শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে জানুন
শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে এটা অনেকেই জানতে চাই। তাই আজকের এই পোস্টটি উপস্থাপন করলাম যাতে একজন মানুষ বুঝতে পারে শিমের বিচি খাওয়ার মাধ্যমে কি ধরনের উপকারিতা পাওয়া যায় এবং সিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে না কমে। এছাড়া কি উপায়ে শিমের বিচি খাওয়া যায়।
সিমের বিচিতে কি ধরনের ভিটামিন রয়েছে এবং এই খাবারটি খাওয়া মানুষের জন্য কেমন স্বাস্থ্য উপকারি। আসলে খাদ্য অভ্যাসের বিভিন্ন পরিবর্তন এবং নিয়ন্ত্রিতভাবে খাবার খাওয়ার ফলে শরীরের ওজন বৃদ্ধি করা যায়। তাই নিচে দেখে নিন সিমের বিচি খেলে ওজন বাড়ে কিনা।
পোস্ট সুচিপত্রঃ শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে কি না জানুন
- শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে জানুন
- সিমের বিচির উপকারিতা ও অপকারিতা জানুন
- শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
- শিমের বিচি ভাজা খাওয়ার উপকারিতা গুলো জানুন
- শিমের বিচিতে কোন ভিটামিন থাকে জানুন
- শিমের বিচি কোন ধরনের খাদ্য জানুন
- শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা জানুন
- শেষ মন্তব্য: শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে
শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে জানুন
শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে এই প্রশ্নের উত্তরে আপনাদেরকে বলবো যে, শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা একজন মানুষের শরীরে স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখে। তবে ওজন বৃদ্ধির বিষয়টি নির্ভর করে আপনার খাদ্য অভ্যাস, ক্যালরি গ্রহণ এবং শারীরিক ব্যায়ামের উপর। নিচে শিমের বিচির পুষ্টিগুণ ও বিভিন্ন বিষয়ে দেখুন।
- শিমের বিচি পুষ্টিগুণ: প্রোটিন রয়েছে উচ্চ পরিমাণে যা পেশী গঠনের সহায়ক এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। আপনি শারীরিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ করার জন্য শিমের বিচি খেতে পারেন।
- কথাটা ফাইবার সমৃদ্ধ এতে বেশি পরিমাণ ফাইবার থাকে যা হজম শক্তি উন্নত এবং ক্ষুর নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
- লো ক্যালরি সম্পন্ন সিমের বীজ সাধারণত ক্যালরি পরিমাণ থাকে এবং চোখের পরিমাণ কমে থাকে তা ওজন নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- ওজন বাড়ার কারণ: সিমের বিচি নিজে থেকে ওজন বাড়ায় না তবে এটি তৈলাক্ত বা বেশি মশ্চারাইজার রান্না করলে ক্যালোরি বেড়ে যায়। আর যখন আপনি এই ক্যালরি জাতীয় খাবার প্রচুর পরিমাণ গ্রহণ করবেন তখন আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে।
- ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ: ক্যালরি রয়েছে ১১৫, প্রোটিন রয়েছে ৭ থেকে ৮ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট ২০ গ্রাম, ফাইবার সাত থেকে নয় গ্রাম, ফ্যাট হয়েছে ০.৫ গ্রাম।
শিমের বিচি খাওয়ার জন্য এই উপায়গুলো অত্যন্ত কার্যকরী সিদ্ধ করে খেতে হবে এতে পুষ্টি অক্ষত থাকবে এবং ক্যালরি কম হবে। সালাতে মিশিয়ে খেতে পারবেন। শসা, শাকসবজি এবং লেবুর রস দিয়ে সালাতে মেশিনের অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি খাবারে পরিণত হয়। এছাড়া সুপ বা স্টিউ হিসেবে খেতে পারবেন। ওজন বৃদ্ধি করার জন্য সিমের বিচি ভাজার জন্য তেলের বদলে মাখন ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট এবং পুষ্টি সম্পদের খবার গ্রহণ করুন।
সিমের বিচির উপকারিতা ও অপকারিতা জানুন
শিমের বিচির উপকারিতা ও অপকারিতা জানা উচিত কারণ একজন মানুষ নানাভাবে স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়ার জন্য শৃংখল অভ্যাস করে। শিমের বিচি পুষ্টি সমৃদ্ধ একটি খাবার শীতকালীন সবজি হিসেবে এর প্রচুর চাহিদা থাকে। তবে বেশকিছু উপকারিতা রয়েছে পাশাপাশি কিছু ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে যা অতিরিক্ত ব্যবহার বা অনিয়ম করে ব্যবহার করার ফলে হতে পারে তাই নিচে সে বিষয়গুলো বিস্তারিত জানুন।
শিমের বিচির উপকারিতা ও অপকারিতা সমূহ:
- শিমের বিচির উপকারিতা: উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ শিমের বিচি প্রোটিনে ভরপুর যা পেশী গঠনে সাহায্য করে এবং কোষের মেরামত করে।
- ফাইবারের ভরপুর: প্রচুর পরিমাণ উচ্চ ফাইবার থাকার ফলে হজম ভালো রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের মতো রোগ দূর করে, দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- হৃদরোগ প্রতিরোধ: শিমের বিচির হতে উচ্চমানের পটাশিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে যা শরীরের কোষ থেকে কমাতে সাহায্য করে এবং হৃদ রগের ঝুঁকি কমায় ও প্রতিরোধ করে।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রক: শিমের বিচিতে কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে সিমের বিচি ধীরে ধীরে রক্তে শতকরা মাত্রা বাড়ায় যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ওজন নিয়ন্ত্রকের সহায়ক: শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার রয়েছে এবং কম ক্যালোরি রয়েছে যা শরীরে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়।
- আয়রনের ভালো উৎস: যে সকল মানুষের শরীরে আয়রনের অভাব রয়েছে তারা শিমের বিচি খেতে পারেন। সিমের বিচি শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে এবং রক্তসল্পতা প্রতিরোধ করে।
- হাড় ও দাঁতের সুরক্ষা: শিমের বিচিতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ উপাদান থাকার ফলে এটা হাড় এবং দাঁতের জন্য সুরক্ষা প্রদান করে।
এখন শুনলেন সিমের বিচির উপকারিতা এখন আমরা জানবো শিমের বিচির অপকারিতা সমূহ।
আরো পড়ুনঃ সাম্মাম ফলের বিশেষ ১৫টি উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
শিমের বিচির অপকারিতা সমূহ:
- অতিরিক্ত সেবনে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা হয়। শিমের বিচি তে থাকা কার্বোহাইড্রেট হজম হতে সময় নেয় যা গ্যাসের সমস্যা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি পিঠর আরো কিছু সমস্যা সৃষ্টি করে যেমন , পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রিক।
- ফেভিজম রোগের জন্য ক্ষতিকর: শিমের বিচিতে ভিসিন ও কোবিন নামে দুটি যৌগ থাকে যা হেবি জমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য চরম ক্ষতির সম্মুখীন করে এটি রক্তের লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস করে দেয়। রোগটি হল একটি জেনেটিক সমস্যা।
- এন্টি নিউএটেন্ট এর উপস্থিতি: শিমের বিচি তে লেটিংস এবং ফাইটিক এসিড থাকে যা শরীরের পুষ্টি সরবরাহ করে যেমন আয়রন ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা প্রদান করে।
- এলার্জি সমস্যা সৃষ্টি: কারো কারো ক্ষেত্রে সিমের ভিতরে সমস্যা সৃষ্টি করে যার ফলে চুলকানি রেস ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
- কিডনির সমস্যা: শিমের বিচুতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে যার কিডনির সমস্যা তৈরি করতে পারে উচ্চমানের পটাশিয়াম খুবই ক্ষতিকর কিডনির জন্য তাই আপনাকে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।
সতর্কতা হিসেবে সিমের বিচি খাওয়ার সময় ভালো করে সেদ্ধ করে বা রান্না করে খেতে হবে। কাঁচা শিমের বিচি বিষাক্ত হতে পারে সেজন্য আপনাকে রান্না করে খেতে হবে। যাদের গ্যাস বা হজমের সমস্যা হয় তারা পরিমিত পরিমাণে শিমের বিচি খাওয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ কিছু রোগী আছে যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে এই সকল টুকরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া শিমের বিচি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন শিমের বিচি খাওয়ার কি ধরনের উপকার হয় এবং ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে।
শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা উচিত এই খাবারের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন উপাদান রয়েছে যেগুলো মানুষের বিভিন্নভাবে স্বাস্থ্য উপকারীতা দেয়। পাশাপাশি কিছু খারাপ প্রভাও রয়েছে যা শিমের বিচি খাওয়ার মাধ্যমে হতে পারে। আজকের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার মাধ্যমে আপনি শিমের বিচির বিভিন্ন উপকারিতা এবং অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন। তাই নিজের শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম গুলো দেখুন।
আরো পড়ুনঃ তরমুজের উপকারিতা ও অপকারিতা - তরমুজের বীজের উপকারিতা বিস্তারিত জানুন
শিমের বিচি খাওয়ার নিয়ম সমূহ:
- রান্নার পদ্ধতি: শিমের বিচি রান্না করার জন্য ভালো করে সেদ্ধ করে নিতে হবে, ভালো করে ধুয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে।
- ভাপানো বা স্টিমিং করা: শিমের বিচি ভাবানোর মাধ্যমে আপনি পুষ্টি অক্ষুন্ন রেখে প্রতিদিন অল্প পরিমাণ খেতে পারেন।
- তরকারি খেতে খেতে পারেনি এটা হালকা মসলা দিয়ে রান্না করে খেলে বেশি ভালো হয় এবং অতিরিক্ত তেল মসলা এড়িয়ে চলা উচিত।
- পরিমাণে খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিনের খাবারের অশ হিসেবে সিমের বিচি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত, এর জন্য ঘরে এক কাপ (১৫০ গ্রাম) খাওয়া উচিত। বেশি খেলে পেট ফাঁপা এবং বদহজমের সমস্যা হতে পারে তাই পরিমিত খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
- সময়মতো খাওয়া: লাঞ্চের বা ডিনারের সময় খেতে পারবেন তরকারি বা সুপ হিসেবে। হালকা খাওয়া হিসেবে শিমের বিচি সিদ্ধ করে খাওয়া যায় বা ভেজে খাওয়া যায়।
- পুষ্টিগুণ রক্ষার জন্য টিপস: কাঁচা শিমের বিচি খাবেন না এতে কিছু যৌগ থাকে যা অত্যন্ত ক্ষতিকর। অতিরিক্ত তেল বা মসলা জাতীয় খাবার দিয়ে খাওয়া থেকে দূরে থাকতে হবে সিমের বিচি প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি ধরে রাখতে পারে এবং হালকা খাবার ও মসলা ব্যবহার করা উচিত।
- কাদের জন্য সর্ততা প্রয়োজন: যেসকল মানুষেরা হেভিজমে আক্রান্ত কিডনির সমস্যা রয়েছে এবং হজমের সমস্যা রয়েছে সে সকল মানুষ সিমের বিচি খাওয়া থেকে অবশ্যই দূরে থাকুন অথবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করুন।
শিমের বিচি দিয়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর এসিবি তৈরি করা যায় সেই রেসিপি গুলো নিয়ম অনুযায়ী খান আপনি সিম্পল সালাত হিসেবে সিমের বিচি, টমেটো, শসা, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে খেতে পারেন। সঠিকভাবে এবং উল্লেখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে যদি আপনি সিমের বেশি খান তাহলে যে ক্ষতিকর প্রভাব গুলো রয়েছে তা আপনার কোন সমস্যা করতে পারবেন তাই আপনি শারীরিক প্রয়োজন অনুযায়ী শিমের বিচি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
শিমের বিচি ভাজা খাওয়ার উপকারিতা গুলো জানুন
শিমের বিচি ভাজা খাওয়ার উপকারিতা গুলো সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি সিমের বিচি ভাজা খাইতে ইচ্ছুক হবেন। উপায় খাওয়ার জন্য আপনাকে প্রথমে শিমের বিচি সিম থেকে আলাদা করে নিতে হবে। এরপর সেগুলোকে শুকাতে হবে। শুকিয়ে গেলে আপনি এগুলো বালু দিয়ে ভেসে খেতে পারবেন। তেল দিয়ে ভেজে খেতে পারবেন।
শিমের বিচিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও বিভিন্ন ভিটামিন থাকে এটি শরীরের বিভিন্ন রোগ মুক্তি করার জন্য উপকার করে। গবেষণায় দেখা গেছে বিভিন্ন ক্যান্সার জাতীয় সমস্যা তোমার কোলন ক্যান্সার এর বিরুদ্ধে শক্তিশালী অ্যান্টিজেনের হিসেবে কাজ করে। শিমের বিচি ভাজা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকার করে। ডায়াবেটিসের রোগীরা খেতে পারবেন, এটা শরীরের শতকরার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
আরো পড়ুনঃ কাঁচা ছোলা খাওয়ার ২৭টি উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত
শিমের বিচিতে ফাইবার হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হজম ক্ষমতা থেকে সৃষ্ট রোগ গুলো থেকে বাঁচায় যেমন, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাছাড়া যাদের হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে তারা এটি খেতে পারেন। সুতরাং একজন মানুষের বিশেষ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়ার জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য এই শিমের বিচির উপকারিতার শেষ নেই। সিমের বিচি ভাজা উচ্চ ক্যালরি সরবরাহ করে যা শরীরে শক্তি সঞ্চয় করে তাৎক্ষণিক।
শিমের বিচিতে কোন ভিটামিন থাকে জানুন
শিমের বিচিতে কোন ভিটামিন থাকে যেগুলো আমাদের শরীরে বিশেষ উপকার করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন গুলো ও নিজে উল্লেখ করা হলো যাতে আপনি বুঝতে পারেন যে কোন ভিটামিন থাকে এই শিমের বেশি থাকে এবং আপনার যদি সে ভিটামিন গুলো প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ দিন এবং পাশাপাশি শিমের বিচি খাওয়ার অভ্যাস করুন।
- প্রচুর কোন ভিটামিন থাকে, ভিটামিন এ, বি1, বি9, বি6 এগুলো শক্তি উৎপাদনকারী স্নায়ুতন্ত্র কে সুরক্ষা দেয়, রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা উন্নত করে, ডিএনএ সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে। শহীদ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ভিটামিন সি।
- ভিটামিন কে: চীনের মধ্যে বৃদ্ধা গান ভিটামিন কে উপস্থিতিতে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় সহায়ক এবং হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
- চোখের সুরক্ষা দেয় ভিটামিন এ। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
সুতরাং আপনি শিমের বিচি খাওয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন। একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শরীরের প্রয়োজন ও ভিটামিনের প্রয়োতালিকায় এই খাবারটি রাখতে পারেন। আপনি যদি একজন সচেতন মানুষ হন তাহলে অবশ্যই আপনার পছন্দ অনুযায়ী রেসিপি তিরী করে খেতে পারবেন যা আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং অন্যান্য অনেক খাবারের তুলনায় এ খাবার খাওয়া বেশি উপকারী।
শিমের বিচি কোন ধরনের খাদ্য জানুন
শিমের বিচি কোন ধরনের খাদ্য যা জানা উচিত একজন মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষা করে সুস্থ জীবন যাপন করার জন্য। শিমের বিচির ভিতরে অনেক গুনাগুন রয়েছে যে কোনগুলো একজন মানুষের উপকার করে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রিক। শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাই আপনি যদি নিয়মিত সিমের বেশি খান তাহলে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও প্রয়োজনীয় নিলে চাহিদা পূরণ করতে পারবে।
শিমের বিচি এক ধরনের আমিষ জাতীয় খাবার তাই বিজ্ঞানী রয়েছে যারা পুষ্টি নিয়ে গবেষণা করেন তারা প্রতি ১০০ গ্রাম খাওয়ার উপযোগী সিমের বিচিতে যে পরিমাণ খাদ্যশক্তি রয়েছে তা উল্লেখ করেছেন, মোট খাদ্য শক্তির পরিমাণ ৩৪৭ কিলো ক্যালরি, আমিষের পরিমাণ ২৪.৯, মোট চর্বির পরিমাণ ০.৮০ গ্রাম, ক্যালসিয়ামের পরিমাণ ৬০ মিলি গ্রাম, শর্করা ৬০-১ গ্রাম, লৌহ ২.৭ মিলি গ্রাম।
শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা জানুন
শুকনো শিমের বিচির উপকারিতা জানা উচিত কারণ এই শুকনো সিমের বিচি ভেজে খাওয়া যায় এবং বিভিন্নভাবে খাওয়র মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষা পাওয়া যায় এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, ভিটামিনএবং মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করা যায়। এইসব মেশিনের বিচি খাওয়ার মাধ্যমে যে সকল স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো পাওয়া যায় তা নিজ উল্লেখ করা হলো দেখে নিন।
আরো বিস্তারিত বিষয় গুলো জানার জন্য আরো আরো পড়ুন সেকশন ভিজিট করুন। যেখানে সিমের বেশি খাওয়া নিয়ে বিভিন্ন উপায় ও শুকনো শিম এর বিচের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হয়েছে যা আপনার ভালো লাগবে এবং উপকারে আসবে। শুকনো সিমের বিচি খেলে আঁশের পরিমাণ বেশি থাকায় এটা কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করবে।
আরো পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় আলু বোখারা খাওয়ার ১৭টি উপকারিতা ও অজানা টিপস
আপনার যদি শরীরে হজম সমস্যা থাকে তাহলে এর কারণে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। অতিরিক্ত ওজন কমাতে খাওয়া যায়। যাদের গর্ভস্থ শিশুর এসে বুকের দুধ খাওয়ায় তারা এই সিমের বিচি খেতে পারে তা প্রথম তো উপকারে যা শরীরে দুধের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিশ্বব্যাপী বর্তমানে ক্যান্সারের প্রকাশ্য চিকিৎসার পরামর্শ এবং রোগ নিরাময়র জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন শিমের বিচি খাওয়ার।
শেষ মন্তব্য: শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে
আসলে আমরা অনেকেই জানতে চাই যে শিমের বিচি খেলে কি ওজন বাড়ে ? আসলে শিমের বিচি অত্যন্ত স্বাস্থ্য উপকারী একটি খাবার এই খাবারের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে এই পুষ্টির ভিতরে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। সুজন আপনি যদি স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে জানান এবং আপনার খাদ্য তালিকায় যদি খুব সহজে আমি ইত্যাদি ও খাবার রাখতে চান তাহলে এটি রাখতে পারেন।
কারো এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ আমিষ রয়েছে যা একজন মানুষের শারীরিক আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারবে। তবে নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করা যায় অতিরিক্ত স্বাস্থ্য বা ওজন শরীরের জন্য ক্ষতি পূর্ণ। আপনার শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ফেলার জন্য আপনি সিমের বিচি খেতে পারেন তবে অতিরিক্ত খেতে গিয়ে সাবধান অবদান করতে হবে বেশি মসলা জাতীয় খাবার ব্যবহার করা যাবে না। তাহলে সিমের বিচে আপনার ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url