ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে এবং এর সংক্ষিপ্ত জীবনী জানুন
ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে এটা আমাদের জানা উচিত। কারণ ইমাম বুখারী একটি উন্নত
মানের হাদিস সংগ্রহকারী। তিনি তুর্কি বা পার্শ্বিক দেশের বুখারায় জন্মগ্রহণ করেন।
তার জীবনে অসংখ্য পন্ডিত লাভ ও জ্ঞান অর্জন করেছেন। যেই জ্ঞান এখনো সারাবিশ্বের
মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং বিশ্বস্ত তার জ্ঞান।
সুতরাং আজকে আপনাদেরকে জানাবো ইমাম বুখারীর জন্ম মত্যু সম্পর্কে, ইমাম বুখারীর
জীবনী বই সম্পর্কে, ইমাম বুখারীর জন্ম কোথায় ইমাম বুখারীর মৃত্যু কত হিজরীতে আরো
সকল বিস্তারিত তথ্য চলুন জেনে নেয়া যাক, ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে।
পোস্ট সুচিপত্রঃ ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে এবং এর সংক্ষিপ্ত জীবনী নিয়ে যা জানবেন
- ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে জানুন
- ইমাম বুখারীর সংক্ষিপ্ত জীবনী জানুন
- ইমাম বুখারীর মৃত্যু কত হিজরীতে জানুন
- ইমাম বুখারীর জীবনী বই সম্পর্কে জানুন
- ইমাম বুখারীর বিবাহ সম্পর্কে জানুন
- ইমাম বুখারীর মাজার সম্পর্কে জানুন
- ইমাম বুখারীর ছবি আছে দেখতে পারেন
- ইমাম বুখারীর পুরো নাম কি জানুন
- বুখারী শরীফের লেখক এর নাম কি জানুন
- বুখারী শরীফের হাদিস সংখ্যা কতটি জানুন
- বুখারী শরীফ মোট কত খন্ড করা হয়েছে জানুন
- ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে এবং মৃত্যু নিয়ে শেষ মন্তব্য
ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে জানুন
ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে এটা আমাদের জানা উচিত কারণ ধর্মের একটি উন্নত
মাধ্যম হিসেবে তিনি সারা বিশ্বে ইসলাম ধর্মের প্রচারে সহযোগিতা করেছেন তার লেখা
বই এবং ধর্মের কথা সকল ইসলাম ধর্মের মানুষ অনুসরণ করে এবং মেনে চলে। ইমাম বোখারী
এতটাই জ্ঞানী ছিল যে তিনি যে কথাগুলো একবার শুনতেন তা কখনোই ভুলে যেতেন না। তার
জীবনে জ্ঞান অর্জনর জন্য বেশি সময় পার হয়েছে এবং তিনি বিশেষ করে মহানবীর সকল
হাদিস গুলো সংগ্রহ করার কাজ করেছেন।
এত সম্মানিত এবং উচ্চমানের মানুষ তিনি, তার জন্ম ১৯৪ হিজরী সালের ১৩ই শাওয়াল রোজ
শুক্রবার খোরাসানের বুখাড়া নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। যার বর্তমান নাম
উজবেকিস্তান। এবং তিনি হিজরী সালের ৮১০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। ইমাম
বুখারীর দাদার নাম ছিল ইব্রাহিম। তিনি একজন ধার্মিক মানুষ ছিলেন সে সময়ে মুসলিম
সমাজের। এবং ইমাম বুখারীর বাবার নাম ছিল ইসমাইল। তার দাদা আল্লামা সামাদ ও হযরত
ইমাম মালেকের মুরিদ বা শিষ্য ছিলেন।
তার পিতা-মাতার সকলেই অত্যন্ত জ্ঞানী ব্যক্তি ছিলেন তারা বুখারীকে উন্নত শিক্ষায়
বা ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করে। ইমাম বুখারীর মাতা ছিলেন বিদুষী মহীয়সী মহিলা
বা নারী। ইমাম বুখারী চোখে একটি অসুখ হয়েছিল এবং তার মা আল্লাহর কাছে কান্না করে
মোনাজাত করার পর তা কবুল করা হয়। সন্তানের সমস্যা দূর করার জন্য মায়ের মোনাজাত
অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। আল্লাহতালা সন্তানের সকল বিপদ আপদে মা-বাবার দোয়া কবুল
করে থাকে।
ইমাম বুখারীর সংক্ষিপ্ত জীবনী জানুন
ইমাম বুখারীর সংক্ষিপ্ত জীবনী জানুন। কারণ তিনি ইসলাম ধর্মের একটি উন্নত
পর্যায়ের মানুষ তার লেখা এবং সংগ্রহ করা কোরআন হাদিসের অনেক তথ্য বর্তমান সময়
পর্যন্ত মানুষ বিশেষভাবে বিশ্বাস করে এবং পালন করে। তিনি ৮১০ খ্রিস্টাব্দে
জন্মগ্রহণ করেন। তার জীবনে অনেক ইতিহাস রয়েছে। যেগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করে শেষ
করা যাবে না তবুও আপনাদেরকে জানানোর জন্য বিশেষ বিশেষ তথ্যগুলো উপস্থাপন করলাম।
ইমাম বুখারী শৈশবে বাবাকে হারান এরপর মায়ের কাছে পালিত হন। ইমাম বুখারী অত্যন্ত
সম্মানিত পরিবারের ছিলেন।
এবং বাল্যকাল থেকে তিনি জ্ঞান আহরণ করতে পছন্দ করতেন। প্রথম নিয়ে ৬ বছরের মধ্যে
কুরআন এর হাফেজ হয়েছেন, ১০ বছর সময় থেকে হাদিস মুখস্ত করা শুরু করেছেন এবং ১৬
বছর বয়স পর্যন্ত আব্দুল্লাহ বিন মুবারক ওয়কির পান্ডুলিপি মুখস্ত করে ফেলেন।
তিনি জীবনে অনেক সফর করেছেন, ১৬ বছর বয়সে তিনি মা এবং বড় ভাইয়ের সাথে হজ্জ
পালন করেন।
হজ্জ পালন শেষে তার মা এবং ভাই চলে আসলে তিনি মক্কাতে থেকে যান এবং সেখানে হাদিস
বিচারকদের কাছ থেকে হাদিস সংগ্রহ করতে থাকেন। একসময় তিনি কাজাজ সাহাবা ওয়াত
তাবিইন নামক গ্রন্থ রচনা করে। এছাড়াও হাদিস সংগ্রহের জন্য তিনি সারা বিশ্বে অনেক
জায়গায় সফর করেন এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইরাক, সিরিয়া ও মিশর। তিনি
মুহাদ্দিস দাখিলের দরগায় যোগ দেন। এভাবে তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর হাদিস সংগ্রহ করে এবং
বিভিন্ন হাদিস সংগ্রহ নিজ মাতৃভূমি বুখারায় ফিরে আসে।
জ্ঞান আহরণ জন্য তিনি বিশেষ সময় পার করতেন। রাতে জেগে জেগে বিভিন্ন হাদিস
সম্পর্কে জানতেন এবং বিভিন্ন দেশে থেকে হাদিস সংগ্রহ করতেন। তার স্মৃতিশক্তি
এতটাই প্রখর ছিল যে তিনি একবার যা শুনতেন তা আর কখনোই ভুলে যেতেন না। ১৮ বছর
বয়সেই তিনি ৬ লক্ষ হাদিস মুখস্ত করেছিলেন। যেই স্কুলে তিনি হাদিস শিক্ষা মুখস্ত
করছেন তার সহপাঠীদের সে হাদিসগুলো লিখে রাখতে হতো মনে রাখার জন্য কিন্তু বুখারী
তা করতেন না তিনি শুনেই মুখস্ত করে ফেলতেন।
৩ইমাম বুখারীর মৃত্যু কত হিজরীতে জানুন
ইমাম বুখারীর মৃত্যু কত হিজরীতে এটা অনেকে জানেন তাই আপনাদের জন্য এই সমস্ত
তথ্যগুলো উপস্থাপন করলাম ১লা সেপ্টেম্বর ৮৭০ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। হিজরী
বর্ষ অনুযায়ী তিনি ২৫৬ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তার ধর্ম ইসলাম এবং তিনি তুর্কি
বা পারসীকতে ছিলেন।
প্রত্যেকটা মহামানসী বা জ্ঞানী সম্মানী ব্যক্তিরাই সারা জীবন তাদের কর্মের দ্বারা
পৃথিবীতে বেঁচে থাকে। ঠিক তেমনি ইমাম বুখারী তার মৃত্যুর পরেও আজও মানুষের হৃদয়ে
বেঁচে আছে।
ইমাম বুখারীর জীবনী বই সম্পর্কে জানুন
ইমাম বুখারীর জীবনী বই রয়েছে যে বইয়ে তার জীবনের সকল বিষয়ে বিস্তারিত জানানো
হয়েছে। আপনি যদি তার সম্পর্কে বিস্তারিত আরো ভালোভাবে জানতে চান তাহলে ইমাম
বুখারীর যে জীবনী বই রয়েছে তা পড়তে পারেন। এছাড়াও আপনি ইমাম বুখারীর সত্য
জীবনী জানার জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে থাকলে সেখানে বিশেষ কিছু তথ্য জানতে
পারবেন। ইমাম বুখারীর এই বই সাধারণত ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল বোখারী
রাযিআল্লাহু তা'আলা আনহুর বই লিখেছেন পাওয়া যায়।
ইমাম বুখারীর এই আকর্ষণীয় জীবনের সকল কাহিনী সম্পর্কিত বইটি পাওয়ার জন্য আপনাকে
সর্বোচ্চ ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা খরচ করতে হতে পারে। তাহলে খুব সহজেই এই বইটি পাওয়া
যাবে এই বইটি অনলাইন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মগুলোতে দেওয়া রয়েছে অথবা আপনি যদি চান
তাহলে গুগল থেকে এই বই এর বিভিন্ন অংশ দেখে পড়তে পারবেন। বর্তমানে গুগল এতটাই
সমৃদ্ধ যে মানুষ গুগল কে নিশ্চিন্তভাবে বিশ্বাস করতে পারে কারণ এখানে সকল
বিশ্বস্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয় যা সত্য।
ইমাম বুখারীর বিবাহ সম্পর্কে জানুন
ইমাম বুখারীর বিবাহ সম্পর্কে আপনি যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই তথ্যগুলো দেখুন
ইমাম বুখারী অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ভালো মনের মানুষ ছিলেন। সবচাইতে আশ্চর্য জনক
কথা হচ্ছে এই ইমাম বুখারী কখনো বিয়ে করেন নি। কারণ তিনি বলতেন যে একজন মানুষ
আল্লাহর প্রেমে এতটাই মশগুল ছিলেন যে, আল্লাহর হাদিস এবং নবীর কথাগুলো সংগ্রহ
করার নেশায় তার বিবাহের কথা ভুলে যান।
সমাজে অনেকেই মনে করে যারা বিয়ে করে না তারা আসলেই জান্নাতে যেতে পারবে কিনা বা
বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন। তাদেরকে বলবো বিয়ে তেমন কোন বিষয় নয় আল্লাহর সন্তুষ্টি
এবং ইবাদত হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই মহানবীর হাদিস সংগ্রহ করার জন্য
ইমাম বুখারী, বুখারী শরীফ মানুষের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য তিনি তার সকল চিন্তা
ভাবনা এবং পরিশ্রমকে ইসলামের কাজে লাগিয়েছেন এবং ইসলামী হাদিস সংগ্রহ করেছেন।
আল্লাহ এবং আল্লাহু রাসূলের প্রেমে তিনি তার সমস্ত জীবনের সময় কে তার এই কাজে
অতিবাহিত করেছে। যার জন্য তার জীবনে বিবাহ করার জন্য কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি করার
সময় হয় নাই। সুতরাং যে কোন বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করলে তা বিশেষ ফলাফল পাওয়া
যায় যেমন, ইমাম বুখারী গভীরভাবে চিন্তা করে এবং সময় দিয়ে সকল হাদিস সংগ্রহ করে
মানুষের কল্যানে ব্যবহার করার সুযোগ করে দিয়েছে।
ইমাম বুখারীর মাজার সম্পর্কে জানুন
ইমাম বুখারীর মাজার সম্পর্কে জানা আছে কারণ তিনি ইসলাম ধর্মের একটি অত্যন্ত
প্রচলিত এবং জ্ঞানসম্পূর্ণ মানুষ। তার সংগ্রহ করা হাদিস সারা বিশ্বে প্রচলিত
রয়েছে এবং বিশ্বস্ততার সাথে স্বীকার করা হয়। তাকে একটি মাজারে সমাধিত করতে হয়।
ইমাম বুখারীর মাজার আবহাওয়া কোভিদ বুখারী মোমোরিয়াল কমপ্লেক্স বুখারায়
অবস্থিত। হযরত ইমাম বুখারীর মাজরের পাশে একটি মিনার রয়েছে যা মাজারের কাছে
অবস্থিত।
এই সকল বিষয় নিয়ে একটি মাজার গঠিত ইমাম বুখারীর। যা ইমাম বুখারীর মাজার হিসেবে
উল্লেখ করা হয়। তবে ইমাম বুখারী বুখারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তার শেষ
স্মৃতি সেখানে তার সমাধি হিসাবে আছে। উজবেকিস্তানের উপাদান ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে
ধরে রাখার জন্য বিশেষ কিছু জাতীয় তালিকায় সামাজিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পৃথিবীর সকল অলি আল্লাহ এবং মহাপুরুষদের মাজার আছে মজার অত্যন্ত পবিত্র একটি
জায়গা যেখানে আল্লাহর বন্ধুরা থাকে।
ইমাম বুখারীর ছবি আছে দেখতে পারেন
ইমাম বুখারীর ছবি দেখতে চান কি? অনেকে তিনি কেমন ছিলেন এবং তার চেহারা কেমন ছিল এ
বিষয়ে। যদিও সে সময়ে তেমন কোন প্রযুক্তি ছিল না তবুও কিছু মানুষ তাকে মনের
দৃষ্টি থেকে দেখে রেখেছেন এবং পরবর্তীতে সেই ছবিকে একটি রূপ দেওয়া হয়েছে যার
রূপ অনুযায়ী বর্তমানে যে ছবিগুলো দেখানো হয় তা দেখতে পাওয়া যায়। যদিও এগুলি
অরজিনাল ছবি নয় মানুষের কল্পনা বা নমুনা তবুও এই ছবিগুলো হুবহু মিল না থাকতে
পারে সেই অরজিনাল বুখারী ছবির সাথে।
উল্লেখিত এই ছবি দেখে আপনি হয়তো বুঝতেই পারছেন যে আগের মানুষ কেমন পোশাক এবং
কেমন ধরনের পরিবেশে থাকতো। সুতরাং আপনি যদি ইমাম বুখারীকে ভালোবেসে থাকেন এবং
ইমাম বুখারীর সকল হাদিস ও তথ্যগুলো মেনে চলতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার মনে হইতে
পারে। যে সেই বিখ্যাত ইমাম বুখারী দেখতে কেমন ছিল বা অন্যান্য বিষয় বুঝতে পারবে
তাই আপনাদের সুবিধার্থে এই তথ্যগুলো এবং নকশা তৈরি করা যে, ছবিগুলো আছে তা
আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম। যা বুখারীর চেহারা সম্পর্কে আপনাকে একটি ধারণা
দেবে।
ইমাম বুখারীর পুরো নাম কি জানুন
ইমাম বুখারীর পুরো নাম কি এটা অনেকেই জানেনা তাই আপনাদেরকে জানিয়ে রাখলাম যে
ইমাম বুখারীর, ইমাম বুখারী ছাড়াও যে নামটি রয়েছে পিতা-মাতার দেওয়া। ইমাম
বুখারীর পুরো নাম হচ্ছে মোহাম্মদ আল বুখারী আবু আব্দুল্লাহ মোহম্মদ ইবনে ইসমাইল
ইবনে ইব্রাহিম আল সুফি আল বুখারী। ৮১০ খ্রিস্টাব্দে বুখারে জন্মগ্রহণ করেন। তার
পিতা এবং মাতা উভয় অত্যন্ত জ্ঞানী এবং ধার্মিক মানুষ ছিলেন।
সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ইমাম বুখারী পরবর্তীতে বুখারী নামে পরিচিত পায় কারণ তিনি
হাদিস সংগ্রহ করতেন এবং সেই হাদিস এর বইয়ের নাম লেখা ছিল ইমাম বোখারী। তার থেকে
ইমাম বুখারীর পুরো নাম না জেনে তাকে শুধু মানুষ তাকে বুখারী হিসেবে চীনে। তাই তার
পরিচিতি এতটাই বেশি যে বুখারী হিসেবে বেশি চিনতে পারে এবং পুরো নাম বললে অনেকে
চিনতে পারে না।
বুখারী শরীফের লেখক এর নাম কি জানুন
বুখারী শরীফের লেখক এর নাম কি না জানা থাকলে আজকের এই তথ্যগুলো দেখুন কারণ যে
বুখারী শরীফ পড়ে মানুষ বিভিন্ন ধরনের ইবাদত করে। বুখারী শরীফ অত্যন্ত সহি এবং
গ্রহণযোগ্য একটা হাদিস বলে মানুষ বিবেচনা করে। হাদিস হলো মহানবী যে সত্য বাণীগুলো
মানুষের কল্যাণের জন্য উপস্থাপন করেছে এবং বিভিন্ন সময়ে বর্ণনা করেছেন সেগুলো।
সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ইমাম বুখারীর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওফাত
নেওয়ার প্রায় ২০০ বছর পর জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি জন্মের পর থেকেই অনেক জ্ঞান সম্পন্ন এবং বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন মানুষ হিসেবে
ধীরে ধীরে পরিচিত পেতে থাকে। যা বর্তমানে মানুষ বুখারী শরীফ নামে জানে। ইমাম
বুখারী তার নাম অনুসারে তার বইয়ের নাম রেখেছিলেন। সেই থেকে ইমাম বুখারীর নাম
বর্তমান যুগের সকল মানুষ জানে এবং হাদিসের এক উন্নত লেখক হিসেবে তাকে অভিহিত
করেছেন। ইমাম বুখারীর সমান জ্ঞান অর্জন করা যা অনেকেই এত হাদিস সংগ্রহ করতে
ব্যর্থ হয়।
মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন মুগিরা বিন বারদিহা ইমাম বুখারী একজন
অন্যতম আলেম ছিলেন তিনি এই বুখারী শরীফ বা সহি বুখারী নামে একটি বিশুদ্ধ হাদিসের
সংলগ্ন রচনা করেন। মুসলমানরা এটাকে সবচাইতে বিশুদ্ধ হাদিস বলে বিবেচনা করেন। এবং
এই হাদিস অনুযায়ী বিভিন্ন আমল এবং জীবনযাপন পরিচালনা করার জন্য উপনীত করেন
বিভিন্ন মানুষকে এবং নিজেরাও পালন করে।
বুখারী শরীফের হাদিস সংখ্যা কতটি জানুন
বুখারী শরীফের হাদিস সংখ্যা কতটি এটা অনেকে জানে না তাদের জন্য এই তথ্যগুলো জেনে
রাখা উচিত। বিশ্বের সবচাইতে বেশি হাদিস সংগ্রহকারীর তালিকায় ইমাম বুখারীকে রাখা
হয় তার হাদিস এতটাই বিশুদ্ধ এবং মানসম্মত যে তা সকলে বিশ্বাস করেন। এবং তিনি
অনেক মেধাবী এবং জ্ঞানী মানুষ ছিলেন তাই তার হাদিস প্রায় নির্ভুল বললেই চলে তার
লেখা অনেক হাদিস রয়েছে এবং তিনি বুখারী শরীফ নামে একটি বই লিখেছেন।
বুখারী যে বুখারী শরীফ লিখেছেন তার মধ্যে অনেক হাদিস রয়েছে। বুখারী শরীফ মোট
হাদিস সংখ্যা ৭৫৬৩। এছাড়া বলা হয়েছে যে, মাত্র একবার বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা
,২২৩০ টি আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এ হাদিসগুলো তিনি তার জীবনের শুরু থেকে শেষ
পর্যন্ত সংগ্রহ করেছেন এবং একটি বুখারী শরীফ নামের গ্রন্থ রচনা করেছেন যে
গ্রন্থের ভিতরে সকল হাদিস গুলো অন্তর্ভুক্ত করেছেন যাতে মানুষ এ হাদিসগুলো পড়ে
বিভিন্ন জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
বুখারী শরীফ মোট কত খন্ড করা হয়েছে জানুন
বুখারী শরীফ মোট কত খন্ড করে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটা আমাদের জানা
উচিত আসলে বুখারী শরীফ একটি শুদ্ধ জ্ঞানের ভান্ডার বলে মনে করা হয়। এখানে হাজার
হাজার হাদিস রয়েছে যেগুলো তিনি তার জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত সংগ্রহ করেছেন এবং
তা বুখারী শরীফের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আসলে বুখারী শরীফ অত্যন্ত জনপ্রিয়
এবং মানুষের পরিচিত একটি হাদিসের বই। বুখারী নিজেই এই বইগুলো সংকলন করেছেন এবং
মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিয়েছেন।
প্রকৃত অর্থে বুখারী শরীফ মোট নয়টি খন্ডে বিভক্ত করা হয়েছে তাই আপনি যদি সেই
খন্ডগুলো পড়ে বিভিন্ন জ্ঞান অর্জন করতে চান তাহলে ধীরে ধীরে সেই খন্ডগুলো
পর্যায়ক্রমে কিনে পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। প্রত্যেকটা খন্ডে সকল খন্ড
বিভিন্ন হাদিসে ভরপুর করে রাখা হয়েছে যাতে মানুষ সহজেই বিভিন্ন হাদিস পড়ে
সংগ্রহ করতে পারে। যদিও এর সংগ্রহের জন্য বর্তমানে টাকার প্রয়োজন হয়। তবুও আপনি
বিভিন্ন ইউটিউব এবং গুগল প্লাটফর্মগুলোতে ছোট ছোট হাদিসের খন্ড পাবেন যেগুলো
বুখারী শরীফ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে এবং মৃত্যু নিয়ে শেষ মন্তব্য
ইমাম বুখারীর জন্ম কত হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তার জীবনী সম্পর্কে আমরা
অনেকেই জানিনা। তাদের জন্য আজকে আমার এই সংক্ষিপ্ত আয়োজন। আপনারা যদি হাদিস
সংগ্রহ করতে এবং হাদিস পড়তে ভালোবাসেন তাহলে অবশ্যই বোখারী হাদিস পড়তে পারেন।
এটা অন্য হাদিসের চাইতে অনেক মানসম্পন্ন এবং বিশ্বাসযোগ্য। বর্তমানে সারাবিশ্বের
সকল মুসলিম মানুষরা এই হাদীসটিকে সহীহ বলে বিবেচনা করে।
সেই দৃষ্টিকোণ থেকে অনেকে সেই হাদিসের নাম দিয়েছে সহি বুখারী কারণ বুখারী নিজেই
তার জীবন দশাই হাদিসগুলো সংগ্রহ করে এই বুখারী শরীফের ভিতরে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আপনি এই হাদিসগুলো নির্ভয়ে পড়তে পারেন। এবং সেই অনুযায়ী
বিভিন্ন আমল করতে পারেন। বুখারীর বিখ্যাত হাদিস গুলোর মধ্যে একটি হাদিস জানানোর
চেষ্টা করি সেটা হলো, পবিত্র নামাজ বেহেশর চাবি। আশা করি তথ্যগুলো জেনে আপনার
উপকার হবে তাই আপনার পরিচিতদের কাছে শেয়ার করতে পারেন এবং আপনার মূল্যবান মতামত
জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url