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে। মহানবী মিরাজের মাঝে আল্লাহ তাআলর দিদার লাভ করে এবং তার উম্মতের জন্য বিশেষ রহমত হিসেবে নামাজ নিয়ে আসে। একটি হাদিসে রয়েছে পবিত্র নামাজ বেহেশের চাবি তাই পবিত্রভাবে নামাজ পড়ার মাধ্যমে আল্লাহতালা সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url