প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম - সুবিধা অসুবিধা ও অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম ব্যবহার করার মাধ্যমে প্রবাসে যাওয়ার জন্য টাকা লোন পাওয়া যায়। এটি একটি সংস্থা যা প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুবিধা দিয়ে থাকে। অনেক মানুষ আছে যারা প্রবাসে কাজ করতে চায় কিন্তু যাওয়ার মতো সামর্থ্য নেই।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম

সে সকল মানুষেরা এই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে এই সুবিধাটি উপভোগ করতে পারে। এর মাধ্যমে লোন নিয়ে আপনি বিদেশ থেকে কাজ করে টাকা পাঠিয়ে পরিশোধ করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যায়। চলুন কথা না বাড়িয়ে সকল বিষয়ে বিস্তারিত জানি।

পোস্ট সুচিপত্রঃ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম - সুবিধা অসুবিধা ও অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম জানুন 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম জানা উচিত যদি আপনি প্রবাসী লোন নিতে চান তাহলে সঠিক উপায় জানুন। প্রবাসী লোন বিভিন্ন ব্যাংকে দিয়ে থাকে যেমন ডাচ-বালা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক। প্রবাস যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে লোনের ব্যবস্থা করেছে যা আপনি প্রবাসে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। এই লোনটি নেওয়ার জন্য আপনার প্রথমে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলতে হবে। 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় পর সে লোনটি পাবেন। এ লোনটি পাওয়ার পর আপনাকে পরিশোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত দেওয়া হবে। সেই শর্তগুলো খুব সহজেই আপনি পূরণ করে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিতে পারবেন। এছাড়াও আপনি অনলাইন মাধ্যমে এই লোন নিতে পারবেন। যে বিষয়গুলো আমরা পর্যায়ক্রমে জানবো। সরাসরি এই লোন নেওয়ার জন্য আপনি বিভিন্ন ব্যাংকে যোগাযোগ করতে পারেন। 

তাদের দেওয়া সকল নিয়ম নীতি অনুসরণ করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লোন গ্রহণ করে আপনি সে লোন সময় মাপিক পরিশোধ করে দিতে পারবেন এবং লোন করার টাকা দিয়ে আপনি বিদেশ থেকে কাজ করে টাকা উপার্জন করে পরিশোধ করতে পারবেন। সাধারণত একজন প্রবাসীর জন্য ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে। তবে এর পর্যায় কাজের অবস্থান বা কোন দেশে গিয়েছে সে অবস্থার উপর নির্ভর করে।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম ২০২৪ জানুন 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ন ২০২৪ যে নিয়ম নীতি ছিল তার সম্পূর্ণ নিয়ম নীতি অনুসরণ করে আপনাকে প্রবাসী ব্যাংক থেকে টাকা লোন নিতে হতো। এই প্রবাসী লোন নেওয়ার জন্য আপনি প্রয়োজনীয় কাগজ পাতি জমা দিয়ে সেই ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। প্রবাসী ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার জন্য আপনাকে সীমিত পরিমাণ মুনাফা দিতে হবে। একজন বিদেশি কর্মী এই সুবিধাগুলো বেশি কাজে লাগায়।

আরো পড়ুনঃ বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম ও সুবিধা অসুবিধা জানুন

এ লোন নেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই বিদেশ যাওয়ার জন্য যে কাগজ পত্র দরকার সেই কাগজ পত্র প্রয়োজন হবে। আপনি যে বিদেশে যাবেন বা প্রবাস কাজ করবেন তার জন্য যে কাগজ পত্র দরকার বা আপনি যাওয়ার প্রস্তুতিমূলক যে বিষয়গুলো প্রয়োজন সে বিষয়গুলো সঠিকভাবে জানাতে হবে। এরপর আপনি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক গুলোতে যোগাযোগ করে সেখানে আবেদন করতে হবে। 

লোন কার্যকর হয়ে গেলে আপনার কাছে টাকা দেওয়া হবে এবং সেই টাকার উপর নির্ভর করে আপনাকে সীমিত পরিমাণ মুনাফা দিতে হবে এবং এই টাকা আপনি যে কোন খাতে ব্যবহার করতে পারবেন। যারা বিদেশে কাজ করতে চান কিন্তু টাকার অভাবে বিদেশে যেতে পারছেন না। তারা এই লোনটি নিয়ে খুব সহজেই আপনার স্বপ্নকে পূরণ করতে পারবেন এবং দেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করাতে সক্ষম হবেন। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার আরো উন্নত হবে।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম ২০২৩ সম্পর্কে জানুন 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম ২০২৩ সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত কারণ ২৩, ২৪ এবং ২৫ সালের মধ্যে যে পার্থক্যটি হয়েছে লোনের মধ্যে তা আমাদের জানা থাকলে লোন সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝতে পারবেন। প্রবাসী কল্যাণ বর্তমানে চলমান একটি লোন ব্যবস্থা চালু করেছে যার মাধ্যমে অনেক মানুষ খুব সহজে প্রবাসী থেকে কাজ করে টাকা ইনকাম করে নিজের এবং নিজের দেশের উন্নত অবস্থা তৈরি করতে পারবে। 

সকল সময়ে প্রবাসী লোন নেওয়ার জন্য আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে অনলাইনে অথবা অফলাইনে ব্যাংক এর দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সাথে। যারা এই প্রক্রিয়াটি আপনার তথ্য অনুযায়ী লোন ব্যবস্থা করবে। আপনার যে পরিমাণ টাকা লোন প্রয়োজন হবে তা যদি সম্ভব হয় তাহলে সেই পরিমাণ টাকা দিতে পারে একটি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। কিছু নীতিমালা পালন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে যার মাধ্যমে নিশ্চিত একটি প্রবাসী লোন ব্যাংক থেকে দেওয়া হবে। 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের কিছু নীতিমালা আয়কর বিধান ভ্যাট ও বোনাসের বিষয়গুলো পরিবর্তিত করা হয়। যা বর্তমানে আরো উন্নত এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। যার মাধ্যমে একজন মানুষ ঘরে বসে এই ঋণের জন্য তথ্য জমা দিতে পারে এবং তার নিশ্চিন্ত হতে পারে যে প্রবাসী লোনটি সে পাচ্ছে কিনা। আপনিও যদি এই সহজ উপায়টি কাজে লাগিয়ে প্রবাস থেকে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন মনোযোগ সহকারে। 

কোন কোন ব্যাংক প্রবাসী লোন দেয় ২০২৪ অনুযায়ী জানুন 

যারা প্রবাস জীবন কাটাতে পছন্দ করে তাদের জানা উচিত কোন কোন ব্যাংক প্রবাসী লোন দেয় ২০২৪ সালের নীতি অনুযায়ী। বিভিন্ন ব্যাংক রয়েছে যারা প্রবাসীদের কে সহযোগিতা করার জন্য লোনের ব্যবস্থা করেছেন যে লোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিভিন্ন প্রবাসী তাদের কাছে অর্থ না থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে টাকা ইনকাম করতে পারে। এই ব্যবস্থাটি চালু হওয়ার পর অনেক বেকার মানুষ তারা কর্মসংস্থানের জন্য প্রবাস কে বেছে নিয়েছে। সুতরাং দেখে নিন কোন কোন ব্যাংক প্রবাসী লোন দেয়।

আরো পড়ুনঃ ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি ও কার্যকারী টিপস জেনে নিন 

সবচেয়ে কম সময়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ প্রবাসী লোন দিয়ে থাকে। এই ব্যাংক থেকে প্রবাস যাওয়ার জন্য লোন নিতে পারে এবং প্রবাসে থেকে, সেখান থেকেও লোন নিতে পারে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে। সাধারণত ইসলামী ব্যাংক প্রবাসে যাওয়ার জন্য যে লোনটি দেয় তা বিদেশে চাকরি করার ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা প্রসেসিং টিকেট মেডিকেল চিকিৎসা এবং সেখানকার খরচ মেটানোর জন্য লোন দেয়। 

এছাড়া প্রবাসে থাকা অবস্থায় আপনি ইসলামী ব্যাংকের কাছ থেকে যে উপলক্ষে লোন নিতে পারবেন তা হচ্ছে প্রবাসে গৃহ অনুমান জমি কেনা ব্যবসায়িক উদ্যোগ এবং শিক্ষার জন্য এই উদ্দেশ্য গুলো থাকলে আপনি প্রবাসী লোন ইসলামী ব্যাংকের কাছ থেকে নিতে পারবেন। এছাড়া আপনি যে যোগ্যতা থাকলে লোন নিতে পারবেন তার মধ্যে প্রবাসী কর্মী হতে হবে, বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে, প্রবাসে থাকা অবস্থায় আপনাকে প্রবাসী আয়ের উৎস দেখাতে হবে এবং প্রমাণ দিতে হবে।

এছাড়াও আপনাকে লোনটি নেওয়ার জন্য উপযুক্ত বয়স হতে হবে যেমন প্রবাসে যাওয়ার জন্য ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়স হতে হবে। এবং প্রবাসে থাকা অবস্থায় লোন নিতে হলে ২৫ থেকে ৬৫ বছর বয়স হতে হবে। গ্যারান্টি লাগবে প্রয়োজন হলে আপনি নির্ভরযোগ্য স্থানীয় গ্যারান্টি যুক্ত মানুষ যা আপনার পরিবারের কেউ হতে পারে। অথবা প্রয়োজন হলে নির্ভরযোগ্য স্থানের গ্যারান্টেড বা সহ আবেদনকারী প্রবাসে থাকা অবস্থায় হয়। লোনের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে প্রবাসে যাওয়ার জন্য, এবং প্রবাসে থাকা অবস্থায় তা নির্ভর করবে আপনার প্রবাসে থাকা আয়ের ওপর।

এর জন্য ব্যাংকের মুনাফার হার আপনাকে বলে দেয়া হবে। আপনি খুব সহজেই প্রবাসে যাওয়ার জন্য তিন থেকে পাঁচ বছর এবং প্রবাসে থাকা অবস্থায় ৫ থেকে ২০ বছর মেয়াদ পর্যন্ত লোন নিতে পারবেন। লোন নেওয়ার সময় ইসলামী ব্যাংক বা যে ব্যাংক থেকে নিবেন তার কর্তৃক আপনাকে ব্যাংকের মুনাফার হার বলে দেওয়া হবে। শতকরা কত বছরের জন্য কত টাকা আপনাকে দিতে হবে সে বিষয়টি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা থাকবে। 

দ্বিতীয়ত ডাচ বাংলা ব্যাংক এখানে প্রবাসে থাকার জন্য এবং প্রবাসে যাওয়ার জন্য আপনি লোন নিতে পারবেন। ডাচ বাংলা আপনাকে শুধু উচ্চ শিক্ষার জন্য খরচ মেটাতে প্রবাসী লোন দিবে এরা যাওয়ার জন্য প্রবাসী লোন দেয় না। তবে প্রবাসে থাকা অবস্থায় হোম লোন, পার্সোনাল লোন, বিজনেস লোন নিতে পারেন। এ লোন পাওয়ার জন্য আপনাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রমাণ দিতে হবে ছাত্রদের ক্ষেত্রে, এবং প্রবাসে থাকা অবস্থায় আয়ের প্রমাণ এবং কর্মসংস্থানের উৎস এবং মাসিক আয় সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকা হতে হবে।

উভয় ক্ষেত্রে গ্যারান্টিড এর প্রয়োজন হবে, ছাত্ররা সর্বোচ্চ ৫০০০০ থেকে ৫ লক্ষ টাকা নিতে পারে। প্রবাসে থাকা অবস্থায় একজন মানুষ ৫০ হাজার থেকে ২ কোটি টাকা পেতে পারে। স্টুডেন্টদের জন্য দুই থেকে ১২ মাস পর্যন্ত সময় থাকে। প্রবাসীদের জন্য ৫ থেকে ২০ বছর সময় থাকে। স্টুডেন্টদের জন্য ৮% সুদ এবং ১১.৫০ থেকে ১৩% বাৎসরিক সুদ নিয়ে থাকে। এছাড়াও সকল স্টুডেন্ট এবং প্রবাসী ভাইদের জন্য একটি সহজ লোন পদ্ধতি যার জন্য কোন জামানত প্রয়োজন হয় না। সেটি হল আই ফাস্ট গ্লোবাল ব্যাংক (iFAST Global Bank) অন্যতম। এখান থেকে ফ্রি যেকোনো রকেট, বিকাশ, নগদে টাকা পাঠানো যায়।

অগ্রণী ব্যাংক প্রবাসে যাওয়ার জন্য শুধুমাত্র লোন দিয়ে থাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় স্মার্ট কার্ড এয়ার টিকেট করেছেন বা আংশিকভাবে সম্পন্ন করেছেন যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ যেতে চান তারাও চাইলে কিন্তু অগ্রণী থেকে লোন নিতে পারবেন। এ সংস্থাটি আপনাকে ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে দিবে গ্যারান্টি হিসেবে মা-বাবা ভাই-বোন বা ফ্যামিলির কেউ হলেই হবে লোনের পরিমাণ ৫০ হাজার থেকে তিন লক্ষ টাকা মেয়াদ হবে।

আর ১৫ থেকে ১৮ মাস। যমুনা ও লোন দিয়ে থাকে প্রবাসে যাওয়ার জন্য প্রবাসে থাকা অবস্থায়। এছাড়া প্রবাসে যাওয়ার জন্য উত্তরা ব্যাংক লোন দেয়। এই সংস্থা থেকে প্রবাসী যাওয়ার জন্য লোন নিতে পারবেন এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশি হতে হবে এবং বয়স ২০ থেকে ৪৫ এর মধ্যে থাকতে হবে। দুজন ফ্যামিলি মেম্বার গ্যারান্টি হতে হবে এবং ২৫ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন পাবেন। 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন আবেদন করার উপায় 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন আবেদন করার উপায় জানা থাকলে আপনি খুব সহজেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বিদেশে যেতে পারবেন। আপনি যদি নিজে প্রতিষ্ঠিত হতে চান এবং নিজের পরিবারকে ভালবাসতে চান? তাদের জন্য প্রবাসী থেকে টাকা ইনকাম করতে চান, তাহলে প্রবাসী লোন থেকে সাহায্য নিতে পারবেন এবং বিদেশ থেকে টাকা ইনকাম করে সেই টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন আবেদন করার উপায়

এই লোন নেওয়ার জন্য আপনাকে কিছু কাগজ পত্র প্রয়োজন হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে কাগজগুলো না থাকলে আপনি লোন আবেদন করতে পারবেন না সেগুলো জেনে রাখুন। যেমন আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিতে হবে। পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে তিন কপি। একজন গ্যারান্টেড বা দুইজন গ্যারান্টিড প্রয়োজন হলে তাদের ছবি এবং এনআইডি কার্ডের ফটোকপি দিতে হবে।

আরো পড়ুনঃ সোনালী ব্যাংকের সেবা সমূহ - সোনালী ব্যাংক শাখা ও লোন পদ্ধতি

এবং আপনি যে বিদেশে যাবেন সেই কাগজপত্র গুলো সত্যতা যাচাই করার জন্য তা দেখবে এবং সে কাগজগুলো জমা দিতে হবে। তাহলে আপনি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করার মাধ্যমে টাকা লোন নিতে পারবেন এবং এই টাকা দিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন এবং বিভিন্ন ধরনের খাদে ব্যবহার করতে পারবেন যা ইতিমধ্যে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি। 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন সুবিধা সমূহ জানুন 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন সুবিধা সমূহ জানা থাকলে আপনি এই লোন ব্যবহার করবেন কিনা তা সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। যদিও অনেক মানুষ টাকার অভাবে প্রবাসে যেতে পারে না বা প্রবাসে যাওয়ার জন্য যে টাকা প্রয়োজন হয় তা সংগ্রহ করতে পারে না। এই সমস্যার জন্য অনেক মানুষ প্রবাসী জীবন বা তার স্বপ্ন পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। 

এসকল স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য এবং দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নত করার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এক বিশ্বের ঋণ ব্যবস্থা করেছে যে ঋণের মাধ্যমে মানুষ টাকা নিয়ে বিদেশে যেতে পারবে। এবং সেখান থেকে কাজ করার মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে পারবে। এই উপকার পাওয়ার জন্য তেমন কিছু করার প্রয়োজন হয় না শুধু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয় এবং ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ করতে হয়।

আরো পড়ুনঃ ৩টি উপায়ে ডাচ বাংলা ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম জানুন 

এই সুবিধাগুলো পাওয়ার জন্য মানুষ সহজে তাদের স্বপ্ন পূরণ করার লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে লোন নেয় এবং তাদের স্বপ্ন পূরণ করে। এছাড়া এই কর্তৃপক্ষ থেকে আরো নানান কাজে বিদেশে থাকা এবং চিকিৎসা শিক্ষার জন্য টাকার প্রয়োজন হলে তাদের কাছ থেকে লোন নিয়ে আপনি প্রয়োজন মেটাতে পারবেন। আশা করি বিষয়গুলো বোঝাতে পেরেছি। 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হাউস লোন সম্পর্কে জানুন 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হাউজ লোন সম্পর্কে জানা উচিত কারণ এই লোন ব্যবহার করে মানুষ প্রবাসে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করা পাশাপাশি বাড়ি তৈরির জন্য বিশেষভাবে নিয়ে থাকে। অনেক মানুষ রয়েছে যারা প্রবাসে অনেকদিন থাকার পরে চিন্তা করে যে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করবে সেজন্য তারা বিভিন্ন বাড়ি তৈরি বা কেনার জন্য লোন গ্রহণ করে।

আরো পড়ুনঃ বাটন মোবাইলে নগদ একাউন্ট খোলার নিয়ম ও গোপন টিপস 

এই লোন গুলো গ্রহণ করার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হাউজ লোন পদ্ধতি ব্যবহার করে। এর জন্য মানুষ বাড়ি তৈরির জন্য বা বাড়ি কেনার জন্য লোন নিয়ে থাকে এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ লোন নিয়ে তা একটি নির্দিষ্ট সময়ের ভিতরে পরিশোধ করে থাকে। তবে এই সুবিধা নেওয়ার জন্য প্রবাসী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার কাছ থেকে কিছু পরিমাণ মুনাফা নিবে যেই মুনাফার হার আপনাকে লোন গ্রহণ গ্রহণের সময় বুঝিয়ে দেওয়া হবে। 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হেল্পলাইন বাংলাদেশ 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হেল্পলাইন বাংলাদেশ সম্পর্কে যদি না জেনে থাকেন তাহলে নিচের তথ্যগুলো দেখুন এবং জেনে নিন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য কোন হেল্পলাইন গুলো আপনার কাজে আসবে। তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য হটলাইন নাম্বার রয়েছে। তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে, ইমেইল ঠিকানা রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে খুব সহজে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের বিভিন্ন সেবায় এবং তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হেল্পলাইন বাংলাদেশ

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ওয়েবসাইট হলো www.pkb.gov.bd এবং ইমেইল ঠিকানা, info@pkb.gov.bd ব্যবহার করতে পারবেন এছাড়া টেলিফোন নাম্বার, প্রধান কার্যালয় হেল্প ডেক্স,+৮৮-০২-৪৮৩২২৮৭৩। ৭১-৭২ স্কাউট গার্ডেন রোড স্কাউট ঢাকা ১০০০ যোগাযোগের ঠিকানা। তথ্য সংগৃহীত করা হয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ওয়েবসাইট থেকে যা এই সেবা গুলোকে প্রত্যেকটি মানুষের কাছে বিস্তারিতভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সাহায্য করবে। 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কোথায় আছে - প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ঢাকা কোথায় 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কোথায় আছে এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের কিভাবে ব্যবহার করতে পারবেন প্রবাসী লোন নেওয়ার জন্য সেই বিষয়ে ইতিমধ্যে জেনেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রবাসী ব্যাংক এর শাখা রয়েছে এছাড়া যা ব্যবহার করে মানুষ প্রবাসী যাওয়া এবং বিদেশে বিভিন্ন প্রয়োজন যেমন, চিকিৎসা,  শিক্ষা, বাসস্থানের জন্য এ লোন ব্যবহার করতে পারে। আপনি যদি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কোথায় তা না জানেন তাহলে অবশ্যই উপরে দেওয়া ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন। 

এছাড়া আপনি যদি জানতে চান প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ঢাকা কোথায় তাহলে উপরে দেওয়া রয়েছে যে তথ্যগুলো থেকে ইতিমধ্যে হয়তো বুঝতে পেরেছেন যে ঢাকার কোন জায়গায় এই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় উপস্থিত। আপনি যদি একজন প্রবাসী হয়ে থাকেন বা প্রবাসে যাওয়ার ইচ্ছাই থাকেন তাহলে এই তথ্যগুলো আপনার উপকারে আসবে বা কেউ যদি প্রবাসে যেতে চায় তাহলে এই তথ্যগুলো তার জানা উচিত।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম নিয়ে শেষ মন্তব্য 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ে যে তথ্যগুলো ইতিমধ্যে আপনাদের সুবিধার্থে উপস্থাপন করেছি। আশা করি বুঝতে পেরেছেন এই তথ্যগুলো থেকে একজন মানুষ জানতে পারবে যে কি ধরনের যোগ্যতা থাকলে কেমন ধরনের প্রবাসী লোন পাওয়া যাবে। এছাড়া আরো জানতে পারবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার জন্য কি পরিমাণ মুনাফা দিতে হবে।

একজন মানুষ বিদেশে যাওয়ার জন্য এবং বিদেশি থেকে বিভিন্ন কাজ এবং বিভিন্ন বিজনেস মূলক কাজ করার জন্য প্রবাসী লোন গ্রহণ করতে পারে। বিভিন্ন মাধ্যমে বা বিভিন্ন লোন নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। তাই আপনি যদি সকল নিয়ম অনুসরণ করে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এর পক্ষ থেকে লোন নেন তাহলে অনেক উপকৃত হবেন। বর্তমানে অনেক ব্যাংক এই সুব্যবস্থা করেছেন প্রবাসী বা বিভিন্ন ধরনের উপকার করার জন্য আশা করি বোঝাতে পেরেছি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url