সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় জানু্ন
সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় আমাদের জানা উচিত যেসব সাবান পরিষ্কারক হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেগুলো মূলত উদ্ভিদ অথবা প্রাণের তেল এর গাঢ় ক্ষারীয় দ্রবণ থেকে তৈরি করা হয়। তাছাড়া অনেক মিশ্রণ বা উপকরণ ব্যবহার করা হয় এই সাবান তৈরির জন্য যেগুলো সম্পর্কে আমরা জানবো।
কিছু ক্ষারীয় দ্রবণ রয়েছে দ্রবণকে কখনো কখনো লেই সাবান বলা হয়ে থাকে যার কারণ এটিকে সাবানায়ন প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয় যার ফলে কে সাবান বলা হয়। আপনাদের সামনে সাবান তৈরি যে কাঁচামাল এবং উপকরণগুলো রয়েছে তা উপস্থাপন করলাম।
পোস্ট সুচিপত্রঃ সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় জানুন
- সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় জানুন
- সোপ বেজ কোথায় পাওয়া যায় জানুন
- বাড়িতে কিভাবে সাবান তৈরি করব জানুন
- সাবান তৈরির মূল উপাদান কি ধরনের হয়
- কাপড় কাচার সাবানের সংকেত কি জেনে রাখুন
- সাবানের রাসায়নিক নাম কি জানুন
- সাবান তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়া জানুন
- বাটি সাবান তৈরির পদ্ধতি সমূহ জানুন
- নিম সাবান বানানোর পদ্ধতি বা নিম সাবান তৈরির পদ্ধতি
- সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় তা নিয়ে শেষ মন্তব্য
সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় জানুন
সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় এটা জানা উচিত সাধারণত মানুষ রূপচর্চার ক্ষেত্রে এবং বিভিন্ন কাজে সাবান ব্যবহার করে থাকে তাই এই সাবান ব্যবহার করার জন্য এটাকে বিভিন্ন কাঁচামাল দিয়ে ব্যবহার উপযোগী করা হয়। সাধারণত কিছু ক্ষারীয় দ্রবণ এবং উদ্ভিদ বা প্রাণী থেকে সংগৃহীত উপাদান থেকে তৈরি হয়।
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড: এটি একটি রাসায়নিক পদার্থ যা কস্টিক সোডা নামে পরিচিত। এই যৌগ একটি অজৈব যার রাসায়নিক সংকেত NAOH। যা দেখতে সাদা কঠিন পদার্থের মতো যা গরম পানিতে দিলে দ্রবীভূত হয়ে যায় এবং তাপ উৎপন্ন করে। এর থেকে তৈরি সাবানায়ন বিক্রিয়ায় কৃষির চর্বি বা টাইগার প্রথমে ফ্যাটি এসিড দিয়ে পানির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিয়োজন করা হয়। যা খালের সাথে বিক্রিয়া করে অশোধিত সাবান তৈরি হয়।
বিভিন্ন সাবান রয়েছে যে সকল সাবানের মধ্যে লবণ, ফ্যাট, ক্ষার, পানি এবং উৎপাদিত গ্লিসারল স্বচ্ছ, রংহীন, আঠালো মিষ্টি স্বাদ যুক্ত জৈব রাসায়নিক অ্যালকোহল পরিবারের যৌগিক পদার্থ। এটি ছাপানো উপস্থিত থাকে যা সাবানের মোলায়েম কারক হিসেবে কাজ করে। বেশিরভাগ পিচ্ছিলকারক পদার্থের প্রধান উপাদান হচ্ছে সাবান। যেগুলো ক্যালসিয়াম সাবান বা লিথিয়াম সাবান এর দুগ্ধ জাতীয় নির্যাস বিশেষ এবং খনিজ তেল হয়ে থাকে।
যা ক্যালসিয়াম এবং লিথিয়ামের পিচ্ছিল কারক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এছাড়া ধাতব সাবন যেমন অ্যালুমিনিয়াম সোডিয়াম এবং এদের মিশ্রিত সাবান। এ ধরনের তেলের সান্ত্বনা বাড়ানোর জন্য ঘাতক হিসেবে ব্যবহার করা হয় ফরাসি সময়ের চুনের সাথে জলপাইয়ের তেল মিশিয়ে পিচ্ছিলকারক ব্রিজ তৈরি করে ব্যবহার করা হতো। প্রাকৃতিক উপকরণ থেকে এই উপকরণ গুলো পাওয়া যায় যা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যবহার উপযোগী সাবান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সোপ বেজ কোথায় পাওয়া যায় জানুন
সোপ বেশ কোথায় পাওয়া যায় এটা আমাদের জানা উচিত বিশেষ করে যারা সাবান ব্যবহার এবং তৈরীর সাথে জড়িত। সাধারণত সাবান তৈরির কাঁচামাল হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয় গ্লিসারিন সাবান, ট্রান্সপারেন্ট সাবান। উল্লেখিত এই সাবানগলো বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যায় যা নিচে উল্লেখ করা হলো এগুলো দেখে সেখান থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।
- অনলাইন স্টোর: বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম রয়েছে যেমন আমাজন, দারাজ, ইভ্যলি। এগুলো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তাছাড়া বিশেষায়িত ক্রাইট স্টোরগুলোতে hobby lobby, Michael's এগুলোর মত ক্রাইট স্টোর গুলোতে পাওয়া যায়।
- কেমিক্যাল ও কসমেটিক সরবরাহকারী দোকানে: শহরগ্রাম সকল জায়গায় এখন মার্কেটপ্লেসে কসমেটিক সংগ্রহকারী বিভিন্ন জায়গা রয়েছে সে সকল জায়গার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকা গুলিস্থান চট্টগ্রামের চান্দাই, রাজশাহী আরডিএ মার্কেট, সো রাজশাহী ঢাকা নানান জেলায় রয়েছে বাংলাদেশে।
- হস্তশিল্প ও ক্রাইস্ট দোকান: বিভিন্ন হাতে তৈরি করা সাবানের দোকান রয়েছে সেগুলোতে সামুদ্রিক উৎস পূর্ণভাবে এই সব বেস্ট কিনতে পাওয়া যায়।
- সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন গ্রুপ: বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে যারা বিভিন্ন পণ্য বেচাকেনা করে তাদের থেকেও আপনি এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করে তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।
উল্লেখিত মাধ্যম থেকে আপনি খুব সহজেই সোপ বেজ সংগ্রহ করে ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারেন তাই আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে এসব পেজ ব্যবহার করার মাধ্যমে কত ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায়। আপনি যদি বাসায় দোকান দিয়ে এই সাবান তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে এই কাঁচামাল গুলো সংগ্রহ করতে হবে সেজন্য আপনাকে জানা উচিত যে আপনি এই কাঁচামাল গুলো কোথায় পাবেন।
বাড়িতে কিভাবে সাবান তৈরি করব জানুন
বাড়িতে কিভাবে সাবান তৈরি করব এটা অনেকেই জানেনা কারণ এটা সাধারণত যে সকল মানুষ বিজনেস বা ব্যবসা করে সাবানের তারা বাসায় তৈরি করে বা বিভিন্ন ফ্যাক্টরি তৈরি করে ব্যবহার করে। তবে আপনি যদি এই কাজটি বাসায় তৈরি করতে চান তাহলে নিচের উপায় গুলো দেখতে পারেন একজন মানুষ কিভাবে বাসাতে বানাতে পারবে এই সাবান তা দেখানো হলো।
প্রথমে সাবান তৈরির উপকরণ গুলো সম্পর্কে জানতে হবে। তাই আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে নারকেলের তেল ২/৩ কাপ। অলিভ অয়েল ২/৩ কাপ। লিকুইড অয়েল ২/৩ কাপ, লাই ২/৩ কাপ, ঠান্ডা জল ২/৩ কাপ। এই উপকরণগুলো সংগ্রহ করতে হবে প্রথমে সংগ্রহ করার পর নিচের প্রণালীটি অনুসরণ করুন।
আরো পড়ুনঃ মুলতানি মাটি দিয়ে ফর্সা হওয়ার ১০টি উপায় জানুন
তৈরি প্রণালী: ক্যানিং চারে জল নিয়ে তাতে লাই ঢালুন চামচ দিয়ে ধীরে ধীরে নাচে থাকুন প্রাথমিকভাবে ধোঁয়া উড়বে তারপরে জলে লাই পুরোপুরি গলে গেলে সরিয়ে ফেলুন। পাশাপাশি অন্য যারে তিন ধরনের তেল মিশ্রণ তৈরি করুন যাওয়ার উপরে উল্লেখ করেছি (আমন্ড অয়েল, পেপসিড, সানফ্লাওয়ার) মিশ্রণটি মাইক্রোওয়ে তেলের মিশ্রণ এক মিনিট এর জন্য গরম করুন।
একটি গরম জলের তেলের জাল বসিয়ে গরম করে নিতে পারেন এবং মনে রাখবেন তেলের তাপমাত্রা যেন ১২০° হয়। লাইব্রেশন ও জল ও তেল দুইয়ের তাপমাত্রা যখন ৯৫ ডিগ্রী থেকে ১০৫ ডিগ্রি হওয়া অবধি আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। অপেক্ষা করা হয়ে গেলে তার একটি বাটিতে তেলগুলো ঢালুন ধীরে ধীরে তাতে কুকুরের লাই জল মেশান। এরপর সেই উপকরণ গুলো ভালো করে নাড়াতে থাকুন যা ধীরে ধীরে ঘন হবে এবং কালার ধারণ করবে।
এরপর পছন্দনীয় হার্প অয়েল বা অন্যান্য সামগ্রী মিশিয়ে বিভিন্ন শ্বাস রয়েছে সে সকল ছাঁচের ঢেকে ঠান্ডা করার জন্য রেখে দিন বা ঢেকে রাখুন চাপা দিয়ে। প্রক্রিয়াটি শেষ হলে যা সপ্তমত রেখে দিন খোলা অবস্থায় রেখে দিন তবে প্রতি সপ্তাহে একবার করে উল্টিয়ে দিতে বলবেন না। সম্পূর্ণ প্রসেসিংটি তৈরি করার পর ২৪ ঘন্টা রেখে দিন এবং গরম না কমলে আরো কিছু সময় রাখার পর সাবানটি পুরোপুরি ব্যবহারের জন্য তৈরি।
সাবান তৈরির মূল উপাদান কি ধরনের হয়
সাবান তৈরির মূল উপাদান কি কিভাবে সাবান তৈরি করা প্রয়োজন এবং করতে হয় তা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে উপরের আলোচনায় তাই আপনি সেই তথ্যগুলো দেখে এবং পড়ে নিলে বুঝতে পারবেন যে আপনার জন্য বাসায় সাবান তৈরি করতে কি কি উপকরণ সংগ্রহ করতে হবে এবং সেই উপকরণগুলো কোন প্রক্রিয়ায় আপনি সাবান তৈরি করবেন।
সুতরাং একজন মানুষ সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড যা উদ্ভিদ এবং প্রাণীর চর্বি থেকে সংগৃহীত সে ধরনের উপাদান গুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসেস এর মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পর সাবান তৈরি করা হয় এর জন্য মূল উপাদান হিসেবে উল্লেখিত উপাদানগুলো বিবেচনা করা হয় এবং এর উপকারিতা গুলো সম্পর্কে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃ ত্রিফলার ২০টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
তাছাড়া গরম কস্টিক ক্ষার দ্রবণ কস্টিক সোডা প্রাকৃতিক চর্বি বা ক্রিয়া করে তোলে যেমন লম্বা বা উদ্ভিদ তেল সোডিয়াম ফ্যাটি এসিড লবণ এবং গ্লিসারিন এই উপাদানগুলো বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় প্রক্রিয়াকরণ এর মাধ্যমে সাবান প্রস্তুত করা হয় এবং এই সাবান ব্যবহার করে বিভিন্ন উপকারিতা পাওয়া যায়। সুতরাং আপনি বাসায় নিজে তৈরি করে সাবান ব্যবহার করার জন্য উল্লেখিত উপায়টি ব্যবহার করতে পারেন।
কাপড় কাচার সাবানের সংকেত কি জেনে রাখুন
কাপড় কাচার সাবানের সংকেত কি এটা আমাদের জানা উচিত কারণ বর্তমান যুগে মানুষ কাপড় কাছ নাই এমন খুব কম রয়েছে। তাই কাপড় কাচার সাবানের সংকেত অনেকেই জানতে চাই যারা জানেন না তাদের জন্য এই তথ্যটা উপস্থাপন করলাম। এর রাসায়নিক নাম সোডিয়াম কার্বনেট। যার সংকেত হিসেবে আমরা জানি, NA2CO310H2O।
এটি কাজ সাবান ও কাগজ শিল্পে ব্যবহৃত হয় এটি জলের স্থায়ী খরতা দ্রবণ এবং দুর্ভিক্ষের জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে এর ব্যবহার কাপড় কাচার ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তাই অনেকে কাকুর কাটার জন্য এই উপকরণ গুলো ব্যবহার করেন সাবান হিসেবে। আশা করি বুঝাতে পেরেছি কাপড় কাচার সাবানের সংকেত কি।
সাবানের রাসায়নিক নাম কি জানুন
সাবানের রাসায়নিক নাম কি এটা জানা উচিত কারণ আমরা সাবান ব্যবহার করিনা এমন মানুষ নেই বললেই চলে তাই সাবানের রাসায়নিক নাম জেনে রাখা উচিত সাবানের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে saop যা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের লবণ এর নাম দেওয়া হয়েছে সোডিয়াম স্টিয়ারেট।
এটি একটি ফ্যাটি এসিডের একটি রূপ যা মানুষ সাবান হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন উপকারিতা পাওয়ার সুতরাং আপনি যদি সাবানের উপকারিতা পেতে চান তাহলে এই সাবান ব্যবহার করতে পারেন বা সাবানের রাসায়নিক নাম হিসেবে জানতে পারেন যে এর রাসায়নিক নাম কি। তাছাড়া সাধারণ সাবানের যে সংকেত রয়েছে সেটা জেনে নিন,C17H35COONA।
সাবান তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়া জানুন
সাবান তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়াকে শোপনা হয় এটি একটি প্রাচীন এবং সহজ প্রক্রিয়া যেটাকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় উপকরণগুলো কে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটনার মাধ্যমে সাবান তৈরি করা হয়। এই সাবান তৈরি করার জন্য নিম্নলিখিত প্রক্রিয়া বা সমীকরণটি অনুসরণ করা হয়।
- সাবান তৈরির সমীকরণ: Fat/oil+Alkali(NaOH/KOH)=soap+ Glycerol.
- তেল বা ফ্যাক্ট থাকে ট্রাই গ্লিসারাইড যা ফ্যাটি এসিড এবং গ্লিসারল দ্বারা গঠিত।
- ক্ষার রয়েছে সাধারণত সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড।
প্রক্রিয়া: তেল বা ফ্যাট প্রস্তুত করতে হবে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গরম করতে হবে, ক্ষারের দ্রবণগুল মিশাতে হবে পানির সাথে। তেল এবং ক্ষার মিশ্রিত করে হালকা আঁচে গরম করতে হবে ওই সময়ে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। সাবানের গঠন তেলের ফ্যাটি এসিড এবং ক্ষারের বিক্রিয়ার ফলে সাবানের গ্লিসারিন তৈরি হয়। তরল সাবান মিশ্রণটিকে নির্দিষ্ট ফ্রেম এ ঢেলে চাপা দিয়ে রাখতে হয়। মিশন গুলো শক্ত হয়ে গেলে তা কাটার দিয়ে বিভিন্ন আকারে কাটা যায় অতিরিক্ত উপাদান হিসেবে বিভিন্ন ভেষজ উপাদান এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা যায় পাশাপাশি ভিটামিন ই।
বাটি সাবান তৈরির পদ্ধতি সমূহ জানুন
বাটি সাবান তৈরির পদ্ধতি জানা উচিত এই সাবান তৈরি করে আপনি বাসায় বিভিন্ন সুগন্ধি এবং সৌন্দর্য মূলক সাবান তৈরি করে বিজনেস বা ব্যবসা তৈরি করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে নিজের উপকরণ গুলো সংগ্রহ করতে হবে এর জন্য আপনাকে জানতে হবে যে কোন ধরনের উপকরণ গুলো প্রয়োজন আপনি নিজে তথ্যগুলো দেখুন।
- সোপ বেজ: এটা এক ধরনের ডিফারেন্ট পাম বা নারকেলের বেজ ব্যবহার করতে পারেন।
- অতিরিক্ত তেল হিসেবে নারকেলের তেল, অলিভ অয়েল, অন্ড তেল, বাদাম তেল ব্যবহার করতে পারবেন।
- ক্ষার হিসেবে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, সাধারণ পানি, বিভিন্ন রং যা নিরাপদ হলুদের গুঁড়া বা বিটের রস, পাশাপাশি বিভিন্ন সুগন্ধি যেমন লেবু, ল্যাভেন্ডার, টি ট্রি।
- সিলিকনের প্লাস্টিকের গোল বাটির মতো সাচ।
- উল্লেখিত উপকরণগুলো একটি নিয়মে প্রস্তুত করতে হবে যা নিচে দেখে নিন।
- প্রথমে ক্ষার দ্রবণ তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে সর্তকতা হিসেবে উচ্চ তাপ ব্যবহার করা যাবে না সামর্শন কোন তাপ ব্যবহার করতে হবে। সোপ বেজ আলাদা পাত্রে গলাতে হবে।
এবং এই উপরের করণের সাথে তেল বা অন্যান্য উপকরণ গুলো মিশ্রণ করতে হবে। ক্ষার মিশ্রণ এবং তেলের মিশ্রণ একত্র করার পর গলিত সোপ বেজে ক্ষার দ্রবণ ধীরে ধীরে যোগ করতে হবে। এরপর যে সার্চ গুলো রেখেছেন সেই সার্চ গুলোতে ঢেকে ২৪ ঘন্টার জন্য চাপা দিয়ে রাখতে হবে এবং সেই গুলো শক্ত হয়ে গেলে আপনি সার্চ থেকে বের করে ব্যবহার করতে পারবেন। কিছু পরামর্শ মাথায় রাখা উচিত সাবানের পিএইচ পরীক্ষা করতে হবে এটি ত্বকের জন্য নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।
নিম সাবান বানানোর পদ্ধতি বা নিম সাবান তৈরির পদ্ধতি
নিম সাবান বানানোর পদ্ধতি বা নিম সাবান তৈরির পদ্ধতি জানা থাকলে আপনি বাড়িতে নিম সাবান তৈরি করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে উপকরণ হিসেবে উপরে যেই উল্লেখিত উপকরণগুলো উল্লেখ করা হয়েছে সেই উপকরণগুলো সম্পূর্ণ সংগ্রহ করতে হবে। এর সাথে অতিরিক্ত করে আপনাকে নিমের গোড়া সংগ্রহ করতে হবে। উপরে উল্লেখিত সকল প্রক্রিয়া ঠিক থাকবে।
এবং আপনাকে অতিরিক্ত তেল বা অতিরিক্ত উপাদান যোগ করার সময় সেই সাথে আপনাকে নিম পাতার গুঁড়া মিক্সড করে দিতে হবে বা আপনি সরাসরি খাতা নিম পাতার গোড়াও পেস্ট করে দিতে পারেন। এই মিশ্রণটি তৈরি করা হয়ে গেলে আপনি ঠান্ডা করে রাখার জন্য একটি বাটির ভিতরে ঢেলে ২৪-৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত সময় জমা করার জন্য রেখে দিতে পারেন। এটা উপরের সাবান গুলোর মতো পিএইচ ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে, প্রয়োজনে অভিজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
এই সাবান ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে পারবেন যেমন ব্রণ চুলকানি ছত্রাক সংক্রমণ জনত সমস্যা সমাধান। আপনি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ত্বকের পরিষ্কার করেছে এবং ত্বকের জীবাণু ধ্বংস করার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। নিমের উপাদানগুলো এবং এই সাবানে নিম সাবান এর মধ্যে উল্লেখিত সকল উপাদান আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক ভাবে পুষ্টি যোগাবে এবং মশ্চারাইজ এবং কোমল করে রাখতে সাহায্য করবে।
সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় তা নিয়ে শেষ মন্তব্য
সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় এটা অনেকে জানে কারণ সাবান তৈরির সাথে যারা জড়িত তারা সাবান তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহ করার জন্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক উদ্ভিদ এবং প্রাণী থেকে পাওয়া বিভিন্ন ক্ষারীয় উপাদান সংগ্রহ করে পাশাপাশি বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে তাদের সাবান তৈরির কাঁচামাল সংগ্রহ করে থাকে। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সাবান তৈরি করা হয় তবে উল্লেখিত প্রক্রিয়াগুলো অত্যন্ত কার্যকরী।
কি উপায় গুলো আপনি বাসায় ব্যবহার করতে পারবেন কাঁচামাল গুলো সংগ্রহ করার মাধ্যমে। এবং যে প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে সেই প্রক্রিয়া অবলম্বন করে আপনি বিভিন্ন ধরনের সাবান তৈরি করতে পারবেন প্রয়োজনে সেই সাবানগুলো পিএইচ পরীক্ষা করার পর আপনি সরাসরি বাজারে বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন এবং আপনার আর্থিক সমস্যা দূর করতে পারবেন। আজকের পোস্টটি পড়ে যদি আপনার উপকৃত হন তাহলে অবশ্যই আপনার প্রিয়জনের কাছে শেয়ার করতে পারেন।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url