চুন খাওয়ার ১৩টি উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন
চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে। তাই আমাদের চুন খাওয়া সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। আজকে আপনাদের জন্য চুন বিষয়ে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করলাম।
পোস্ট সুচিপত্রঃ চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানুন
- ভূমিকা
- চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা বিস্তারিত জানুন
- চুন জলের উপকারিতা জানুন
- পাথরের চুনের উপকারিতা জানুন
- ঝিনুকের চুনের উপকারিতা জানুন
- চুন খাওয়া কি হারাম জানুন
- চুন কিভাবে তৈরি হয় জানুন
- পানের সাথে চুন খেলে কি হয় জানুন
- চুন নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন উত্তর
- চুন খেলে কি ক্ষতি হয় জানুন
- চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে শেষ মন্তব্য
ভূমিকা
চুন একটি অজৈব পদার্থ যা প্রাথমিকভাবে ক্যালসিয়াম অক্সাইড এবং হাইড্রোক্সাইড এর সমন্বয়ে গঠিত হয়। ক্যালসিয়াম অক্সাইড নামে পরিচিত যা কয়লা সিমের আগুনের পণ্য হিসেবে। এবং অগ্নিগিরির ইঞ্জেক্টর পরিবর্তিত চুন পাথর জেনোলিথের মধ্যে ঘটে থাকে। আবার এই চুন বিভিন্ন ধরনের হয়। যেমন, ঝিনুকের চুন, পাথরের চুন যার সাধারণ সংকেত Caco3 অর্থাৎ ক্যালসিয়াম কার্বনেট। সরাসরি চুন ক্যালসিয়াম অক্সাইড (caco) যার রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যালসিয়াম কার্বনেট উৎপন্ন হয়।
এই চুল মানুষ নানা কাজে ব্যবহার করে। স্বাস্থ্য উপকারিতা পাই তবে কিছু ক্ষতি লক্ষ্য করা যায়। তাই আমাদেরকে এই চুন খাওয়ার নিয়ম জেনে ব্যবহার করতে হবে। এজন্য বিশেষ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষমতা রয়েছে। আপনি যদি সঠিক উপায়ে চুন ব্যবহার করেন তাহলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন এবং ক্ষতির প্রভাব থেকে বাঁচতে পারবেন।
চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা বিস্তারিত জানুন
চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা জানুন। আমরা নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন খাবারের সাথে চুন ব্যবহার করি। অনেক মানুষ শখের বসে পানের সাথে চুন খায়। অনেক মানুষ বিভিন্ন রোগবালাই প্রতিরোধ করার জন্য চুন খায়। যাদের শরীরে বিভিন্ন ঘাটতি রয়েছে। যেমন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তারা বিভিন্ন উপায়ে চুন ব্যবহার করতে পারেন। যা আপনার শরীরের এই সমস্যাগুলো দূর করবে। এছাড়া আরো যে উপকারিতা গুলো করবে তা জানুন।
চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সমূহঃ
- যে সকল মানুষের হাড় এবং দাঁতের সমস্যা রয়েছে তারা চুন খেতে পারেন। বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চুন খেলে সমাধান হবে।
- হজমের সহযোগিতা করে। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা চুন পানের সাথে হালকা করে খাওয়ার মাধ্যমে হজম সমস্যা দূর করতে পারেন। এবং পানির সাথে গমের দানার মত মিশিয়ে খেতে পারেন।
- বিভিন্ন ব্যথা জড়িত সমস্যা দূর করে। যাতের বিভিন্ন জয়েন্টের ব্যথা হয় তাদেরকে চুন খাওয়ানো উচিত কারণ চুনে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে যা জয়েন্টের ব্যথা দূর করে।
- মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে চুনের মধ্যে রয়েছে খনিজ উপাদানে এবং প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি।
- শিশুদেরকে তাদের দৈহিক বৃদ্ধি সঠিক রাখতে এবং উচ্চতার বৃদ্ধি করতে ব্যবহার করতে পারেন। দই বা ডালের সাথে এক ডানা সমান চুন। যা হাড় মজবুত করে এবং উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
- চুন খাওয়ার মাধ্যমে আপনি হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারেন। চুলের মধ্যে উচ্চ পটাশিয়াম রয়েছে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য চুন ব্যবহার করুন এর জন্য এক গ্লাস পানিতে এক সিমটি পরিমাণ চুন মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এবং এই চুনের মধ্যে সাইট্রিক অ্যাসিড রয়েছে যা আপনার মেটাবলিজম বাড়াবে এবং শরীরে অতিরিক্ত চর্বি কমাবে।
- শরীরের রক্তশূন্যতা দূর করতে আপনি চুন খেতে পারেন। এর জন্য কমলা অথবা লেবুর জুসের সাথে সামান্য গমের দানার সমান চুন দিয়ে খেতে পারেন।
- আত্মসত্তা নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেওয়ার জন্য চুল খেতে পারেন। তাদের শরীরে বিভিন্ন পুষ্টির ঘাটতি তা পূরণ করার জন্য চুন খাওয়া উচিত।
- আদিকাল থেকে এই চুন জন্ডিস নিরাময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। চুনের মধ্যে অনেক উপাদান রয়েছে। যা আখের রসের সঙ্গে গমের দানা পরিমাণ মিশিয়ে খেলে জন্ডিস নিরাময় হয়।
- মুখের ঘা নিরাময়ের জন্য চুন খেতে পারেন। এর জন্য হালকা চুন পানিতে মিশিয়া কুলকুচি করুন।
- এছাড়া যাদের শুক্রাণুর গঠন কম এবং দুর্বলতা রয়েছে তারা এক গ্লাস আখের রসের সঙ্গে এক চিমটা চুন মিশিয়ে এক সপ্তাহ খাওয়ার ফলে শুক্রাণু বৃদ্ধি করতে পারেন।
- যাদের কিডনি সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত গমের দানা সমান পানির সাথে মিশিয়ে চুন খেতে পারেন।
চুন খাওয়ার অপকারিতা বা ক্ষতিকর দিক গুলো জানুনঃ
চুনের বিশেষ উপকারিতা রয়েছে, তবে এর সামান্য কিছু ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে যা আমাদের জানা উচিত। যাদের এলার্জি সমস্যা রয়েছে তাদের চুন খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এতে শ্বাসকষ্ট এবং গলা ফুলে যাওয়ার সমস্যা হয়। কিছু ক্ষেত্রে মানুষের গ্যাস্ট্রিক এবং বমি ভাব দেখা দেয়। বিশেষ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে যাদের আলসারের সমস্যা রয়েছে তাদের চুল খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। এতে চুন সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।
আরো পড়ুনঃ
গর্ভাবস্থায় মুখ তিতা দূর করার উপায় - মুখ তিতা হওয়ার কারণ কি বিস্তারিত
জানুন
কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় সেবন করার ফলে হাড় এবং কিডনির সমস্যা দেখা দেয়। অতিরিক্ত চুন খাওয়ার ফলে দাঁতের সমস্যা হয়। আবার পেশী দুর্বলতা প্রকাশ পায়। আপনাকে অবশ্যই চুন খাওয়া থেকে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। প্রয়োজনমত চুন খারাপ করলে সঠিক উপকারিতা পাওয়া যায়। তা ক্ষতি সম্মুখীন হতে হয়, তাই নিচের সঠিক উপায় গুলো দেখুন।
চুন জলের উপকারিতা জানুন
চুন জলের উপকারিতা আছে যা খাওয়ার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। আপনার যদি ডিহাইড্রেশন থাকে। তাহলে মিষ্টি চুন খেতে পারবেন। প্রতিটি হাইড্রোজেন করে এবং ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে। এর ফলে আপনার চেতনা হারানোর মত সম্ভাবনা কম হয়। এছাড়া নিচের উল্লেখিত উপকারিতা গুলো দেখা যায়।
যে সকল মানুষের জন্ডিস হয়েছে তারা জন্ডিস ভালো করার জন্য চুলের সাথে জল মিশিয়ে খেতে পারে। এর জন্য গমের দানা পরিমাণ এক গ্লাস জলে নিয়ে মিশিয়ে খেতে হবে। আপনার বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি জন্ডিস ভালো করবে। আবার আপনি যদি হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাহলে বদহজমের চিকিৎসার জন্যও চুন পানির সাথে মিশিয়ে খেতে পারবেন।
যাদের শরীরে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রয়েছে তারা রক্তে কোলেস্টেরলের নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এবং আপনার রক্তনালীতে বাধা প্রতিরোধ করতে পারবেন। কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে আপনার স্টক এবং হৃদ রোগের সম্ভাবনা থাকে তাই চুন ও জল পান করার মাধ্যমে এই সমস্যা দূর করুন।
পাথরের চুনের উপকারিতা জানুন
পাথরের চুনের উপকারিতা রয়েছে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষ শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার জন্য পাথরের চুন খেতে পারে। আবার এটি অম্লীয় মাটির পিএইচ বাড়ায়, মাটির অম্লতা কমায় আবার ক্ষারত্ব বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে উদ্ভিদ রাশি মাটি শক্তিশালী হয় এবং মাটিতে বেড়ে ওঠা উদ্ভিদের নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে।
আবার মানুষের শরীরের বিভিন্ন উপকারিতা পাওয়ার জন্য ঝিনুক এবং পাথরের চুন খাওয়া যায়। শরীরের বিভিন্ন উপকারিতা পাওয়ার জন্য আপনি পাথরের এবং ঝিনুকের চুন খেতে পারেন। অনেকেই বলেন যে চুন বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় রিফাইনিং করার মাধ্যমে খাওয়ার ফলে জায়েজ হয়ে যায়। আবার প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার লক্ষ্যে এর ঝিনুকের ভিতরের অংশ খাওয়া যায়।
আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো পোস্টের তালিকা
ঝিনুকের চুনের উপকারিতা জানুন
ঝিনুকের চুলের উপকারিতা ইতিমধ্যে সামান্য আলোচনা করেছি এছাড়াও একজন মানুষ বিভিন্ন সমস্যা দূর করার জন্য খেতে পারে। বর্তমান বাজার হাটে অনেক চুন পাওয়া যায় এই চুনগুলো বেশিরভাগ ঝিনুক থেকে তৈরি। এই চুনের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং বিভিন্ন উপাদান যায় একজন মানুষের দাঁত এবং হাড়ের সুরক্ষা দেয়।
চুন খাওয়া কি হারাম জানুন
চুন খাওয়া কি হারাম এ বিষয়ে অনেক মতামত রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের মানুষ বিভিন্নভাবে বিশ্বাস করে। তবে ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী চুন খাওয়া জায়েজ। এমনকি এই চুন মানুষের শরীরের বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান যোগাই। আবার অনেক রোগ রয়েছে যে রোগ গুলো সম্পর্কে উপরে আলোচনা করেছে সেই রোগ গুলো সারাতে সাহায্য করে।
তাই কেউ যদি কারো সমস্যা সমাধানের জন্য চুন খাওয়ার প্রয়োজন মনে করে তাহলে সেটা কখনোই হারাম নয়। চুল খাওয়ার মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নানান ধরনের সমস্যা থেকে বাঁচা যায়। তবে সাবধানতা অবলম্বন না করলে আপনার ক্ষতি হতে পারে যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।
চুন কিভাবে তৈরি হয় জানুন
চুন কিভাবে তৈরি হয় এটা আমাদের জানা উচিত। অনেকেই কোন বিষয়ে জানতে চাই। চুন সাধারণত কয়েকটি উপায়ে তৈরি করা হয়। এরমধ্যে পাথর থেকে চুন তৈরি করে বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করার মাধ্যমে মানুষের খাওয়ার উপযোগী তৈরি করা হয়। আবার ঝিনুক থেকেও এই তৈরি করা হয় এর জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে এই চুনটি তৈরি হয়।
যেমন, প্রাকৃতিক জলবাহী চুন NHL এটি চুনাপাথর থেকে তৈরি করা হয়। এর মধ্যে প্রাকৃতিক ভাবে কিছু কাদা মাটি থাকতে পারে। তবে কৃত্রিম হাইড্রোলিক চুন তৈরি করা হয় সিলিকা বা অ্যালুমিনিয়াম রূপ। যেমন, ফায়ারিং এর সময় চুনাপাথরের সাথে কাদামাটির যোগ করে তা খাঁটি চুনে পোজোলানা। চুনের মধ্যে ৮০% এর বেশি ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট থাকে।
আরো পড়ুনঃ
সাবান তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় জানু্ন
এর মাধ্যমে চক ও লাইট এবং মার্ল আরো উচ্চ ক্যালসিয়াম রয়েছে। আবার চুন খনি থেকে আমদানি করা হয়। চুলের কিছু অংশ ৯০০ সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ক্যালসিনেটেড হয়। যাতে বিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে চুন তৈরি হয়। বিক্রিয়াটি হল caco3 - caO + co2 এটা ব্যবহারের আগে কুইকলাইকে হাইড্রেট করা হয়। অর্থাৎ জলের সাথে মিশ্রিত করা হয় যাকে সিকিং বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় সহজেই পাথর থেকে মানুষের উপযোগী চুন তৈরি হয়।
পানের সাথে চুন খেলে কি হয় জানুন
অনেকে জানতে চাই পানের সাথে চুন খেলে কি হয়। আসলে পানের সাথে চুন খেলে বিশেষ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন, ইতিমধ্যে আপনাদের সামনে চুন খাওয়ার উপকারিতা গুলো উল্লেখ করেছি। সেই ধরনের উপকারিতা পাশাপাশি চুন এবং পান একত্রে আপনার শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করবে।
যাদের দাঁতের সমস্যা রয়েছে যেমন, দাঁত নড়বড় করা। কম বয়সে দাঁত পড়ে যাওয়া। তারা চুন খেতে পারেন পানের সাথে এবং এর সাথে সাদা পাতা বা গুন্ডি খেতে পারেন যা দাঁতের সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। এবং দাঁতের পোকা লাগা ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন পানের সাথে চুন খেলে কি ধরনের উপকার পাওয়া যায়।
চুন নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্নঃ মুখে চুন দিলে কি হয়?
উত্তরঃ চুনের মধ্যে প্রদাহ বিরোধী গুনাগুন রয়েছে যা ব্রণ, ফুলকুঁড়ি এবং সানবার্নের মতো ত্বকের প্রদাহ দূর করতে পারে। চুন মাথার ত্বকে জমে থাকা ধুলো ময়লা অতিরিক্ত তেল অপসারণ করতে পারে।
প্রশ্নঃ প্রতিদিন চুন খেলে কি হয়?
উত্তরঃ প্রতিদিন চুন খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সমস্যা ভালো করা যায়। এর মধ্যে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মানুষের শরীরের জন্য উপকারী। এছাড়াও যাদের হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে এবং কিডনি পাথর রয়েছে তারা চুন খেতে পারে।
প্রশ্নঃ আচিলের চুন দিলে কি হয়?
উত্তরঃ সাধারণত আঁচিলের চুন দেওয়ার কারণ তা যেন ভাল হয়ে যায়। যদিও এই প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ এ প্রক্রিয়ায় আচুদের উপরে চুন দিলে তা শক্ত হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে খসে পড়ে যায়। তবে বিজ্ঞানসম্মতভাবেই কাজটি করা ঠিক নয় এর কারণে পেপটিক হয়ে অবস্থা ঘোলাটে হতে পারে।
প্রশ্নঃ চুনের চারটি ব্যবহার কি কি জানুন?
উত্তরঃ চুনের প্রধান চারটি উপকারিতা এটা অম্লত্বকে কমায় এবং মাটির ক্ষারীয়তা বৃদ্ধি করে। এছাড়া মাটির পিএইচ বৃদ্ধি করে মাটিতে চুন প্রয়োগে মাটির বিদ্যমান ক্ষতিকর জীবগুলো পরজীবী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। এবং মানুষের বিভিন্ন উপকার করার পাশাপাশি চুন মাটির পুষ্টি উপাদান বৃদ্ধি করে।
প্রশ্নঃ খাওয়ার চুন কিভাবে তৈরি হয়?
উত্তরঃ খাওয়ার চুন কিভাবে তৈরি হয় এটা যদি আপনি না জানেন তাহলে উপরের পোস্টটি ভালো করে পড়ে নিতে পারেন। এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে ৯০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় কিভাবে ক্যালসিয়াম কার্বনেট থেকে চুন তৈরি করা হয়।
চুন খেলে কি ক্ষতি হয় জানুন
চুন খেলে কি ক্ষতি হয় এবং চুন খেলে কি উপকার পাওয়া যায় । এ বিষয়ে সম্পর্কে বিস্তারিত এই পোস্টের ভিতরে আলোচনা করা হয়েছে। একজন মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে চুন ব্যবহার করে। এই চুন ব্যবহার করে মানুষের ভালো করতে পারে পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতি সম্মুখীন হয় অতিরিক্ত ব্যবহার করলে। তাই চুন ব্যবহার করা যাবে তবে এর সঠিক ব্যবহার জানতে হবে।
আপনি যদি চুলের সঠিক ব্যবহার না করেন তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। কেন চুলের মধ্যে বিদ্যমান উপাদান গুলো আপনার শরীরের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করবে। এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ রাখে। তবে যাদের এলার্জি সমস্যা রয়েছে তারা চুন খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। তাছাড়া সকল উপকারিতা পাওয়া যায় যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা গুলো কি।
চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে শেষ মন্তব্য
চুন খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্যগুলো উপস্থাপন করেছি যা অত্যন্ত কার্যকরী। আমরা বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার জন্য চুন ব্যবহার করি। সে বিষয়গুলো জেনে আপনি সঠিক ব্যবহার করতে পারবেন। বিভিন্ন ধরনের চুন রয়েছে যে চুন গুলোর উপকারিতা আপনাদের সামনে অবস্থান করেছি।
একজন মানুষ চুন খাওয়ার মাধ্যমে যে সকল উপকারিতা পাবে তা উপরে উল্লেখ করার পাশাপাশি নিয়ম উপস্থাপন করেছি। যেই উপায়ে খাওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাবে। তাই আপনি যদি চুন ব্যবহার করে বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে চান। তাহলে আজকের এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ে বিভিন্ন ব্যবহার বিধি মেনে ব্যবহার করতে পারেন। যা আপনার শরীরের বিভিন্ন উপকার করবে।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url