আসল গ্রিন টি চেনার উপায় - কোন গ্রিনটি ভালো জানুন

আসল গ্রিন টি চেনার উপায় জানুন যা আপনাকে সঠিক স্বাস্থ্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে। তবে আপনাকে জানতে হবে কোনটি আসল গ্রিন টি। তাই চলুন জেনে নিন কি কি উপায়ে এটা চেনা যায়।

আসল গ্রিন টি চেনার উপায় - কোন গ্রিনটি ভালো

আসল গ্রিন টি ব্যবহার করে নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। তাই আমাদের সঠিক উপায় গুলো জানা উচিত যেগুলো থেকে আপনি বুঝতে পারবেন কোনটা আসল এবং কোনটা নকল।

পোস্ট সুচিপত্রঃ  আসল গ্রিন টি চেনার উপায় - কোন গ্রিনটি ভালো জানুন

আসল গ্রিন টি চেনার উপায় জানুন বিস্তারিত 

আসল গ্রিন টি চেনার উপায় জানা দরকার। এই গ্রিন টি মানুষের শরীরে জারিত হয়না এটা শরীরের খারাপ এলডিএল ও ট্রাই গ্লিসারাইড জমতে দেয় না। এবং শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। তবে বাজার থেকে বিভিন্ন দোকানে কেনার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এই গ্রিন টি বাজারের চাহিদা বেশি থাকায় অনেক অসাধু ব্যবসায়ীরা ভেজাল পণ্য বাজারে বিক্রি করে এবং এর ব্যবহারে মানুষ  ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তাই আসল গ্রিন টি চেনার বৈশিষ্ট্য গুলো রয়েছে তা দেখে নেন।

আসল গ্রিন টি চেনার উপায় সমূহঃ

  • আসল গ্রিন টি অনেকটা সবুজ প্রকৃতির হয়ে থাকে রঙ্গের দিক থেকে। তবে খোলা টি ব্যাগ এড়িয়ে চলাই ভালো স্বাস্থ্যের জন্য।
  • এই গ্রিন টি এর পাতার আকার একটু বড় হয়। এপ্রিল মাস মাসে মূলত গ্রিন টি চাষ করা হয়। তাই আপনাদের আসলটি গ্রিন টি ব্যবহার করতে হবে সতর্কতার সাথে। কারণ এটি ৬ মাসের বেশি খাওয়া যায় না ও সংরক্ষণ করা যায় না। 
  • গ্রিন টির প্যাকেটে এপিগ্যালোটিন (ইজিসিজি) আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। আবার এর সঠিক উপকারিতা পেতে গ্রিন টি কখনো চায়ের সাথে মিশিয়ে খাবেন না। 
  • গ্রিন টির গন্ধ হবে হালকা সতেজ ও কচি ঘাসের মতো। এছাড়া গ্রিন টি রাখতে হবে কাচের পাত্রে আবদ্ধ করে। 
  • এছাড়া গ্রিন টি চেনার আরেকটি সহজ উপায় হচ্ছে গরম পানি। গরম পানির মধ্যে বিশুদ্ধ গ্রিন টি ছেড়ে দিলে এটা ধীরে ধীরে রং ছাড়ে এবং পানির রং স্বচ্ছ করে। যে চা পানিতে দ্রুত রং পরিবর্তন করে সেটি কৃত্রিম এবং ভেজাল। 
  • আরো কিছু ধাপের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যে গ্রিন টি পাতার রং ও টেক্সচার পরীক্ষা করা। বিশুদ্ধ চা গাড়ো এবং কালো বা বাদামি রঙের হয়ে থাকে। উজ্জল এবং সতেজ দেখায় যদি এটা অন্য বা বিবর্ণ সমান হয়ে থাকে। সেটা সম্ভবত নিম্নমানের বা ভেজাল বা মেয়াদ উত্তীর্ণ হতে পারে।
  • এছাড়া বিশুদ্ধ চা পাতা গরম পানির মধ্যে দেওয়ার সাথে সাথে বা গরম পানির মধ্যে গ্রীন টি দেওয়ার সাথে সাথে তা উপরে ভেসে না থেকে নিচের দিকে চলে যাবে এবং সেখান থেকে নির্দিষ্ট রং ছাড়বে এবং প্রতিক্রিয়া করবে। 
  • বিশুদ্ধ চা পাতা বা গ্রিন টি এর স্বাদ হবে অত্যন্ত বিশুদ্ধ এবং মৃদু তিতা প্রকৃতির। তবে এর ব্যতিক্রম যদি মিষ্টি বা অন্য কোন স্বাদ হয় তাহলে সেটা থেকে দূরে থাকতে হবে। বিশুদ্ধ গ্রিন টি একটি দীর্ঘায়িত আফটার টেস্ট থাকে যা নিম্ন মানে চায়ের মধ্যে অনুপস্থিত।
  • চায়ের ব্যান্ড এবং কোন উৎস থেকে চারটি উৎপাদন হচ্ছে সে বিষয়টি দেখতে হবে। এর জন্য আপনাকে বিশ্বস্ত ব্যান্ড সম্পর্কে জানতে হবে। তবে আমার জানা বিশ্বস্ত ব্যান্ড মা মনি ট্রি, ফেমাসটি গোল্ডের মতো সেরাটি ব্যবহার করতে পারেন।
  • বিভিন্ন ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমিক বিশুদ্ধতা নির্ণয় করা যায়। যে উপাদান গুলো ব্যবহার করা হয়েছে বা কোন ধরনের কেমিক্যাল আছে কিনা বা কতটুকু বিশুদ্ধ তা সম্পূর্ণ বিষয়ে জানতে পারবেন। 

প্যাকেজিং ও লেভেল দেখে চিনতে পারবেন। যে কোন প্যাকেটজাত পণ্য গুণগত মান প্রচারের জন্য প্যাকেট এবং লেভেলিং দেখাও অন্যতম উপায়। প্যাকেটের গায়ে গুণগত মান সিলমোহর লেভেল দেওয়া থাকে যা আপনাকে বিশুদ্ধতা সম্পর্কে ধারণা দেবে। সেখানে উৎপাদন তারিখ কোথায় উৎপাদন হয়েছে এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ সহ স্পষ্ট প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা থাকে। সে ক্ষেত্রে লেভেলিং এবং প্যাকেজিং দুর্বল হলে আপনি পণ্যটি বয়কট করবেন।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে এবং বিশেষ প্রদেশের পরামর্শ অনুযায়ী উন্নত মান সকল বিষয়গুলো গবেষণা করে দেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। গ্রিন টি যদি অরজিনাল হয় সে ক্ষেত্রে এটা ভারী আকৃতির হবে এবং পানিতে দেওয়ার সাথে সাথে ডুবে যাবে। কৃত্রিম চায়ের ক্ষেত্রে তা হবে না। এ বিষয়গুলো সঠিকভাবে বিবেচনা করে দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি যেই গ্রিন টি ব্যবহার করছেন সেটা কি আসল নাকি নকল। এর জন্য আপনাকে উপরে উল্লেখিত নিয়মগুলো বিশেষভাবে সাহায্য করবে।

কোন কোন গ্রিন টি ভালো সেরা ব্যান্ড জানুন 

কোন কোন গ্রিন টি ভালো এটা আমাদের জানা উচিত। বাজারে বর্তমানে অনেক ধরনের গ্রিন টি পাওয়া যায়। এর ভিতরে অনেক ব্যবসায়ী আছে যারা বিভিন্ন ধরনের ভেজাল পণ্য মানুষের মাঝে বেশি লাভে বিক্রি করে। তাই বর্তমানে অরজিনাল গ্রিন টি পাওয়া অত্যন্ত কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে আপনি যদি উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো জানেন। সে অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেন তাহলে অবশ্যই আসল ক্রিমটি চিনতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ আসল সুরমা চেনার উপায় - চোখে সুরমা দেওয়ার উপকারিতা ও দাম জানুন

  • বিভিন্ন উন্নত মানের গ্রিন টির মধ্যে যেগুলো রয়েছে, মামনি গ্রিন টি,
  • কাজী এন্ড কাজী গ্রিন টি,
  • ইস্পাহানি ব্লেন্ডার গ্রিন টি, 
  • টুইনিং গ্রিন টি,
  • ফেমাস গ্রিন টি, 
  • লিপটন গ্রিন টি ও দিল মাস্ক গ্রিন টি।
  • অ্যাপোলো ফার্মেসি থেকে এপোলো গ্রিন টি কিনতে পারেন। 
  • এছাড়া সবচাইতে উপযুক্ত হচ্ছে অর্গানিক গ্রিন টি।
  • আলিফ টি সাপ্লাই থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। 

 

কোন কোন গ্রিন টি ভালো সেরা ব্যান্ড

কোন কোন গ্রিন টি ভালো সেরা ব্যান্ড

কোন কোন গ্রিন টি ভালো সেরা ব্যান্ড

কোন কোন গ্রিন টি ভালো সেরা ব্যান্ড

উল্লেখিত গ্রিনটি গুলো আপনি ব্যবহার করতে পারেন এটা অত্যন্ত ভালো মানের পর্যায় থেকে বাজারজাত করা হয়। এগুলো অত্যন্ত অর্গানিক, যার গন্ধ ও স্বাদ সঠিক মাত্রায় থাকে এবং দূষিত কোন ধরনের কেমিক্যাল দেওয়া হয় না। এটা অত্যন্ত স্বাস্থ্য উপকারিতা নির্দিষ্ট গুনাগুন বজায় রেখে এটাকে প্যাকেটজাত করে তৈরি করা হয়। এই গ্রিন টি টুকু খাওয়ার মতো আপনি বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন।

আসল গ্রিন টি কোথায় পাওয়া যায় জানুন 

আসল গ্রিন টি কোথায় পাওয়া যায় জানেন কি? আপনি যদি আসল গ্রিন টি ব্যবহার করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে এই গ্রীন টি কোথায় পাওয়া যায়। বর্তমান বাংলাদেশে অনেকটি সাপ্লাই কেন্দ্র রয়েছে। যেখান থেকে সারা বাংলাদেশে গ্রিন টি সাপ্লাই দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখিত যে ব্যান্ডগুলো রয়েছে তা আপনাদের সামনে উপরে উপস্থাপন করেছে। এই ব্যান্ড গুলোর মধ্যে থেকে যে কোনটা ব্যবহার করতে পারে। 

বাংলাদেশে আসল গ্রীন টি পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান। যেখান থেকে সম্পূর্ণ অর্গানিক উপায়ে বাগান থেকে অটোমেটিক ভাবে প্রস্তুত করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। সুতরাং আপনি সিলেটের বিখ্যাত চা বা গ্রীন টি খেতে চাইলে অবশ্যই সেই উল্লেখিত ব্যান্ডগুলো লক্ষ্য করতে পারেন। এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের গ্রিন টি নামে একটি পাওয়া যায় সেগুলো ভেজাল এবং জীবাণুযুক্ত। 

উচ্চমানের এবং ভালো উপকার পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই সঠিক গ্রিন টি নির্বাচন করতে হবে। গ্রিন টির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা রয়েছে যেমন, এর মধ্যে ফলাফল রয়েছে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মানুষের শরীরের রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সুতরাং আপনি যদি উল্লেখিত সমস্যার সমাধান করতে চান। সঠিক গ্রিনটি কোথায় পাওয়া যায়? তাহলে অবশ্যই আপনাকে উল্লেখিত ব্যান্ডগুলো খেয়াল রাখতে হবে। 

গ্রিন টি বানানোর নিয়ম বা পদ্ধতি জানুন 

গ্রিন টি বানানোর নিয়ম জানা প্রয়োজন সঠিক উপকারিতা পেতে। আপনি যদি গ্রিন টি তৈরির সঠিক নিয়ম না জানেন তাহলে নিচের দেওয়ার নিয়ম করুন। এই নিয়ম ব্যবহার করে সকল বয়সের এবং সকল সময়ে গ্রিন টি খেতে পারবেন। এর জন্য কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে যে ধাপগুলো পর্যায়ক্রম নিচে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম। 

গ্রিন টি বানানোর নিয়ম বা পদ্ধতিঃ

  • প্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে। তা হল একটি পাত্রে গরম পানি তৈরি করতে হবে। সে পানিটি ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর আপনি গ্ররেন টি তৈরি করার জন্য একটি চায়ের কাপ নিবেন। 
  • চায়ের কাপের মধ্যে গরম পানি নিন, এর মধ্যে গ্রিন টি দিন এরপর কিছুক্ষণ সময় অপেক্ষা করুন ১ থেকে ২ মিনিট সর্বোচ্চ। এরপর আপনি ছাকুনি দিয়ে গ্রীন টি ছেঁকে নিন।

এরপর আপনি সেই চা খেতে পারেন। তবে আপনি শরীরের দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য চিনি অথবা মধু মিশিয়ে খেতে পারে। এছাড়া আপনি গরম পানির পাত্রের মধ্যে গ্রিন টি এবং পানি একসাথে গরম করে তা সাকনা দিয়ে ছেকে খেতে পারেন। এই উপায়গুলো অত্যন্ত সহজ তাই আপনি যদি গ্রীন টি বানানোর নিয়ম না জেনে থাকেন তাহলে উক্ত নিয়মটি ব্যবহার করতে পারেন। একজন মানুষ সঠিক এই সকল উপকারিতা পাওয়ার জন্য গ্রিন টি বানানোর এই নিয়মগুলো ব্যবহার করে বিশেষ উপকারিতা পায়। 

ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম জানুন 

ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম জানলে আপনি খুব সহজেই শরীরে অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারেন। শরীরে অতিরিক্ত ওজন হয়ে গেলে আপনি প্রতিদিন উল্লেখিত উপায়ে গ্রিন টি তৈরি করার পর, সকালে এবং সন্ধ্যায় গ্রিন টি চিনি ছাড়া খাওয়ার অভ্যাস করবেন। আপনি উপরের প্রক্রিয়াটা সম্পূর্ণ অনুসরণ করে শুধু চিনি বাদ দিয়ে খাওয়ার মাধ্যমে ওজন কমাতে পারেন। 

ওজন কমাতে গ্রিন টি খাওয়ার নিয়ম
গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে বিবেচনা ধরনের উপাদান যা আপনার শরীরের মেটাবলিজম কে বাড়িয়ে অতিরিক্ত ওজন কমায়। আপনি যদি একজন সচেতন মানুষ হয়ে থাকেন। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে আপনি শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য প্রতিদিন ঘুমানোর পূর্বে বিশেষ করে আধাঘন্টা আগে গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে আপনার শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে অতিরিক্ত ওজন কমাবে। তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি এই গ্রিন টি এর সাথে যদি চিনি এবং মধু যুক্ত করে খান তাহলে শরীরে অতিরিক্ত ওজন না কমে বাড়িয়ে দিতে পারে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে গ্রিন টি খাওয়ার মাধ্যমে আপনার ওজন কমাতে পারেন। 

ওজন কমাতে কোন গ্রিন টি ভালো জানুন 

ওজন কমাতে কোন গ্রিন টি বেশি উপকারি আমাদের জানা উচিত। বাজারে নানা ধরনের গ্রীন টি পাওয়া যায়। এই টির মধ্যে অনেক ভেজাল এবং আসলে গ্রিন টি আছে। ওজন কমানোর জন্য আপনাকে আসলে গ্রিন টি ব্যবহার করতে হবে। এর মধ্যে অনেক ধরনের উন্নতমানের ব্যান্ড রয়েছে যে ব্যান্ডগুলো উপরে উল্লেখ করেছি। তার মধ্যে থেকে যে কোন একটি ব্যবহার করতে পারে। 

বর্তমানে মানুষের ওজন কমানোর জন্য গ্রিন টি ব্যবহার করতে আগ্রহী। কারণ এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই মানুষের অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারে। এই গ্রিন টির মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা শরীরের মেদ ছড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরকে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।

আরো পড়ুনঃ  আলু বোখারার ১০টি উপকারিতা ও অপকারিতা অবাক হবেন জানলে

গ্রিন টি দিয়ে ওজন কমানো যায় তবে আপনাকে শুধু গ্রিন টি এর পর আশা করে থাকলে হবে না। বিভিন্ন শারীরিক বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। আপনাকে গ্রিন টি খাওয়ার পাশাপাশি খাবার কন্ট্রোল করতে হবে। অতিরিক্ত আমিষ এবং ফ্যাট জাতীয় খাবার গ্রহণ করা যাবে না। আজকে গ্রিন টি খেলে হয়তো আপনার ওজন কমে কিন্তু আপনি যদি খাবার খাওয়া নিয়ন্ত্রণ না করেন, তাহলে অবশ্যই সেই কাজটি হবে না যা আপনি চাইছেন গ্রীন টির কাছ থেকে। তাই সঠিক উপায়ে গ্রিন টিকে ব্যবহার করুন। 

অর্গানিক গ্রিন টি দাম কত জানুন 

অর্গানিক গ্রিন টি দাম কত আমাদের জানা উচিত। আমরা প্রত্যেকে চাই সঠিক উপকারিতা পেতে এবং অর্গানিক গ্রনটি ব্যবহার করতে। অর্গানিক গ্রীন টি ব্যবহার করতে হলে দুইটি বিষয়ে মাথায় রাখতে হবে। এটি হচ্ছে আপনি আসল গ্রিন টি ব্যবহার করছেন কিনা, এবং গ্রিনটি ব্যবহারটি সঠিকভাবে করছেন কিনা। এটা বিষয়ে যদি আপনি মাথায় রাখেন তাহলে অবশ্যই গ্রিন টি ব্যবহার করে শরীরের বিভিন্ন উপকার পাবেন। 

অর্গানিক গ্রিন টির দামঃ

১ কেজি ২৫০০ টাকা, 

৫০০ গ্রাম ১২৫০ টাকা

৫০ গ্রাম ১৩০ টাকায় পাওয়া যায়।

উপকারিতা গুলো পাওয়ার জন্য অর্গানিক গ্রিন টি দাম অনেকে জানতে চাই। তাই আপনি যদি অর্গানিক ক্রিমটি দাম জানতে চান। তাহলে অবশ্যই উপরে দিয়ে দামগুলো অনুসরণ করতে পারেন। যদিও বিভিন্ন বাজারে বিভিন্ন ধরনের ন্যূনতম কম বেশি থাকতে পারে। দামের দিক থেকে তবুও এর কিছু মাত্রা রয়েছে যার অতিরিক্ত কখনোই হয় না। সেই নির্ধারিত মাত্রা বা অনেক গ্রিন টির দাম আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি।

গ্রিন টি দাম কত জানুন 

বিভিন্ন উপকারিতা পাওয়ার জন্য অনেকে জানতে চাই গ্রিন টির দাম কত? গ্রিন টি দাম কত বাংলাদেশ, অর্গানিক গ্রিন টির দাম এগুলো জানতে চাই। তাড়াতাড়ি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আজকে কিছু ব্যান্ডের গ্রিন টি এর প্রিমিয়াম মূল্য উপস্থাপন করলাম। যা দেখে আপনি খুব সহজেই নির্ধারণ করতে পারবেন যে এর দাম কেমন হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ আসল ভিটমেট চেনার উপায় ১০টি এবং পুরাতন ভিটমেট ডাউনলোড

  • ব্লেন্ডার্স চয়েস প্রিমিয়াম গ্রিন টি সর্বোচ্চা মূল্য প্যাকেট ১৭৫ টাকা।
  • ব্লেন্ডার চয়েস প্রিমিয়াম টি ব্যাগ ইন ব্যাগ যা ২৫ টি ব্যাগ ১১০ টাকা। 

আশা করি গ্রিন টির দাম কত এ বিষয়ে আপনার আর কোন সমস্যা থাকবে না। আপনি কাছাকাছি যে কোন বিক্রেতার কাছ থেকে সরাসরি সাক্ষাৎ করে, উপরে উল্লেখিত সত্যতা যাচাই করে তারপরে আপনি কিনবেন। এতে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে না এবং সঠিক উপকারিতা পাওয়া যায়। এছাড়াও দেখুন ইস্পাহানি মির্জাপুর এর কেমন দাম।

ইস্পাহানি গ্রিন টি উপকারিতা - ইস্পাহানি গ্রিন টির দাম কত 

ইস্পাহানে গ্রিন টি উপকারিতা রয়েছে তাই এটি ব্যবহার করার জন্য মানুষ ইস্পনি গ্রিন টির দাম জানতে চাই। আপনি শুধু ইস্পাহানি গ্রিনটি ব্যবহার করে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকারিতা পেতে হলে অবশ্যই আসল ইস্পানি গ্রিন টি ব্যবহার করতে হবে।  ইস্পাহানি গ্রিন টির অনেক উপকারিতা রয়েছে। এই গ্রিন টি খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

কেউ চাইলে ইস্পাহানি গ্রিন টি খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি এবং তাৎক্ষণিক শক্তি যোগাতে পারে। যাদের শরীরে উচ্চ এলডিএলের মাত্রা রয়েছে তারা নিয়ন্ত্রণের আনার জন্য ইস্পাহানি টি সকাল বিকাল খেতে পারেন। নিয়মিত গ্ররীন টি খাওয়ার মাধ্যমে আপনার শরীরে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায় এবং রোগ মুক্তি দেয়। কারো কারো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোষ বিভাজনের কারণে শরীরে ক্যান্সার দেখা দেয়।

ইস্পাহানি গ্রিন টি উপকারিতা - ইস্পাহানি গ্রিন টির দাম কত
এ সকল কোষ বিভাজন স্থির এবং নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য এবং ক্যান্সারের হাত থেকে বাঁচার জন্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর জন্য ব্যবহার করতে পারেন ইস্পাহানি গ্রিন টি। এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই ইস্পাহানি গ্রিন টি আপনি বাজারে বিভিন্ন দামে পাবেন বিভিন্ন প্যাকেট আকারে যা পরিমাণের উপর বিবেচনা করে দাম কম বেশি হয়ে থাকে। তবে এর একটি ন্যূনতম ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। 

আবার অনেকেই জানতে চাই ইস্পাহানি মির্জাপুর চা ৫০০ গ্রাম দাম কত। সাধারণত ইস্পাহানি মির্জাপুর চা এক কেজি ২৫০০ টাকায় পাওয়া যায় যেগুলো অর্গানিকভাবে পাওয়া যায়। সাধারণত ইস্পাহানি মির্জাপুর চা ৫০০ গ্রামের এর দাম সর্বোচ্চ ক্ষুদ্রা মূল্য অনুযায়ী ২১০ থেকে ২৩০ টাকা হতে পারে। তবে বিভিন্ন জায়গায় স্থান এবং বিভিন্ন কারণে দাম কম বেশি হয়ে থাকে। 

তবে অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আপনি যদি সংগ্রহ করতে চান তাহলে অবশ্যই একটু বেশি দাম দিতে হয়। কারণ আপনাকে ডেলিভারি চার্জ দিতে হয়। এবং আপনাকে এর জন্য বাসায় নিয়ে এসে ডেলিভারি দিয়ে যাবে। আপনি উল্লেখত ইস্পাহানি মির্জাপুর চা কত হতে পারে জানতে পেরেছেন। 

সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন এবং উত্তর গ্রিন টি নিয়ে 

প্রশ্নঃ আসল গ্রিন টি দেখতে কেমন হয়? 

উত্তরঃ আসল গ্রিনটি দেখতে ফ্যাকাশি সবুজ ও হলুদ বর্ণের হয়, আবার হালকা উজ্জ্বল সবুজ ফ্যাকাসে সবুজ এমনকি  আঙ্গার রঙ্গের হতে পারে।

প্রশ্নঃ আসল গ্রিন টি কিভাবে বের করব? 

উত্তরঃ আসল ক্রিমটি কিভাবে বের করবেন এর জন্য উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো জেনে আপনি সেই অনুযায়ী গ্রিন টি প্যাকেট এবং বিভিন্ন উৎস দেখে চিনতে পারবেন। 

প্রশ্নঃ সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রিন টি কোনটি? 

উত্তরঃ সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রিমটি হলো মাছ যার প্রভাব সবুজ পাতার যা আঁধারের চেয়ে ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

প্রশ্নঃ গ্রিন টি কোন দেশে ভালো হয়? 

উত্তরঃ স্ক্রিনে সবচাইতে বেশি জাপান এবং ওজিতে পাওয়া যায়। পূজা হলো গৃহ পুরো চা তৈরি সেরা কিছু চা পাতার আবাসস্থল যার ছায়ায় জন্মানো একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সবুজ চা।

প্রশ্নঃ চায়না নাকি জাপানি  গ্রিন টি স্বাস্থ্যকর?

উত্তরঃ স্বাস্থ্যগত গুনাগুন থেকে বিবেচনা করলে জাপানি সবুজ চায়ে সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট যৌগের গুরুত্ব বেশি থাকে। যা এই ফসল কাটার আগে পাতার ছায়া পড়ি বলে বিশেষভাবে মাথায় তৈরি যেগুলো আছে।

প্রশ্নঃ গ্রিন টি কোন পাতা থেকে তৈরি হয়? 

উত্তরঃ গ্রিন টি সাধারণত ক্যামেলিয়া সাইলেন্স গাছের পাতা থেকে তৈরি হয়। এন্টিজা এন্ড অক্সিডাইজড নামে পরিচিত। পাতাগুলো ছিড়ে সামান্য শুকিয়ে ফেলা হয় এবং তারপর সবুজ গুনাগুন সংরক্ষণ এবং বজায় রাখার জন্য যার রোধ করে রাখা হয়। 

আসল গ্রিন টি চেনার উপায় নিয়ে শেষ মন্তব্য 

আসল গ্রিন টি চেনার উপায় নিয়ে ইতিমধ্যে আপনাদের সামনে যে বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছি, তা দেখে আপনি নিশ্চিন্তে আসল গ্রীনটি নির্বাচন করতে পারবেন। উপরে যে উল্লেখিত প্রক্রিয়া গুলো দেখার কথা বলা হয়েছে তা আপনি দেখে সেই অনুযায়ী পরীক্ষা নিরীক্ষা করবেন। কারণ বর্তমানে বাজারে গ্রিন টি ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

বর্তমানে গ্রিন টির দাম এবং গ্রিন টি বিষয়ে মানুষের অনেক আগ্রহ এবং এ বিষয়ে মানুষ বিভিন্ন উপকারিতা পায়। আপনি যদি গ্রিন টি খাওয়ার মাধ্যমে বিশেষ কিছু উপকারিতা পেতে চান তাহলে উল্লেখিত উপায় গুলো দেখুন। আসল গ্রীন টি চেনার উপায় থেকে জেনে সেই অনুযায়ী ব্যবহার করুন। এছাড়া আপনি অনেক কার্যকরী চা বানানোর উপায় শিখতে পারবেন আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে যা আপনার উপকারে আসবে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url