বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম ও সুবিধা অসুবিধা জানুন
আপনি যদি বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম না জানেন। তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। বর্তমানে অনেক প্রবাসী রয়েছে যারা বিভিন্ন একাউন্টের মাধ্যমে বিদেশ থেকে দেশে টাকা পাঠায়।
এই আর্টিকেলটি থেকে আরো যে বিষয়গুলো জানবেন বিদেশ থেকে টাকা আসতে কত দিন সময় লাগে, ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম, ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিং একাউন্ট এর সুবিধা অসুবিধা এবং সেভিংস একাউন্ট এর জন্য কোন ব্যাংক ভালো চলুন বিস্তারিত জেনে নিই।
পোস্ট সুচিপত্রঃ বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম ও সুবিধা অসুবিধা জানুন
- ভূমিকা
- বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম বিস্তারিত
- বিদেশ থেকে টাকা আসতে কত দিন সময় লাগে জানুন
- ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম জেনে নিন
- ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট এর সুবিধা জানুন
- ডাচ বাংলা ব্যাংক স্টুডেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা সমূহ
- ডাচ বাংলা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর সুবিধা সমূহ
- ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যালেন্স দেখার নিয়ম জানুন
- ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস প্লাস একাউন্ট সম্পর্কে জানুন
- ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট চার্জ কত জানুন
- ডাচ বাংলা ব্যাংক বিভিন্ন একাউন্টের চার্জ জানুন
- সেভিংস একাউন্ট এর জন্য কোন ব্যাংক ভালো জানুন
- ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং এর সুবিধা সমূহ
- ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা কোথায় আছে জানুন
- বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম সম্পর্কে শেষ কথা
ভূমিকা
বর্তমান সমাজে টাকা ইনকামের একটি ভালো মাধ্যম হলো বিদেশে কাজ করা। বিদেশে কম কাজে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া যায়। যা বাংলাদেশি টাকায় বেশি মূল্য পাওয়া যায়। দেশের অর্থনৈতিক চাহিদা দুর্বল এবং কর্মসংস্থানের অভাব হওয়ায় মানুষ অর্থ উপার্জন করার জন্য বিদেশ কাজ করা পছন্দ করে এবং দিন দিন এর আগ্রহ বেড়ে চলছে। সেজন্য আমাদের জানা উচিত কিভাবে ১০০% নিরাপত্তার সাথে টাকা বা অর্থ আদান-প্রদান করা যায় এক দেশ থেকে অন্য দেশে যে ভাবে।
টাকা আদান প্রদানের জন্য অন্যতম একটি মাধ্যম হলো ডাচ বাংলা ব্যাংক। তাই প্রথমে চলুন জেনে নিই এই ব্যাংক কি এবং কত প্রকার। ডাচ বাংলা ব্যাংক একটি যৌথ সংস্থা যা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। বিভিন্ন অর্থ আদান পদান করার জন্য এটি অত্যন্ত অন্যতম একটি মাধ্যম সারাদেশে প্রায় ৪৭৭৫ এর অধিক এটিএম বুদ রয়েছে। ২১০টি শাখা, ডাচ বাংলা একাউন্ট সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে।
একটু হচ্ছে স্টুডেন্ট একাউন্ট যা আপনি সাধারণত ছাত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। এবং অপরটি হচ্ছে সেভিংস একাউন্ট এটি ব্যবসায়িক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করা হয়। ব্যাংকের বিভিন্ন সুবিধা অর্জন করার জন্য বা পাওয়ার জন্য আপনি এই একউন্ট তৈরি করতে পারেন। বিভিন্নভাবে ডাচ বাংলা ব্যাংক মানুষের উপকার করে আসে ব্যবসায়িক এবং অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে।
বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম বিস্তারিত
বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম জানা থাকলে আপনি বিভিন্ন দেশ থেকে সরাসরি ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন। বিশেষ করে যারা প্রবাসে থেকে নিজ দেশে টাকা পাঠাতে চান তারা এর সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। যেকোনো দেশ থেকে সহজেই ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর জন্য যে নিয়ম অনুসরণ করতে হবে তা বিস্তারিত দেখুন।
আরো পড়ুনঃ নাগরিক সেবা ও ই-কমার্সের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ বিস্তারিত জানুন
বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম সমূহঃ
- প্রথমত একটি অ্যাকউন্ট থাকতে হবে যদি না থাকে ও আপনার অ্যাকাউন্ট নাম্বারটি জমা দিতে হবেদিতে হবে।
- সে একাউন্টটি ওপেন করে ডাচ বাংলা ব্যাংক অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ হাউসে যেতে হবে।
- এরপর আপনি সেখানে আপনার টাকাটি জমা দিবেন। এরপর তাদের দেওয়া একটি ফরম পূরণ করবেন যার নাম কেওয়াইসি।
- এই ফর্মটিতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যেমন, পাসপোর্টে বা ভিসা পারমিটের সকল তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে।
- এবং আপনার ব্যক্তিগত যেই একাউন্ট থেকে অপর যে একাউন্টে টাকা পাঠাবেন সেই একাউন্টের যাবতীয় তথ্য তার মধ্যে উল্লেখ করবেন ব্যাংকের নাম, ব্যাংকের ব্রাঞ্চ নাম্বার, ব্যাংক লোকেশন সহ আরো কিছু কমন বিষয়বস্তু।
- কাজগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর আপনার মোবাইলের এসএমএস অপশনে যে নাম্বারটি দিয়েছেন সেই নাম্বারে একটি এসএমএস আসবে সেখানে আপনাকে বলা হবে যে টাকাটি পাঠানো হয়ে গেছে।
সর্বশেষ আপনি আরো একটি কাজ করবেন সেটি হল আপনি যেই ব্যক্তির কাছে টাকা গুলো পাঠাবেন তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করে সিওর বা নিশ্চিন্ত হবেন যে আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে তার একাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছে কি। সর্বশেষে এই কথা বলতে চাই যদি আপনার টাকাটি সঠিকভাবে পৌঁছায় বা উক্ত কাজগুলো আপনি যদি সঠিকভাবে মেনে করেন তাহলে অবশ্যই টাকা পাঠাতে পারবেন এবং এই টাকা সেই ব্যক্তি তার কাছে টাকা পাঠাবেন সে যেকোনো ডাচ বাংলা বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন।
বিদেশ থেকে টাকা আসতে কত দিন সময় লাগে জানুন
বিদেশ থেকে টাকা আসতে কত দিন সময় লাগে এ বিষয়টি অনেকেই জানে না অনেকেই মনে করে। যেখুব সহজেই টাকা চলে আসে আবার অনেকেই মনে করে বিভিন্ন নিয়ম কানুন মেনে টাকা নিয়ে আসতে হয়। তবে এর জন্য নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন। সাধারণত দুই থেকে সাত দিন সময় লাগতে পারে তবে এর কিছু ক্ষেত্র বিশেষ রয়েছে তার ক্ষেত্রে সময় বেশি বা আরো কম লাগতে পারে।
আরো পড়ুনঃ ওয়াইফাই কানেক্ট করার সফটওয়্যার সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
টাকা বিদেশে থেকে আপনার একাউন্টে ডলার আকারে আসে এবং সেই ডলারটি দেশের টাকার অনুপাতে আপনাকে দেওয়া হয় দেশীয় টাকা হিসেবে। এই প্রসেসটি সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ তিন থেকে সাত দিন সময় লাগতে পারে। তবে বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে সবচাইতে নিরাপদ ডাচ-বাংলা ব্যাংক এর সুবিধাগুলো সুতরাং আপনি বিদেশ থেকে টাকা আসতে কত দিন লাগে এই বিষয় বুঝতে পেরেছেন। তাই আপনি উল্লেখিত উপায় গুলো ব্যবহার করে বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন।
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম জেনে নিন
ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম জানা থাকলে আপনি খুব সহজেই একটি সেভিংস অথবা স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলে ব্যবহার করতে পারবেন। ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম সাধারণত দুইটি রয়েছে একটি হচ্ছে অনলাইন মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন তথ্য দেওয়ার পর একাউন্ট খুলতে পারবেন। প্রথমে আমরা জেনে নি ডাচ বাংলা একাউন্ট সেভিংস একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে।
প্রথমত ন্যাশনাল আইডি কার্ড লাগে, পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি লাগে এবং পূর্ণাঙ্গ আবেদন ফরম। নমিনের ক্ষেত্রে নমিনের জাতীয় পরিচয় পত্র এবং তার পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি। উক্ত কাগজ পত্র সাথে নিয়ে আপনাদের নিকটস্থ তম বিভিন্ন ডাচ বাংলা ব্যাংক শাখায় যেতে হবে। আবেদন ফ্রম জমা দিতে হবে এবং আপনার প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র জমা দিতে হবে। এরপর প্রাথমিক অবস্থায় সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে একাউন্ট তৈরি করতে।
এছাড়া আপনি অনলাইনে আবেদন করে একাউন্ট খুলতে পারবেন আপনাকে অনলাইন ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ করতে হবে। যেমন, ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে প্রবেশ করে আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস দিয়ে আপনি একটি একাউন্ট খুলতে পারবেন। তবে ফ্রম পূরণ করার জন্য অনলাইনে ফরম পূরণ করা যায়। সে ফর্মটি অনলাইনে জমা দেয়া যায় প্রয়োজনে আপনি সেই ফরমটি প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। তবে সবচাইতে ভালো হয় একাউন্ট খোলার জন্য ব্যাংকে সরাসরি যোগাযোগ করা।
ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট এর সুবিধা জানুন
ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট এর সুবিধা গুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই সুবিধা কি মানুষ উপভোগ করতে পারে যারা এই ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট তৈরি করে রেখেছে। সাধারণত যে উপকারিতা এবং সুবিধা গুলো পাওয়া যায় সেভিংস একাউন্ট এর মাধ্যমে তার নিম্নরূপ দেখানো হলো যা আপনার উপকারে আসবে।
আরো পড়ুনঃ ৩টি উপায়ে ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম জানুন
- সেভিংস একাউন্ট প্রতিনিয়ত প্রয়োজন মোতাবেক টাকা উত্তোলন করার সুবিধা রয়েছে।
- এই একাউন্টের চেক ইস্যু খুব সহজেই তৈরি করা যায়।
- সেভিংস একাউন্টে ডিপোজিট বা ডিপিএস চালু করে রাখতে পারেন। যা বছর শেষে আপনাকে একটি মুনাফা দেবে।
- সেভিংস একাউন্টে আপনি আনলিমিটেড টাকা উত্তোলন করতে পারবেন ব্যাংকের নিয়ম নীতি মেনে।
- ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবস্থা ব্যবহার করে সারা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থেকে আপনি একাউন্টের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।
- আপনি একাউন্ট খুলে সেই একাউন্টের বিশেষতা অর্জন করলে আপনি একউন্ট এই ব্যাংক থেকে ঋণ আবেদন করতে পারবেন।
- সেভিংস একাউন্টের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
- ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে এই ব্যাংকটি পরিচালিত হয় তা গ্রাহকের সকল সুবিধা দিয়ে থাকে।
সুতরাং আপনি যদি ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করেন তা বিশেষ করে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে এবং বেশি টাকা পয়সা আদান প্রদান করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ডাচ-বাংলা ব্যাংক একাউন্টের আরো একটি যে অপশন রয়েছে সেটি হচ্ছে স্টুডেন্ট আইডি এর সুবিধা অসুবিধা রয়েছে তা জানুন।
ডাচ বাংলা ব্যাংক স্টুডেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা সমূহ
ডাচ বাংলা ব্যাংক স্টুডেন্ট একাউন্ট এর সুবিধা সমূহ জানা উচিত। এই অ্যাকাউন্টটি তৈরি করার সাথে সাথে আপনি তাৎক্ষণিক একটি এটিএম কার্ড পাবেন।
- এসএমএস ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা।
- স্বল্প পরিমাণে টাকা আদান প্রদান করতে পারবে।
- যেকোনো শাখা থেকে এটিএম বুথ থেকেও টাকা লেনদেন করতে পারবেন।
- স্টুডেন্ট একাউন্ট ধারীদের চেক প্রদান করা হয়।
- সিকিউরিটি হিসেবে টু ফ্যাক্টর অথরিটি ব্যবহার করা হয়।
- প্রয়োজনে আপনি স্টুডেন্ট একাউন্টের সাথে রকেট একাউন্ট যুক্ত করতে পারবেন।
- যেহেতু এটি স্টুডেন্ট একাউন্ট তাই আপনি এডুকেশন লোন নিতে পারবেন তাই এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এর কিছু অসুবিধা রয়েছে যেমন, নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আদান প্রদান করতে পারবেন। অতিরিক্ত টাকা আদান-প্রদান বা লেনদেন করতে পারবেন না। তাছাড়া সকল সুবিধায় পাওয়া যায় যা সেভিংস একাউন্টে পাওয়া যায় তবে একটি সিমিত আকারে পাওয়া যায়। আর অন্য একাউন্টটিতে বেশি বা আনলিমিটেড আকারে পাওয়া যায় তাই আপনি দুটোই ব্যবহার করতে পারেন আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী। তবে ১৮ বয়সের কম বয়সী মানুষ এই একাউন্ট ব্যবহার করতে পারবে না।
ডাচ বাংলা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর সুবিধা সমূহ
ডাচ বাংলা ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর সুবিধা সমূহ রয়েছে ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর ব্যবস্থার দ্বিগুণ সুবিধাজনক। সবচাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি এই অ্যাকাউন্টটিকে আপনার ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে চেক করতে পারবেন এর টাকার পরিমাণ। এই একাউন্টের সাহায্যে এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য একাউন্টে ব্যালেন্স ঘরে বসে স্থানান্তর করতে পারবেন। এছাড়া আপনি প্রয়োজনে ইউটিলিট পরিশোধ করতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ সোনালী ব্যাংকের সেবা সমূহ - সোনালী ব্যাংক শাখা ও লোন পদ্ধতি
অনেক ডিপোজিট খোলা যায় মনে করেন এটা সত্যিই মাধ্যমে ডিপোজিট খোলা যায় এবং সঞ্চয় অ্যাকউন্ট করা যায়। প্রয়োজন অনুসারে চেক এর পেমেন্ট বন্ধ ও খোলা যায়। বৈদেশিক মুদ্রার হার অনুসন্ধান করা সহজ হয়। অনলাইনের মাধ্যমে চেক বই স্ট্যাটাস এবং আবেদন অনুসন্ধান করতে পারবেন। এছাড়া আপনি খুব সহজে ব্যাংকের চার্জ সুদের হার এবং বিভিন্ন ফ্রি সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যালেন্স দেখার নিয়ম জানুন
ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যালেন্স দেখার নিয়ম জানা থাকলে আপনি খুব সহজেই ঘরে বসে আপনার ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা ব্যাংকের বিভিন্ন আপডেট খবর জানতে পারেন। পাশাপাশি ব্যালেন্স দেখতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে যে ধাপগুলো পর্যায়ক্রমে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম নিচে দেখে নিন এবং পর্যায়ক্রমে অনুসরণ করুন।
- প্রথমে আপনাকে ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ব্যালেন্স চেক করতে হবে।
- এরপর আপনাকে নেক্সট প্লে অথবা রকেট অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন।
- এ বাদেও সরাসরি মোবাইলে ডাচ বাংলা ব্যাংক কোড *৩২২# ডায়াল করেও জানতে পারবেন।
- এটিএম কার্ড বা এটিএম বুথের সাহায্যে জানতে পারবেন।
- সহজেই আপনি ব্যাংকে সরাসরি গিয়ে আপনার একাউন্টের অবস্থা চেক করতে পারবেন।
- ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি যোগাযোগ এবং হেল্পইন গুলো আমাদের জানা উচিত কারণ বিভিন্ন সমস্যায়।
পরামর্শ নেওয়ার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হয়, ccs.cmc@dutchbanglabank.com এখানে মেইল করতে পারেন। এছাড়াও আপনি অভিযোগ বা পরামর্শ ক্ষেত্রে ( ৮৮০২) ৯৯৩ নাম্বার যোগাযোগ করবেন অথবা হেল্পলাইন নাম্বার হচ্ছে ১৬২১৬। যা আপনাকে সার্বিকভাবে সুবিধা দিবে এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় প্রশ্ন এবং পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবে।
ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস প্লাস একাউন্ট সম্পর্কে জানুন
ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস প্লাস একাউন্ট অত্যন্ত সুবিধাজনক এবং টাকা আদান প্রদান করার জন্য জনপ্রিয়। আপনি নিরাপদে ডাচ বাংলা ব্যাংকের সাথে একাউন্ট তৈরি করে অর্থ আদান প্রদান করতে পারেন। এই প্রয়োজনে আপনি এখান থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় তথ্য গ্রহণ করতে পারবেন এবং আপনার প্রয়োজনে সেখানে অর্থ সঞ্চয় করতে পারবেন এবং এই অর্থ প্রয়োজনে আবার ব্যবহারও করতে পারবেন।
আরো পড়ুনঃ সহজ উপায়ে রাউটার টু রাউটার কানেকশন করুন
ডাচ বাংলা সেভিংস প্লাস একাউন্ট তৈরি করে আপনি এখানে টাকা জমা রাখতে পারবেন এবং এই টাকা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন এছাড়া আপনাকে অনেক সময় টাকা জমিয়ে রাখার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ট্যাক্স দিতে হতে পারে সুতরাং আপনি ডাচ বাংলা একাউন্ট ব্যবহার করে সুবিধা পাবেন তবে তার জন্য আপনাকে কিছু পরিমাণ টাকা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কে দিতে হতে পারে।
ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট চার্জ কত জানুন
ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস অ্যাকাউন্ট চার্জ কত এটা আপনাদের জানাচ্ছি কারণ বর্তমানে আমরা অনেকে ডাচ বাংলা সেভিংস একাউন্ট ব্যবহার করি। ডাচ বাংলা ডেবিট কার্ডের বাৎসরিক চার্জ ৪৬০ হয় যে টাকাটা বছরে একবারে ডিসেম্বরের দিকে কেটে নেওয়া হয়। আপনি কার্ড ব্যবহার না করলে আর চার্জ দিতে হয় না।
ডাচ বাংলা ব্যাংক বিভিন্ন একাউন্টের চার্জ জানুন
সেভিংস একাউন্টে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত থাকলে সে ক্ষেত্রে একাউন্টের মেনটেনেন্স ফি প্রদান করতে হবে না। এছাড়া সেভিংস একাউন্টে প্রতি ৬ মাস পর পর ১০০০০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে গড় অনুপাত স্থিতির সর্বোচ্চ টাকা প্লাস ১৫% ভ্যাট সরকারি। এবং 25 হাজার টাকার বেশি। ২ লক্ষ টাকার মধ্যে থাকলে ২০০/-টাকা প্লাস কোন অপারেশন সরকারি ভ্যাট। এছাড়া ২ লক্ষ টাকার অধিক বা ১০ লক্ষ টাকার মধ্যে থাকলে আমানত স্থিতির জন্য আপনাকে ২৫০ টাকা এবং ১৫% সরকারি ভ্যাট দিতে হবে।
১০ লক্ষ টাকা বেশি আমানত স্থিতির জন্য ৩০০/- টাকা থেকে ১৫% ভ্যাট দিতে হবে। তাই বিভিন্ন একাউন্ট তৈরি করার পূর্বে আপনাকে সেই অ্যাকউন্ট। চার্জ খরচটি এতটাই সূক্ষ্মভাবে নেয়া হয় যে যদি আপনার নির্দিষ্ট সময়ের চাইতে এক সেকেন্ড বেশি সময় পার করেন সেই সেকেন্ড সময়ের জন্যও চার্জ প্রযোজ্য হয়। তবে স্টুডেন্ট একাউন্ট এর ক্ষেত্রে গড় শহীদ এর পরিমাণ অনুযায়ী ৪৯৯৯ টাকা চার্জ কম কাটবে।
স্টুডেন্ট একাউন্টে ২৫০০০ কম টাকা থাকলে এখন চার্জ কাটে না এর বেশি থাকলে সেভিং একাউন্ট অনুসারে টাকা কাটা হবে। তবে মাস্টার কার্ড ব্যবহার করলে আপনাকে অবশ্যই ৮৬৩ দিতে হবে। তবে কিছু পুরাতন সেভিং একাউন্টের ক্ষেত্রে ১৫৭ এবং ১১৮ নম্বর যেগুলো শুরু হয়েছে তা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১০ বার ও টাকা উত্তোলন করতে পারবে। এবং প্রতি মাসে ১০ বারের বেশি টাকা উত্তোলন করতে হলে গ্রাহকের এর আলাদা চার্জ প্রদান করতে হবে।
সরকারি চার্জ এই ব্যাংক একাউন্ট থেকে যে পরিমাণ নিতে পারে টাকার অনুপাতে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য যেই অনুপাতগুলো আমাদের জানা উচিত। টাকার পরিমাণ যদি ১ লক্ষ টাকার বেশি হয় তাহলে ১৫০ টাকা। ৫ লাখের বেশি হলে ৫০০ টাকা, ১০ লাখের বেশি হলে ৩০০০ টাকা, ১ কোটির বেশি হলে ১৫০০০ তাকা, ৫ কোটির বেশি হলে ৪০০০০ টাকা সরকারকে দিতে হবে। তবে আপনার একাউন্টে যদি এর বেশি ১ লাখের বেশি না হয় তাহলে তেমন বেশি কাটবে না। ১ সেকেন্ডের জন্য এর অধিক হলে তা কাটবে।
সেভিংস একাউন্ট এর জন্য কোন ব্যাংক ভালো জানুন
সেভিংস একাউন্ট এর জন্য কোন ব্যাংক ভালো জানা উচিত কারণ মানুষ বিভিন্ন ধরনের অর্থ লেনদেন এবং ব্যবসা-বাণিজ্য করার জন্য বিভিন্ন একাউন্ট ব্যবহার করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সেভিং একাউন্ট তবে সেভিং একাউন্ট অনেক ব্যাংক শাখা থেকে খুলে ব্যবহার করা যায়। সহজেই কম খরচে বেশি টাকা উত্তোলন করার জন্য এবং বেশি নিরাপত্তার জন্য এই একাউন্ট ব্যবহার করতে পারেন।
তবে আমাদের উচিত সবচাইতে ভালো এবং উন্নত মানের ব্যাংক গুলির সাথে যোগাযোগ এবং অর্থ আদান প্রদন করা। সে ক্ষেত্রে আমি আপনাদেরকে বলবো যে আপনি যদি সেভিংস একাউন্ট তৈরি করতে চান তাহলে ডাচ বাংলা সেভিংস একাউন্ট তৈরি করবেন এখানে বিশেষ সুবিধা রয়েছে যে বিষয়গুলো সম্পর্কে ইতিমধ্যে উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং এর সুবিধা সমূহ
ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং এর সুবিধা সমূহ আমাদের জানা উচিত বর্তমানে আমরা টাকা আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অর্থ আদান-প্রদান করার জন্য ব্যাংক সেবা ব্যবহার করি। প্রকৃত অনলাইন ব্যাংকিং সেবা যা দেশব্যাপী যে কোন সময় যে কোন স্থান পাওয়া যায়। তাই এই ব্যাংকিং সেবা অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাছাড়া এই সুবিধা তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনাকে মুনাফার ওপর লাভের সুবিধা দেওয়া হয়।
সেজন্য আপনি এজেন্ট ব্যাংকিং সুবিধা নেওয়ার জন্য বাৎসরিক চার্জ নয় সেখান থেকে প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ মুনাফা পবেন। তবে এজেন্ট ব্যাংকিং হতে বাংলাদেশের ব্যাংক অনুমতিতে একটি নতুন ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যেখানে লেনদেনের বায়োমেট্রিক মেশিন ব্যবহার করে গ্রাহকের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ শনাক্ত করে পরিচালনা করা হয়। এই সুবিধাগুলো পাওয়ার জন্য ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ১০০% নিরাপদ।
ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা কোথায় আছে জানুন
ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা বাংলাদেশের কোথায় কোথায় আছে এটা আমাদের জানা উচিত সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এটি যৌথ ব্যবস্থা হিসেবে মানুষের সেবা করে থাকেন। ডাচ বাংলা হলো নেদারল্যান্ড এবং বাংলাদেশের যৌথ একটি প্রতিষ্ঠান এ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ভাবে মানুষকে আর্থিক সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা এবং বিভিন্ন ধরনের অর্থ লেনদেন করার জন্য নানান উপায় রয়েছে।
আপনি বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন আবার বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন। অথবা বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে পারবেন। বাংলাদেশের অনেক জায়গায় এর শাখা রয়েছে, রাজশাহী বগুড়া, ঢাকা সহ সারাদেশে এর বহুৎ শাখা রয়েছে যে এজেন্ট শাখা গুলো অত্যন্ত উপকারী মানুষের বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।
বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম সম্পর্কে শেষ কথা
বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম জানা থাকলে আপনি খুব সহজেই ডাচ বাংলা ব্যাংকে বিভিন্ন দেশ থেকে টাকা পাঠাতে পারবেন। বর্তমানে অনেক দেশে প্রবাসী রয়েছে প্রবাসী ভাই বা বোনেরা তারা বাংলাদেশ বা নিজের দেশে টাকা পাঠাতে ব্যবহার করতে পারে। ডাচ বাংলা ব্যাংকের সকল সুবিধা গুলো যা আজকের এই আর্টিকেলটির প্রথমে উপস্থাপন করা আছে।
আপনি যদি ব্যাংকিং সেবাগুলো ১০০% নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে চান এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশে টাকা পাঠাতে চান তাহলে অবশ্যই ডাচ বাংলা ব্যাংক একটি বিশ্বস্ত মাধ্যমে হিসেবে আপনার সুবিধা করবে। যার প্রবাসে কর্মরত আছেন তাদের টাকা সহজেই তাদের প্রিয় মানুষ বা বাড়িতে পাঠানোর জন্য এই মাধ্যমগুলো অত্যন্ত উপকারী এবং কার্যকরী। আশা করি আজকের এই পোস্ট থেকে আপনি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে ডাচ বাংলা ব্যাংক ব্যবহার করে বিদেশ থেকে টাকা পাঠাবেন।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url