নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ বিস্তারিত জানুন

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত। ই-কমার্স কি এবং নাগরিক সবা কি এই বিষয়গুলো জানা থাকলে আপনার এর সেবা গুলো গ্রহণ করতে অনেক সুবিধা হবে। তাই সচেতন নাগরিক হিসেবে এর সুবিধা ও অসুবিধা গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের এর সুবিধা ও অসুবিধা

তাছাড়াও আরো এই আর্টিকেলের ভিতরে জানাবো যে নাগরিক সেবা এবং ই-কমার্সের সেবা সমূহের মধ্যে কি ধরনের পার্থক্য রয়েছে এবং সেই পার্থক্য গুলো কেমন কিভাবে মানুষের উপকারে আসে তাহলে চলুন যেটা নিয়ে যাক সেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো।

পোস্ট সুচিপত্রঃ নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ বিস্তারিত যা জানবেন

ভূমিকা: নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সেবা সম্পর্কে প্রথমে আমাদের জানতে হবে আসলে নাগরিক সেবা কি এবং ই-কমার্স সেবা কি? নাগরিক সেবা হলো সরকার কর্তৃক দেশের জনগণের জন্য যে সুবিধাগুলো ব্যবস্থা করা হয় যেমন, খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, বাসস্থান, বস্ত্র, নিরাপত্তা দেওয়া। আর ই-কমার্স হচ্ছে একটি অনলাইন ভিত্তিক সেবা ইন্টারনেট ব্যবহার করার মাধ্যমে পণ্য কেনাবেচা করা যায়। যেমন, দরাজ, alibaba সহ আরো অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে। 

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ বিস্তারিত 

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ আমাদের জানা উচিত যা আমাদের প্রতিনিয়ত ব্যবহার করা প্রয়োজন হয়। উপরে আমরা জেনেছি যে নাগরিক সেবা কি এবং ই-কমার্স সেবা কি এগুলো কিভাবে ব্যবহার করে আপনি নিম্নলিখিত উপকার গুলো পাবেন সেগুলো আপনাদের সামনে পর্যায়ক্রমে জানাবো। তুমি প্রথমে নাগরিক সেবা ও ই-কমার্স এর সুবিধা অসুবিধা সমূহ দেখে নিন। 

নাগরিক সেবা সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ: 

নাগরিক সেবা প্রত্যেকটা নাগরিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এ সেবার অনেক সুবিধা রয়েছে যা আমরা দৈনিক দিনে বিভিন্ন মাধ্যম দ্বারা প্রভাবিত হয় এর অনেক সুবিধা রয়েছে কিন্তু তেমন কোন অসুবিধা নেই বললে চলে তাই নিচে সুবিধা সমূহ উল্লেখ করা হলো।

নাগরিক সেবা সুবিধা সমূহ:

  • যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো পণ্য সেবা গ্রহণ। 
  • সরাসরি না দেখা করে আপনি প্রোডাক্ট নির্বাচন করতে পারবেন। 
  • কম সময়ে বেশি সেবা পাওয়া যায়। 
  • কম খরচে বেশি সেবা পাওয়া যায়। 
  • খুব দ্রুত কেনাকাটা করার জন্য ব্যবহার করা যায়। 
  • কম খরচে আধুনিক সেবা গুলো পাওয়া যায়। 
  • চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা যায়। 
  • নাগরিক সেবার মধ্যে খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং পরিধানের বস্ত্র অন্যতম প্রয়োজনীয় যা এ সেবায় পাওয়া যায়।

নাগরিক সেবার অসুবিধা সমূহ: 

  • প্রযুক্তিগত বাধা পেতে পারে ইন্টারনেট বা স্মার্ট ডিভাইস গুলোর এই সমস্যাটি কারণ। 
  • সাইবার নিরাপত্তা না থাকার ফলে আপনার নাগরিক সেবা নেওয়ার সময় তা বিভিন্ন ভুল বা ঝুঁকি সম্মুখীন হতে পারে বা চুরি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
  • এই ব্যবস্থাটি অনেকটা প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে থাকে যা প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে ঘটে তবে প্রযুক্তির সমস্যা হলে এই কাজে সমস্যা দেখা দেয়। 
  • প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞানের অভাব অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করে মানুষের প্রয়োজনীয় দক্ষতা থাকেনা। 
  • নাগরিক সেবা গ্রহণ করার জন্য অনলাইন প্লটফর্মগুলোতে সরাসরি যোগাযোগের অভাব থাকতে পারে।

এখন আমরা জানবো ই-কমার্স এর সুবিধা অসুবিধা। ইকমার্সের বেশ কিছু সুবিধা অসুবিধা রয়েছে এটি হচ্ছে অনলাইন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য আদান-প্রদান বা কেনাবেচা করার একটি উপায়। এর অনেক উপকারিতা এবং কিছু ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে যা নিচে উপস্থাপন করা হলো বিশেষ করে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নতি করার জন্য এগুলো ব্যবহৃত হয় বা ব্যবসা চালু করতে। 

ই-কমার্সের সুবিধা অসুবিধা সমূহ: 

ই-কমার্স একটি নানান সুবিধা প্রদানকারী ব্যবস্থা এ ব্যবস্থাকে সঠিক ব্যবহার করার মাধ্যমে মানুষ ই-কমার্সের যাবতীয় সুবিধাগুলো গ্রহণ করতে পারে। বিভিন্ন পণ্য কেনাবেচা এবং ব্যবসার প্রচার করার জন্য ব্যবহার করে আপনার ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি বাড়াতে পারবেন। এবং এর মাধ্যমে ব্যবসা করতে পারবেন নিচে এর সুবিধা অসুবিধা গুলো দেখুন।

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভোটার আইডি কার্ড চেক করুন ১ মিনিটে

ই-কমার্স এর সুবিধা সমূহ: 

  • ই-কমার্স এর মাধ্যমে খুব কম সময়ে প্রোডাক্ট ক্রয় করা যায়। 
  • ই-কমার্সের মাধ্যমে যেকোন দেশের পণ্য আপনি ঘরে বসে কিনতে পারবেন। 
  • ই-কমার্স সেবা ব্যবহার করে আপনি নতুন বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন।
  • আপনার কোন ব্যবসা থাকলে ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা এই মাধ্যম ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই সেই ব্যবসার পরিচিতি এবং প্রসার করতে পারবেন। 
  • ই-কমার্স এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনার পণ্যগুলো যে ক্রেতা ক্রয় করবে তার কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। 
  • সময় বাঁচাতে পারবেন এবং শ্রম কমিয়ে সহজে কাজ করতে পারবেন। 
  • এসব ওয়েবসাইট গুলোতে বিভিন্ন সময় অনেক ধরনের অফার ও ডিসকাউন্ট থাকে যেগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। 
  • আছে বিভিন্ন সহজ মাধ্যম অনলাইন পেমেন্ট যা পণ্য আদান-প্রদান বা কেনাবেচা করার সময় কাজে আসে। 

ই-কমার্স এর অসুবিধা সমূহ জানুন: 

ই-কমার্সের মাধ্যমে যে পণ্যগুলো ক্রয় করা হয় সেগুলো অনেক সময় গ্রাহককে ঠকিয়ে দিতে পারে। কারণ পণ্য সন্দেহমূলক বা পণ্য ভেজাল হতে পারে। 

  • ডেলিভারি সমস্যা হতে পারে দেরিতে বা ঠিকানা ভুল হতে পারে যার জন্য আপনার ভোগান্তি খাটতে হবে। 
  • ডাটা চুরি বা অনলাইন পেমেন্ট করার সময় আপনার তথ্য এবং পেমেন্ট এর টাকা চুরি করতে পারে। 
  • পণ্য ফেরত দেয়ার ক্ষেত্রে বা যে পণ্যটা আপনি কিনছেন ভুলক্রমে সেই পণ্যটি অন্য হয়ে গেলে ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা হত হয়।
  • ই-কমার্সের প্রধান সমস্যা ও কোন কিছু বিক্রয় করা। 
  • মানুষের মধ্যে এটা কখনো নিশ্চয়ই তা প্রদান করে না তাই এটা ব্যবহার করার সময় মানুষের ভিতরে ভয় কাজ করে। 
  • ই-কমার্সে বাড়তি খরচ ব্যবহার করতে হয় কারণ ট্রেন দ্বারা পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার সময় শ্রমিক নিয়োগ করে। 
  • ই-কমার্সের আরো একটি সমস্যা হচ্ছে সিকিউরিটি সমস্যা যাতে আপনার তথ্য চুরি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • ই-কমার্স ব্যবহার করলে আপনার দোকানের তুলনায় কম কেনাকাটা হবে ও প্রতিযোগী বেশি হবে।

উল্লেখিত সুবিধা এবং অসুবিধা সম্মুখীন হতে হয় একজন মানুষকে ই-কমার্স ব্যবহার করলে তাই আপনি যদি নিরাপত্তার সাথে ই-কমার্স ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য কেনাবেচা করতে চান তাহলে অনলাইনের মাধ্যমে যে বিশ্বস্ত ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলো রয়েছে সেগুলোতে ভিজিট করে দেখতে পারেন। এখানে আপনাকে সময় বাঁচাতে পারবে এবং পণ্য নির্বাচন করার জন্য অনেক সুবিধা দেবে। তাছাড়া নাগরিক সেবাও আপনাকে বিশেষ কিছু সুবিধা অসুবিধা প্রদান করবে।

নাগরিক সেবার সমস্যা ও সমাধান সম্পর্কে জানুন 

নাগরিক সেবার সমস্যা ও সমাধান সম্পর্কে জানা উচিত কারণ এই নাগরিক সেবা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে মানুষ অনেক সময় দুর্নীতি এবং বিভিন্ন জটিলতার সম্মুখীন হয়। শেষ সমস্যাকে দূর করার জন্য তথ্য জরুরীভবে জানা উচিত। সেই লোকে আপনাদের সামনের নিচে এর সমস্যা এবং সমাধানগলো উপস্থাপন করলাম যা আপনার নাগরিক সেবা গ্রহণে উপকার করবে। 

নাগরিক সেবায় সমস্যা ও সমাধান: 

  • সমস্যা: অনেক ক্ষেত্রে সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় ঘুষ বা অনিয়মের অভিযোগ দেখা যায়। যা একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বর্তমানে। 
  • সমাধান: দুর্নীতির সমস্যা সমাধান করার জন্য আপনাকে অবশ্যই সৎ এবং যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে। প্রত্যক্ষ অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে উপযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন সেবা প্রদান করতে হবে। 
  • জটিলতা ও দেরি: অনেক সময় সেবা গ্রহণ প্রক্রিয়া বিশেষ কিছু কাজের জন্য জটিলতা এবং সময় সাপেক্ষ হয়ে থাকে। 
  • সমাধান: এই সমস্যার সমাধান করার জন্য আপনাকে সেবার নিয়মাবলী সহজ করতে হবে এবং অনলাইনে বা বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক উপায়ে সক্রিয়ভাবে প্রসেসিং সিস্টেম চালু করতে হবে। যেখানে বিভিন্ন সেবামূলক আবেদন এবং সেবা প্রদানের নিশ্চয়তা দেয়া হবে। 
  • প্রযুক্তিগত দুর্বলতা: অনেক সময় দেখা যায় নাগরিক সেবা প্রদান করার সময় বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা যায় তার মধ্যে ইন্টারনেট সমস্যা বা সংশ্লিষ্ট ডিভাইস।
  • সমাধান: সেবা দানের ব্যবহৃত প্রযুক্তিগত ডিভাইস এবং প্রযুক্তি উন্নত ক্ষেত্রে এবং আধুনিকভাবে ব্যবহার করা তাছাড়া অভিজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। 
  • সুবিধা বঞ্চিত এলাকায় সেবা প্রদান: অনেক এলাকা রয়েছে যেসব এলাকাতে গ্রাম অঞ্চল হয় নাগরিক সেবা খুব একটা পৌঁছায় না।
  • সমাধান: সেক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন অনলাইন এবং ইন্টারনেট বা প্রযুক্তি নির্ভর সেবা প্রদান করার উপায় রাখতে হবে। ইন্টারনেট সেবা কেন্দ্র স্থাপন করে গ্রামীণ এলাকায় যুক্ত করতে হবে। 
  • অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব: বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সেবা গ্রহণ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই সচেতনভাবে সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে হবে তাই সমাজে এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিচের উপায়টি দেখুন। 
  • সমাধান: সচেতনভাবে প্রত্যেকটি মানুষকে এই নাগরিক সেবা বিষয়ে জানাতে হবে। প্রয়োজনে বিভিন্ন এলাকায় টিম তৈরি করে সেখানে এসব সেবামূলক বিষয়ে অবগত করতে হবে। সহজ ভাষায় সহজভাবে তথ্য প্রদান করতে হবে যেন সকল মানুষ বুঝতে পারে। 
  • জনবল ও অবকাঠামোর অভাব: জনপদ অত্যান্ত জরুরী একটি বিষয় যা অভাব হলে আধুনিক অবকাঠামোর ঘাটতি একটি বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। 
  • সমাধান: জনবল বৃদ্ধি করা এবং প্রযুক্তিগত ব্যবহারের জন্য উৎসাহ করা বা প্রযুক্তি ব্যবহার করার জন্য শিক্ষাদান করা। যে সেবার চাহিদা ভিত্তিতে কর্মীদের কাজের দক্ষতা এবং সময়ে সমন্বয় করতে হবে। 
  • সৎ বিচার বা বিচারের নিশ্চয়তা: বিভিন্ন ক্ষেত্রে আছে যেখানে বিচারক নাগরিকের সেবায় ভুল বা অনিয়ম করে বা অবিচার করে।
  • সমাধান: অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম চালু করতে হবে এবং ত্রুটিপূর্ণ সেবার জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিন্ত করতে হবে।

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য যে উদ্যোগ গুলো ব্যবহার করবেন তা হচ্ছে নাগরিকের সেবার প্রতি স্তরের ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। যে সকল সেবা জরুরিভবে প্রত্যেকটা মানুষের প্রয়োজন হয় সেগুলোর জন্য আলাদা বিশেষ ব্যবস্থা চালু করুন। নাগরিক সেবা পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নির্দিষ্ট সংস্থা বা কমিটি তৈরি করুন। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গুণগত মান উন্নত করে আপনি এই সকল সমস্যা দূর করতে পারবেন। 

৫ টি নাগরিক সেবার নাম সহ বিস্তারিত বিষয় জানুন 

৫ টি নাগরিক সেবার নাম জানা উচিত কারণ মানুষের অনেক নাগরিক সেবা রয়েছে যেগুলো প্রয়োজন হয়। পাঁচটির অধিক যেগুলো সেবা প্রত্যেকটা মানুষেরই প্রয়োজন হয় আর এই নাগরিক সেবা গুলো প্রদান করা হয় সরকারি মাধ্যমিক যা আমাদের অতিরিক্ত মাত্রায় প্রয়োজন হয়। সেজন্য নিচে কয়েকটি নাগরিক সেবার নাম ও সেবা গ্রহণের উপায় উপস্থাপন করলাম। 

  • জাতীয় পরিচয় পত্র সেবা: মানুষ জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন সংশোধন এবং পূর্ণ মুদ্রণ এবং হারানো কাঠ পুনরুদ্ধার করার জন্য ব্যবহার করতে পারে নাগরিক সেবা। এইগলো করার জন্য বর্তমানে অনলাইন বিভিন্ন উপায় রয়েছে এবং সরকারি কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে সেগুলোতে ভিসিট করে যোগাযোগ করতে পারেন। 
  • পাসপোর্ট সেবা: বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার জন্য এবং বিভিন্ন ধরনের কাজ করার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করা হয় এবং নগরায়ন এবং সংশোধন করা হয় এ কাজগুলো করার জন্য আপনি নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। 
  • জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবা: জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন সংশোধন এবং সনদ প্রদান এর জন্য আপনি এই নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন যার জন্য আপনাকে খুব সহজেই নাগরিক সেবা প্লাটফর্ম এ অনলাইনের মাধ্যমে সমাধান করতে পারবেন। 
  • খাস জমি ও গৃহ প্রধান সেবা: খাস জমি ও গৃহ প্রদন নাগরিক সেবা থেকে এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারবেন যার জন্য আপনাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন নাগরিকের জন্য নিরাপত্তা এবং ঘর বরাদ্দ করা যায়।
  • অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সেবা: অনলাইনে পুলিশের ক্লিয়ার সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন ও গ্রহণ প্রক্রিয়া সংগ্রহ করতে পারবেন। 
  • কৃষি সেবা: কৃষি বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের সেবা গ্রহণ করার জন্য আপনি নাগরিক সেবা ব্যবহার করতে পারবেন যার মধ্যে একজন নাগরিকের কৃষি যে কোন সমস্যার সমাধান করা যায়।
  • যোগাযোগ অধিদপ্তর: গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সরকারি নীতিমালা এবং কার্যক্রম শহর এবং পল্লী জনগণের নিকট পৌঁছে থাকে। 
  • ক্রিয়া অধিদপ্তর: খেলাধুলা বিষয়ে বিভিন্ন ক্লাব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে আর্থিক অনুদান প্রদান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিভিন্ন ক্রিয়া সামগ্রী প্রদান। 
  • গণপূর্ত অধিদপ্তর: জরিপ এর কাজ সম্পন্ন করা হয় এবং বিভিন্ন সামগ্রী এবং আইটেমের ক্ষেত্রে তফসিল প্রদান করা হয়। তাছাড়া সরকারি আবাসিক ভবনের বরাদ্দকৃত গৃহি তাদের বাসা হস্তান্তরের জন্য কাজ করে। 
  • উল্লেখিত বিষয়গুলো সম্পর্কে যদি আপনি না জানেন তাহলে এই সেবা গলো পাওয়ার জন্য আপনি অনলাইনে বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করতে পারেন তবে আপনি নাগরিক সেবা লিখে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ব্রাউজার থেকে সার্চ করলে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারবেন। এবং উল্লিখিত যেই নাগরিক সেবাগুলো ব্যবহার করতে পারবেন ইন্টারনেট সংযোগ করে। 

তাছাড়া চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা বিষয়ক সেবা, বাসস্থান এবং পোশাক আশাক বিষয়ে বিভিন্ন নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে সরকার তাই সরকার কর্তৃক যে সেবাগুলো পালন করা এবং মানুষের উপকারে প্রদান করা হয় তার মধ্যে বেশ কিছু উপকারিতা এবং সেবা সমূহ সম্পর্কে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি যা নাগরিক সেবা হিসেবে উল্লেখিত। 

নাগরিক সেবা কিভাবে পাওয়া যায় জানুন 

নাগরিক সেবা কিভাবে পাওয়া যায় এটা আমাদের জানা উচিত। বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সেবা দেওয়া হয় তবে বাংলাদেশের যে নাগরিক সেবা গুলো দেওয়া হয়ে থাকে সেই সেবাগুলো সম্পর্কে আমরা হয়তো জেনেছি ইতিমধ্যেই বিশেষ কিছু তথ্য। আপনি যদি নাগরিক সেবা পেতে চান তাহলে জানতে হবে নাগরিক সেবা কি যে সেবা সরকার কর্তৃক জনগণকে প্রদান করা হয় তাকে নাগরিক সেবা বলে।

আরো পড়ুনঃ বাটন মোবাইলে বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম ও গোপন উপায়

এসব বা পাওয়ার জন্য আপনাকে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সাথে যোগাযোগ করতে পেরে যেমন আপনি কোন সময় বিপদে পড়লে ৯৯৯ ফোন দিতে পারেন। এখানে ফোন দিয়ে আপনি খুব সহজেই তাদের গাছ থেকে বিভিন্ন উপকারিতা নিতে পারেন। এছাড়াও আরও একটি নাম্বার রয়েছে আপনি চাইলে ৩৩৩ কল করে আপনার প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারেন। নাগরিক সেবা সম্পূর্ণ নাগরিকের সুরক্ষা এবং সকল দিক থেকে সার্বিক সুবিধা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

ই-কমার্সে ইন্টারনেটের গুরুত্ব জানুন 

ই-সে ইন্টারনেটের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। সাধারণত ই-কমার্স বলতে বোঝানো হয় অনলাইন মাধ্যম ও ডিজিটাল উপায়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে সকল অনলাইন বিজনেস বা ব্যবসা-বাণিজ্য করা হয় বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনাকাটা করা হয়। সুতরাং একজন মানুষ যদি ইন্টারনেট ব্যবহার না করে তাহলে অবশেষে ই-কমার্সে যে সুবিধা গুলো রয়েছে তা বুঝতে পারবে না।

ই-কমার্সে ইন্টারনেটের গুরুত্ব

একজন মানুষ সুস্থ থাকার জন্য নানান ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সংগ্রহ করে বা বিক্রয় করে এবং ক্রয় করে আর এই কাজটি ঘরে বসে খুব কম সময় এবং তাড়াতাড়ি করার জন্য আপনি ই-কমার্সের সাহায্য নিতে পারেন। তবে ই-কমার্স যেহেতু একটি ভার্চুয়াল বিষয় সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ইন্টারনেট সংযুক্ত করতে হবে তাছাড়া আপনি ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোতে যোগাযোগ করতে পারবেন না এবং বিভিন্ন তথ্য সেবা গ্রহণ করতে পারবেন না। 

সুতরাং বর্তমান বিশ্বে যে ই কমার্স ওয়েবসাইট এর ব্যবস্থা রয়েছে তা ব্যবহার করার জন্য অবশ্যই আপনাকে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতে হবে ইন্টারনেট ব্যবহার না করে আপনি কখনোই এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন না। সুতরাং উল্লেখিত তথ্য থেকে বুঝতেই পারছেন একজন মানুষের ই-কমার্সের সুবিধা নেওয়ার জন্য ইন্টারনেট বাধ্যতামূলক ব্যবহার করতে হবে। 

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের মাধ্যম জানুন 

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের মাধ্যম জানা উচিত এর অনেক মাধ্যম রয়েছে এই সেবাগুলো পাওয়ার জন্য অনেক রকমের মাধ্যম ব্যবহার করতে হয়নি যে সেই মাধ্যমগুলো সংক্ষেপে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম। 

নাগরিক সেবায় ব্যবহৃত মাধ্যম: 

  • কিশোর বাতায়ন 
  • যাবতীয় তথ্য বাতায়ন 
  • ডিজিটাল সেন্টার সমূহ 
  • ইন্টারনেট ব্যবস্থা 
  • ই নোথি
  • একশপ
  • এক পে
  • বিভিন্ন হেল্পইন সমূহ, ৩৩৩, ৯৯৯,১০৬
  • মুক্তপাত শিক্ষক বাতায়ন 
  • মাইক্রো অ্যাপস 
  • ডিজিটাল সার্ভিস 
  • আই লাভ 
  • ইনোভেশন ল্যাব 
  • মোবাইল অ্যাপস 
  • কম্পিউটার, ল্যাপটপ
  • সরকারি অফিস পৌরসভা সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় 
  • অনলাইন পোর্টাল জাতীয় তথ্য বাতায়ন পাসপোর্ট ও ভিসা সেবা দিয়ে থাকে। 
  • ডিজিটাল বুথ। 
  • এখন আমরা জানলাম নাগরিক সেবার মাধ্যমে এখন আমরা জানবো ই-কমার্স সেবার মাধ্যম সমূহ। 
  • ই-কমার্স এর মাধ্যম সমূহ: 
  • Daraz, ইভালি, আজকের ডেল।
  • মোবাইল অ্যাপস 
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমূহ ফেসবুক, ইউটিউব ইন্সটাগ্রাম। 
  • অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে বিকাশ, রকেট, নগদ।

উল্লেখত মাধ্যমগুলো ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন ই-কমার্স এবং নাগরিক সেবা প্রদান করার জন্য। আপনি যদি এই সেবা গুলো ব্যবহার করতে চান তাহলে উল্লেখিত মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে পারেন। একজন মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করার জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট এবং নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে হয়। সেই সেবাগুলো গ্রহণ করার জন্য যেই পদগুলো রয়েছে তা আপনার কাজে লাগবে।

ই-কমার্সের সীমাবদ্ধতা জানুন 

ই-কমার্সের সীমাবদ্ধতা রয়েছে যেগুলো আমাদের জানা উচিত ব্যবহারঅনেকর মাধ্যমে আমরা অনেক উপকার আমরা ব্যবহার করি তবে এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে যেগুলো আমাদের সমস্যার কারণ হয়ে থাকে। তাই আপনারা নিচের এই সীমাবদ্ধতা গুলো জেনে রাখুন। 

  • পণ্যের গুণগত মান নিয়ে সন্দেহ। যদিও পূর্ণ দেখা যায় তবুও সেই পণ্য ভার্চুয়াল দেখার কারণে অনেক সময় এর মান সঠিক মাত্রায় থাকে না। 
  • ডেলিভারি জটিলতা: এটা ডেলিভারি দেরি হতে পারে বা ঠিক থেকে অন্য ভুল জায়গায় পৌঁছে যেতে পারে। 
  • পূর্ণ ফেরত নেওয়ার অনিশ্চয়তা: আপনি যে পণ্যটি নিয়েছেন সেটার মধ্যে কোন সমস্যা থাকলে তা ফেরত না নিয়ে অনেক ধরনের অনিশ্চয়তা এবং সমস্যা দেখা যায়। 
  • বিভিন্ন তথ্য চুরি: সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকে যার ফলে অনলাইনে পেমেন্ট করর সময় ডাটা চুরি এবং টাকা চুরি হয়ে যেতে পারে। 
  • বিশ্বস্ততার অভাব: অনলাইন কিছু কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণ দুর্নীতি হয় সে দুর্নীতির অভাবে মানুষ এর থেকে বিশ্বাস অর্জন করতে পারে না। 
  • টেকনোলজি নির্ভর: ই-কমার্স ওয়েবসাইট টেকনোলজি নির্ভর হয়ে থাকে যা ইন্টারনেট বা মোবাইল সংযোগ ছাড়া কোনভাবেই পুরোপুরি সেবা গ্রহণ করা যায় না। 
  • গ্রাহকের সেবা সীমিত: যে গ্রাহক অনলাইন সাইডে গ্রাহক কোন কিছু ব্যবহার করে কোন কমপ্লেন বা অভিযোগ করলে তা নির্বাচন করা হয় না এবং তার সমাধানও করা যায়না।
  • লুকানো খরচ: অনেক সময় প্রাথমিকদর বাইরে শিপিং ট্যাক্স এবং ইত্যাদি লুকানো খরচ থাকে যা গ্রাহকের জন্য বিরক্তিকর।
  • প্রতিযোগিতার চাপ: বিভিন্ন বড় ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলোতে প্রচুর পরিমাণে খুদে ব্যবসায়ীরা টিকে থাকার সমস্যায় পড়ে। বিভিন্ন এলাকা রয়েছে যেখানে ইন্টারনেট সংযুক্ত বিচ্ছিন্ন সেই এলাকাগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার ফলে এই সেবাগুলো গ্রহণ করা যায় না বা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যায় না।
  • উচ্চশ্রম ই-কমার্স ক্ষেত্রে আরো একটি বাধা হয়ে দাঁড়ায় যা বিভিন্ন পণ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য শ্রমিক নিয়োগ দিতে হয়। 
  • অনেক সময় সাংস্কৃতিক বাধা প্রদান হতে পারে কারণে ই-কমার্স বিশ্বব্যাপী একটি প্লাটফর্ম যা বিভিন্ন ভাষাভাষীর মানুষের কেনাকাটা করার ক্ষেত্রে তাদের ইতিহাস ঐতিহ্য আলাদা হওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ব্যবধান দেখা যায়। 

এর জন্য পণ্যের মান ও ডেলিভারির সঠিক ভাব নিশ্চিত করতে উন্নত মনের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং রিটার্ন এবং নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে গ্রাহকের সেবা জোরদার করতে হবে গ্রাহকের মধ্যে দিয়ে সচেতন মূলক মনোভাব তৈরি হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং সীমাবদ্ধ না থেকে প্রক্রিয়াকরণ করার মাধ্যমে উন্নতি কর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।  

ই কমার্স এর বৈশিষ্ট্য সমূহ জানুন

কমার্সের অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেগুলো জানা উচিত একজন মানুষ বর্তমানে ই-কমার্স ওয়েবসাইট ব্যবহার করে নানা সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে। আপনি যদি ই-কমার্স ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন এবং এর বৈশিষ্ট্য গুলো সম্পর্কে না জানেন তাহলে নিচের তথ্যগুলো আপনার জন্য উপকার করবে। এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কেনা বেচা এবং কাজকর্ম করা হয়। তাই নিচে এর বৈশিষ্ট্য গুলো দেখুন। 

  • তথ্যের ঘনত্ব: ই-কমার্স ওয়েবসাইটের তথ্য যথাযথ সম গোপনীয়তা অধিক পরিমাণে উন্নত হয়ে থাকে। এই তথ্যের ঘনত্ব থাকার কারণে এই প্ল্যাটফর্মে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কেনাবেচা সম্পন্ন করতে পারবে এবং তার দামেরও বিভিন্নতা রাখতে পারে। 
  • চেক আউট করা সহজ: ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলো থেকে আপনি কোন ধরনের পুনঃ নির্বাচন করতে গেলে সে পণ্যটি খুব সহজেই অল্প সময়ে খুজে বের করতে পারবেন এবং তার সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন। 
  • উভয় পক্ষের কথোপকথনের সুবিধা: আপনি যে প্লটফর্মে ই-কমার্সের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করবেন বা পণ্য কেনাবেচা করবেন তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য সেই ওয়েবসাইট বা প্লটফর্মের মালিকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন বিভিন্ন সিস্টেম প্রচলন চালু রয়েছে। যেমন, হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার বা কমেন্ট সেকশন এর মাধ্যমে। 
  • এক্সপার্ট লেভেলের ফটো এবং ভিডিও এডিটিং: এই ওয়েবসাইটের মধ্যে আপনি এক্সপার্ট লেভেলের বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ফটো আপলোড করার মাধ্যমে সেগুলো অনেক ক্রেতা রয়েছে যাদের কাছে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। 
  • বিনিময় এবং ফেরত: আপনি যেই ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কিনবেন সেখানে যদি বিনিময় এবং ফেরত নেওয়ার অপশন থাকে তাহলে ক্রেতারা সেখানে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করবে এবং সে পণ্যটি কেনার জন্য যা প্রয়োজন সেটা করবে। কারণ সে পণ্যটি কেনার পর তার কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে সে আবার ফেরত বা বিনিময় করতে পারবে। 
  • ডিজিটাল প্লাটফর্ম: ই-কমার্সের ডিজিটাল প্লাটফর্ম সম্পূর্ণরূপে ইন্টারনেট প্রযুক্তি নির্ভর কেতা এবং বিক্রেতার উভয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে যুক্ত থেকে কেনাবেচা করতে পারে। 
  • সীমাহীন বাজার: স্থায়ী ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ে গ্রাহকের কাছে পণ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ভৌগোলিক সীমানা ই-কমার্স এর কাছে প্রতিবন্ধকতা নয়। 
  • ২৪ ঘন্টা সার্ভিস: বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলোতে ২৪ ঘন্টা বা সপ্তাহে সাত দিন খোলা থাকে তাই গাহক এরা যেকোনো সময় বিভিন্ন ধরনের তথ্য সেবা এবং বিভিন্ন পণ্য সেবা গ্রহণ করতে পারে।
  • পণ্যের বৈচিত্র: বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা একই প্লাটফর্মে পাওয়া যায় যা সহজে তুলনা ও বিভিন্ন পরীক্ষা করে আপনি পছন্দ করতে পারবেন। 
  • স্বয়ংক্রিয় লেনদেন: পেমেন্ট করার জন্য আপনাকে অর্ডার প্রসেসিং এবং ইম্প্লেমেন্ট করে ম্যানেজমেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা হবে যা অনলাইনে বিভিন্ন মাধ্যমে (ক্রেডিট কার্ড, রকেট, বিকাশ, নগদ)আপনি টাকা প্রদান করতে পারবেন।
  • তাছাড়া আপনি ব্যক্তিগতকরণ: গ্রাহকের ক্রয় অভ্যাস বিশ্লেষণ করে আপনি পণ্য সেবা সুপারিশ করতে পারবেন কাস্টমারের টিল ওভার দেখাতে পারবেন। 

এছাড়াও যে বৈশিষ্ট্যগুলো রয়েছে ডাটা ও তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারবেন যে কোন গ্রাহক কি ধরনের প্রোডাক্ট পছন্দ করছে। কম খরচে বেশি এবং সময় বাঁচিয়ে আপনি বিভিন্ন অর্ডার করতে পারবেন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ডেলিভারি সেবা দিয়ে থাকে। তাছাড়াও আপনি গাহকের সুবিধার্থে ক্রেতারা পণ্যের গুণগত মান এবং সেবার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন যা অন্যান্য গ্রাহকের পণ্য পছন্দ করার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। 

নাগরিক সেবা প্রাপ্তির ধাপসমূহ জানুন 

নাগরিক সেবা প্রাপ্তির ধাপসমূহ আমাদের জানা উচিত কারণ নাগরিক সেবা পাওয়ার জন্য যে ধাপগুলো সম্পর্কে জানার মাধ্যমে আপনি এই সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক উপকৃত হবেন। নগরী সেবাধাপসমূহর ধাপসমূহ নিচে উপস্থাপন করা হলো যা আপনার উপকারে আসবে। 

নাগরিক সেবা প্রাপ্তির ধাপসমূহ: 

  • সেবার চাহিদা নির্বাচন বা নির্ধারণ 
  • প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ 
  • আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে 
  • তথ্য যাচাই করতে হবে 
  • ফ্রি প্রদানের ধাপসমূহ জানতে হবে 
  • সেবা প্রসেসিং এর নিয়ম জানতে হবে
  • সেবা গ্রহণ করার প্রক্রিয়া জানতে হবে 
  • সেবার মান যাচাই ও অভিযোগ সম্পর্কে জানতে হবে
নাগরিক সেবা প্রাপ্তির ধাপসমূহ
উল্লেখিত নাগরিক সেবার ধাপসমূহ সম্পর্কে আপনি যদি বিস্তারিত জানেন তাহলে অবশ্যই এর বিশেষ উপকারিতা পাবেন। নাগরিক সেবার ধাপ সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য আরো কুরআন সেকশন এর ভিতরে প্রবেশ করুন। যেখানে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে বিস্তারিত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। উন্নত নাগরিক সেবা প্রাপ্তির জন্য অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন প্রসার তরি করতে হবে। তাছাড়া গ্রাহকের সেবা কেন্দ্র এবং লাইন চালু করলে এ ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি খুব সহজেই নাগরিক সেবা প্রাপ্তি হতে পারেন। 

নাগরিক ও নাগরিকতা সম্পর্কে জানুন 

নাগরিক ও নাগরিকতা সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত। নাগরিকত্ব বা নাগরিকতা হল কোন সার্বভৌম রাষ্ট্র বা জাতির একজন আইন স্বীকৃতি সদস্য হিসেবে পাওয়া কোন ব্যক্তির পদমর্যাদা। নাগরিক বলতে বোঝায় যেই দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন সেই দেশের স্থানীয় মানুষ বা জনগণকে। এছাড়া এই নাগরিকের যে বিষয়টি বললাম তা অত্যন্ত উপকারে অন্যভাবে যে কোন অঞ্চলের অধিবাসীর যে অঞ্চলকে বাস করে।

আরো পড়ুনঃ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন - কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যাপ  দেখুন ১ মিনিটে 

সেই জায়গায় থাকার স্বীকৃতি ও স্বরূপ যেসব সুবিধা অসুবিধা এবং দায়িত্ব রয়েছে যা সমষ্টিরূপকে নাগরিকতা বলে। আপনি যদি একজন দেশের নাগরিক হন তাহলে সে দেশের রাষ্ট্রীয় যে নিয়ম-কানুন রয়েছে সেগুলো মানতে হবে এবং সেই দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা গুলো আপনি পাবেন। একজন মানুষ সুস্থ থাকার জন্য নানান ধরনের সচেতন মূলক কাজ করতে হয় তেমনি একজন সুস্থ নাগরিক হওয়ার জন্য অনেক দায়িত্ব এবং নৈতিকতা পালন করতে হয়। 

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে শেষ মন্তব্য 

নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে আপনাদের সামনে অনেক তথ্য উপস্থাপন করেছি এই তথ্যগুলো থেকে আপনি হয়তো বুঝতে পারছেন যে একজন মানুষের নাগরিক হওয়ার জন্য কি কাজ করতে হবে এবং এই নাগরিক সেবা বলতে কী বোঝায়। নাগরিক সেবা পাওয়ার জন্য আপনার কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে এবং কি ধরনের সুবিধা অসুবিধা গ্রহণ করবেন একজন নাগরিক তার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেছি।

একজন মানুষ রাষ্ট্র কর্তৃক যে সকল সুবিধা গুলো পায় সেগুলো হচ্ছে নাগরিক সেবা এবং যে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা কেনাবেচা করার জন্য যে প্লাটফর্ম গুলো ব্যবহার করে সেগুলোকে ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স বিজনেস বা ব্যবসা বলে। সুতরাং আপনি এই তথ্যগুলো থেকে বুঝতে পেরেছেন যে নাগরিক সেবা এবং ই-কমার্স এর সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে কি ধরনের তথ্য জানা উচিত এবং কি ধরনের সুবিধা অসুবিধা রয়েছে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url