বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম গুলো বিস্তারিত জানুন

প্রিয় বন্ধু বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম কি আপনি জানেন? যদি না জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ করে জেনে নিন কিভাবে বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রন্সফার করে। কথা দিচ্ছে একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনাদেরকে দেখাবো আপনি নিজেই আর্টিকেলটি শেষ করে বুঝতে পারবেন।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম

অনেকেই আছে যারা বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করতে চাই কিন্তু এর প্রক্রিয়া জানে না। আমিও এই উপায়টি ব্যবহার করেছি তাই আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম যাতে আপনি একটি বিনিয়োগ একাউন্ট খুলে তার মাধ্যমে বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করতে পারেন।

পোস্ট সুচিপত্রঃ বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম গুলো বিস্তারিত জানুন

ভূমিকা

ভূমিকা: বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম এর জন্য আপনাকে যেই কাজটি প্রথমে করতে হবে। তা হল একটি বিনিয়োগ একাউন্ট খুলতে হবে। অনেক মানুষ তাদের নিরাপত্তার জন্য বিকাশ করে টাকা রাখে। কিন্তু কিছু সময় দেখা যায় প্রয়োজন অনুযায়ী বিকাশ এ টাকা না থাকার কারণে বা রকেটে টাকা না থাকার কারণে দুটার টাকা একসাথে করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে আজকের এই কাজটি অত্যন্ত সহজেই বিকাশ থেকে রকেটে টাকা পাঠাতে পারবেন। 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম করতে যা লাগবে 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম অবলম্বন করতে হয়। তবে আপনাকে সবচাইতে প্রথমেই একটি বিনিয়োগ একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। এবং এই একাউন্টের মাধ্যমে টাকা টান্সফার করতে পারবেন। এই একাউন্টে সুবিধা হচ্ছে রকেট বা বিকাশ উভয় একাউন্ট উভয় একাউন্টের কাছে টাকা ট্রান্সফার এর সুবিধা দিতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, বিকাশে টাকার প্রয়োজন কিন্তু রকেট একাউন্টে টাকা আছে। সেক্ষেত্রে আপনি এই কাজটি করতে পারবেন উভয়ই একাউন্টের ক্ষেত্রে। 

রকেট থেকে বিকাশে টাকা টান্সফার করার সুবিধা ও একাউন্টের মাধ্যমে দিয়ে থাকে তাই বিভিন্ন সুবিধা বা টাকা আদান প্রদান করার জন্য বিনিয়োগ একাউন্ট হিসেবে মানুষ ব্যবহার করে। তাই সহজে নিচে দেখুন কিভাবে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য আরেকটি একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করবেন এবং যেই প্রক্রিয়াগুলো পর্যায়ক্রমে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ছবি দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে কোথায় গিয়ে কোন কাজটি করতে হবে। 

কিভাবে বিকাশ একাউন্ট থেকে টাকা ট্রান্সফার করবেন 

কিভাবে বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ট্রান্সফার করবেন জানেন কি? বর্তমানে এ সমস্যা সমাধানের জন্য নিচের এই উপায় গুলো জানা উচিত। প্রথমে আপনাকে একটি বিনিয়োগ একাউন্ট খুলে নিতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে আপনার ভোটার আইডি কার্ড সেই কার্ডটি ব্যবহার করে আপনি একটি বিনিয়োগ একাউন্ট খুলে নিবেন এবং সেই অ্যাকউন্ট দিয়ে নিবন্ধন করে নিতে হবে। এই কাজটি করার জন্য আপনাকে বিকাশের ট্রান্সফার সিস্টেমে গিয়ে কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। 

আরো পড়ুনঃ বিদেশ থেকে ডাচ বাংলা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম ও সুবিধা অসুবিধা জানুন

আবার আপনি যদি রকেট একাউন্ট থেকে বিকাশে টাকা পাঠাতে চান তাহলে আপনাকে রকেট একাউন্টে গিয়ে বিনিয়োগ একাউন্টটি নিবন্ধন করে নিতে হবে। এরপর আপনি বিনিয়োগ একাউন্টের মাধ্যমে বিকাশ থেকে রকেটে এবং রকেট থেকে বিকাশে টাকা ট্রন্সফার করতে পারবেন। টাকা টান্সফার করার জন্য নিচের নিয়ম গুলো দেখুন যেখানে বিনিয়োগ একাউন্ট খোলার নিয়ম দেওয়া আছে। 

বিনিয়োগ একাউন্ট খোলার নিয়ম জানুন বিস্তারিত 

বিনিয়োগ একাউন্ট খোলার নিয়ম জানুন যা জানার মাধ্যমে আপনি রকেট থেকে বিকাশে এবং বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করতে পারবেন। বিনিয়োগ একাউন্ট তৈরি করার জন্য আপনাকে একটা ইমেইল আইডি ব্যবহার করতে হবে। ইমেইল আইডিটি ব্যবহার করে আপনি একটি বিনিয়োগ একাউন্ট খুলে নিতে পারবেন। এর জন্য কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে যা নিচের পর্যায়ক্রমে দেখুন। 

প্রথম ধাপ, বিনিয়োগ একাউন্ট খুলতে আপনাকে বিকাশের অ্যাপ এ লগইন করে নিতে হবে। বিকাশ অ্যাপ এ লগইন করা হয়ে গেলে হোমস্ক্রিনে গিয়ে বিনিয়োগ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

বিনিয়োগ একাউন্ট খোলার নিয়ম

দ্বিতীয়, এ পর্যায়ে আপনি একটি অপশন দেখানো হবে যেখানে Register now অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

বিনিয়োগ একাউন্ট খোলার নিয়ম

তৃতীয়, এখানে ক্লিক করার পর আপনি দুটি অপশন দেখতে পাবেন। প্রথম অপশনে আপনাকে ইমেইল আইডি দিতে হবে এবং দ্বিতীয় অপশনে আপনাকে একটি ইউজার আইডি বা নাম দিতে হবে।

বিনিয়োগ একাউন্ট খোলার নিয়ম
বিনিয়োগ একাউন্ট খোলার নিয়ম


চতুর্থ পর্যায়, এ সময় আপনাকে ইউজার আইডির নাম বিভিন্নভাবে সংমিশ্রণ করে দিতে হবে এবং ইউজার আইডি মনে রাখতে হবে টাকা ট্রান্সফার করতে হলে। এছাড়া টাকা টান্সফার করার জন্য অন্য কোন নাম্বারের প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র ইউজার আইডি ব্যবহার করা যায়। ইউজার আইডি দেওয়ার পরবর্তী পৃষ্ঠায় একটি চার সংখ্যার পিন সেট করতে হয়। এবং সেই ৪ সংখ্যার পিনটি সেট করে সাবমিট করতে হয়। কাজটি সম্পন্ন করা হলে আপনি রেজিস্ট্রেশন সফল হবে এবং আপনি এখান থেকে টাকা টান্সফার করতে পারবেন।


বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করার প্রক্রিয়া দেখুন 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার জন্য যে ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে তা পালন করলে। আপনি খুব সহজে বিকাশ থেকে টাকা রকেটে ট্রান্সফার করে ব্যবহার করতে পারবেন। অথবা বিকাশ থেকে রকেটে ট্রান্সফার করতে পারবেন। দুই একাউন্ট বা অ্যাপস থেকে প্রায় একই নিয়মে টাকা ট্রন্সফার করা যায়। তবে বিনিয়োগ অ্যাপস ব্যবহার করতে হবে এর খরচ হাজারে ১০ টাকা করে করতে হয়।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করার প্রক্রিয়া

বিকাশ থেকে রকেটে ট্রান্সফার করার জন্য আপনাকে প্রথম bkash অ্যাপসে লগইন করে নিতে হবে। এরপর বিকাশের হোমস্ক্রিন থেকে বিনিযোগ অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এই অপশনে গিয়ে আপনার সামনে তিনটে অপশন আসবে। একটি হচ্ছে ডাইরেক্ট প্রে, রিকোয়েস্ট টু প্রে, অন্যটি হচ্ছে রিকোয়েস্ট নোটিফিকেশন বা হিস্টরি। এবং আপনাকে এখান থেকে টাকা টান্সফার করতে হলে প্রথমে, Direct pay অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর আপনাকে রকেট একাউন্টের বিনিয়োগ একাউন্টের ইউজার আইডি দিতে হবে যেখানে আপনি টাকাটি পাঠাতে চান।

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করার

আরো পড়ুনঃ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক লোন অনলাইন আবেদন করার নিয়ম জানুন


বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করার

আপনি যে একাউন্টে টাকা পাঠাতে চান তার ইউজার আইডি দিয়ে আপনি যে পরিমাণ টাকা টান্সফার করতে চান তার নিচে লিখে next এ ক্লিক করুন। এরপরে যে অপশনটি চলে আসবে সেখানে আপনাকে পিন কনফার্ম পিন দিতে বলবে সেই কনফার্ম পিন এর জায়গায় আপনার যে চার কোর্টের পিন দিয়েছিলেন বিনিয়োগ একাউন্ট তৈরির সময় সেই পিন নাম্বারটি দিতে হবে এবং কনফার্ম করতে হবে তাহলেই হয়ে যাবে। 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার এর হিস্টরি পরীক্ষা করতে 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করার পর তা নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্য আপনি চেক করতে পারেন। এই কাজটি করার জন্য বিকাশ অ্যাপস এর ভিতরে প্রবেশ করতে হবে এবং আপনার যে বিকাশ অ্যাপস এর হিস্টরি রয়েছে সেই হিস্টোরির মধ্যে সকল অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফারের তথ্য থাকবে। সেগুলো দেখে আপনি নিশ্চিন্ত হতে পারবেন যে, আপনি বিকাশ একাউন্ট থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করতে সক্ষম হয়েছেন কি।

আরো পড়ুনঃ সৌদি আরবের কোম্পানি ভিসা আবেদন করার নিয়ম জানুন

এছাড়া আপনি আরো একটি কাজ করতে পারবেন যেই রকেট একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে দিয়েছেন সেই অ্যাকাউন্টটি পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। যে সেই একাউন্টে টাকা পৌঁছেছে কিনা। এই উপায়গুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করতে পারবেন। এবং এর জন্য তেমন কোনো পরিশ্রম প্রয়োজন হবে না শুধু উপরে উল্লেখিত নিয়মগুলো আপনাকে অনুসরণ করতে হবে। 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার চার্জ কত জানুন 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার চার্জ কত এই প্রশ্ন অনেকেই করে। তাদের জন্য সহজে আজকের আর্টিকেলটি সাজানো। বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার জন্য যে নূন্যতম চার্জ ব্যবস্থা রয়েছে তা হচ্ছে প্রতি হাজারে ১০ টাকা পরিমাণ। রকেট থেকে বা বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করার জন্য উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো অবলম্বন করতে হবে। আপনি যদি বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করেন তাহলে ১০০০ টান্সফার করার জন্য আপনাকে ১০ টাকা ট্রান্সফার মূল্য দিতে হবে।

আমরা অনেকেই জানি বিকাশ থেকে টাকা তোলার জন্য বর্তমানে হাজারে ১৮ টাকা নিয়ে থাকে। পিওর নাম্বার গুলোর ক্ষেত্রে একটু কম হয় এছাড়া সকল নাম্বারে এই পরিমাণ সার্চ নেয়া থাকে। তাই আপনি যদি বছরে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে টাকা লেনদেন করেন তাও তাদের একটি নির্দিষ্ট চার্জ থাকে তা পরিশোধ করতে হয়। সেরকম কেউ যদি বিকাশ থেকে বিনিয়োগ অ্যাপস এর মাধ্যমে টাকা টান্সফার করতে চায় তাহলে তাকে হাজারে ১০ টাকা খরচ করতে হবে। তবে এটা অত্যন্ত নিরাপদ এবং ঝুঁকি হীন। 

রকেট থেকে কি বিকাশে টাকা পাঠানো যায় জানুন 

রকেট থেকে কি বিকাশে টাকা পাঠানো যায় এই প্রশ্ন করে অনেকেই বিভিন্ন সমাধান খুঁজতে চাই বা বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চাই। ড্যাচ ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেট এবং বিকাশ হলো ব্রাক ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। উভয় প্রতিষ্ঠানে মানুষের বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনের জন্য উপকার করে থাকে। তাই আপনি প্রয়োজনে বিকাশ থেকে রকেটে বা রকেট থেকে বিকাশে টাকা পাঠাতে পারেন।

রকেট থেকে কি বিকাশে টাকা পাঠানো যায়

উপরে উল্লেখিত উপায়টি ব্যবহার করেই রকেট অ্যাপস এর মাধ্যমে বিকাশ এ টাকা টান্সফার করতে পারবেন এই বিনিয়োগ একাউন্ট তৈরি করার মাধ্যমে। যে প্রক্রিয়া এবং প্রসেসটি আপনাদের সামনে ইতিমধ্যে উপস্থাপন করেছি। যা দেখে আপনি সেই অনুযায়ী রকেট থেকে বিকাশে টাকা টান্সফার করতে পারেন। বর্তমান ডিজিটাল যুগে এসে মানুষ নোটের টাকা বেশি বহন করতে চায় না, তারা ডিজিটাল অর্থ বহন করে। তাই এই ডিজিটাল মাধ্যমগুলো ব্যবহার দিন বেড়ে চলেছে। 

বিকাশ এবং রকেট সচারচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন এবং উত্তর জানুন

প্রশ্ন: বিকাশে সেন্ড মানি করলে কত টাকা কাটে? 

উত্তর: বিকাশ সেন্ড মানি করলে প্রিয় নাম্বার ছাড়া অন্য যে কোন নাম্বারে ১০০ টাকার নিচের সেন্ড মানির জন্য কোন চার্জ প্রযোজ্য নয়। প্রিয় নাম্বার ছাড়া ১০১ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি খরচ ৫ টাকা করে।

প্রশ্ন: বিকাশে একদিনে সর্বোচ্চ কত টাকা লেনদেন করা যায়? 

উত্তর: বিকাশে সর্বোচ্চ ১ দিনে ৫০ হাজার থেকে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ইন করা যায় এজেন্ট থেকে। সেন্ট মানে দৈনিক ৫০ হাজার থেকে মাসিক ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করা যায়। এবং এজেন্টের ক্যাশ আউট করার জন্য দৈনিক ৫০ হাজার থেকে মাসিক আড়াই লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়। পরবর্তী ঘোষণা বা পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়মটি চলবে।

প্রশ্ন: বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠালে কত টাকা খরচ হয়? 

উত্তর: আপনি যদি বিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা পাঠাচ্ছেন তাহলে, ৫০ থেকে ২৫ হাজার এক টাকা পর্যন্ত ভিসা ক্রেডিট কার্ডে বিকাশ টু ব্যাংক লেনদেন করতে পারবেন এর জন্য ১.২৫% চার্জ প্রযোজ্য হবে। এবং এর চেয়ে বেশি টাকা লেনদেন করলে ১.৪৯% চার্জ প্রযোজ্য হবে। 

প্রশ্ন: রকেট বিনিয়োগ কি? 

উত্তর: রকেট বিনিয়োগ হলো বাংলা সর্বপ্রথম শীর্ষ স্থায়ী মোবাইল ফোন ভিত্তিক অর্থ স্থানান্তরের ব্যবস্থা বা প্রতিষ্ঠান। দেশে ডাচ-বাংলা প্রথম দেখে, যাদের হাত ধরে মোবাইলে ফাইনন্সিয়াল সার্ভিস বা এসএমএস সেবা চালু হয়। বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ২২ শতাংশ রকেটে হয়ে থাকে। 

প্রশ্ন: বিকাশ সেন্ড মানি রিফারেন্স কি? 

উত্তর: বিকাশ সেন্ড মানি রিফারেন্স হল প্রতি লেনদেনের বিপরীত একটি সিস্টেম জেনারেটরের অন্যান্য রেফারেন্স নাম্বার যা শনাক্ত কারক হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। 

প্রশ্ন: বিকাশে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা কত? 

উত্তর: বিকাশে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা হচ্ছে ৫০০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। যা আপনি ঘরে বসে বিকাশ অ্যাপস এর মাধ্যমে আপনার ওই বিকাশ একাউন্টে জমা করতে পারবেন। এবং সেখান থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবেন। 

প্রশ্ন: রকেট মোবাইল ব্যাংকিং এর মালিক কে? 

উত্তর: ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত এই ব্যাংকিং সেবাটি পরিচালিত হয়। এই নামটি রকেট এটি ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ব্যান্ড করা হয়েছিল।

প্রশ্ন: বিকাশের লোন পরিশোধ না করলে কি হবে? 

উত্তর: বিকাশে লোন পরিশোধ না করলে যে সমস্যা বা সুবিধা হতে পারে তা জানুন। সঠিক সময়ে লোন কিস্তিতে পরিশোধ না করলে ইন্টারেস্ট রেট বাড়ে বা জরিমানা হতে পারে। নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে লোনের কিস্তি পরিশোধ করতে সফল না হলে আপনার বিলম্বিত মাসের ওপর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বার্ষিক ২% হারে জরিমানা আরোপ করা হবে। যা একটা সময় লোনের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি করবে। 

প্রশ্ন: বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি এটিএম বুথ আছে কোন ব্যাংকের?

উত্তর: বেসরকারি মালিকানাধীন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বাংলাদেশের সবচাইতে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত। ব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি প্রথম ব্যাংক এলেক্ট্রিক ব্যাংক ইন চালু করে এবং দেশের বৃহত্তম নেটওয়ার্ক রয়েছে। 

প্রশ্ন: বাংলাদেশের সেরা সরকারি ব্যাংক কোনটি? 

উত্তর: বাংলাদেশের সেরা ব্যাংক সোনালী ব্যাংক ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত। এই ব্যাংকটি ইন্টারন্যাশনাল পর্যায়ে পরিচালিত হয়। সোনালী ব্যাংক ব্যক্তিগত কর্পোরেট এসএমএস ব্যাংকিং এর মত পরিষেবা প্রদান করে বাংলাদেশের বৃহত্তম হিসেবে পরিচিত পাই। 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম শেষ মন্তব্য 

বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রান্সফার করার নিয়ম নিয়ে ইতিমধ্যে বিশেষ তথ্য উপস্থাপন করেছি। যে তথ্যগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে মাধ্যম হিসেবে একটি বিনিয়োগ একাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং সে একাউন্টের নিবন্ধন করতে হবে আপনার বিকাশ একাউন্টে তাহলে আপনি টাকা ট্রন্সফার করতে পারবেন।

আজকের আর্টিকেলটির মধ্যে বিকাশ থেকে রকেটে টাকা টান্সফার এবং বিনিয়োগ একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করেছি। যাতে খুব সহজেই আপনি এই আর্টিকেলটি পড়ার পর নিজে নিজে বিকাশ থেকে টাকা ট্রান্সফার করতে পারেন এবং বিনিয়োগ একাউন্ট খুলতে পারবেন যা বিকাশ থেকে রকেটে টাকা ট্রন্সফার করার জন্য ব্যবহার হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url