শীতকালীন তরমুজ চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করে তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হন
শীতকালীন তরমুজ চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি এই শীতের সময় প্রচুর লাভবান হতে পারবেন। আপনি যদি অগ্রিম তরমুজ পেতে চান তাহলে এই চাষ পদ্ধতি আপনার জন্য লাভজনক। একজন মানুষের কৃষি পেশার সাথে জড়িয়ে নানা ধরনের ফসল তৈরি করতে হয়।
সেই ফসলগুলো তৈরি করার জন্য নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট মৌসুম প্রয়োজন হয়। তাইতো তরমুজ চাষের জন্য সঠিক তরমুজ চাষ পদ্ধতি জানা উচিত। পাশাপাশি তরমুজ চাষের উপযুক্ত মাটি নির্বাচন করা, অসমের তরমুজ চাষ পদ্ধতি ব্ল্যাকবেরি তরমুজ চাষ পদ্ধতি সুনন ধরনের যে তরমুজ চাষ পদ্ধতি রয়েছে সেগুলো বিস্তারিত জানুন।
পোস্ট সুচিপত্রঃ শীতকালীন তরমুজ চাষের পদ্ধতি ব্যবহার করে তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হন
শীতকালীন তরমুজ চাষ পদ্ধতি সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত
শীতকালীন তরমুজ চাষ পদ্ধতি অবলম্বন করে একজন মানুষ লাভবান হতে পারে এর জন্য সঠিক সময়ে এবং কিছু নির্দেশনা অবলম্বন করতে হবে। খুব ভালো মানের তরমুজ চাষ করে লাভবান হওয়ার জন্য আপনি নিচে দেওয়া উপায়গুলো অবলম্বন করতে পারেন এবং এই উপায়ে শীতে তরমুজ চাষ করে উপকৃত এবং লাভবান হতে পারেন।
শীতকালীন তরমুজ চাষ পদ্ধতি সমূহ:
- জমি নির্বাচন: শীতকালীন তরমুজ চাষ করার জন্য উপযুক্ত জমি নির্বাচন করা জরুরী। ভালো ফল পাওয়ার জন্য বেলে দোআঁশ মাটি ভালো ফসল দেয় তবে দোআঁশ মাটি যেন জমে না যায় সে ধরনের হলে ভালো হয়। মাটির পিএইচ ৬.০-৭.৫ হওয়া উচিত।
- জমি চাষ পদ্ধতি: যেই জমিটি নির্বাচন করেছেন ওই জমিটি চাষ করার জন্য আপনাকে প্রথমেই পাওয়ারটিলার দিয়ে ভালো করে চাষ করে নিতে হবে। আগাছা মুক্ত করে ভালোভাবে সমান করে নিতে হবে মাটি জমিতে চারিদিকে যেন সমান থাকে। প্রয়োজনে আপনি বেড করে নিতে পারেন ভাগ ভাগ করে।
- বীজ নির্বাচন : বীজ নির্বাচন করার জন্য আপনি স্থানীয় কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন তাছাড়া উন্নত জাত হিসেবে যেগুলো পরিচিত যেমন হাইব্রিড জাত বেরি ওয়াটারমিলন, সুগার ভেরি ব্ল্যাক গোল্ড আরো অনেক।
- বীজ বপন ও বীজ তৈরি: বীজ বপন করার জন্য আপনাকে যেহেতু শীতকালে চাষ করবেন সেজন্য বীজগুলো ১২ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে পাউস বা জৈব সারের ভিতরে রেখে দিলে শিকড় গজাবে, এছাড়া আপনি একটি পাত্রীর ভিতরে বালি নিয়ে সেখানে বীজ রেখে দিয়ে দুই-তিন দিন রাখলে সেখান থেকে বীজগুলো অঙ্কুরিত হয় যা বীজতলায় স্থানান্তর করা যায়।
- বীজ তৈরি হয়ে গেলে প্রতি মাদায় এর চার থেকে পাঁচটি করে বপন করতে হবে। বীজ বপনের আগে মাদা তৈরি করতে হবে। ২ মিটার শাড়ি করে ২ মিটার অন্তর মাদা করতে হবে। প্রতিটি মাতা সাধারণত ৩০ সেমি প্রস্থ এবং ৩০ সেমি গভীর হতে হবে। চারা বছর পর প্রতিটি জায়গায় দুটি করে যারা রেখে দিতে হবে। এশারা যারা হিসেবে বপন করার জন্য নিজের নিয়ম দেখানো হলো।
- চারা বপন: বীজ বপন করা চাইতে যারা রোপন করা উত্তম। চারা তৈরি করার জন্য আপনাকে প্রথমেই একটি পলিথিনের মিনি ব্যাগ ছোট যে চারা তৈরির ব্যাগ রয়েছে সেগুলোতে উপস্থিত কৃত মাটি দিয়ে একটি করে চারা তৈরি করতে হবে। ৩০ থেকে ৩৫ দিন বয়স হলে চারাগুলো মাটিতে বা স্থায়ীভাবে রোপণ করতে হবে।
- সারের পরিমাণ ও প্রয়োগ: সঠিকভাবে তরমুজ চাষ করার জন্য বিভিন্ন সার প্রয়োগ করতে হবে। এই ষাঁড় গুলোর মধ্যে যে এই সারগুলো অত্যন্ত জরুরী সুন্দর পরিমাণ প্রতি আদর্শ সার হেক্টর হিসেবে ব্যবহার করা হয়। গোবর সার ৮-১০ টন, ইউরিয়া ২০০-২৫০ কেজি, টিএসপি ১৪০-২০০ কেজি, এম ও পি ১০০-১৫০ কেজি। এ সার গুলো প্রয়োগ করার জন্য কিছু সময় রয়েছে সেই অনুপাতে ব্যবহার করলে সবচেয়ে বেশি ভালো হবে।
জমি প্রস্তুত করার আগে কবর সার এবং টিএসপি সার মাটিতে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। ইউরিয়া ও এম ও পি সার তিন ভাগের এক ভাগ করে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথমে চারা গজানোর ১৫ দিন পর, দ্বিতীয়ত লতাপাতা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ার সময়, নতুন ফুল আসবে এবং কিছু কিছু ফল ধরা শুরু হবে সেই সময় শেষ সার প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া আরো যে উপায়গুলো দেখুন।
শীতকালীন তরমুজ চাষ পদ্ধতি আরো দেখুন
চারা গাছের ক্ষেত্রে এই উপায়টি বেশি ব্যবহার করা হয়। টিএসপি ৩০ কেজী, পটাশ ৩০ কেজী, জিপসাম ২০ কেজি, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ১০ কেজী, ছিটিয়ে ব্যবহার করার জন্য মাটির তৈরির সময় ব্যবহার করতে হবে জৈব সার ১ কেজী, ইউরিয়া ২০ গ্রাম, টিএসপি ৪০ গ্রাম, পটাশ ২৫ গ্রাম, সিলেটেড জিংক ৫গ্রাম, ১৬ গ্রাম, কার্বোরান ৫ গ্রাম কার্বন ডেজিম ৫ গ্রাম।
- পানি সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা: নিয়মিত পানি সেচ দেয়ার জন্য এবং প্রথম বীজ গোপনে পর হালকা পানি দিতে হবে। ফুল ফল আসার সময় পর্যাপ্ত পানি দিতে হবে এবং অতিরিক্ত পানি যেন না হয় সেদিক লক্ষ্য রাখতে হবে। আপনি যদি আগাছা দমন করতে চান তাহলে 15 থেকে 20 এর মধ্যে সেই কাজটি সম্পন্ন করতে হবে এবং আগাছা হয়ে গেলে আপনার শক্তি নষ্ট হবে।
- পোকামাকড় ও রোগ নির্ণয়: পোকামাকড়ের সংক্রমণ থেকে বাস্তবে এর জন্য রোগ নির্ণয় করা শিখতে হবে এবং বিভিন্ন লিডারশিপের পরামর্শ অথবা কৃষি পরামর্শ অনুযায়ী পোকামাকড় ধারণ করতে হবে লাল মাকড় এবং ফল ছিদ্রকারী পোকা রয়েছে। মাকড়ের জন্য সালফার স্প্রে ব্যবহার করুন এবং ফল ছিদ্রকারী পোকার জন্য ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করুন। ডাউন মাইল ডিউ এই রোগ হলে রিডোমিল গোল্ড স্প্রে করে দিন।
তাছাড়া পাউডারি মাইন্ড ডিউ সমস্যা হলেও সালফার স্প্রে ব্যবহার করুন। ফসলের সার্বিক সুরক্ষার জন্য প্রতি ১৫ দিনের ভিতরে কৃষ্ণার একক যুক্ত এবং ছত্রাকনাশক বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করুন। এই কাজটি করার জন্য উপযুক্ত সময় হচ্ছে জানুয়ারি মাসের শুরুর দিক যারা অগ্রিম ফসল পেতে চাই তারা করে এবং সারা জানুয়ারি মাস ধরে এই ফসল লাগানো হয়। তাই আপনি এই উপায় গুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই তরমুজ চাষ করে লাভবান হতে পারবেন।
তরমুজ চাষের উপযুক্ত মাটি যেভাবে নির্বাচন করবেন
তরমুজ চাষের উপযুক্ত মাটি নির্বাচন করার জন্য আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে আপনাকে প্রথমে নির্বাচন করতে হবে তরমুজ চাষের জন্য উঁচু জমি যেখানে পানি জমে থাকে না। আর সেই জমি যেন মাটি হিসেবে উর্বর হয় এবং বেলে দোআঁশ মাটি হলে সবচাইতে ভালো হয়। বেলে দোআঁশ মাটি সুন্দর করে পরিচর্যা করে চাষাবাদ করলে তোর মত অত্যন্ত ভালো ফল দেয়।
গভীর উর্বতা যুক্ত মৃত্তিকা ও উত্তম নিষ্কাশন সম্পন্ন জমিতে তরমুজ চাষ করা উপযোগী। বেলে দোআঁশ মাটিতে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া যায় এবং কম খরচে বেশি ফলন ফলানো যায়। বাড়ি থেকে জল সহজে নিষ্কাশন করার সুযোগ থাকলে আগাছা মুক্ত করে বিভিন্ন পরিচর্যা মূলক কাজ করে খুব সহজেই তরমুজ চাষ করে লাভবান হওয়া যায়। এর জন্য উপযুক্ত মাটি বেলে দোআঁশ বলেই বিবেচনা করা হয়।
পনার পছন্দ হতে পারে এমন পোস্টের তালিকাঃ
পড়ুনঃ প্রয়োজনীয় নিম গাছের ছালের ৩১টি উপকারিতা জানুন
পড়ুনঃ ত্রিফলার ২০টি উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
পড়ুনঃ অশোক গাছের উপকারিতা - অশোক গাছের ছবি দেখুন
পড়ুনঃ শীতকালীন সবজি চাষের তালিকা - শীতকালীন সবজি চাষের সময় পুষ্টিগুণ বিস্তারিত
বারোমাসি তরমুজ চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানুন
ভালোবাসি তরমুজ চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানা উচিত তবে বা বিভিন্ন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে বার মাস বর্তমান আধুনিক যুগের তরমুজ চাষ করা হয়। আধুনিক যুগে তবে বারোমাসি তরমুজ চাষ করা হয় অত্যন্ত বেশি এবং এর ফলাফলও ভালো পাওয়া যায়। তাছাড়া আপনি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চাষাবাদ করতে পারবেন তবে ১২ মাস চাষ করার জন্য টপ উপযুক্ত আপনি মনে চাইলে জমিতে চাষ করতে পারেন।
১২ মাস চাষ করার জন্য যেকোনো সময় চাষ করা যায়। তবে সারা বছরের চাইতে মার্চ এপ্রিল চারা ভবনের জন্য উপযুক্ত যার টবে ব্যবহার করা যায়। হাইব্রিড যাত রয়েছে যেগুলো টপে বিভিন্ন পরিচর্যা মূলক ভাবে মাটি তৈরি করে বা বেলের ১০ মাটির সাথে কি বিভিন্ন উপকরণ মিশিয়ে যে উপকরণগুলোর কথা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে সে উপকরণ মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এবং খুব সহজে বারোমাস তরমুজ চাষ করতে পারেন।
১০ টবে একটি চারা ২৫ টবে দুইটি চারা এভাবে বিভিন্ন পরিচর্যা মূলক ব্যবস্থা রেখে চাষ করা যায় এজন্য রোধ পরিপূর্ণ পাওয়া প্রয়োজন এবং তরমুজ যাতে ভালো হয় তার জন্য আপনাকে পরিচর্যা ঠিকঠাক ভাবে করতে হবে। তাছাড়া আপনি ভালো ফলাফল আশা করতে পারেন না কারণ সঠিক ফলাফল পাওয়ার জন্য সঠিক পরিশ্রম প্রয়োজন।
টবে তরমুজ চাষ পদ্ধতি সমূহ জানুন
তবে তরমুজ চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি সারা বছর এবং সিজনাল ভাবে তরমুজ চাষ করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে একটি টপ সংগ্রহ করতে হবে এবং এই টপে পর্যাপ্ত পরিমাণ মাটি এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ মেশাতে হবে। উপকরণ গলা সম্পর্কে উপরে উল্লেখ করা হয়েছে বেলে মাটি, বা বেলে দোআঁশ মাটি সাথে জৈব সার মিশিয়ে আপনি একটি বীজতলা তৈরি করে সেই বীজতলায় তরমুজ চাষ করতে পারেন।
শীতকালে খুব ঠান্ডা থাকলে ১২ ঘন্টা পর্যন্ত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই বীজগুলো অঙ্কুরিত হওয়ার পর আপনি জমিতে বা তবে সরাসরি চাষ বা ফসল ফলাতে পারবেন। তবে টবে তরমুজ চাষ করা লাভজনক কারণ এর খরচ কম এবং পরিচর্যা করার জন্য বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই তরমুজকে টবে চাষ করা হয়।
ব্ল্যাক বেরি তরমুজ চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করুন
ব্ল্যাকবেরি তরমুজ চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজে লাভবান হতে পারেন। তরমুজ যদি ওর শীতের সময় চাষাবাদ শুরু করা হয় তবুও এটি শীতের শেষে গরমের শুরুর দিকে পাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে সারা বছর চাষ করা হয়। বিভিন্ন উন্নত জাত রয়েছে যে জাতগুলো হাইব্রিড যার হিসেবে গণ্য সেগুলো ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন সময় চাষ করার জন্য।
সেই তরমুজের উন্নত একটি জাতকে ব্ল্যাকবেরি তরমুজ হিসেবে পরিচিত দেওয়া হয়েছে। এই তরমুজ আপনি উল্লেখিত উপায়ে চাষ করতে পারেন যে চাষ পদ্ধতি আপনাদের সামনে উপরে উল্লেখ করেছি। তাছাড়া আপনি শীতকালে মাটিতে ও অন্য সময়ে মাদাই চাষ করতে পারেন। প্রতি একর জমিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ জৈব সার এবং বিভিন্ন কীটনাশক যুক্ত করে ব্ল্যাকবেরি তরমুজ চাষ করা অত্যন্ত সহজ এবং লাভজনক।
তরমুজ পাকানোর পদ্ধতি জেনে রাখুন
তরমুজ পাকানোর পদ্ধতি জানা উচিত বিভিন্ন ফল পাকানোর জন্য অনেক উপায় রয়েছে যেগুলো প্রাকৃতিক ভাবে ব্যবহার করা যায়। প্রাকৃতিক উপায়ে তরমুজ পাকানর জন্য পুষ্ট তরমুজ কেটে নিয়ে এসে বাসায় রেখে তার মুখে বা বোটার কাছে খুশটি বাজে কোন ধরনের প্যারাক মেরে দিলে এই তরমুজটি ধীরে ধীরে খুব কম সময়ে পেকে যায়।
তাছাড়া ফল পাকানোর জন্য কোন রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় এটা আমরা অনেকেই জানি বিভিন্ন ফরমালিন রয়েছে যেগুলো অসাধু ব্যবসায়ীরা ফল পাকানোর জন্য ব্যবহার করে। এ ধরনের ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ফল পাকানো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের ফলে এর শরীরে বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
শীতকালীন তরমুজ চাষ পদ্ধতি নিয়ে শেষ মন্তব্য
শীতকালীন তরমুজ চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করে শীতের সময় আগাম তরমুজ পাওয়ার জন্য এই পদ্ধতিটা কার্যকারী। সচরাতর মানুষ শীতের সময় তরমুজ চাষ করা শুরু করে জানুয়ারির শেষের দিকে। তবে আপনি সেই চাষ পদ্ধতি উন্নতভাবে করলে তরমুজ শীতের প্রথম দিকে চাষ শুরু করে দিয়ে বা জানুয়ারির প্রথম দিকে চাষ করলে ৭০ থেকে ৯০ দিনের ভিতর পাবেন।
তাহলে উন্নত জাত হতে হবে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের জাত রয়েছে তরমুজ চাষের জন্য সেই চার্জ গুলোর ভিতরে ব্ল্যাকবেরি ও আরো নানান ধরনের যে উন্নত জাত রয়েছে সেই জাতগুলো শীতকালে প্রথম দিকে চাষ শুরু করলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি ফল পাবেন এবং অল্প সময়ে বেশি লাভবান হতে পারবেন কম কম খরচে বা কম টাকা ইনভেস্ট করে।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url