ইমাম আবু হানিফার জীবনী - ইমাম আবু হানিফার পীর কে ছিল জানুন

ইমাম আবু হানিফার জীবনী জানা থাকলে আপনি ইসলাম সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। ইসলাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে পারবেন ইসলামের এই মহাপুরুষের জীবনী আমাদের জানা উচিত কারণ তার জীবনে থেকে অনেক শিক্ষণীয় বিষয়ে রয়েছে। যে বিষয়গুলো থেকে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত।

ইমাম আবু হানিফার জীবনী

ইমাম আবু হানিফার পীর কে ছিল এটাও আমাদের জানা উচিত এছাড়া আজকে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করবো ইমাম আবু হানিফা জীবনী বই সম্পর্কে বিস্তারিত, ইমাম আবু হানিফার বাবার নাম কি, মায়ের নাম কি, ইমাম আবু হানিফার সন্তান কতজন, মুসলিম হিসেবে আপনার অবশ্যই তথ্যগুলো জানা উচিত।

পোস্ট সুচিপত্রঃ ইমাম আবু হানিফার জীবনী - ইমাম আবু হানিফার পীর কে ছিল জানুন

ইমাম আবু হানিফার জীবনী সম্পর্কে জানুন 

ইমাম আবু হানিফার জীবনী জানাও থাকলে আপনি ইসলামের অনেক মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তির ইসলামের প্রতি আনুগত ও প্রেম সম্পর্কে জানতে পারবেন। ইমাম আবু হানিফা ৮০ হিজরীতে বা ৬৯৯ খ্রিস্টাব্দে ইরাকের কোথয় জন্মগ্রহণ করে। তার পিতা একজন ফরাসি ছিলেন তার নাম ছিল সাবিত ইবনে জাউতা আল ফারসি। ফিকাহ শাস্ত্রের একটি বিখ্যাত বিশেষজ্ঞ। ইমাম আবু হানিফার বিশেষ কিছু বিষয় সম্পর্কে ইসলামের চতুর্থ খলিফা শেরে খোদা মাওলা আলী আলাইহিস সালাতু সাল্লাম দোয়া করেছিলেন। 

ইসলামিক জ্ঞান অনুসারে বিভিন্ন মাযহাব সৃষ্টি হয় সেই সুন্নতে মাযহাবের একটি নাফি মযহাব রয়েছে তার প্রধান ছিলেন ইমাম আবু হানিফার বাবা। বিশেষ কিছু খ্যাতিমান উপাধি তাকে দেওয়া হয়েছিল যেমন ইমাম আল আজহাব নামে তিনি পরিচিত পাই। মহানবীর উফাতের পর উমাইয়া খলিফা আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান এর রাজত্বকালে ইমাম আবু হানিফা কুফা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। আবু হানিফার যখন ছয় বছর বয়স তখন আব্দুল মালিক মৃত্যুবরণ করেন। 

তার পিতার বয়স যখন ৪০ তার বয়স ছিল ১৬ তে সেই সময় তিনি হজের জন্য যাত্রা শুরু করেন এবং হজ পালন করে। বংশের দিক থেকে তাকে ওয়ারে ও বলে ধরে নেওয়া হয় কারণ তার দাদার নাম শেষে যুতি। সে সময়ের প্রখ্যাত ইসলামী ইতিহাসবিদ ক্ষতিরে বাগদাদি আবু হানিফার নাতি ইসমাইল বিন হাম্মাদের বক্তব্য থেকে বংশ ধরের নেওয়া হয়। এর অনেক মতবাদ রয়েছে অন্য ইতিহাসবিদ আবু হানিফাকে পারসিক বংশগত বলে। পারসী ফারসি ভাষার আদি ভাষা এই ভাষা থেকে ফারসি ভাষার উৎপত্তি এ ভাষা তিনটি রূপে প্রচলিত রয়েছে ফারসি, পারসিক ও ফরাসি। 

আবু হানিফা সম্পর্কে তার বংশ নিয়ে অনেক তথ্য পাওয়া যায় তবে সবচাইতে নির্ভরযোগ্য হচ্ছে পারসিক বংশ। শিক্ষাজীবন শুরু হয় তার দর্শন ও আধুনিক ভাষাবিজ্ঞান শাস্ত্রে। তবে এগুলো অর্জনের পর তা তিনি ছেড়ে দেন এবং ২০ বছর বয়সে তিনি ফিকাহ ও হাদিস শাস্ত্রের গভীর অধ্যয়নের জন্য মন স্থির করে। তার প্রধান শিক্ষক ছিল হাম্মাদ ইবনে যাইদ। সে সময়ের শ্রেষ্ঠ হাদিস বিশেষজ্ঞ তার কাছে তিনি ১৮ বছর শিক্ষা লাভ করেন এবং নিজের শিক্ষাদানের যোগ্যতা অর্জন করে।

আরো পড়ুনঃ জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত মহিলা সাহাবীদের নাম এবং অর্থসহ কিছু ব্যখ্যা 

যদিও তিনি তার ওস্তাদ বেঁচে থাকা পর্যন্ত তার কাছেই ছিল। সময় ছিল ১২৪ হিজরি সাল এবং ৭৪২ খ্রিস্টাব্দ। পরবর্তীতে তিনি সেখানকার শিক্ষকের স্থান লাভ করেন এবং কুফার সৃষ্টি তম বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। কর্মজীবনে তিনি একজন কাপড় ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ইমাম আবু সাত্তার তত্ত্বাবধানে ইমাম বাবু হানিফা ১৮ বছর শিক্ষা লাভ করার পর নিজেই পূর্ণতা লাভ করেন এবং শিক্ষা দেন। তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং অর্থ সম্পদশালী ব্যক্তি ছিলেন কিন্তু তার মন ছিল হৃদয়বান এবং সৎ তাই তিনি যাদের শিক্ষা গ্রহণের জন্য অর্থ থাকতো না তাদেরকে বিনা অর্থে শিক্ষা দিতেন এবং তিনি নিজের অর্থেই নিজেই চলতেন। 

তিনি তার পিতার ব্যবসাকে বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করছেন এবং কাপড়ের কারখানা তৈরি করে বিভিন্ন শ্রমিক এবং মানুষকে কর্মসংস্থান ববস্থা করে দেয়। একটা সময় ইমাম শাফি রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তাকে ইসলামের ব্যাপারে আরো উৎসাহিত করেন এবং তিনি গভির ভাবে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে গবেষণা করার যাত্রা শুরু করেন। বৈশেষে তিনি তার জীবনের সকল বিষয়কে ইসলামের ভিতরে মনোনীত করেন। এছাড়াও তাকে সেখানকার প্রধান বিচারপতি করার কথা বলা হয়েছিল কিন্তু তিনি পরবর্তীতে তার ছাত্রকে দায়িত্ব দেন কিন্তু নিজে দায়িত্ব গ্রহণ করেন না। কারণ তিনি মুক্ত থাকতে ভালোবাসতেন। 

ইমাম আবু হানিফার পীর কে ছিলেন জানুন

ইমাম আবু হানিফার পীর কে ছিলেন এটা অনেকেই জানে। আবার অনেক মানুষ রয়েছে যারা এটা জানতে চায় না কারণ পীর ফকির অলি আউলিয়া গাউস কুতুব বিশ্বাস করেন না। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন এবং এর বিষয়ে সকল তথ্য মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছেন এবং মানুষকে বিশ্বাস দিয়েছেন যে আল্লাহতালা সকলের মালিক এবং তিনি তার প্রেরিত রাসুল। 

বর্তমানে পীর ফকির ধরা সম্পর্কে অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণ রয়েছে। আপনি যদি আবু হানিফার জীবন জেনে থাকেন তাহলে দেখবেন তার জীবনে যত জ্ঞান অর্জন তা কোন মাধ্যম বা শিক্ষকের কাছ থেকে সংগ্রহ করা। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা যায় যে আবু হানিফা অবশ্যই একজন পীর ভক্ত মানুষ। তার পীরের নাম ছিল হযরত সাইয়দেনা ইমাম জাফর সাদিক আলাইহিস সালাতু সালাম। তিনি তাকে ইলমে লাহতি দান করেছিলেন। এবং মহাপুরুষ হিসেবে তার জীবনকে পরিচালিত করতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুনঃ শবে মেরাজ কত তারিখে ২০২৫ নিয়ত ফজিলত নিয়ে আজানা তথ্য

আবু হানিফার সংক্ষিপ্ত জীবনী জানা থাকলে আপনি অবশ্যই অলি আউলিয়া দীর্ঘ সম্মান করবেন। পৃথিবীর সকল কিছুই মানুষ জানে না কারো কাছ থেকে শিখে থাকে। যেমন আমি এই আর্টিকেলটি লিখেছি এটা আমি কারো না কারো কাছ থেকে শিখে জেনে বুঝে তারপর শুরু করেছি। ঠিক সেই রকমই মারেফতের কিছু শেখার জন্য বিশেষ কিছু মাধ্যম প্রয়োজন হয় যেই মাধ্যমগুলোকে পীর মুর্শিদ বলা হয়। কারণ তারা জাগতিক নয় আধ্যাত্মিক শিক্ষা দিয়ে থাকেন এবং যে শিক্ষা আল্লাহ দর্শন করার জন্য সহায়ক হয়। 

ইমাম আবু হানিফার সন্তান কতজন এবং তাদের নাম কি জানুন 

ইমাম আবু হানিফা জীবনী জানলে আপনি ইমাম আবু হানিফার সন্তান কতজন এটা জানতে পারবেন। যদি আবু হানিফার জীবনী সম্পর্কে জানেন। তার জীবনী সম্পর্কে অনেক বই রয়েছে যে বইগুলোতে বিস্তারিত সকল বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিভাবে তিনি ইসলাম ধর্মে আসে। তার পিতা-মাতা সহ জীবনের সকল বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে। ইমাম আবু হানিফার সন্তান হল হাম্মাদ। তারা বংশীয়ভাবে কাপড়ের ব্যবসা করতেন।

আরো পড়ুনঃ তারাবি নামাজের নিয়ম, নিয়ত, দোয়া, ফজিলত ও বিভিন্ন টিপস 

তিনি মাযহাবী বিশ্বাসী ছিলেন এবং অনেক বড় মাপের মানুষ ছিলেন। তাই তার ছেলে কেউও অনেক জ্ঞানী তৈরি করেছিলেন এবং তিনিও এক সময় জ্ঞানী আলেম হয়েছিল। ইমাম আবু হানিফা সম্মানিত ছিলেন তাই সকলেই শ্রদ্ধা করত। তবে কিছু মানুষের জন্য বিশেষ কারণে তাকে বন্দী জীবন কাটাতে হয়। তিনি বন্দি জীবনে থেকে ১২ লক্ষ ৯০ হাজারের অধিক মাসয়ালা লিপিবদ্ধ করেন।

ইমাম আবু হানিফার জন্ম ও মৃত্যু 

ইমাম আবু হানিফার জন্ম ও মৃত্যু একটি বিশেষ সময় হয়ে থাকে ইমাম আবু হানিফা ছিলেন একজন আমিনুল মোমিনিন ফিল ফিকহ, ইমামুল আইমা ইমামুল মুজতহিদিন। তার জন্ম নোমান বিন সাবিত ৫ সেপ্টেম্বর, ৬৯৯ খ্রিস্টাব্দে চারে সাবান ৮০ হিজরি কুফায় জন্ম, উমাইয়া খিলাফত প্রাপ্ত ছিলেন তিনি। তিনি ইসলামের জন্য তার জীবন দশায় বিভিন্ন ইসলামিক জ্ঞান মানুষের মধ্যে দিয়েছে।

আরো পড়ুনঃ বিশেষ ফজিলতপুর্ণ তারাবির নামাজের নিয়ম কানুন মহিলাদের আমল বিস্তারিত জানুন

পরিশেষে তিনি ১৪ জুন ৭৬৭ বা ১৫০ হিজরীতে বাগদাদ শহরের একটি কারাগারে মৃত্যুবরণ করে। সে সময় তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছিল অত্যন্ত অমানবিকভাবে তাকে সেই দেশের দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছিল কিন্তু তিনি বলেছিলেন এটা আমার জন্য নয় আমি মুক্ত থাকতে চাই। কিন্তু তার উদারতা এবং প্রেমের কথাগুলো বুঝতে না পারায় তাকে কারাগারে নির্যাতন করা হয় এবং সেখানেই তিনি মারা যায়। 

ইমাম আবু হানিফা জীবনী বই কিনতে পারেন 

ইমাম আবু হানিফা জীবনী বই পড়ে আপনি আবু হানিফার জীবন থেকে সকল শিক্ষনীয় বিষয়ে জানতে পারবেন। জানতে পারবেন তার জীবনের ঘটে যাওয়া সকল কাহিনী। তার জীবনে অনেক কঠিন সময় পার করতে হয়েছে তাকে কারাগারে অনেক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে তবুও তিনি তার সৎকর্ম এবং আল্লাহ ভরসাকে নিজের ভিতরে বিশ্বাস করে রেখেছিল।

ইমাম আবু হানিফা জীবনী বই

আপনি যদি আবু হানিফার জীবনী জানতে চান তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে এর বিস্তারিত বিষয়ে জানতে না পারলেও ভালো একটি ধারণা পাবেন। যা আবু হানিফা সম্পর্কে আপনার জ্ঞানকে আরো বৃদ্ধি করবে। আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন ইমাম আবু হানিফা জীবনী পড়তে হলে কি করতে হবে। এবং এর থেকে কি এমন সুবিধা পেতে পারেন। 

ইমাম আবু হানিফার ছবি - ইমাম আবু হানিফার নাম কি জানুন 

ইমাম আবু হানিফার ছবি দেখলে মানুষ হয়তো বিশ্বাস করতে নাও পারে তবে তার একটি চিত্র অঙ্কিত ছবি রয়েছে। যে ছবি থেকে বর্তমানে এখন মানুষ অনেক ছবি তৈরি করেছে। আপনাদের সামনে আজকে সেই ছবিটি উপস্থাপন করব। যাতে আপনি একটি ধারণা নিতে পারেন স্পষ্টভাবে যে ইমাম আবু হানিফা দেখতে কেমন ছিল। এছাড়াও আপনাদেরকে জানাবো ইমাম আবু হানিফার পুরো নাম।

আরো পড়ুনঃ ই দিয়ে মুসলিম ছেলেদের আধুনিক নাম ১০১টি অর্থ ও ব্যাখা জানুন  

ইমাম আবু হানিফা মা এবং বাবার দিক থেকেই নবীর বংশধর ছিলেন। তিনি হাসানী এবং হোসাইনী উপাধি প্রাপ্ত হন কারণ তার মা-বাবা দুজনেই একজন হাসান এবং অন্যজন হোসাইনের পক্ষ থেকে সম্পর্ক বা বংশীয়। এবং ইমাম আবু হানিফার সম্পূর্ণ নাম হলো ইমাম আবু হানিফা আল নোমান ইবনে সাবিত ইবনে যুতা ইবনে মারজুয়ান। তিনি অত্যন্ত জ্ঞানী এবং শক্তি সম্পন্ন মানুষ ছিলেন তার খ্যাতি ছিল সারা বিশ্বে। তিনি এত বড় আলেম ছিলেন যে এত বড় মাপের আলেম নেই বললেই চলে। 

ইমাম আবু হানিফার বংশ পরিচয় জানুন 

ইমাম আবু হানিফার বংশ পরিচয় জানা উচিত, কারণ ইমাম আবু হানিফা জীবনী সম্পর্কে জানতে গেলে তার বংশ পরিচয় জানতে মন চায়। অনেকেই জানতে চাই, তিনি আবু হানিফা নামে পরিচিতি পায় কিন্তু তারপরও পদবী এবং বংশীয় নামগুলো এখন আমরা জানবো যাতে আমরা বুঝতে পারি তিনি কোন বংশের।

ইমাম আবু হানিফার বংশ পরিচয়

জন্ম পরিচয় এর নাম নুমান। উপনাম আবু হানিফা এবং এর উপাধি ছিল ইমাম আজম। তার পিতার নাম সাবিত ইবনে জ্যোতি। মুজতাহিদ ইমামদের মধ্যে তার জন্মই সর্বপ্রথম। বংশ হিসাব থেকে দেখা যায় তিনি ইরানি ও পারস্য দেশের অধিবাসী ছিলেন। এবং তিনি ৮০ হিজরীতে কুফা শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং এখানেই বড় হন এবং ইসলাম প্রচারের জন্য এবং হাদিস সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত হয়ে ওঠেন সারা বিশ্বের মানুষের কাছে। 

তবে তিনি মা-বাবার দিক থেকেও অনেক উচ্চ বংশের ছিলেন তার মা এবং বাবা উভয়ই হাসান হোসাইন বা নবীর বংশধর ছিলেন। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে আরো বেশি সম্মান করা উচিত। মহানবীর বিখ্যাত হাদিস এবং মাওলা আলীর থেকে দোয়া প্রাপ্ত ব্যক্তি ছিলেন ইমাম আবু হানিফা। হযরত মাওলা আলী আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম তার জন্য দোয়া করেছিলেন যেন তিনি আল্লাহর নেক বান্দা হয়।

ইমাম আবু হানিফার জীবনী সম্পর্কে শেষ মন্তব্য 

ইমাম আবু হানিফার জীবনী সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য ইতিমধ্যে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি। যেখান থেকে আপনি বুঝতে পারছেন যে, একজন মানুষ ইসলাম ধর্মকে ভালোবেসে এবং ইসলামের পথে জীবনের সময় অতিবাহিত করলে কতটা সম্মানিত হয়। ইসলামের তার এতটাই মর্যাদা এবং খ্যাতি রয়েছে যা, বর্তমান ২০২৫ সালে ও মানুষ তাকে মনে করে। তার লেখা এবং দেখানো অনেক বিষয় অনুসরণ করে। 

তিনি একজন সৎ নেককার মানুষ ছিলেন তার দেখানো পথে হাজারো মানুষ পথ চলার জন্য উৎসাহ পাই। তিনি আল্লাহর অনেক প্রিয় বান্দা ছিলেন যার কারণে তিনি কখনো খারাপ কাজ করেননি এবং মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করেননি তবুও আল্লাহর অশেষ পরীক্ষা হতে পারে যার ফলে তাকে অনেক দিন সময় কারাগারে কাটাতে হয়। তিনি সত্যের পক্ষে ছিলেন তাই তাকে আল্লাহ পরীক্ষা নিয়েছিলেন তাই আপনিও সত্যের পথে থাকলে আপনাকেও পরীক্ষা দিতে হতে পারে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url