টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট - সাবান দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট জানুন
টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করুন ও সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করুন ঘরোয়া উপায়ে কোন প্রকার খরচ ছাড়াই। নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিস ব্যবহারে কিভাবে প্রেগনেন্সি টেস্ট করা যায় চলুন জেনে নিয়।
দাম্পত্য জীবনে সকল নারীরাই এই অনুভূতি পেতে চায়। অনেকেই প্রভুর দিনের পর দিন অপেক্ষা করে। তাই ঘরোয়া উপায়ে সাবান, কাঠি, চিনি, ভিনেগার ব্যবহার করে কিভাবে প্রেগনেন্সি টেস্ট করে দেখুন।
পোস্ট সুচিপত্রঃ টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট - সাবান দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট জানুন
- ভূমিকা
- টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
- সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
- চিনি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
- লবণ বা নুন দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
- কাঠি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার নিয়ম জানুন
- ডেটল দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করুন ২ মিনিটে
- ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করুন খুব সহজেই
- শ্যাম্পু দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
- ভিনেগার যে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
- প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম জানুন
- ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় নিয়ে শেষ মন্তব্য
ভূমিকা
পৃথিবীর সকল মানুষ কোন না কোন মায়ের গর্ভে ধারণ করে সুন্দর পৃথিবীতে এসেছে। আর এই খবরটি যেন মায়ের কাছে এক অসম্ভব সুখের আশ্বাস। অনেকে খুশি হয়ে নিজের প্রেগনেন্সির কথা হাসি মুখে মানুষের কাছে জানাই এবং বাড়ির সদস্যের কাছে ভালোবাসার এক পাত্র হয়ে ওঠে। জীবনে প্রত্যেকটা মানুষের শখ থাকে। মহিলারা তারা মনে করেন, এটা তাদের জীবনে বেঁচে থাকার প্রতীক।
তাই আপনি কোন প্রকার খরচ ছাড়াই কিভাবে নিজের প্রেগনেন্সি বাসায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করে। নিশ্চিন্ত হবেন যে আপনার গর্ভে সন্তান এসেছে কি না। এবং আপনি যেন নিজেই এ কাজগুলো করতে পারেন। এ খুশির বিষয়টি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আগে নীচে উপলব্ধি করতে পারেন। তাই নির্ধারিত কিছু ঘরোয়া উপায় উপস্থাপন করলাম যা আপনি ঘরে বসেই করতে পারবেন।
টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জেনে আপনি ঘরে বসেই প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারবেন। একজন মানুষ তার এই সুসংবাদ জানার জন্য কত ধরনের টেস্ট করে। বিভিন্ন ক্লিনিক মেডিকেলে ছুটে বেড়ায়। তবে এই কাজটি যদি ঘরে বসেই করা যায় তাহলে তো অবশ্যই ভালো হয়। আপনাকে টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য প্রথমের টুথপেস্ট সংগ্রহ করতে হবে।
যা প্রত্যেকটা বাসা বাড়িতেই কম বেশি পাওয়া যায়। সেই টুথপেস্ট একটি পাত্রে দুই টেবিল চামচ পরিমাণ নিতে হবে। বেশি ভালো হয় সাদা রঙের টুথপেস্ট ব্যবহার করলে। এরপর ওই পাত্রের মধ্যে আপনার যে ইউরিন থাকবে বা যার প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করবেন তার ইউরিন গুলো মিশন। মেশানোর কিছুক্ষণের মধ্যে যদি পেস্টের রঙ নীল হয়ে যায়। তাহলে আপনি নিঃসন্দেহে মনে করবেন আপনার রেজাল্ট পজিটিভ।
আরো পড়ুনঃ
গর্ভাবস্থায় মুখ তিতা দূর করার উপায় - মুখ তিতা হওয়ার কারণ কি বিস্তারিত
জানুন
এবং আপনি এই খুশির খবরটি সবাইকে জানাতে পারেন। একজন মানুষ প্রেগনেন্সি প্রথম অবস্থায় এই উপায়টি ব্যবহার করে সহজেই জানতে পারে। যার জন্য কোন প্রকার টাকা খরচ এবং ছোটাছুটি করার প্রয়োজন হবে না। আপনি বাসায় প্রয়োজনে আপনার কাছের মানুষদের সাথে পরামর্শ করে কাজটি করতে পারেন। এতে সকলেই বিষয়টি বুঝতে পারবে। পরবর্তীতে ব্যবহার করতে পারবে। এ ধরনের আরো কিছু উপায় নিচে দেখে নিন।
সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানলে আপনি অবাক হবেন। কারণ এটা এতই সিম্পল একটি উপায় যা ব্যবহার করলে আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন যে, আপনার প্রেগনেন্সি কোন পর্যায়ে আছে। তাই আজকে জানুন কিভাবে সাবান ব্যবহারে আপনি খুব সহজে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারবেন। সহজ প্রক্রিয়াটি দেখে প্র্যাকটিস করলেই জানতে পারবেন।
কাজটি করার জন্য আপনি প্রথমেই এক টুকরা ভালো ধরনের সাবান গ্রহণ সংগ্রহ করতে হবে। এরপর আপনি প্রতিদিনের মতো যখন ঘুম থেকে উঠেন। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর আপনার প্রসাবের একটি নমুনা সংগ্রহ করে দিতে হবে। সেই নমুনাটি মধ্যে সাবান টুকরা যোগ করে দিতে হবে। এরপর আপনি সাবানের টুকরা এবং প্রসবের নমুনা টুকু সম্পূর্ণভাবে মিশ্রণ করান।
কিছুক্ষণ মিশ্রণ প্রক্রিয়া চালু রাখার পর আপনি একটু থামলে লক্ষ্য করবেন যে, মিশ্রণটির মধ্যে বুদ বুদ আকার হয়ে উঠছে। যদি এরকম হয় তাহলে মনে করবেন আপনার গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই আপনি কোন প্রকার খরচ ছাড়াই সহজে বাড়িতে বসে এ কাজটি করার জন্য উক্ত নিয়মটি শুধু ব্যবহার করুন তাহলে জেনে জাবেন।
চিনি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
চিনি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানতে নিচের তথ্যগুলো ফলো করতে হবে। এর জন্য যে কাজটি করতে হবে। সেটা খুব সহজ আপনি চিনি নিয়ে সকালে সংগ্রহ করে প্রসাবের ভিতরে দিয়ে দিবেন। আপনার যদি প্রেগনেন্সি হয়ে থাকে। তাহলে আপনার প্রসাবে এইচসিজি হরমোন উপস্থিত থাকবে। এই হরমোন উপস্থিতি যে বিষয়টার দেখাবে।
আপনি যখন চিনি প্রসাবের ভিতরে দিবেন তা দ্রবভুত না হয়ে পিণ্ড তৈরি করতে শুরু করবে। এই প্রভাবটি বা ফলাফলটি যদি আপনি নিশ্চিন্ত বুঝতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে বুঝে নিবেন আপনি গর্ভাবস্থায় আছেন। সুতরাং অনেকেই এই উপায়গুলো ব্যবহার করে ফল পেয়েছে এবং এই ব্যবহার উপায়গুলো নিরাপদ। ১০০% নিরাপদ বলে জানা গেছে বিভিন্ন গবেষণায়।
সুতরাং আপনি বাসায় বসে চিনি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারেন। কমবেশি প্রত্যেকটা মানুষের বাসায় সব সময়ের জন্য কম বেশি পরিমাণ চিনি থাকে। আপনার যদি কোন প্রকার সন্দেহ হয় যে আপনি প্রেগনেন্সির দিকে যাচ্ছেন কিনা। তাহলে আপনি নিঃসন্দেহে এই উপায়টি ব্যবহার করতে পারবেন বা এই উপরে উল্লিখিত সকল উপায় ব্যবহার করতে পারবেন।
আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো পোস্টের তালিকা
লবণ বা নুন দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
লবণ বা নুন দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন। একজন মানুষ বিভিন্ন উপায়ে এসএসসি টেস্ট করতে পারে কোন ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই। শুধু তাকে কিছু উপায় অবলম্বন করতে হবে। সে উপায় গুলো অবলম্বন করলে নুন দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারবে। উপকরণ হিসেবে আপনাকে প্রাকৃতিক নুন বা বাড়ির নুন বা লবণ ব্যবহার করতে পারবেন।
নুনকে অনেকে লবণ হিসেবে চিনে তবে আপনি এটি ব্যবহার করে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারবেন। এর জন্য প্রয়োজন হবে এক চিমটি পরিমাণ লবণ। এবং আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে যে প্রসাব করবেন তার নমুনা। এই দুইটি একসাথে মিশিয়ে ৩ থেকে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর আপনি দেখবেন যে পাত্রে রেখেছেন তা ধীরে ধীরে ঝাকুনি তৈরি করতে পারে। যদি ঝাকুনি তৈরি করে তাহলে আপনি মনে করবেন ইতিবাচক ফলাফল।
এছাড়া যদি আপনি মনে করেন যে কোন প্রতিক্রিয়া উপস্থিত রয়েছে। তাহলে আপনি মনে করবেন আপনি গর্ভবতী নন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে আপনি ব্যবহার করবেন। এবং কোন লক্ষণ গুলো দেখলে মুছে নেবেন যে আপনি গর্ভবতী। এই কার্যকরী উপায়টি আপনি নিঃসন্দেহে ব্যবহার করতে পারেন।
কাঠি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার নিয়ম জানুন
কাঠি দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার নিয়ম জানা থাকলে আপনি কোন খরচ ছাড়াই বাসায় ঘরে বসেই কাঠি দিয়ে প্রেগনেন্সি করতে পারবেন। কোন প্রকার কীট বা কাঠি দিয়ে আপনি সহজেই কাজটি করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে একটি কাঠি বা কীট সংগ্রহ করতে হবে। গর্ভাবস্থায় এই কিট বা কাটি ব্যবহার করে খুব সহজেই পরীক্ষা করা যায় যে প্রেগনেন্সি আছে কিনা।
এই কাজটি করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করতে হয়। মাসিক নিয়মিত হয় তারা মাসিক হওয়ার তারিখ পেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা এক সপ্তাহ পর পরীক্ষা করবেন। এছাড়া মাসিক অনিয়মিত হলে গর্ভাবস্থায় লক্ষণগুলো বুঝতে পরীক্ষা করতে পারেন। এর জন্য আপনাকে সকালবেলা প্রথম প্রসাব সংগ্রহ করতে হবে। বা আপনি দিনের যেকোনো সময় করেন তাহলে অনেকক্ষণ প্রসাব ধরে রাখার পর তা পরীক্ষা করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ
হার্ট রেট আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট ছেলে না মেয়ে বোঝার উপায় এক মিনিটেই জেনে
নিন
প্রতিটি স্টিপ নির্দেশনা লেখা থাকে সেই নির্দেশনা মেনে প্রসাব পরীক্ষা করতে হবে। এখন আপনি রিপোর্টে স্ট্রিপে একটি রঙিন রেখা বা লাইন এলে বুঝবেন প্রেগনেন্সি নেগেটিভ আপনি গর্ভবতী নন। এবং এই ট্রিপে পাশাপাশি দুটি রঙিন রেখা বা লাইন যদি থাকে তাহলে মনে করবেন এটা পজিটিভ। আবার হালকা রেখা হলে পজেটিভ ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু যদি রঙিন বা কোন রেখা না থাকে তাহলে পরীক্ষা বাতিল করে আবার পরীক্ষা করতে হবে।
আরো কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে যেমন, নেগেটিভ কিন্তু মাসিক হচ্ছে না এমন যদি হয়। সেক্ষেত্রে আপনাকে বাড়িতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করা রিপোর্ট নেগেটিভ পেয়েছেন কিন্তু মাসিক হচ্ছে না। তাহলে কয়েক সপ্তাহ পর আবার পরীক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে প্রেগনেন্সি ছাড়া অন্যান্য কারণে অসম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে থাকতে পারে। আরেকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। সন্তান জন্ম দেওয়ার ৪-৫ মাসের মধ্যেই সেই হরমোনগুলো উপস্থিত থাকে শরীরে সেই সময় পরীক্ষা করলে পজেটিভ দেখায়।
ডেটল দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করুন ২ মিনিটে
ডেটল দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জেনে টেস্ট করা যায়। এর জন্য আপনাকে একটি পাত্রে সকালের প্রসাব সংগ্রহ করে রাখতে হবে এবং এর মধ্যে এক চামচ ডেটল যোগ করে দিতে হবে। যদি দেখেন একটা পর্যায়ে ডেটল এবং প্রস্রাব আলাদা অনুপাতে হয়ে যাচ্ছে তাহলে মনে করবেন আপনি প্রেগনেন্সি হয়েছেন। এই অনুপাতটি সাধারণত ১:৩ হয়ে থাকে।
এ সময় প্রসাব এবং ডেটল আলাদা স্তরে ভিন্ন হয়ে যাবে। তবে যদি ভিন্ন না হয় বা আলাদা না হয় তাহলে আপনি মনে করে নিবেন যে আপনি গর্ভবতী নন। তবে আপনি যদি তিন চামচ ডিটলের সাথে এক চামচ পোশাক মিশিয়ে পরীক্ষাটি করেন। আপনি দেখতে পাবেন যে তারা আলাদা হতে শুরু করবেন এবং ভিন্ন স্তর তৈরি করবে এতে আপনি গর্ভবতী বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করুন খুব সহজেই
ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য আজকে যদি আপনি এই আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন। পর্যায়ক্রমে পড়তে পড়তে যদি এ পর্যায়ে আসেন তাহলে অবশ্যই ইতিমধ্যে অনেক ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জেনেছেন। ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করা অত্যন্ত সহজ। প্রত্যেকটা গর্ভবতী মহিলা তাদের গর্ভাবস্থায় নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্য প্রথম পর্যায়ে এটা পরীক্ষা করে দেখতে পারে।
- ব্লিচিং পাউডারঃ এর জন্য একটি পাত্রে এক কাপ পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার নিন, এবং এর মধ্যে সামান্য পরিমাণ সকালের সংগ্রহ করে রাখা প্রসাব মিশান ও ভালো করে নাড়াতে থাকুন এবং দেখতে পাবেন ফেনা হচ্ছে কিনা। যদি ফেনা হয় তাহলে আপনি গর্ভাবস্থায় যাচ্ছেন।
- ডেনডেলিওনের পাতাঃ এই পাতা সংগ্রহ করে সূর্যের আলো থেকে দূরে অন্ধকার অবস্থায় রেখে দিন। পরবর্তী একটি পর্যায়ে একটি পাত্রে দুটি কাপ ডেন্ডিলিওনের পাতা নিন। এরমধ্যে বেশি পরিমাণে ইউরিন বা প্রসাব যোগ করুন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করলে দেখতে পাবেন পাতাগুলোর উপর লাল ফোঁস কার মত দাগ দেখাই। এই অবস্থায় দেখলে আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন যে আপনি গর্ভবতী হচ্ছে এবং সকলের সামনে আনন্দ প্রকাশ করতে পারেন।
- পাইন সল ব্যবহার করেঃ ঘর পরিষ্কার করার ধরনের তরল হচ্ছে পাইন সল। একটি পাত্রে রেখে এতে ইউরিন যোগ করুন যদি মিশ্রণের রং পরিবর্তন হয়। তাহলে আপনি প্রেগনেন্ট এবং না হলে প্রেগনেন্ট নন।
- স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ডিব্বা ব্যবহার করেঃ এটা অত্যন্ত সহজ এবং ভেজালমুক্ত উপায়। এর জন্য আপনাকে শুধু একটি কাজ করতে হবে সেটা হলো। সকালে ঘুম থেকে উঠে একটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ডিব্বাতে আপনার ইউরিন গুলো সংরক্ষণ করতে হবে। সংরক্ষণ করার পর ২৪ ঘন্টা রেখে দিলে আপনি দেখতে পাবেন। সে ইউরিন গুলোর উপর সাদা স্তর তৈরি হয়েছে। এটা প্রেগনেন্সির একটি প্রধান লক্ষণ। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য বিশেষ কিছু পদ্ধতি উপস্থিত করেছি। এর মধ্যে রয়েছে, চিনি, সাবান, টুথপেস্ট ব্যবহার করে। এছাড়াও আরো অনেক উপায় রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি বাসায় বসে প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে পারবে। এছাড়া আপনি যদি উক্ত উপায়গুলো জেনে থাকেন তাহলে যেকোনো নারীর আপনি এই বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। এর জন্য বিশেষ কিছু উপকরণ প্রয়োজন যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ
প্রসবের ব্যাথা না হলে কি করনীয় ১৪ টি উপায়
উক্ত উপকরণ গুলো ব্যবহার করে আপনি ঘরোয়া পদ্ধতি টেস্ট করতে পারবেন। প্রথম অবস্থায় এটা অত্যন্ত কৌতুহল পূর্ণ এবং সতর্ক মূলক পর্যায়ে থাকে। তাই আপনাকে অবশ্যই প্রথম অবস্থায় প্রেগনেন্সি টেস্ট করে বুঝতে না পারলে এক থেকে দুই সপ্তাহ পরে আবার পরীক্ষা করতে হবে উপরে উল্লেখিত নিয়ম অনুসরণ করে। তাহলে নিশ্চিন্তভাবে আপনি বুঝতে পারবেন ঘরোয়া উপায়ে কত সহজেই প্রেগনেন্সি টেস্ট করা যায়।
শ্যাম্পু দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
শ্যাম্পু দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানলে আপনি অবাক হবেন। শ্যাম্পু প্রতিদিনই কমবেশি মানুষ ব্যবহার করে চুল সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে। পাশাপাশি আরো অনেক কাজে আমরা শ্যাম্পু ব্যবহার করি। আপনি যদি না জেনে থাকেন যে শ্যাম্পু দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করা যায়। তাহলে অবাক হওয়ার কিছুই নেই এর চেয়ে আরো অনেক বিষয় রয়েছে যা দিয়ে আপনি সহজেই প্রেগনেন্স টেস্ট করতে পারবেন।
শ্যাম্পু দিয়ে কিভাবে প্রেগনেন্সি টেস্ট করা যায়। এই কাজটি করার জন্য আপনাকে প্রথমে দুই থেকে তিন চামচ প্রসাব একটি পাত্রে নিতে হবে। তবে সেই প্রস্যাবটি সকালের বাসি প্রসাব হলে ভালো হয়। এরপর আপনি এতে দুই ফোটা শ্যাম্পু যোগ করুন। আলতো করে হালকা ফিসকা শুরু করলে দেখবেন এর ভিতরে কিছু প্রতিক্রিয়া ঘটবে। এই প্রতিক্রিয়াটি দ্রবণ টির ভিতরে বুদবুদের সৃষ্টি করবে এবং এটা ইতিবাচক প্রভাব। এই পরীক্ষাটি করার সময় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে আপনার যদি পিরিয়ড বন্ধ থাকে।
এরপরে আপনি একটি বাটিতে শ্যাম্পু নিন, একটি পাশে পানি এবং ইউরিন যোগ করুন। এরপর মিশনগুলো একসাথে করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে আপনি দেখবেন উল্লেখিত লক্ষণগুলো ভিতরে কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে। তাহলে আপনি বুঝবেন যে, আপনি গর্ভাবস্থায় উপনীত হয়েছেন। এবং এই প্রক্রিয়ায় আপনি আরো কিছু বিষয় গুলো দেখবেন তার নিচে উল্লেখ করলাম।
যদি এই ক্রিয়াটি করার পর সেই মিশ্রণটির মধ্যে বুদবুদ এর সৃষ্টি হয়। সেই ক্ষেত্রে আপনি নিশ্চিন্ত হতে পারেন যে আপনি গর্ভাবস্থায় মা হতে চলেছেন। বর্তমানে সহজেই কোন খরচ ছাড়া শ্যাম্পু দিয়ে টেস্ট করার এই উপায়টি অত্যন্ত কার্যকরী। এর কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আপনি নিঃসন্দেহে নির্ভয়ে ব্যবহার করতে পারেন বাসায় বসে।
ভিনেগার যে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় জানুন
ভিনেগার দিয়ে প্রেগনেন্সি টস্ট করার তেমন কোনো কার্যকরী প্রমাণ নেই। তবে এই প্রক্রিয়ায় অনেকে পরীক্ষা করে দেখে। তাদের মধ্যে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য ১ থেকে ২ কাপ সাদা ভিনেগার এক কাপ প্রসাবের সাথে মিশিয়ে একটু সময় অপেক্ষা করলে দেখা যায়। এর মধ্যে বুদবুদ তৈরি হয় এবং রং পরিবর্তন করে।
এতক্ষণ করে দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার প্রেগনেন্সি হয়েছে। এছাড়া আপনারা অন্য অনেক কারণে দেখা যায় যে, পিরিয়ড বন্ধ হয়ে থাকে এবং প্রেগনেন্সি টেস্ট করে বোঝা যায় না। সেক্ষেত্রে আপনাকে পরবর্তী তুই এক সপ্তাহ পরে আবার পরীক্ষা করে দেখতে হবে। এতেও যদি ফলাফল পাওয়া না যায় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং ফলাফল পাওয়া গেলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি গর্ভস্থায় আছেন।
প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম জানুন
প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম জানা থাকলে আপনি সহজেই ব্যবহার করে নির্ধারণ করতে পারবেন। একজন মহিলা জীবনের সবচেয়ে আনন্দপাঠ হচ্ছে প্রেগনেন্সি পর্যায়ে যাওয়া। এর জন্য সবাই অপেক্ষা করে তাই এই সময়ে মানুষ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানতে চাই যে সে গর্ভধারণ করেছে কিনা। আর এই উপায়টি জানার জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রেগনেন্সি টেস্ট করতে কি কি ব্যবহারের নিয়ম।
- তাই দেখে নিন কিভাবে এটি ব্যবহার করে। এর জন্য আপনাকে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে যেমন, আপনার মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে রাখতে হবে। মাসিক চক্রের প্রথম দিনকে একদিন হিসেবে ধরে রাখতে হবে।
- সঠিক সময়ে পরীক্ষা করার জন্য আপনাকে নির্ধারিত করতে হবে এবং আপনার কীটের সাথে দেওয়া যে নির্দেশনাবলী থাকবে তা পড়তে হবে। সাধারণত আপনার প্রত্যাশিত ডিম্বস্ফুটন তারিখের কয়েকদিন আগে পরীক্ষা শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
- নির্ধারিত সময় হচ্ছে দিনের সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঢুকলে দিনের সময় প্রস্রাবের পরীক্ষা করার পরামর্শ দেয়। এ সময় এলএইচ এর সর্বোচ্চ ঘনত্ব থাকে। আপনি যে কীর্তি সংগ্রহ করবেন তার নির্দেশনা ফলো করুন।
- আরেকটি কাজ করতে হবে তা হচ্ছে আপনার প্রসাবের নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। সেটি একটি পাত্রে সবচাইতে ভালো হয় সকালের ঘুম থেকে উঠার পর এটি সংগ্রহ করলে। এবং আপনি একটি পরিষ্কার পাত্রে একটি প্রসাবের নমুনা সংগ্রহ করে। সরাসরি আপনার পোশাক স্টিম সংগ্রহ করতে কিট দেওয়া টেস্ট স্টিম ব্যবহার করুন।
- এবং পরীক্ষা সম্বোধন করুন পরীক্ষার স্টিক টিকে প্রসাবের নমুনায় ঢুকিয়ে রাখুন। এবং নির্দেশনাবলী তে উল্লিখিত নির্দিষ্ট সময়ের পরে এটিকে প্রসবের স্রোতে ধরে রাখুন। এবং সেই ফলাফল পড়ুন এবং প্রতিদিন কিটের বিষয়টি মাথায় রাখুন।
- প্রতিদিন কিটের ফলাফল নির্দেশ করার উপায় থাকবে। তাই ব্যাখ্যা করার জন্য নির্দেশনা মানুন। সাধারণত ইতিবাচক ফলাফল দুটি দৃশ্যমান লাইন এবং একটি স্থলি মুখের প্রতীক দেখাবে।
- পরীক্ষার ফলাফল হিসেবে দেখবেন LH মাত্রা বেড়েছে। ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ডিম্বস্ফুটনের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই গর্ভধারণ করার জন্য এটি উপযুক্ত সময় এ সময় সহবাস করার জন্য সেরা সময়।
তাই পরীক্ষা গুলোর কিট গুলো ব্যবহার করে আপনার মাসিক চক্র বসতে এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়াতে ব্যবহার সাহায্য করে। তবে আপনি স্বাভাবিক ফলাফল পাওয়ার জন্য কয়েকবার পরীক্ষা করতে পারেন। এবং তার সাপ্তাহিক ভাবে যদি নিশ্চিত হন তাহলে এটা অত্যন্ত ভালো। এই কাজগুলো করে আপনি খুব সহজেই আপনার প্রেগনেন্সি পরীক্ষা করতে পারবেন কাঠি দিয়ে। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন প্রেগনেন্সি টেস্ট করার বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় এবং কাঠি দিয়ে কিভাবে প্রেগনেন্সি টেস্ট করে।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় নিয়ে শেষ মন্তব্য
টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট ও বিভিন্ন ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রেগনেন্সি টেস্ট করার উপায় এর মধ্যে সবচাইতে সহজ এবং গ্রহণযোগ্য হতে সাবান দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট। এবং আরো একটি উপায় রয়েছে সেটি হচ্ছে টুথপেস্ট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট। এ বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি নিজে নিজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন।
এছাড়াও খুব সহজভাবে কেমন করে আপনি পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করবেন সেই বিষয়গুলো পরিস্কার ভাবে উল্লেখ করেছি। যাতে যে কেউ এই কাজগুলো সহজে করতে পারে। কাজ গুলো করার জন্য আপনাকে তেমন কোন খরচ করতে হবে না আপনার বাসায় নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারই কাজে জিনিস দিয়ে আপনি পরীক্ষাগুলো সম্পূর্ণ করে নিশ্চিন্ত হতে পারবেন যে আপনি গর্ভবতী কিনা। আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনার উপকার হয়েছে কি? তাহলে সকলের মাঝে পৌঁছে দিতে পারেন ধন্যবাদ।
মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url