সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন করার নিয়ম জানুন

সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন করার নিয়ম জানা থাকলে আপনি সহজেই সৌদি আরবের কোম্পানিতে কাজ করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনেক মানুষের ইচ্ছা আছে সৌদি আরব ভ্রমণ করতে যাওয়ার। তাই আপনি সৌদি আরবে ভিসা আবেদন করার সকল বিষয়ে জানুন।

সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন

 সৌদি আরবে অনেক মানুষ যায় তবে তারা বিভিন্ন ধরনের ভিসা করে যাই। সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য কয়েকটি ধরনের ভিসা ব্যবস্থা রয়েছে। যে বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, কর্ম ভিসা, ধর্মবিশ্বাস, ভ্রমণমূলক ভিসা ইত্যাদি। এ বিষয়গুলো কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে আজকের এই আর্টিকেলটি সাজানো চলুন জেনে নিয়ে যাক।

পোস্ট সুচিপত্রঃ সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন করার নিয়ম যা জানবেন

সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন করার উপায় 

সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন করার জন্য আপনাকে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আপনি কোন ধরনের ভিসা নিতে চান তা নির্ধারণ করতে হবে। কারণ অনেক ধরনের ভিসা পাওয়া যায়। সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য বেশিরভাগ মানুষ সৌদি আরবে কর্ম করার জন্য ভিসা নিয়ে যায়। তবে এই বিষয়টি হলো সৌদি আরবের কোন কোম্পানি কর্তৃক যে ভিসা আবেদন করার প্রক্রিয়া রয়েছে সেটি। 

সৌদি আরবের কোম্পানির ভিসার আবেদনে কাগজপত্র দেখুন,

  • বৈধ পাসপোর্টঃ পাসপোর্ট মেয়াদ আছে  রয়েছে, ও  ভিসার মেয়াদ ৬ মাস বেশি হতে হবে। 
  • পাসপোর্ট ছবিঃ আবেদনপত্রের দেওয়ার জন্য আপনাকে পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে। যা বর্তমান সাম্প্রতিক ছবি।
  • আবেদন ফরমঃ সৌদি আরবে ইমিগ্রেশন অফিস থেকে অনলাইনে আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে এবং তা পূরণ করতে হবে। 
  • কোম্পানি আমন্ত্রণপত্র বা বিজ্ঞপ্তিঃ সৌদি আরবের যে কোম্পানির সাথে আপনি যোগাযোগ করবেন বা ভিসা তৈরি করবেন যাওয়ার জন্য তার আমন্ত্রণ পত্র পাঠাতে হবে, যা আপনাকে সৌদি আরবের কোম্পানি থেকে পাঠাতে হবে। 
  • সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদঃ আপনার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সত্যায়িত করা অনুলিপি বা ফটোকপি দিতে হবে। 
  • দেশের কর্ম অভিজ্ঞতা সনদঃ আপনি যে কাজে দেশে কর্মরত ছিলেন তার অভিজ্ঞতার সনদ সত্যায়িত করে দিতে হবে। 
  • দেশে অপরাধমূলক রেকর্ডঃ আপনার দেশে আদালতে ধরনের অবদান মূলক রেকর্ডে সনদ প্রয়োজন হতে পারে।

আবেদন প্রক্রিয়া দেখে নিনঃ

  • আপনি সৌদি আরবের যে কোম্পানিতে আবেদন করবেন তার সাথে যোগাযোগ করুন এবং তাদের ভিসার আবেদন পত্র দেখে ভিসার জন্য আবেদন করুন। 
  • এর জন্য আপনাকে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র জমা দিতে হবে সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন অফিসে গিয়ে।
  • দূতাবাসে যেতে হবেঃ আপনাকে দেশে সৌদি আরব দূতাবাসে গিয়ে ভিসা ইন্টারভিউ দিতে হবে। 
  • ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে আবেদন পরীক্ষা করে দেখবে এবং সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন অফিসার আপনাকে ভিসা প্রদান করবে। 

উল্লেখিত প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য কয়েক সপ্তস সময় নিতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ফি এবং মেডিকেল পরীক্ষার খরচ আপনাকে বহন করতে হবে। এছাড়াও আপনি যদি কিছু নিয়ম নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত না জানেন তাহলে সৌদি আরবের ভিসা নিয়মাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন। তাদের কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যে অফিসে তারা ভিসা প্রদান করেছে। উক্ত পরীক্ষাটি করার জন্য আপনাকে একটি এজেন্টে নিতে হবে। তবে আপনি অনলাইন প্রক্রিয়া ও ব্যবহার করতে পারেন। 

সৌদি ভিসা কত প্রকার জানুন

সৌদি ভিসা কত প্রকার এটা অনেকেই জানেন। সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় যে হিসেবে বলা হয়। সৌদি বিশেষ ৫ টি উপায়ে বিভক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে যে বিষয়টি মানুষ প্রয়োজনীয় মনে করে সেটা হচ্ছে কর্ম করার জন্য যে ভিসা তৈরি হয়। সৌদি সাধারণত পাঁচ প্রকার ভিসা দেয় যেগুলো নিচে দেখানো হলো।

  1. পর্যটক ভিসাঃ এই বিষয়ে ব্যবহার করে সৌদি আরব ঘুরতে যাওয়া যায়। বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গা পরিভ্রমণ করার জন্য দেয়। 
  2. ব্যবসায়িক ভিসাঃ সৌদি আরব মানুষ বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজের জন্য যে ভিসা ব্যবস্থা ব্যবহার করে তাকে ব্যবসায়িক ভিসা বলে। 
  3. ধর্মীয় ভিসাঃ ধর্ম পালন করার জন্য মানুষ যে সকল ভিসা করে। যেমন, হজ এবং ওমরা করার জন্য মানুষ ধর্মীয় ভিসা আবেদন করে। 
  4. পরিবার ভিসাঃ পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করার জন্য এবং পরিবারের সদস্য নিয়ে সেখানে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এই ভিসা প্রচলিত রয়েছে। 
  5. কর্মভিসাঃ সবচেয়ে প্রয়োজনীয় এবং চাহিদা পূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে কর্ম ভিসা এই ভিসাটি পাওয়ার জন্য আপনাকে শুদ্ধ কাগজ পত্র জমা দিতে হবে। সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন অফিসে গিয়ে। 

উপরে যেই ভিসাগুলো আলোচনা করলাম এই ভিসাগুলো ব্যবহার করে আপনি সৌদি আরব যেতে পারেন। তবে আপনি যদি কর্ম করার জন্য সৌদি আরবে যেতে চান তাহলে কর্ম ভিসা নির্বাচন করতে হবে এবং এর জন্য যে, নিয়ম নীতি রয়েছে তা আপনাকে পালন করে দরখাস্ত বা আবেদন করে সৌদি আরবে যাওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে। আপনি বিভিন্ন এজেন্ট এবং সরাসরি অনলাইন ভিত্তিকভাবে যোগাযোগ করে আবেদন করতে পারেন। 

সৌদি আরবের কোম্পানির নাম দেখে নিন 

সৌদি আরবের কোম্পানির নাম জানা থাকলে আপনি সেই কোম্পানি গুলোর মধ্যে একটি কোম্পানি পছন্দ করে সেখানে কাদের জন্য দরখাস্ত করতে পারবেন। সৌদি আরবের কমপক্ষে প্রধান ২০ টি কোম্পানি রয়েছে যেগুলো মানুষের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়ে থাকে। এর মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যে কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের মানুষের জন্য উপযুক্ত তা দেখুন।

আরো পড়ুনঃ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন নিয়ম - সুবিধা অসুবিধা ও অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া

  • সৌদি আরামকো বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল কোম্পানি সৌদি আরবে অবস্থিত। 
  • সাবিক যা বিশ্বের অন্যতম রাসায়নিক কোম্পানি। 
  • এসিডাবলুএ পাওয়ার এটা বিশ্বের বেসরকারি মালিকানাধীন পানীয় বিদ্যুৎ কোম্পানি। 
  • ন্যাশনাল কমার্শিয়াল ব্যাংক সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় ব্যাংক। 
  • আল-রাজী ব্যাংকিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন যা আরবের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংক। 
  • সৌদি আরবের আরো বড় একটি কোম্পানি হল mobily।
  • রেড সিয়া ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি পর্যটন কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।
  • Jadwa ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, almarai, saudi Aramco basell সবার অনেক কোম্পানি রয়েছে। 

এ কোম্পানিগুলোতে মানুষ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করে এবং এই কোম্পানিগুলো তো সৌদি আরবের মধ্যে অন্যতম কোম্পানি যা একজন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। তাই কোন বাঙালি যদি সকল কোম্পানির মধ্যে কাজ পায় তাহলে তার জীবন পূর্ণ হয়ে যাবে অর্থ দ্বারা। এই কোম্পানিগুলোতে প্রচুর পরিমাণ টাকা ইনকাম করা যায়। 

সৌদি আরবের টুরিস্ট ভিসা ফি ফর বাংলাদেশি 

সৌদি আরবের টুরিস্ট ভিসা ফি ফর বাংলাদেশি দের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা জানুন। সৌদি আরবের বিভিন্ন ধরনের ভিসা নেওয়ার জন্য আপনাকে সব তথ্য অবশ্যই সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন অফিসের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে হবে। সেখান থেকে আপনি বিভিন্ন ধরনের ইনফরমেশন সংগ্রহ করে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম ও সুবিধা অসুবিধা জানুন

সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য বা টুরিস্ট ভিসার বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে কম বেশি হতে পারে। ভিসার মেয়াদ, ভিসার ধরন এবং ভিসার সময় অনুযায়ী নির্ধারক করা হয়। তাই আপনি যদি আপনার বৈধ পাসপোর্ট এবং ছবি সহ সকল আবেদন ফর্ম পূরণ করেন তাহলে অবশ্যই কম খরচে যেতে পারে। 

এছাড়া আপনি সঠিক ফি জানার জন্য সৌদি আরবের ভিসা বাংলাদেশ এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে দেখতে পারেন সকল বিস্তারিত তথ্য। সৌদি আরবের টুরিস্ট ভিসা বাংলাদেশের জন্য তেমন বেশি খরচ না হতে পারে তারপরে ১-২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সুতরাং আপনি যদি সৌদি আরব চিকিৎসা নিতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সৌদি আরবের অনলাইন ওয়েবসাইটগুলোতে যোগাযোগ করতে হয়।

সৌদি আরব ভিসা প্রসেসিং খরচ ২০২৪ জানুন

সৌদি আরব ভিসা প্রসেসিং খরচ ২০২৪ এটা জানলে একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় উপায় বুঝতে পারবেন। যে আপনার সৌদি আরব ভিসা পোস্টিং করতে কেমন খরচ হতে পারে। সৌদি আরবের ভিসা এক্সটেনশন এর জন্য প্রায় বাংলাদেশি ২৭ হাজার জমা দেওয়া প্রয়োজন হয়। তবে একটি বিষয়ে মাথায় রাখতে হবে যদি আপনি মেয়াদীন করে ফেলেন তাহলে ডবলেরও ডবল টাকা জরিমানা দিতে হতে পারে তাই অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে।

সৌদি আরব ভিসা প্রসেসিং খরচ ২০২৪

সৌদি আরব যেতে ৩ লক্ষ টাকা থেকে ৪ লক্ষ টাকা লেগে যেতে পারে। এর মধ্যে মেডিকেল খরচ প্লেনের টিকিট সহ আনুষঙ্গিক সকল খরচ বিদ্যামান আপনার যা সৌদি আরব পৌঁছানো পর্যন্ত খরচ পড়ে বিবেচনা করা হয়। আপনি যদি বিভিন্ন ধরনের এজেন্সি বা দালালের সাহায্য নিন তাহলে আপনার আরো দেড় লক্ষ টাকা বেশি লাগতে পারে। 

ঠিক আছে, তবে আপনি প্রথমে চেষ্টা করবেন সরকারিভাবে ব্যবস্থা করে দেওয়ার, তারপরে যদি না হয় সেক্ষেত্রে আপনাকে বিকল্প পথ হিসেবে এজেন্সি ব্যবস্থা নিতে হবে। সৌদি আরবে আপনি ইনকাম করতে পারবেন প্রচুর পরিমাণে সেখান থেকে আপনার এই টাকা পরিশোধ করতে দিতে পারবেন। তাই অনেক মানুষ তাদের বাড়িঘর বন্ধ রেখে বা বিক্রি করে সৌদি আরব কাজ করার জন্য যায় এবং সেখান থেকে প্রচুর টাকা ইনকাম করে। 

সৌদি আরব ভিসার দাম কত জানুন

সৌদি আরব ভিসার দাম কত আমার আপনার সকলের জানা উচিত। যদি আপনি সৌদি আরব থেকে টাকা ইনকাম করতে চান এবং সৌদি আরবের ভিসার মাধ্যমে যেতে দেন তাহলে অবশ্যই আপনার জানা উচিত সৌদি আরব ভিসা দাম। তবে সৌদি আরবের কাগজের দেশের দাম ৪৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যদি আপনি সরাসরি করেন এছাড়া কোন এজেন্সির মাধ্যমে দিন আপনার আরো বেশি টাকা খরচ হবে।

তবে সৌদি আরবের ভিসার ধরনের উপর এই টাকার কম বেশি হতে পারে। আপনি যদি কম খরচে ভিসা করতে চান তাহলে ব্যবসা ভিসা অথবা টুরিস্ট ভিসা করতে পারেন। তাছাড়া সৌদি আরবে হজ ভিসা, ফ্যামিলি নিয়ে ভিসা এবং টুরিস্ট ভিসার মত অনেক ধরনের ভিসা ব্যবস্থা রয়েছে যে বিষয়গুলোতে বিভিন্ন ধরনের টাকার কম বেশি রয়েছে সময় এবং স্থান ভেদে। 

সৌদি আরবের ফ্রি ভিসার দাম কত জানুন 

সৌদি আরবের ফি ভিসার  দাম কত এটা অনেকেই জানেনা সাধারণত দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা হয়ে থাকে সৌদি আরবের ফ্রি ভিসা। তবে আপনাকে যে কোনো একটি কাজে দক্ষতা অর্জন করে এই ভিসা নিয়ে সৌদি আরব যেতে হবে। যা আপনাকে বিভিন্ন ধরনের কাজ দেবে এবং সেই কাজের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাই আপনি যদি সৌদি আরব যেতে চান তাহলে বিএমইটি কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে এবং দক্ষ হতে হবে।

আরো পড়ুনঃ ভূমি সেবা আর এস খতিয়ান মৌজা ম্যাপ ডাউনলোড করুন ১ মিনিটে

সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং দক্ষতা প্রমাণ দেওয়ার পর আপনাকে ভাইভ দিতে হবে এবং সেই  ভাইভায় উত্তীর্ণ হলে আপনি অবশ্যই ভিসা প্রসেসিং ফ্রি পাবেন। এটা তেমন কোন খরচ হয় না শুধু আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যে কোন বিষয়ে কাজ করে সেই কাজ অনুযায়ী। সুতরাং আপনি যদি সৌদি আরবের ফ্রি ভিসা নিতে চান তাহলে অবশ্যই উপরের নিয়ম গুলো মানতে হবে।

সৌদি আরব যেতে কত টাকা লাগে ২০২৪

সৌদি আরব যেতে কত টাকা লাগে এটা অনেকেই জানেনা এবং সৌদি আরবের যাওয়ার জন্য এই বিষয়টি জানা জরুরী। একজন মানুষ কমপক্ষে এই প্রসেসিং টি তৈরি করতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস সময় দেই। বর্তমানে সৌদি আরবের ভিসা পেতে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ হয়। তবে আপনি যদি দ্রুত প্রসেস করতে চান তাহলে আরো এক লক্ষ টাকা বেশি লাগবে।

সৌদি আরবের যেতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা বিমান ভাড়া লাগে। ভিসা ধরন ও আবেদনের অবস্থার উপর নির্ভর করে সৌদি আরব যেতে চাই থেকে ৭ সপ্তাহ সময় লাগে। এবং আপনার বিষয়ে ধর্ম আবেদন পত্রের অবস্থার উপর নির্ভর করে এর সময় এবং টাকার কম বেশি হতে পারে। তবে আপনি যদি সৌদি আরব যেতে চান তাহলে কমপক্ষে ৬ লক্ষ টাকা প্রয়োজন হবে।

সৌদি আরব ভিসা নিয়ে সজারোচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: সৌদি আরবের ভিসা করতে কত টাকা লাগে? 

উত্তর: ভিসা বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে তাই সৌদি আরবের ভিসার বিভিন্ন রকমের টাকা খরচ হতে পারে। বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন কারণে সৌদি আরব যায়। তাদের ভিসার ধরণ এবং মেয়েদের কোষ নির্ভর করে। 

প্রশ্ন: সৌদি ভিসা প্রসেসিং কতদিন লাগে? 

উত্তর: সৌদি ভিসা আবেদন করতে সম্পূর্ণ ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে। তবে আসার সকল তথ্য কার্যকর এবং প্রস্তুত থাকলে এসময় আরো কম লাগবে। অনলাইনে ভিসা তৈরি করে এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক উপায়। অনলাইন এই ভিসাটি আবেদন ফরম ফলাফল আপনার ইমেইল এড্রেসে ২৪ ঘন্টার মধ্যে এসে পৌঁছাবে।

প্রশ্ন: সৌদি ভিজিট ভিসা পেতে কতদিন লাগে? 

উত্তর: স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকরণ আপনার ভিসার আবেদন 6 থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। আপনি দিন থেকে একদিনের ভিতরে ভিসা পেয়ে যেতে পারেন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ এবং এটি অন্যতম বিকল্প ব্যবস্থা। 

প্রশ্ন: সৌদি ওমরা ভিসার ফি কত? 

উত্তর: সৌদি ওমরা ভিসা বাংলাদেশ থেকে করার জন্য আপনাকে ভিসা ফি ২৩ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হতে পারে। এবং এর সাথে যুক্ত হবে ভিসা প্রসেসিং ফি সেটি হল, ৬৩৬৪ থেকে ১৫৬৯২ টাকা। 

প্রশ্ন: সৌদি বিজনেস ভিসা পেতে কতদিন লাগে? 

উত্তর: সৌদি আরবের বিজনেস ভিসা পেতে আপনার সময় লাগতে পারে ২ থেকে ৩ কর্ম দিবস।  এর মধ্যেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।

প্রশ্ন: কিভাবে সৌদি ভিসা চেক করব? 

উত্তর: সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পোর্টালে যান, visa.mofa.gov.sa প্রবেশ করুন এবং visitors এর জন্য পরিচয় আছে তা খুঁজে বের করুন এবং ক্লিন করুন। যেখানে আপনি সৌদি ভিসা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন এবং বিভিন্ন পৃষ্ঠা বা অনলাইন মাধ্যমে সৌদি আরবের বিষয়বস্তু করার জন্য এটি অন্যতম পদ্ধতি। 

প্রশ্ন: সৌদি আরবের বিনিয়োগকারী ভিসা কিভাবে পাওয়া যায়? 

উত্তর: সৌদি আরব বিনিয়োগকারী ভিসা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনমতো প্রথম দুই বছরের মধ্যে ৭০ লক্ষ রিয়াল বিনিয়োগ করুন। বাণিজ্যিক নিবন্ধন লাইসেন্স এবং কোম্পানির নিবন্ধনের মতো প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করেন এবং বিনিয়োগ মন্ত্রণালয় থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করুন। তাহলে আপনি খুব সহজে সৌদি আরবের বিনিয়োগকারী ভিসা পেয়ে যাবেন। 

সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন নিয়ে শেষ মন্তব্য 

সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন করার নিয়ম নিয়ে আজকের আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। তাই আপনি যদি সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা করে বিভিন্ন কোম্পানির কাজ করতে চান তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য উপকারী। এখানে আপনি জানতে পারবেন সৌদি আরবে কোম্পানি রয়েছে। কি কি কোম্পানি এবং কোনগুলো বিখ্যাত বা উন্নত মানের। 

আপনি যদি সেই কোম্পানিগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিয়ে থাকেন তাহলে সেই কোম্পানিগুলো দেখে সে নামগুলি গুগল এ সার্চ করে দেখে নিতে পারবেন। তার সকল বিষয়ে যা আপনাকে সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন করার জন্য বেশি সাহায্য করবে। আশা করি বোঝাতে পেরেছি কিভাবে একজন মানুষ সৌদি আরবের অনলাইন ভিসা করবে এবং কোম্পানিতে যোগাযোগ করবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url